Tagged: সমালোচনা Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 10:18 pm on May 10, 2014 Permalink | Reply
    Tags: সমালোচনা,   

    রয়েল বেঙ্গল টাইগার – রিভিউ 

    নতুন বাংলা সিনেমা দেখলাম – রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। আসলে পরপর কিছুদিন বাংলা সিনেমাই দেখছি। মানে ধুম / ক্রিশ এই জাতীয় কয়েকটা সিনেমা দেখার পর আর হিন্দি সিনেমার সামনে যেন বসা যাচ্ছে না। তাই ভাবলাম লারে লাপ্পা, ঝারে ঝাপ্পা সিনেমা যদি দেখতেই হয়, তাহলে বাংলাই দেখি বরং। বেচারারা সিনেমা গুলো তো করছে দেখার জন্যই। তবে মানতে বাধ্য হচ্ছি, প্রচন্ড বাজে কিছু লিরিক্স আর বেসামাল কিছু সংলাপের সঙ্গে মানিয়ে নিলে অসুবিধের জায়গা বড় একটা নেই। এই নিয়ে একটা পোস্ট আগেই দেব ভেবেছিলাম, কিছুটা কুঁড়েমি এবং কিছুটা সময়ে অভাবে আর দেওয়া হয়নি। আমার বন্ধুমহলে অনেক দক্ষিন ভারতীয় – তারা তো দিব্যি নিজেদের মশালা ফিল্ম তারিয়ে তারিয়ে দেখে – আর আমাদেরই বা দোষ কোথায়।

    যাইহোক, সিনেমার কথায় ফিরে আসি। বেশ টানটান ঝকঝকে সিনেমা, কোথাও ঝুল নেই। অভিনয়েও সেরকম ফাঁক ফোকর নেই। একজন গলাধাক্কা খাওয়া, ভীতু, লাজুক মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো নিয়ে গল্প। একজন মধ্যবিত্ত বাঙালি যুবক সমস্ত সমস্যা থেকে বাঁচতে তার এক বন্ধুর সাহাজ্য চায়। বন্ধুর কথায় লাভ হয়ও, এক এক করে সমস্যার জাল কাটতে থাকে। এরকম থিমে হয়তো একশো সিনেমা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে, কিন্তু এখানে যেটা নতুনত্ত, তা হল স্প্লিট পার্সোনালিটি বা মাল্টিপল সাইকোলকজি ডিসঅর্ডার। এক সময়ে তৈরি ফাইট ক্লাবের মত কাল্ট সিনেমার ছোঁয়া কিছুটা আছে বলতে হবে। হিন্দিতে লাগে রহো মুন্নাভাই বা কার্তিক কলিং কার্তিক হালফিলে তৈরি হলেও – বাংলায় কিন্তু এই বিষয় নিয়ে সিনেমা আগে হয়েছে বলে দেখিনি। শেষে দেখা যায় বন্ধুটি আদপেই কাল্পনিক চরিত্র। সমস্যাটা সেখানেই।

    আবীর অনেক সিনেমাতেই ভালো অভিনয় করেছেন, নতুন করে কিছু বলার নেই। কিন্তু জিতের মত স্টার বাঙালি নায়ক পার্শ্বচরিত্রে এত সুন্দর মানিয়ে যাবেন ভাবিনি। সিনেমাটি না দেখে থাকলে দেখতেই পারেন। যদিও আমি গল্প বলে দিলাম অনেকটাই, তবুও। আমারও তো ফাইট ক্লাব গুলে খাওয়া ছিল, তার ওপর মিশির আলির ভক্ত, তাও –

     
    • shadman 6:37 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      ধন্যবাদ আপনার রিভিউয়ের জন্য 🙂

    • yournewsbd 10:59 am on June 4, 2014 Permalink | Reply

      সব কিছু মিলিয়ে কলকাতা বাংলা সিনেমাগুলো খারাপ না। একটু একটু করে পরিবর্তন হচ্ছে।

  • ক্যাপাচিনো 10:57 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply
    Tags: সমালোচনা   

    বিশ্বরূপম 

    আজকাল হলিউডি সিনেমা দেখে ভারতীয়দের একটা লাভ হয়েছে। হঠাত হঠাত করে সিনেমায় দুনিয়ার অন্যান্য দেশ ও তার কূটনীতি চলে আসছে। একটা নতুন সিনেমা দেখলাম – বিশ্বরূপম, সেই প্রসঙ্গে বলছি। এখানে নায়ক একজন র'(রিসার্চ ও অ্যানালিসিস উইং) এজেন্ট, যিনি কিনা আফগানিস্তানে বিরাট ভূমিকা নেন আমেরিকান আক্রমনের সময়, তারপর আমেরিকায় একটি পরমানু আক্রমনকে বিফল করেন।

    কমল হাসানের এই ছবিটা বলতে গেলে আমার ভালোই লেগেছে – বিশেষ করে ফ্ল্যাশব্যাকে আফগানিস্তানের দৃশ্য, চরিত্রায়ন বেশ জমাট। আর সবচেয়ে বড় কথা বিশ্বাসযোগ্যও। পরে আমেরিকার অংশে কিছু ভুলচুক আছে (নায়িকা কাকে বিয়ে করলেন গ্রিনকার্ডের জন্য, যাকে কিনা ঠিক করে চেনেনই না, বসের সাথে তাঁর পরকীয়া রোম্যান্স, ছদ্মবেশে র’ এজেন্ট কমল হাসানের মেয়েলি স্বভাবের পুরুষ হওয়া – এসব ঠিক জমেনি)। তবে হ্যাঁ গল্পের কয়েকটি জায়গা – যেমন কি করে একটি উন্নত দেশে পরমানু বোমা তৈরি হল, কি করে সবার নজর এড়ান গেল – আর সেখানে গাইগার কাউন্টারকে বোকা বানাতে পায়রার পায়ে রেডিও অ্যাকটিভ পদার্থ বেঁধে শহরের চারপাশে উড়িয়া দেওয়া – এই বিষয়গুলো বেশ অভিনব। ভিলেনের চরিত্রে রাহুল বোসের অভিনয় নজর কাড়ার মতই।

    কদিন আগে অনেকটা একই রকম সিনেমা দেখেছিলাম – এজেন্ট বিনোদ। সে যত না সিনেমা – সার্কাস তার চেয়ে বেশি। তবে ভারতীয় সিনেমায় এই সবে সবে নায়কেরা সর্বশক্তিমান আন্তর্জাতিক এজেন্ট হচ্ছেন কিনা, তা প্রথম প্রথম একটু ভুলচুক তো হবেই। কি বলেন আপনারা? কদিন বাদে আবার না দেব, জিৎ কে না দেখি। সেটা অবশ্য হজম করা মুশকিল হবে।

     
  • ক্যাপাচিনো 10:12 pm on January 19, 2014 Permalink | Reply
    Tags: সমালোচনা,   

    মিশর রহস্য রিভিউ 

    কাকাবাবু দেখলাম। দেখে একটা কথাই বার বার মনে হচ্ছে – সৃজিত, আপনি ধন্য। কাকাবাবুর গল্পগুলো বোধহয় কোনদিনই ঠিক করে পড়েন নি। সিনেমার খাতিরে গল্প এদিক ওদিক করলেন, সে কথা আলাদা। কিন্তু তাই বলে লোকটাকে আমূল বদলে দিলেন? চুলে হেয়ার ডাই, হাতে আইফোন, টুইট করা অবধি তাও ঠিক ছিল। কিন্তু পা খোঁড়া বলে আক্ষেপ? যতদুর জানি – সেটা কোনদিনই কাকাবাবুর ছিল না। আর সেই নিয়ে লোককে খোঁচা দিয়েও তিনি কোনদিন বলেন নি। মেক-আপ নেওয়া মানুষটাকে যতটা প্রসেনজিত মনে হয়, কাকাবাবু একেবারেও মনে হয় না – আর এটা প্রথম আবির্ভাবে কাকাবাবুকে দিয়ে বাসের সিট ছেড়ে দেওয়া অল্পবয়সী যুবক কে প্রতিবন্ধী বলান’র পরেই কেমন যেন হারিয়ে যায়। গোটা সিনেমা দেখতে দেখতেও সেই আক্ষেপ যায় না।

    কাকাবাবু কৈশোরের একটা বড় জায়গা জুড়ে ছিলেন। সৃজিত আরেকটা বাজে সিনেমা বানান তাতে কিছু যায় আসে না – কিন্তু ঐ জায়গাটায় যেন হাত পড়ল। কাকাবাবু একদিনের জন্যেও অহঙ্কারী ছিলেন না। সবাইকে স্নেহ করতেন। কোনদিন ঠিক করে অপরাধীদের শাস্তিও দিলেন না ঐ মমতার কারনেই। সেটা যদি পরিচালক না বুঝে থাকেন – তাহলে কিছু করার নেই।

    সিনেমার সবটুকু ঝকঝকে। সন্তু ফটফটে স্মার্ট – সে বাইক চালায়, এক ডাকসাইটে সুন্দরীর সাথে প্রেম করে। ব্লুটুথে তাকে কথা বলতে দেখা যায়। সার্কোফেগাস কথাটা নাকি হিস্ট্রি চ্যানেল না দেখলে শেখা যায় না। বাংলা সিনেমা মিশরে দৌড়য় -উটের পিঠে চড়ে। কিন্তু এত করেও শেষরক্ষা হল না কেন? সিনেমাটা দেখার পরেও একটা বড় শূন্যতা থেকে যায়। তবে সিনেমা হিট – তাই বেশি ইট – পাটকেল খাওয়ার ভয়ে আর লিখলাম না। সোনার কেল্লা চলতে থাকলে এখনও যেন টিভি ছেড়ে ওঠা যায় না। তবে কিনা যুগোপযোগী হয়ে হাততালি দেওয়াই ভালো।

     
    • স্মৃতিলেখা চক্রবর্ত্তী 2:14 am on January 20, 2014 Permalink | Reply

      ধ্যুশ! ওটা কোন সিনেমা হয়েছে? ১টা সিন থেকে আরেকটা সিনে যেন যেতে হয় বলেই যাচ্ছে। গল্পে কোন গতি নেই, অত্যাবশ্যকীয় নাটকীয়তা নেই; টানটান উত্তেজনা তো নেইই, এটা কোন থ্রিলার হয়েছে?
      আর বাংলা? কেউ বাংলা বলছে, কেউ ইংরেজি, কেউ হিন্দি! কেন? ভয়েস ওভার দিয়ে গোটা-টা বাংলায় করলে কি খুব ক্ষতি হত! সুনীল গাঙ্গুলি-কে তো গল্পটা লেখার সময়ে ৩টে ভাষাকে টেনে আনতে হয়নি! তাহলে ওগুলো কি “আমি জানি”, এটা বোঝাতে?
      আর মিশর? ওটা তো পুরো ভিখিরিপনা! পয়সা খচ্চা করে মিশর গ্যাছে মানে টেনেটুনে সব দ্যাখাতে হবে? বালির ঝড়, উটের দৌড়, পিরামিড, আদিবাসী নাচ! পরিচালক-দের কি বাদ দেওয়া উচিত; সেইটা এই সিনেমা দেখে ভালই শেখা যায়।

    • ক্যাফে লাতে 4:39 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

      ভাগ্যিস পয়সা খচ্চা করে হলে দেখতে যাইনি।
      আমার এক ভাই পুজোর সময়ে দেখতে গেছল। এসে নানা রিভিউ দিল। সেগুলির মধ্যে সবথেকে হাস্যকর(এবং বিরক্তিকর) ছিল, কাকাবাবু নাকি সন্তুকে নির্দেশ দিয়ে কোন একটা চিরকুট পাঠিয়েছেন। তার শেষে পুনশচ দিয়ে লেখা – বৌমা কেম আছে? বা ওই গোছের কিছু…কথাটা কি ঠিক? যদি ঠিক হয়, তাহলে কি সাঙ্ঘাতিক !!

      • ক্যাপাচিনো 7:02 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

        আরে ঠিক মানে এক্কেবারে ঠিক। তাও আবার কিডন্যাপড হওয়ার পর। মানে ব্যাপারটা যাস্ট নেওয়া যাচ্ছিল না আর কি – এদিকে তার একটু আগেই কন্যে ছিলেন কলকাতায় (সন্তু তার জন্য সকালে উঠত, বিকেলে বাইক নিয়ে রন্দেভুতে যেত)। কন্যেটি তো সন্তুকে বাড়ির ছাতে প্রায় একটা চুমুই খেয়ে ফেলছিলেন যদি না ঠিক মুহুর্তে কাকাবাবুর ফোনটা আসত। এদিকে কাকাবাবুরা যখন মিশরে এলেন (দু-তিন দিনের ব্যবধান) জানা গেল কন্যে তার দিদি-জামাইবাবুর মিশরে পড়াশুনো করেন। স্থান কাল পাত্র নিয়ে অনেক সংশয়।

        আর শুনেছি আই এ এস পাশ করতে এলেম লাগে। তার ওপরে প্রথম দিকের র‍্যাঙ্ক থাকলে তবে ফরেন সার্ভিসে পাওয়া যায়। তা সেরকম লোক কি করে এত হ্যাবলা গোবলা হয় কে জানে। এই চরিত্রটি বইতে ছিল? ঠিক মনে নেই – অনেক দিন আগে পড়েছি মিশর রহস্য।

        স্বস্তিকা কাকাবাবুর জন্য গুছিয়ে রান্না করল – ওদিকে কাকাবাবুকে কিডন্যাপ করা হয়েছে শুনে (সেই একই দিনের ঘটনা), সে বলল, বাড়িতে নাকি রান্নাবান্না হয়নি – হোটেলে বসে ক্যাভিয়ার খেতে হবে।

        শেষ দৃশ্যে কাকাবাবু যখন বোরখা পরিহিত হানি আলকাদিকে কোলাকুলি করে গুপ্তধনের হদিশ দিচ্ছেন – তখন দূর থেকে সন্তুরা ভাবল কাকাবাবু বোধহয় কোন মহিলাকে – আর কাকাবাবুও একটু আগেই বলেছেন যে তিনি খোঁড়া পায়ের জন্য বিয়ে করতে পারেন নি। সেই সম্ভাবনাকে প্রশ্রয় দিয়ে তিনি কোলাকুলি সেরে এসে সন্তুদের কাছে ফিরে ইঙ্গিতপূর্ন হেসে বললেন – এরকম তো হতেই পারে। ভাবো একবার –

        তবে ভাগ্যিস কাকাবাবু মিশরে গেছিলেন। তাই না কায়রোতে বিপ্লবটা সফল হল। নাহলে তো ইতিহাসই ওলোট পালোট হয়ে যেত। এইটাই মনে হয় মিশর রহস্যের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

    • Rajrupa Gupta 2:14 pm on January 22, 2014 Permalink | Reply

      Ami dekhini! Tobe ja sunchi, dekhar iccheo khub ekta nei…. Kaka Babu khub priyo ekjon manush! Chhoto belar chena sei manush ta ke r notun kore nai ba chinlam.

    • Jobayer Hasan 3:40 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      হুম, দেখতে হবে।

  • ক্যাপাচিনো 2:13 pm on November 24, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , , সত্যান্বেষী, সমালোচনা,   

    সত্যের অন্বেষন ও ঋতুপর্ণ 

    এই পোস্টটা না লিখলেও চলত – বিশেষ করে মানুষটি যখন আর নেই। তবে আমি কখনও অকারনে ঋতুপর্ণকে নিয়ে কিছু লিখিনি বা বলিনি, তাই এটুকু লিখতেই পারি। গতকাল দেখলাম সত্যান্বেষী। গল্পটি অনেক কাল আগে অনেকবার পড়া থাকলেও বিশেষ কৌতুহল ছিল স্রষ্টার শেষ সৃষ্টি নিয়ে। বলতে বাধ্য হচ্ছি প্রচন্ড হতাশ হলাম।

    পরিচালক তো তাঁর স্বকীয়তা অবশ্যই রাখবেন – গল্পটা আমূল বদলে দিয়েছেন। তাও ঠিক ছিল। কিন্তু কতগুলো ব্যাপার মিলল না একেবারেই – সবার আগে যেটা বলব তা হল ব্যোমকেশের স্বভাবসিদ্ধ বুদ্ধির ঝলক যেন একেবারেই নেই। শরদিন্দু কেন – যে কোন গোয়েন্দা গল্পেই পাঠক যেটা সবচেয়ে উপভোগ করেন তা হল কাহিনীকার বা গোয়েন্দার সহকারীর সঙ্গে একটা দূরত্ত। এখানে ব্যোমকেশের চরিত্রে সেই ছোঁয়া যেন একেবারেই পেলাম না। কেন কে জানে? ব্যোমকেশকে ছাপিয়ে অজিতের কেমন একটা ওপরচালাক হওয়ার চেষ্টা। সেখানেই কেমন যেন হারিয়ে গেলাম গোয়েন্দা গল্পের মূল স্রোত থেকে। যে ব্যোমকেশের ছবি ভাসে শরদিন্দুর গল্প পড়লে, তার সাথে এর কোন মিলই নেই। সুজয় ও অনিন্দ দুজনেই প্রচন্ড বেমানান।

    ঋতুপর্ণ কয়েকটি রদবদল করেছেন, যা একরকম তাঁর ট্রেডমার্ক ছিল। এর মধ্যে বলবন্তপুর নামকরন ও রাজবংশের যোগাযোগটা মন্দ লাগে না। যেটুকু শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শুনতে পাই, তা মন্দ লাগে না। বাদবাকী চরিত্রেরা কেউই খারাপ অভিনয় করেন নি। লোকেশন দুর্দান্ত। সবই ঠিক ছিল – যদি প্লট মেলাতে গিয়ে অহেতুক যৌনতার প্রসঙ্গটুকু টেনে নিয়ে আসা না হত। কারন সেটুকু বাদে গল্পটি বরং বেশি উপভোগ্য ছিল। শরদিন্দুর ভক্ত মাত্রেই সেটা জানবেন।

     
    • ক্যাপাচিনো 1:14 am on December 11, 2013 Permalink | Reply

      ভাগ্যিস লেখাটা কেউ পড়েনি – সিনেমাটা একেবারেই দেখার মত না।

    • ক্যাফে লাতে 2:46 pm on January 3, 2014 Permalink | Reply

      লেখাটা পড়েওছিলাম, তারপরে ফিল্মটাও দেখার সৌভাগ্য (নাকি দুর্ভাগ্য) হল দুয়েক সপ্তাহ আগে কোন একটা টিভি চ্যানেলে। দেখে বড়ই দুঃখ হল। গল্পটা পরিচালক বদলিয়েছেন নিজের মত করে বলে শুধু নয়। এত অজন্ত ছবিতে ভরা…এত অপ্রয়োজনীয় তথ্য…সেগুলি কি, কেন, কি প্রয়োজন , কিছুই বোঝা গেল না। ঋতুপর্ণ ঘোষ যে ছবিটাকে একেবারেই মন দিয়ে করেন নি, সেটা প্রথম থেকে শেষ অবধি বোঝা যাচ্ছিল।

    • Smritilekha Chakraborty 2:16 am on January 5, 2014 Permalink | Reply

      ইস! আমি তো ফ্লিপকার্টে দেখতেই পাচ্ছি না; নইলে ফস করে কিনে দেখে ফেলতুম।

  • ক্যাপাচিনো 4:54 pm on September 15, 2013 Permalink | Reply
    Tags: সমালোচনা,   

    ভাগ মিলখা ভাগ 

    অবশেষে দেখলাম সিনেমাটি। কিছু কিছু অংশ দীর্ঘায়ত না হলে এক কথায় বলে দেওয়া যেত দুর্দান্ত। একটা গান দিয়ে লেখা শুরু করছি।

    অবশ্যই আপনারা জানেন এবং নতুন করে বলার নেই যে মিলখা সিং-এর আত্মজীবনীর ওপর তৈরি হয়েছে এই সিনেমাটি। যেটা বলার আছে তা হল অভিনেতা হিসেবে ফারহান আখতার অনবদ্য – অদম্য লড়াই, মানসিক টানাপোড়েন আর নিজেকে বারবার ভেঙে নতুন করে গড়ে তোলার চ্যালঞ্জ প্রমান করতে তিনি নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন বললে কম বলা হয় – অনেকটা রেস ট্র্যাকের শেষে ক্লান্ত অবসন্ন মিলখার মতই। অন্যান্য ভূমিকায় মিলখার দিদি (দিভ্যা দত্তা), ট্রেনার (প্রকাশ রাজ) এবং কোচকে (ওনার নামটা জানা নেই) – দারুন লাগে। ঘটনার প্রায় সবটুকুই ছোট ছোট ফ্ল্যাশব্যাকে। দেশভাগের তিক্ত স্মৃতি ও রিফিউজি ক্যাম্প, মিলিটারি ট্রেনিং অ্যাকাডেমি থেকে খেলোয়াড় মিলখার উত্থান আর সবশেষে ট্রেনিং-এর পর্বগুলি অসাধারন। পরিচালক হিসেবে রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরাকে শুধু ‘রং দে বসন্তি’ নয়, এই সিনেমার জন্যও মনে রাখা উচিত। ভাবতে ভালো লাগে যে চেন্নাই এক্সপ্রেসের পাশাপাশি এই ধরনের সিনেমাও এখন হচ্ছে।

     
    • এসপ্রেসো 4:38 pm on September 16, 2013 Permalink | Reply

      :hn দেখবো দেখবো করেও দেখা হয়নি, এবার ভাবছি দেখেই ফেলবো।

    • শনিবারের কফি 12:31 pm on September 24, 2013 Permalink | Reply

      রঙ দে বাসন্তী সেইরাম লেগেছিলো, এইটা দেখতে হবে…

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel