Tagged: সমসাময়িক Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • চাফি 8:33 pm on September 17, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , সমসাময়িক   

    আশারাম বাপুর খবরটি আশা করি আজকাল অনেকেই রাখছেন – যিনি যৌন নিগ্রহের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। আমার কপালে হাত উঠল তাঁর পক্ষের উকিল কি বলছেন তাই শুনে। তিনি আবার যে সে উকিল নন – দেশের অন্যতম বিখ্যাত ব্যারিস্টার পদবাচ্য রাম জেঠমালানি। তিনি বললেন – এ তো ঐ মেয়েটির দোষ যার জন্য সে পুরুষদের দিকে এগিয়ে যায়। অসাধারন – এই না হলে শিক্ষিত মানুষ। আমার বাড়িতেই তিন চার জন ঐ পেশার মানুষ রয়েছেন। তাই বলে মক্কেলের জন্য এতটা মিথ্যে কথা।

    খবরটা তুলে না ধরে পারছিলাম না

     
  • চাফি 8:28 pm on September 17, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আমেরিকা, বর্ণবৈষম্য, সমসাময়িক   

    আমেরিকা প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মিস আমেরিকাকে উগ্রপন্থী খেতাব দিল। নজরে পড়ল বলে খবরটা এখানে তুলে দিচ্ছি।

     
    • Smritilekha Chakraborty 3:40 am on September 25, 2013 Permalink | Reply

      বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ থাকতেই পারে; তবে নীনা যে সুন্দরী-শ্রেষ্ঠা’র শিরোপা জিতলেন, সে কেবল দেশটি’র নাম আমেরিকা বলেই। ভারতবর্ষে কালো মেয়ে-কে সুন্দরী ভাবা তো দূর অস্ত, ‘বিয়ের যুগ্যি’ বলে ভাবতেই বিস্তর বেগ পেতে হয়!

      • ক্যাপাচিনো 2:01 pm on October 4, 2013 Permalink | Reply

        কথাটা খুব একটা ভুল বলেন নি :sorry

  • ক্যাফে লাতে 3:21 pm on September 10, 2013 Permalink | Reply
    Tags: সমসাময়িক   

    ভবিষ্যদবানী 

    হ্যাঁ, আমি একটা ভবিষ্যদবানী করছি। একটা জনপ্রিয় বাংলা চ্যানেল কে নিয়ে। এরা , যে কোন কারণেই হোক, এদের বিভিন্ন সিরিয়াল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাগুলিকে ধরে ধরে সিরিয়াল করছে। আর করছে সেই সব জেলাগুলিকে ধরে, যেগুলির আপাতভাবে উন্নতি কম হয়েছে (কলকাতা এবং আশেপাশের জেলাগুলির তুলনায়)। সেইসব সিরিয়ালের নায়িকারা সব এক একটি সরল , সৎ কন্যে, তারা তাদের লোকাল অ্যাক্সেন্টে ভোকাল, আর সদাসর্বদা ফিউশন ফ্যাশনে সুসজ্জিতা। এরা সবাই কলকাতা শহরের সব ধনী বা উচ্চবিত্ত পরিবারের রূপবান, সফল, প্রতিষ্ঠিত ছেলেদের বিয়ে করছে, তারপরে বাংলা সিরিয়ালের থিওরি মেনে স্বশুরবাড়ীতে যথেষ্ট অপমানিত, লাঞ্ছিত হচ্ছে, এবং তারপরে যেভাবেই হোক না কেন, সেই শ্বশুরবাড়ীতেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে, স্বামী -শাশুড়ীর মন জয় করছে, এবং এইভাবেই মহানাগরিক জীবন স্রোতে মিলে মিশে যাচ্ছে।
    এই নিয়ে অনেক বড় তত্ব লেখা যেতে পারে, মিডিয়া এবং ফিল্ম নিয়ে যে সব ছাত্ররা পড়াশোনা করে তাদের ডিজার্টেশন পেপার হয়ে যেতে পারে। আমি সেদিকে এগোচ্ছি না। আমি ভবিষ্যদবানী করতে এসেছি, সেটুকুই করব। এই চ্যানেল পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, এবং নদীয়া ছুঁয়ে ফেলেছে। সম্প্রতি ঢুকেছে মুর্শিদাবাদে। আর কিছুদিন অপেক্ষা কর – বছর ঘুরতে হবে না, মালদা-দুই দিনাজপুর হয়ে দার্জিলিং ছুঁল বলে 🙂 আমরা খুব শিগগির চা বাগানের পটভূমিকায় কোন মিষ্টি দেখতে নেপালি /খাসি/গারো মেয়ের সাথে রাজধানী কলকাতার কোন হ্যান্ডসাম ছেলের প্রেমের গল্প দেখতে পাব।

    দেখে নিও, এই ভবিষ্যদবানী মেলে কিনা !!

     
    • ভাঁড়ের চা 6:57 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

      ওপরের লেখাটা চ্যানেল কতৃপক্ষের নজরে পড়লে ? তাতেও ভবিষ্যৎবানীটা লাগু থাকছে ত’ ?

    • ক্যাপাচিনো 7:36 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

      ভাবছি আমিও এই ফাঁকে একটা ভবিষ্যতবানী করি যে এই সব সিরিয়াল তৈরি হওয়া বন্ধ হোক। যদি তাতে সমাজের কিছু উপকার হয়।

  • ক্যাফে লাতে 3:41 am on September 6, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মস্তিষ্ক, সমসাময়িক   

    ফরেন অ্যাকসেন্ট সিনড্রোম 

    আজ্ঞে হ্যাঁ! এটাও একটা অসুখ।
    এই মনে করুন আপনার খুব জোর অসুখ করল, আপনি কোমায় চলে গেলেন, অথবা খুব মাথা যন্ত্রনায় কষ্ট পাচ্ছেন, তারপরে জ্ঞান ফিরলে বা সুস্থ হলে দেখলেন আপনি হঠাত চীনা অথবা স্প্যানিশদের মত করে কথা বলছেন!! কি সাঙ্ঘাতিক কান্ড!!
    উইকিপিডিয়া বলছে এটা নাকি হয় মস্তিষ্কের ভেতরের অংশগুলির কাজের অসামঞ্জস্যের জন্য। সে তো কত কিছুই হয়। তাই বলে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে সেরে উঠে দেখব আমি জাপানিদের মত কথা বলছি, এটা কি ঠিক ?? 🙁

    আমার আবার ভয়ানক মাইগ্রেন!!

     
    • ক্যাপাচিনো 7:49 am on September 6, 2013 Permalink | Reply

      কি সাংঘাতিক। বেচারা চীনেরা অসুস্থ হলে কি হবে? ইঁদুর টিদুরের ভাষা বেরোবে না তো আবার?

  • ক্যাফে লাতে 11:54 am on September 1, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , সমসাময়িক   

    ভাষা হারাচ্ছি আমরা 

    একটা খবরে পড়লাম, গত পঞ্চাশ বছরে ভারতবর্ষ ২২০টা ভাষা হারিয়েছে!!

    এর মধ্যে বেশিরভাগই হল সেইসব ভাষা , যা মূলতঃ আদিবাসী বা যাযাবর মানুষেরা ব্যবহার করতেন। এইসব ভাষা গুলি যদি চালু থাক্ত, তাহলে দেশের ৪%-৫% মানুষ সেগুলি ব্যবহার করতেন। শতাংশটা শুনতে কম লাগছে, কিন্তু আসলে তা প্রায় ৫ কোটি মানুষের সমান!!

    ১৯৬১ সালের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে ছিল ১১০০ ভাষা। এখন যে এতগুলি ভাষা লুপ্ত হয়েছে তার একটা প্রধাণ কারণ সরকারের কিছু নীতি। এই বিষয়ে বিস্তারিত খবর বেরিয়েছে এই লিঙ্ক- এঃ
    http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2013-08-09/india/41237182_1_the-plsi-linguistic-survey-bhasha-research

    বাংলা ভাষাও বোধ হয় খুব দ্রুত ওই দলেই নাম লেখাবে, যদি না আমরা এখন থেকেই একটু সচেতন হই। হব কি??

     
    • ক্যাপাচিনো 7:09 pm on September 1, 2013 Permalink | Reply

      কি সাংঘাতিক – যে দেশের সরকার ভগত সিং কে শহিদ মানে না, সে দেশে তো এরকমটাই হবে।

    • ভাঁড়ের চা 3:05 pm on September 3, 2013 Permalink | Reply

      বাংলা ভাষার লোপাট হওয়া বোধ হয় একেবারে অসম্ভব নয়! আমরা যারা বিদেশে পড়তে বা বসবাস করতে যাই, তারা খুব শীঘ্রই বাংলা ভুলে যাই বা ভুলতে চেষ্টা করি। আর প্রবাসী বাঙ্গালী যাঁরা তাঁরাও বাংলা বিশেষ মনে রাখায় সচেষ্ট হন না। শহুরে এবং চাকুরে বাঙ্গালিরাও অনেক সময় ইংরাজি ব্যবহারে বাধ্য হয়ে বাংলা ভুলে যান বা ছেলে মেয়েদের ইংরাজি মাধ্যমে পড়াতে বাধ্য হন। সুতরাং শহরে বাংলার ভবিষ্যত খুব একটা উজ্জল নয়! তবে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখনও বাংলার ওপরই ভরসা করে। সরকারি কাজকর্ম বাংলায় বাধ্যতামুলক করলে ভরসাটা আরও পোক্ত হয়। ভাষাটাও আরও দীর্ঘজীবি হয় !

      • ক্যাপাচিনো 8:05 am on September 6, 2013 Permalink | Reply

        বাংলা ভাষার অবস্থাও খুব ভালো কিছু নয় বলেই আমার মনে হয়। আমার তো ঘোরতর সন্দেহ এই যে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে গেলে আমাদের মত কফিহাউজের কিছু লোকজনকে নিয়ে গিয়ে খাঁচায় পুরে না রেখে দেয়। :hammer

  • ক্যাফে লাতে 12:20 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply
    Tags: বিজ্ঞাপন, , সমসাময়িক   

    পুলিশ এবং রাখী 

    আইডিয়া একটি নতুন বিজ্ঞাপন দিয়েছে ঃ পুলিশ এবং পাবলিকের মধ্যে ভালবাসা বাড়বে রাখী বন্ধনের মাধ্যমে। সত্যিই কি বাড়বে? কি মনে হয়?

     
  • ক্যাফে লাতে 12:11 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply
    Tags: সমসাময়িক   

    কেমন মানুষ আমরা? 

    অনেকদিন ধরে একটা মজার পোস্ট দেব ভেবে রেখেছিলাম। কিন্তু আজকে সকালে এমন একটা খবর দেখলাম, যে সেটা লেখার ইচ্ছা আপাততঃ নেই। গতকাল মহাজাতি সদনের কাছে একটি ল্যাম্প-পোস্টে এক ভদ্রমহিলা দিনে দুপুরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করলেন। বিকের চারটে নাগাদ। কিন্তু কেউ এসে তাকে থামাল না। কেউ খেয়াল ও করেনি। নাকি করেছিল? কলকাতার নতুন ত্রিফলা ল্যাম্প-পোস্টগুলি তো এমন উঁচু নয় যে, একবার ওপরে উঠে গেলে কারোর নজরে পড়বে না! তাহলে? মহিলা নাকি ফুটপাথেই থাকতেন। স্বামীর নেশার সমস্যায় বিরক্ত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু যখন ঘটনা ঘটছিল, কেউ দেখেনি? ভাবতে কিরকম অবাক লাগে না? সত্যি বলতে গেলে, ভাবতে অস্বস্তি হয়। আমি যদি একলা থাকি, আর রাস্তায় বেরিয়ে কিছু দুর্ঘটনা হয়, তাহলে লোকজন তো মনে হয় না তাকিয়ে চলে যাবে অথবা হাঁ করে দাঁড়িয়ে দেখতে থাকবে, কিন্তু কিছু করবে না।

    কেন আমরা এরকম হয়ে গেছি?

    আমার মনে হয় এর একটা বড় কারণ আমাদের আইনি ব্যবস্থার জটিলতা। যে খবর মাঝে মাঝেই শোনা যায়, হাওড়া স্টেশনের কাছে রেল লাইনে মৃতদেহ পড়ে থাকলে তা হাওড়া পুলিশ, না কলকাতা পুলিশ, না রেল পুলিশ- কার আওতায় পড়ে, সেই হিসাব করতেই দিন কাবার। কিঞ্ছুদিন আগে আমার এক বন্ধু দূরপাল্লার বাসে কলকাতার বাইরে যাচ্ছিলেন। বিদ্যাসাগর সেতুতে যখন বাস, তখন সেখানে একটা ছোট অ্যাক্সিডেন্ট গোছের ঘটে। যে গাড়িটি ঘটিয়েছিল, সেটি সেতুর টোল প্লাজা পেরিয়ে চলে যায়, কিন্তু আবার কলকাতার দিকে ফিরে আসে। পুরো ঘটনাটা আমার ঠিক মনে নেই। তবে সেখানে যে ঝামেলাটা হয়েছিল সেটা এইরকম- গাড়ি কলকাতার দিক থেকে টোল প্লাজা পেরিয়ে গিয়ে আবার ফিরে এসেছিল। তাই এবার তার কেস কলকাতা পুলিশ, না হাওড়া পুলিশ নাকি টোল প্লাজা পরিচালনকারি সংস্থা, কাদের এক্তিয়ারে, সেই ধাঁধা মেটানোর চক্করে সাধারণ মানুষের অশেষ দুর্ভোগ।

    হাসপাতালে দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীদের নিয়ে গেলে আগেই থানায় ডায়েরি ইত্যাদি নিয়ে বাজে ঝামেলা করা হয়। এই সমস্যা মেটানোর জন্য আগেই থেকেই কেন প্রতিটা বড়, নিদেন পক্ষে সরকারি হাসপাতালে একটা করে মিনি পুলিশ বুথ রাখা হয়না? যাতে সেখানে নিয়ে গেলেই ঝটাঝট ডায়েরি হয়ে যায়? পুলিশের কাজ সাহায্য করা। কোন থানা, রাস্তার এপার না ওপার, এই সব বিষয়গুলি কি একটা মানুষের প্রাণের থেকে বেশি জরুরী?

    আমি নিশ্চিত, গতকাল যদি কেউ ওই মহিলাকে গলায় ফাঁস দিতে দেখেও থাকে, সে নিজেকে এই ভেবেই ক্ষান্ত করেছে – ওর ইচ্ছা ও ঝুলছে, আমার তাতে কি? কেন ফালতু থানা পুলিশে জড়িয়ে নিজের দিন বরবাদ করি!! গতকালের ঘটনার দায় আমি পুলিশের ওপরে দিচ্ছি না, কিন্তু সাধারন মানুষের মধ্যে এই একে অপরের প্রতি উদাসীনতা কেন এসেছে, এবং ক্রমশঃ বেড়ে চলেছে, সেটা খতিয়ে দেখার সময় মনে হয় এবার এসেছে। আর কতদিন, কতভাবে, সব দায় ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলে, শুধু নিজের জন্য বাঁচব আমরা?

     
    • ক্যাপাচিনো 12:49 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply

      আমিও এই ঘটনাটি পড়েছি কিন্তু কিছু বলার মত শব্দ খুঁজে পাইনি। দিন দুপুরে একজন আত্মহত্যা করলেন, আর কেউ বাধা দিল না – কেউ তাকে নামিয়ে আনার চেষ্টা করল না?

  • ক্যাফে লাতে 1:38 am on August 20, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , সমসাময়িক   

    বাংলা বানান, শব্দ ইত্যাদি 

    ইদানীং বাংলা বানান, শব্দ ইত্যাদি নিয়ে কয়েকটা কথা মনে এল, সেগুলি একত্রে না লিখলে চলছিল না।
    ১। একটা মিডিয়া হাউস, যারা নিজেদেরকে বাঙালি সংস্কৃতির ধারক বাহক বলে মনে করে, তারা একটা এস এম এস প্রতোযোগিতা করেছে। তার থেকে আমরা কি শিখেছি? শিখেছি ‘বেকার’ শব্দের বিপরীত হল ‘ভাল’।

    ২। দিন সাতেক আগে বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিনের ভবিষ্যত নিয়ে একটা আলোচনা সভায় গেছিলাম। সেখানে অনেক কিছু শুনলাম, দেখলাম, জানলাম।সেখান থেকে বেরিয়ে এক বন্ধুকে দুটো ভবিষ্যৎবানী করেছিলাম। এক, এর পর থেকে দিকে দিকে বাংলা ভাষাকে বাঁচানোর জন্য সেমিনার হবে । দুই, হঠৎ করে শিশু-সাহিত্যের প্রতি ভাল্বাসা বৃদ্ধি পাবে, এবং পাড়ায় পাড়ায় একজন করে জে কে রাউলিং প্রাণ পাবেন 🙂 তা এইরকমই এক ছোটদের জন্য বাংলা পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেখলাম গতকাল ফেসবুকে। এটা ছাপা না ওয়েব, তা জানিনা। তবে যিনি বিজ্ঞাপন দিয়েছেন তিনি অনেক কিছুর সাথে ‘স্রিতিকথা’ ও চেয়েছেন আর বলেছেন সব লেখা ছোট হওয়া ‘বঞ্চনীয়’। !!

    দুটো নতুন বাংলা শব্দ শিখলাম !!

    তবে হ্যাঁ, এই দুর্দিনে, একটা দারুণ জিনিষ দেখেছি। সেটা ঠিক না ভুল জানিনা, তবে কিনা কেউ একজন চেষ্টাটা করেছেন বলে বেশ উত্তেজিত হলাম। দুইদিন আগে রাস্তায় একটা গাড়ি দেখেছি, তার গায়ে চারদিকে বড় বড় করে লেখা আছে ‘ নিশ্চয় যান’ । কে বলতে পারবে এটা আদতে কোন গাড়ি ছিল?

     
    • ভাঁড়ের চা 3:08 pm on August 21, 2013 Permalink | Reply

      গত ২৩/৭/১৩ তে একটা ছোট্ট পোষ্ট দিয়েছিলাম ” অসভ্যতামী” নামক একটি নতুন শব্দের অনুপ্রবেশ নিয়ে। এমন নতুন কথা আরও আছে, যা চোখে পড়েছে।( তবে এখন লিখতে পারছি না, পরে কোন সময় লিখব)। এসব পড়লে মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে এরা বাঙ্গালী ত ? আসলে এরা বেশীর ভাগই ইংরাজি মাধ্যমে পড়া ছাত্র, যারা ইংরাজিটাও ভাল করে শেখেনি, আর বাংলাটাও জানে না ! তবে ফর ফরানি শুনলে চমকে যেতে হয় !

    • ক্যাপাচিনো 9:20 pm on August 23, 2013 Permalink | Reply

      এই রে নিশ্চয় যান টা আবার কি রে? :bingung

    • ক্যাফে লাতে 12:15 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply

      ভাব ভাব, নিশ্চয় যান কি??

      • ক্যাপাচিনো 4:56 pm on August 28, 2013 Permalink | Reply

        এখনও ভাবিতে পারি নাই!!! :sorry

    • ক্যাফে লাতে 7:38 pm on August 28, 2013 Permalink | Reply

      আর ভাবিয়ে লাভ নেই, নিশ্চয় যান হল অ্যাম্বুল্যান্স!! মানে, আমি একটা অ্যাম্বুল্যান্সের গায়ে দেখেছি, চারিদিকে নিশ্চয় যান লেখা। :hoax

  • কফি মেকার 9:56 am on August 10, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , সমসাময়িক   

    লেখক, পাঠক ও সম্পাদক – বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিন নিয়ে সেমিনার 

    বিভিন্ন বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিনকে নিয়ে একটি বাংলা সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। 993947_565130910217736_8676493_n

    এই সেমিনারের উদ্দেশ্য হলঃ
    ১ – বিভিন্ন ওয়েবম্যাগগুলোর সাথে উপস্থিত দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
    ২ – ওয়েবম্যাগ সম্পর্কে মানুষজনকে পরিচিত করে তুলে পাঠকের পরিধি বাড়ানো।
    ৩ – অন্যান্য ছাপা পত্রিকার সম্পাদকদের ওয়েবম্যাগ গড়ে তুলতে আগ্রহী করে তোলা।

    আপনারা যদি কলকাতায় থাকেন এবং আসতে পারেন, তাহলে খুব ভালো হয়। সেমিনার সম্পর্কে জানুন এখানে :
    http://bit.ly/122PUvR

    সেমিনারের ফেসবুক পেজঃ
    http://www.facebook.com/events/256799987785016/

     
    • এসপ্রেসো 8:12 pm on August 10, 2013 Permalink | Reply

      আসতে পরলে ভালো লাগতো কিন্তু তা তো সম্ভব হচ্ছে না। তবে সেমিনারের পর আলোচনা সম্পর্কে আপনি একটা পোষ্ট করলে ভালো হয়।

    • ক্যাফে লাতে 4:19 am on August 11, 2013 Permalink | Reply

      বাহঃ যাব ভাবছি সময় করে।

    • ভাঁড়ের চা 1:49 pm on August 14, 2013 Permalink | Reply

      একটু ঔৎসুক্য ত আছেই। তাই,সেমিনারের সংক্ষিপ্ত বর্ণ্না পেলে ভাল লাগত, জানা যেত সব।
      অপেক্ষায় থাকলাম।

  • ক্যাফে লাতে 2:57 am on August 8, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ফ্রেন্ডশিপ ডে, সমসাময়িক   

    বন্ধু দিবস , বন্ধু দড়ি, বন্ধু তালিকা 

    ভাঁড়ের চা এর লেখার সূত্র ধরে এই পোস্ট।

    সালটা ১৯৯৯। আমি একটা প্রতিষ্ঠানে যেতাম মাল্টিমিডিয়া ট্রেনিং নিতে। সেখানে এইরকম আগস্টের এর সকালে, মনোজ, সেখানেই সম্ভবতঃ মার্কেটিং এ কাজ করত, আমারই কাছাকাছি বয়স, হঠাৎ এসে আমাকে বল্ল – আরে তুমনে ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড নহি পেহনি? আমি অবাক হয়ে বললাম- ওহ কেয়া হ্যায়? তাতে সে আমার দিকে অত্যন্ত করুণার চোখে তাকিয়ে যা বল্ল, তার বঙ্গানুবাদ হল – আমার মত দুর্ভাগা কেউ আর নেই। আমি ফ্রেন্ডশিপ ডে তে ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড হাতে না পড়ে ঘুরছি !! এ একেবারে আপামর ফ্রেন্ডস দের প্রতি অত্যন্ত অবিচার। এবং এই দিনটা যে ফ্রেণ্ডশিপ ডে সেটাও যে আমি জানি না, তার জন্য আমার নির্ঘাত দ্বীপান্তর হওয়া উচিত।

    তারপরে সে আমাকে তার ব্যান্ড দেখাল। দেখলাম, তার হাতে একটি রামধনু স্ট্রাইপ দেওয়া ইল্যাস্টিকের ব্যান্ড। তখন আমার দিশি মাথা আলোকিত হল!! – এই বস্তুটিকে তার আগের বছর বিখ্যাত করেছেন শাহরুখ খান , ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ছবিতে। আর বাজার সেই সূত্রটুকু ধরে নিয়েছে কচি মাথা চিবোনোর জন্য। স্মৃতি বলছে, তার আগে অবধি ভারতে ফ্রেন্ডশিপ ডে এর কোন ধারনা ছিল না। ওটিকে এদেশে আমদানি করেছিলেন স্বর্গত যশ চোপড়াজী।

    ৯০-৯১তে বিশ্বায়নের পরে পরে এইসব দিন-টিন আমাদের দিনযাপনকে ক্রমশঃই জটিল করে তুলছে। কিছুদিন আগে পরপর গেছে মাদার্স ডে, ফাদার্স ডে। তার পরে আবার দেখলাম একদিন হল পেরেন্টস ডে!! এই তো বাবা-মাকে নিয়ে আলাদা করে একবার আদিখ্যেতা হল, আবার এক সাথে?? ছোটবেলায় তো জানতাম, পেরেন্টস ডে মানে যেদিন স্কুলে বাবা-মা রা সবাই যান, আর আমরা নাচ -গান অনুষ্ঠান করি…

    ভ্যালেন্টাইন্‌স্‌ ডে যে কি বস্তু সেটা জানলাম কলেজে এসে। এই দিনে গোলাপ এবং চকোলেট পাওয়া ক্লাসের বন্ধুদের দেখে বুঝলাম, নারী জন্ম বৃথা, যদি একটি দেদার আহলাদ দিতে পারা বালকবন্ধু না থাকে!!

    ইদানীং বন্ধু দিবস দিশি ব্যবসায়ের মধ্যে ঢুকে গেছে। রাখী পূর্নিমার আগে-পিছে আসে বলেই, এই সময় থেকেই রাখী ব্যবসায়ীরা বন্ধু-দড়ির ব্যবসা করতে থাকেন। বন্ধু-দড়ি কি, তা যদি না বোঝেন, তাহলে বলি- এটি প্রায় একটি রাখীই- শুধু মাঝখানে ওই বড় কারুকার্য করা চাকতিটা থাকে না। আজকাল স্কুলে পড়া বাচ্চাদের বাবামায়েদের এই এক নতুন খরচা বেড়েছে- সারা ক্লাসের জন্য বন্ধু দড়ির যোগান দিতে না হলেও, অন্তত ডজন খানেক তো দিতেই হয়।

    গতকাল আমার বাড়ীর সাহায্যকারিনী মহিলা আমাকে এসে অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানিয়েছে, তার ১৬-১৭ বছরের ছেলে ‘ফ্রেন্ডসি’ না কি দিনে হাতে দশ বারোটা সুতো বেঁধে এসেছে। সেই ছেলে এতদিন বোনেদের কাছে রাখী বাঁধত না। কিন্তু ইদানীং প্রেমে পড়ে তার এহেন পরিবর্তন !!

    শেষে একটাই কথাঃ বিশ্বায়নের সাথে ফ্রি বন্ধু দিবস আমদানি করেছিলেন মনমোহন সিং, বন্ধু দড়ির খোঁজ দিয়েছিলেন যশ চোপড়াজী, আর বন্ধুদের যে তালিকাভুক্ত করতে হয়, সেটা আমাদের শিখিয়েছেন মার্ক জুকারবার্গ!!

     
    • ক্যাপাচিনো 6:23 am on August 8, 2013 Permalink | Reply

      অসম্ভব ভালো লেগেছে বললেও কম বলা হয়। :sungkem

      • ক্যাপাচিনো 6:31 am on August 8, 2013 Permalink | Reply

        “গতকাল আমার বাড়ীর সাহায্যকারিনী মহিলা আমাকে এসে অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানিয়েছে, তার ১৬-১৭ বছরের ছেলে ‘ফ্রেন্ডসি’ না কি দিনে হাতে দশ বারোটা সুতো বেঁধে এসেছে। ”
        :hammer

    • ভাঁড়ের চা 6:53 am on August 9, 2013 Permalink | Reply

      নানা দড়ি আর দিবসের কথা শুনলাম! ‘ধান্তেরাস উৎসব’-এর নাম কয়েকবছর আগে পর্যন্তও শুনেছেন কেউ? অন্ততঃ কখনো বাঙ্গালী বাডির উৎসব বলে ভেবেছেন-ই কেউ ? কিন্তু এটা এখন বাঙ্গালীদের জাতিয় উৎসবের অন্তর্গত! ঐ সময় গহনা না কিনলে নাকি চলেই না ! হুজুগ আর কাকে বলে ?

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel