Recent Updates Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাফে লাতে 7:22 am on February 4, 2016 Permalink | Reply  

    গরম আসার অনেক আগেই বাড়িতে নিয়মিত জলের যোগান নিয়ে অতি নাজেহাল হচ্ছি। অনেকদিন পরে সমস্যাটা হল। সকাল থেকে ওৎ পেতে বসে থাকতে হচ্ছে- কখন পাম্প চালায়, কখন জল ভরা যায়…জলদস্যু হয়ে ওঠার উপক্রম।
    অনেকদিন পরে হেমলতা হোস্টেলের কথা মনে পড়ছে। ১৬, অনাথ দেব লেন, কলকাতা -৬।আজ থেকে বছর ২২ আগে, সেখানে আমাদের সারা সন্ধ্যেটা কেটে যেত পরের ২৪ ঘন্টার জলের ভাঁড়ার এবং যোগান রাখার জগঝম্পে। পড়াশোনা সব চুলোয় যেত। মাঝে মাঝে জানতে ইচ্ছা হয়, সেখানে কি এখন ও আগের মত জলের সমস্যা আছে?

    #musingsMR

     
  • ক্যাফে লাতে 11:03 am on January 21, 2016 Permalink | Reply  

    গতকাল একটা নতুন জাপানি শব্দ শিখেছি। সেটা আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। শব্দটা হল ‘হাফু’। জাপানে মিশ্র জাতির ( bi-racial)ছেলেপুলেদের ‘হাফু’ বলে অভিহিত করা হয়, আর শব্দটা এসেছে ইংরেজি ‘হাফ’ (half) থেকে। Half Japanese হলেই ‘হাফু’। ভেবে দেখলাম, আমাদের এখানে যে সব দোকানে এখনো হাফ প্লেট চাওমিন, বা হাফ বিরিয়ানি বিক্রি করে, তারা ‘হাফু’ শব্দটা অনায়াসেই ব্যবহার করতে পারে। এই প্রসঙ্গে আরেকটা শব্দের কথাও বলি- ‘পিঙ্কু’ ; একদা জাপানে যে সব সিনেমায় যথেষ্ট পরিমাণে নগ্নতা দেখান হত, সেগুলিকে বলা হত ‘পিঙ্কু’ , যে শব্দটা এসেছে ইংরেজি pink flesh (অনাবৃত নরম চামড়া বোঝাতে ) থেকে; শব্দটা প্রায় বছর ১৭-১৮ আগে থেকেই জানি, সেই জাপানি সিনেমা নিয়ে পড়াশোনা করতে হয়েছিল কোন এক সময়ে, সেই সময় থেকে। তারপর থেকে বেশ কিছুদিন কারোর ডাকনাম পিঙ্কু শুনলেই বেশ মজা লাগত। বন্ধুবান্ধব দের মধ্যে কারোর ডাকনাম পিঙ্কু হয়ে থাকলে আবার রেগে যেও না বাপু। সত্যি বলছি না মিথ্যে, উইকিপিডিয়া খুলে মিলিয়ে নাও।

    এই প্রসঙ্গে আরো একটা শব্দ মনে পড়ল -‘হাহামোনো’ , যেটার মানে মোটামুটি সর্বংসহা দুঃখিনি মাতা; বাংলা সিনেমায় সন্ধ্যারানী আর হিন্দিতে নিরূপা রায়কে মনে করলে হাহামোনো শব্দটাকে খানিক আন্দাজ করা যাবে। ১৯৫০ এর দশকে হাহামোনো ধরণের প্রচুর সিনেমা জাপানে তৈরি করা হত।

    এখন যদি প্রশ্ন কর, আমি হঠাৎ ‘হাফু’ তে গিয়ে পৌঁছলাম কি করে, সেটা বলা খুব মুশকিল। নেটে এটা-সেটা কিসব যেন খুঁজতে খুঁজতে জানতে পারলাম গতবছর নাকি বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় জাপানের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে গেছিলেন আরিয়ানা মিয়ামোতো নামের এক তরুণী, যাঁর মা জাপানি এবং বাবা কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান হওয়ার দরুণ মেয়েটি চোখে মুখে যথেষ্ট জাপানিভাব থাকলেও গায়ের রঙ বিশুদ্ধ জাপানিদের মত যথেষ্ট সাদা/ ফর্সা/হলদেটে ইত্যাদি নয়, বরং একটু কালোর দিকে। তাই জাপানি জনসাধারণের নাকি ব্যাপারটা মেনে নিতে খুব অসুবিধা হয়েছিল। ‘মিস জাপান’ খেতাবটা কেন একজন ‘হাফু’ জিতে নিয়ে বিশ্বের দরবারে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চললেন, সেইটা সুশি-সাশিমির সাথে হজম হয়নি…খুব নাকি বাদ প্রতিবাদ হয়েছিল…

    ‘মেরানিন’ আর ‘মেরাতোনিন’ -এর এই রংবাজির হাত থেকে কারোরই নিস্তার নেই দেখছি। #musingsMR

     
  • ক্যাফে লাতে 10:07 am on January 21, 2016 Permalink | Reply  

    #musings
    আগের বারে পড়েনি
    এবার পড়বে নিশ্চয়

     
  • ক্যাফে লাতে 11:15 am on December 19, 2015 Permalink | Reply  

    গত হপ্তা দুয়েক আগে লোকাল ট্রেনে চেপে এট্টু বেড়াতে গেছনু। বেশি দূরে নয়, কাছাকাছিই। হাওড়া থেকে ঘন্টাখানেকের দূরত্বে। এই ছোট্ট গপ্পোটুকু সেই বেড়ানো নিয়ে নয়। যাওয়া আসার পথে তিনখানি ব্যাপার লক্ষ করলাম, ভারতীয় ( নাকি পূর্ব ভারতীয় ) রেলের দুনিয়ায়।

    লক্ষ্যনীয় ১) যে লোকাল ট্রেন ফিরলাম, সেটার রঙ আর সবুজ হলুদ নাই।( হলুদ আর খয়েরি মনে হয় ছিল, স্টেশনে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই হুশহুশ করে এসে গেছিল বলে ভাল করে লক্ষ্য করা হয়নি )। যাইহোক, দেখলাম কামরার ভেতরে দিব্বি সুন্দর সাদা-নীল বসার সিট হয়েছে , ভারতীয় পরম্পরার নিয়ম মেনে সেই সিটের ওপরের পরতগুলিকে খুঁচিয়ে -টুচিয়ে তুলেও ফেলা হয়েছে; দরজার পাশে যে বিচ্ছিরি জেলখানার মত জালি থাকত, তার বদলে সুন্দর অ্যালুমিনিয়াম/স্টীলের গ্রীল। আর দেখলাম মেট্রো রেলের কামরার মত পুরো রাস্তার ম্যাপ দেওয়া, স্টেশনের নাম সমেত। জংশন স্টেশন থেকে যে অন্যান্য দিকে লাইন গেছে সেগুলির ছবিও দেওয়া আছে। বেশ ভাল। বেশ অনেকদিন পর লোকাল ট্রেনে চাপলাম, তাই এটাও দেখলাম ট্রেনের দুই মাথায়, ইঞ্জিনের পরে পরেই দুটি মহিলা কামরা। আগে এরকম দেখিনি।

    লক্ষ্যনীয় ৩) তিনে যেটা লেখার কথা সেটা আগে লিখি, কারণ দুই নম্বরটা বেশি ‘ধামাকাদার’। হাওড়া স্টেশনে নেমে দেখলাম, আমাদের প্ল্যাটফর্মের বেশ খানিকটা জায়গা ঘিরে দেওয়া হয়েছে। তার ভেতরে দাঁড়িয়ে জনা তিন চারেক লোক বিশাল লম্বা লম্বা ঝুলঝাড়ু দিয়ে প্ল্যাটফর্মের ছাদের ঝুল ঝাড়ছে। zeবনে এই পেত্থমবার এহেন দ্রেশ্য দেখলাম ! দেখে হাঁ হয়ে গেছি। আমার মুখেই যে চাট্টি পাখির বাসা থেকে খড়-টর খসে পড়েনি, তাই অনেক।

    লক্ষ্যনীয় ২) এইবার দুই, যেটা আগে আসার কথা ছিল । এটা সবথেকে বেশি বিপজ্জনক, না লজ্জাজনক, না হাস্যকর , না দুঃখজনক , জানি না। আমার কাছে যে যথেষ্ট বিস্ময়-উৎপাদক ছিল, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই ! ‘লেডিস ‘ কামরা থেকে নেমে হাঁটতে হাঁটতে খেয়াল করলাম যে, আমি যে ট্রেনে এলাম, সেই ট্রেনের বেশ কিছু সাধারণ /জেনার‍্যাল কামরার গায়ে লেখা আছে –

    ” মাতৃভূমি লোকালে এই কামরায় পুরুষ যাত্রী প্রবেশ করতে পারবেন! ”

    আর কিছু বলব না, থুড়ি, লিখব না।

     
    • Banglapress 1:24 pm on January 6, 2016 Permalink | Reply

      খারাপ না ভালোই। লোকটার লেখার যোগ্যতা আছে বলতে হবে। তিনি যেন উত্তোরত্তর উন্নতি করতে পারেন।

  • ক্যাফে লাতে 5:35 am on November 23, 2015 Permalink | Reply  

    আগে জানতাম জগদ্ধাত্রী পুজো মানে চন্দননগর। এবছর থেকে জানলাম জগদ্ধাত্রী পুজো মানে পাড়া-বে্পাড়া-অলি-গলি-চলি-রাম-ফুটপাথে ধূমধাম…

    গতকাল রাতের দিকে বাড়ি ফেরার সময়ে কুড়ি মিনিটের পথে গোটা দশেক ‘বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা’ সহকারে জগদ্ধাত্রীকে ভাসানে যেতে দেখলাম। তাঁরা সবাই সাইজে স্ট্যান্ডার্ড সরস্বতী বা কালীর মত, একমাত্র মুখের তুলনায় বড় পটলচেরা চোখেই বোঝা যাবে ইনি জগদ্ধাত্রী। আন্দাজ করছি, যারা দুর্গাপুজো বা কালীপুজো করার মত ফান্ড যোগাড় করে উঠতে পারেনি, কিন্তু ব্যান্ডপার্টি সহযোগে ভাসান ড্যান্স আর লাল পাড় সাদা শাড়ি পড়ে সিঁদুর খেলাটা জরুরী— তারা এবার থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো করতে শুরু করল।

    বাঙালির নাকি হাতে কাজ নেই, রাতে ঘুম নেই, পকেটে পয়সা নেই, বছর বছর ডি এ বৃদ্ধি নেই, রাজ্যে শিল্প নেই, নভেম্বরে ঠাণ্ডা নেই…চারিদিকে শুধু নেই-নেই-গেল-গেল রব…কিন্তু সেই সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি বিশ্বকর্মা পুজো থেকে ধরলে এই নভেম্বরের মাঝামাঝি পেরিয়ে গাদাগুচ্ছ টাকা খরচা করে সাতদিন অন্তর সাতদিন ধরে উৎসবের ও দেখছি শেষ নেই ! – বিশ্বকর্মা, গণেশ, দুর্গা, লক্ষ্মী, কালী, কার্তিক, জগদ্ধাত্রী…( মাঝে ছট্‌, ঈদ, মহরম্‌ ইত্যাদি তথাকথিত ‘মাইনরিটি’ পালা-পার্বণ উপলক্ষ্যে ছুটি পাওয়া এবং সেই কারণে মহানন্দে মাল খাওয়া আর ধরলামই না )

    টানা দুই মাস ধরে ছোট-বড়-মেজ-সেজ বিবিধ মোচ্ছব চালিয়ে, ভাসান ড্যান্স দিয়ে , কাজে -অকাজে ছুটি বাগিয়ে চলতে থাকব, আর দিনের শেষে বলব- সব ব্যাটা শিল্পপতিগুলো ‘সংস্কৃতিমনস্ক’ বাঙালির বিরোধীপক্ষ, তাই এখানে কাজ নেই…এইভাবে আর কতদিন চলবে বাপু?

     
    • Satil 4:30 pm on December 2, 2015 Permalink | Reply

      একই দিন আমিও কলকাতায় ছিলাম, বাংলাদেশ থেকে প্রথমবার গিয়েছি। জগদ্ধাত্রী পুজো প্রথমবার দেখলাম, তবে চিৎকার-চেচামেচিতে টেকা ছিল দায়!

    • Satil 1:58 pm on December 5, 2015 Permalink | Reply

      আমিও দেখেছি, প্রথমবার কলকাতা গিয়ে। এত হৈচৈ যে কান পাতা ছিল দায়!

  • ক্যাফে লাতে 5:28 pm on November 2, 2015 Permalink | Reply  

    আজ সারেগামাপা অসাধারণ এক ঘটনা দেখাল। স্টেজে সৌম্য গান গাইছে ‘লেগেছে লেগেছে আগুন…’ আর সেই সৌম্য ই আবার অন্যান্য প্রতিযোগিদের সাথে দাঁড়িয়ে হাততালি দিচ্ছে!!! এক ই সাথে দুজন সৌম্য।

    সবাই কত্ত কত্ত কত্ত আনন্দ পাচ্ছে আর একে অপরকে সাপোর্ট করছে বোঝাতে গিয়ে কি কেলো!

    #zeebangla_saregamapa

     
  • ক্যাপাচিনো 3:41 pm on October 22, 2015 Permalink | Reply  

    বছর পাঁচেক আগের কথা। কার্ডিফে থাকাকালীন একবার বাড়ি বদলাচ্ছিলাম। বিয়ের পরপর প্রথম আমাদের নিজেদের সংসার বলতে ছিল কার্ডিফের নেভিল স্ট্রিটের ঐ ফ্ল্যাটটাই – অনেক স্মৃতি জড়িয়েছে। ঘরদোর মোটামুটি পরিষ্কার করে টিনা ফিরে গেছে দেশে। আমি বাড়িটা ছাড়ার আগে শেষবারের মত দেখছি কোথাও কিছু পড়ে আছে কিনা।

    এমন সময় টেবিলের তলায় দেখলাম একটা বেলুন। এতদিন পরেও মনে থাকার কথা নয়, কিন্তু থাকার কারন হল সেটাকে ফোলান হয়েছিল কিছু না হলেও মাস তিনেক আগে। শীতের দেশ বলে কি না জানি না – কোনও এক কারনে সেযাত্রা বেলুনটা টিকে ছিল। যাইহোক, গল্পটা বেলুন নিয়ে নয়, পুজো নিয়ে। টাইমলাইন ঘেঁটে পুজো অনেকবারই হয়েছে, কিন্তু দশমীর দিনে ঠাকুর ভাসান হয়নি এটা বোধহয় আমি আগে দেখিনি।

    আজকে সেই বেলুনটার কথা মনে পড়ছে – যেন সারা বছর ধরে কত সাধ আহ্লাদ করে পুজোর কটা দিন আনন্দে কাটাব বলে বেলুনটা ফুলিয়েছিলাম। এখন পুজোর সময় শেষ, অথচ সেই জমান আনন্দটুকু আটকে পড়ে আছে বেলুনের মধ্যে। বিজয়া না বিসর্জন, বিসর্জন না বিজয়া এই টানাপোড়েনে মা আটকে থাকবেন আরও কয়েকটা দিন। আর আনন্দের বেলুনটা চুপসে আসবে একটু একটু করে।

     
  • ক্যাফে লাতে 1:55 pm on October 13, 2015 Permalink | Reply  

    ফেসবুক দিন কে দিন আরো চালাক হচ্ছে না আরো বোকা হচ্ছে বুঝতে পারছি না। বেশি intuitive হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে ঘোল খাচ্ছে মনে হয়।

    আমি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করা একটা লিঙ্ক , অন্য একটা গ্রুপে শেয়ার করলাম; বোকাটা আমাকেই মেসেজ অ্যালার্ট দিচ্ছে – Mahasweta Ray shared you link !

    এরেই কয় ডিজিটাল জীবন।

     
  • ক্যাপাচিনো 4:23 am on October 7, 2015 Permalink | Reply  

    ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্সে দাঁড়িয়ে আছে দুজন। আড়চোখে মেপে নিলাম একবার – এগ ডেভিল আর ফিশ ফিঙ্গার। এরা কোন সমস্যাই নয়। সমস্যাটা হচ্ছে চকোলেট কেকের মত একটা সাংঘাতিক ডিঅ্যাপিটাইজার, যেটা জন্মদিনের পারফরম্যান্স কমিয়ে দেয়। ওদের কাটিয়ে গেলাম অবলীলাক্রমে। মাঝমাঠে পোলাও – শুধু পোলাও তো না মূর্তিমান কোলেস্টেরল যমদূত ঘি চপচপ করছে। এখানে কোন ট্যাকটিক্স খাটবে না – পুরোটাই পাওয়ার প্লে। মাঝে মাঝে স্যালাডের হালকা ড্রিবলের সাথে মাটনটাকে নামিয়ে নেওয়া। পেনাল্টি বক্সের বাইরে স্টার ডিফেন্ডার – পায়েস। গোবিন্দভোগ চালের মধ্যে হালকা গুড়ের স্বাদ। প্রচন্ড ক্যালকুলেশন দরকার এই জায়গায়। তার পরেও দুজন বক্স আগলে বসে – চকোলেট মিষ্টি আর পান্তুয়া। তাবড় তাবড় খেলোয়াড় হার মেনে গেছে এদের সামনে। কিন্তু গোলকিপার – আহা দই ব্যাপারটা শেষপাতে মাখন। শেষে একটা সিগনেচার ঢাকুর। আহ – মাঠে নেমে সবাইকে একা কাটিয়ে গোল দেওয়া, সে কি আর চাট্টিখানি কথা?

    জন্মদিনের স্মৃতি’১৫

     
  • ক্যাপাচিনো 7:14 pm on October 5, 2015 Permalink | Reply  

    অনেক দিন আগের কথা – অপিসে চারটি এক্কেবারে নগন্য, নাট্যে উপেক্ষিত শ্রমিক ফ্লোরের এক্কেবারের কোনায় বসতাম। আমাদের গ্রুপের নাম দিয়েছিলাম – সিডিজি অর্থাৎ কিনা কর্ণার ডিজাইন গ্রুপ। আমাদের কাজ, গল্প আড্ডা সবই ঐ চারজনের মধ্যে। এর মধ্যে একবার আমার জন্মদিন আসতে কিন্তু কিন্তু করছি। সব্য জিজ্ঞেস করল, ‘কি হয়েছে অভ্র’দা?’
    বললাম, ‘এই যে বয়স বাড়ছে, জন্মদিন পালন করা আমার ঠিক পোষায় না। ‘
    সব্য অম্লানবদনে বললে, ‘খুব সহজ সলিউশন। এখন কাউকে বয়স জিজ্ঞেস করলে বলবে থার্টি প্লাস। চল্লিশ হলে তখন আবার বয়সটা বলবে। টকিং অ্যাবাউট এজ ইন ইয়োর থার্টিজ ইজন্ট কুল, ইউ নো।’
    সেই হিসেবে আমি থার্টি প্লাস। দুদিন ধরে জন্মদিন পালন করবে, বলে রুপু উঠে পড়ে বসেছে। বায়না করে কেক এনেছে, মোমবাতি, টুপি এইসব। কিন্তু যাবতীয় হইচই করার পরেও জন্মদিন পালন করার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে সে পুরো ম্যাজিকের মত ঘুমিয়ে পড়ল। কেক পড়ে রইল। মনে মনে বললাম, থাক, জন্মদিনটা ঠিক আমার নয় – রুপুর ড্যাডির।

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel