Tagged: সমসাময়িক Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 9:37 am on April 21, 2014 Permalink | Reply
    Tags: সমসাময়িক   

    আড্ডা গেল কই 

    মহা সমস্যাতেই পড়েছি। আড্ডা দেওয়ার মত বিষয় কিছুই খুঁজে পাচ্ছি না। দেশের বাইরে থাকলে এই একটা সমস্যা। ঝগড়াঝাঁটি নেই, কথা কাটাকাটি নেই, তর্ক বিতর্ক নেই, জমাটি খাওয়া নেই – দেশের খবরও সেরকমভাবে পাই না যে সে নিয়ে কিছু বলব। কদিন আগে একটি ভিডিও দেখেছিলাম এই প্রসঙ্গে – যদি সত্যিই সরকার বদলে যায় তাহলে কত শিল্পী (কার্টুনিস্ট ইত্যাদি), লেখক, সমালোচক আর লেখার উপাদান খুঁজে পাবেন না। আমারও মনে হচ্ছে একই অবস্থা। কফিহাউজের আড্ডায় এই যে অনেক দিন কিছু লিখিনি তা হল বিষয়ের অভাব।

    এই প্রসঙ্গে বলি একটা খবর সম্প্রতি আমার নজরে এল। ফেসবুকে নাকি নানা ধরনের রদবদল হচ্ছে – (যার কিছুটা তো চোখেই দেখছি) ফলে যে হারে লাইক পাওয়া যেত আগে, এখন নাকি তা কমতে থাকবে। যারা ফেসবুককে টাকাপয়সা দেবেন, তারাই সেভাবে তাদের ভক্তদের কাছে পৌঁছতে পারবেন। আমার মনে হয় এই মতলব ওদের বরাবরই ছিল – যারা এতদিন বোঝেন নি তারা ভুল করেছেন, ফেসবুকের সঙ্গে নেশার মত জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ফেসবুক থেকে জনগন বীতশ্রদ্ধ হলে বাংলা ব্লগের বাজার কি সরগরম হবে? কি জানি বাবা।

    আরও একটা কথা মাথায় এল – আজকাল কি আমাদের বাংলা ভাষার ধারক ও বাহক – আনন্দ গ্রুপ কিঞ্চিৎ কনফিডেন্সের অভাবে হীনমন্যতায় ভুগছে? নোটিফিকেশন দেখে মনে হচ্ছে রসাল খবর ছাড়া আর কোন রসদ নেই আজকাল। বড় বড় বাবুদের যদি লেখার বিষয় না থাকে, তবে আমি যদি কিছু খুঁজে না পাই লেখার বিষয় হিসেবে, তাহলে আর দোষ কোথায়। আমি তো নিতান্তই আদা ব্যাপারি।

     
    • ভাঁড়ের চা 12:40 pm on April 22, 2014 Permalink | Reply

      দ্বিতীয় প্যারাগ্রাফটা আশাব্যঞ্জক। ফেসবুকে যদি প্রবেশাধিকারের কড়াকড়ি হয় তাহলে, কফিহাউসটা বেঁচেও যেতে পারে। না হলে ত দেখছি গতিক মোটেই সুবিধার নয় ! আর কোন সভ্য আমদানী করা যায় কি, যাতে আড্ডাখানার স্বাস্থ্য ভাল হয় ? নাকি, তাতে গাজন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে !

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:49 pm on April 22, 2014 Permalink | Reply

        আমার তো ভয় হয় গাজন নষ্টই হবে। এর আগেও তো কয়েকবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সকলেই ঐ এক দুবারের পর কেমন যেন হারিয়ে যায়। বাংলা ব্লগ এখনও সেই শৈশবেই রয়ে গেল। ফেসবুকের দুর্দিন এলে কি হয় অবশ্য বলা যায় না।

        • ভাঁড়ের চা 1:23 pm on April 23, 2014 Permalink | Reply

          কমিটেড সদস্য পাওয়া যায় কি ? তাহলে আমদানীর কথা চলতে পারে। না হলে অবশ্য গাজন নষ্ট হওয়ার আশংকাই থেকে যায়।

    • Mustafa Abier 4:30 pm on May 14, 2014 Permalink | Reply

      Interesting writing

    • Nabil Uddin 5:56 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      Hmmm , thik eki problem face korechi 🙁

  • ক্যাফে লাতে 6:48 am on February 26, 2014 Permalink | Reply
    Tags: সমসাময়িক   

    হেল্‌থ্‌ পয়েন্ট 

    গতকাল সন্ধ্যায় বাজারে গেছিলাম। ফেরার পথে একটা গলিতে একটা দোকানের সামনে দেখলাম বেজায় ভীড়। দোকানের নাম “হেলথ পয়েন্ট” -বেশ বড় বড় করে লেখা, তাই দূর থেকেই, বিশেষ চেষ্টা না করেই দেখা যাচ্ছে। একটু অবাকই হলাম- ওষুধের দোকানের সামনে এত ভীড় কেন? কেউ মূর্ছা গেছে? কোন দূরারোগ্য অসুখের ওষুধ হঠাৎ করে বাজারে এসেছে? হঠাৎ কি কোথাও খুব বেশি করে কোন অসুখ হচ্ছে? পক্স? আমার সঙ্গে যে বন্ধু ছিলেন তিনি আবার একটু পরোপকারী গোছের। কেউ বিপদে পড়েছে খবর পেলেই সাহায্য করতে ছোটেন। ওনার ধারণা হল- কিছু তো বিপদ হয়েছে, তাই লোকে দাঁড়িয়ে যত না সাহায্য করছে তার থেকে বেশি মজা দেখছে – যা অনেক সময়েই হয়ে থাকে…।

    তা, তিনি আদর্শ নাগরিক হয়ে হেলথ পয়েন্ট এর দিকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে পা বাড়ালেন। আমি পাতি নাগরিক হয়ে “ভীড় হয়েছে তো আমাদের কি…” বলে ব্যাজার মুখে দু-পা এগিয়ে ফুটপাথের ধারে অপেক্ষা করতে দাঁড়ালাম। আর তখন দোকানের মাথার মুকুটের দিকে ভাল করে চোখ পড়ল। দেখলাম- বড় বড় করে হেল্‌থ পয়েন্ট লেখার নিচে ছোট করে লেখা আছে F.L. SHOP !!

    হায়রে স্বাস্থ্য! ওষুধের দোকানই বটে!!

     
  • ক্যাফে লাতে 5:10 am on January 8, 2014 Permalink | Reply
    Tags: পরিবেশ, সমসাময়িক   

    পরিবেশ ইত্যাদি… 

    গতকাল এবং আজ , দুটো পরিবেশ সংক্রান্ত খবর পড়লাম। দুটোই বেশ অন্যরকম। তাই শেয়ার করছি। প্রথমটা একজন ভারতীয় প্রৌঢ়াকে নিয়ে। তাঁর নাম সালুমারাদা থিমাক্কা। কর্ণাটকের বাসিন্দা। তিনি একটা মহাসড়কের চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দুইপাশে ২৮৪ টি বট গাছ পুঁতে পরিবেশ বিদ্যার ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে গেছেন. আর সেটা করেছেন নিজের স্বামীর সাথে। তাঁদের বাড়ির আশেপাশে অনেক বট গাছ আছে। সেখান থেকে চারা তৈরি করে দুজনে মিলে রাস্তার দুই পাশে পুঁতে তাদের বড় করেছেন। পুরো খবর এইখানেঃ
    http://beingindian.quora.com/Saalumarada-Thimmakka-A-living-monument

    এটাকে বেশ আশাব্যঞ্জক খবর বলে যদি আনন্দিত হন, তাহলে বলি, আজকের খবরের কাগজে দেখলাম, শিকাগোতে নাকি এখন সাইবেরিয়ার থেকেও বেশি ঠাণ্ডা !! লোকে শিকাগোকে বলছে “চিলবেরিয়া”। সেখানে এখন তাপমাত্রা -৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কাছাকাছি!! বাবারে! আমার ভেবেই জমে যাওয়ার অবস্থা। এবং অনেকের মতে, এটাও কিন্তু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ফল। বেশিরভাগ মানুষ ভাবছেন, উষ্ণায়নের ফলে দিকে দিকে গরম বাড়বে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরেই, শীতপ্রধান দেশগুলিতে যে ভয়ানকভাবে ঠাণ্ডা বেড়ে যাচ্ছে, সেটাও কি কেউ খেয়াল করছে?

    http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-25638881 ছবিটা দেখ একবার সবাই।

     
    • ক্যাপাচিনো 12:12 am on January 9, 2014 Permalink | Reply

      প্রথম খবরটা অবশ্যই ভালো। যতটা প্রয়োজন ততটা নয়। তবু মন্দের ভালো।

      গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর এই ব্যাপারটা অনেকেই বলছেন। আমাকে ইংল্যান্ডের এক বাসিন্দা কদিন আগে বললেন যে ঋতু বৈচিত্র ব্যাপারটা অনেক কমে আসছে। এবছর তো অদ্ভূত ঝর বৃষ্টি চলল শীতকালে।

      • ক্যাফে লাতে 4:20 pm on January 9, 2014 Permalink | Reply

        আসলে আমেরিকাতে কোন কোন জায়গায় ওইরকম ঠাণ্ডা প্রতি বছরই পড়ে। এবার সেটা শিকাগোতেও পড়েছে বলে এত হই হই। ভারতের সংবাদ পত্রে প্রথম পাতার খবর। যাকগে, জানা গেছে ব্যাপারটার পোষাকি নাম পোলার ভর্টেক্স। সোজা বাংলা, উত্তর মেরু থেকে আসা হিম শীতল ঘূর্ণি ঝড়। আর তাতেই পৃথিবীর সবথেকে ক্ষমতাশালী দেশ একেবারে কুপোকাত।ওই একজন মহিলার কাছে সবাই কাবু-প্রকৃতিদেবী। তা সে পোলার ভর্টেক্স এর ফলে আমেরিকার ভড়কে যাওয়া জীবনের কিছু ছবির লিঙ্ক আছে এই পাতায়- বেশ ঘাবড়ে যাওয়ার মত পরিস্থিতি কিন্তু !!
        http://mashable.com/2014/01/07/polar-vortex-photos/

        • ক্যাপাচিনো 12:19 pm on January 12, 2014 Permalink | Reply

          বাপরে তার মানে গোটা লেক জমে গেছে? সাংঘাতিক ব্যাপার। আমার এখানে কালকে একটু বরফ পড়েছে। এই শীতে এই প্রথম। -১ নেমে গেছিল।

  • ক্যাফে লাতে 5:48 am on January 2, 2014 Permalink | Reply
    Tags: , সমসাময়িক   

    আবার সে এসেছে ফিরিয়া…নতুন বছরে !! 

    হ্যাঁ, অনেকদিন হাওয়া হইয়া যাওয়ার পর, আবার আমি ফিরিয়া আসিয়াছি !! কেন হাওয়া হইয়াছিলাম, তাহার কোন একটি উত্তর না। কেন ফিরিয়া আসিলাম, তাহার কারণ একটাই- আড্ডা হইতে দূরে থাকিয়াও মন খালি আড্ডা আড্ডা করে…কেমন আছেন ভাই কফি মেকার, চাফি, ভাঁড়েরচা, ক্যাপাচিনো ? দেখাই যাইতেছে, আগেকার মতই, কুম্ভ এই এঁরাই কয়জন…বাকিরা তো বার্ষিকভাবে ধোঁওয়া !!
    যাহাই হউক, কুম্ভ, ধোঁওয়া ইত্যাদি সবাইকেই জানাইতেছি নতুন ইংরেজি বছরের শুভকামনা। সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন, ভাল মন্দ খান, টিভিতে নিউজ চ্যানেলের ঢপের খবর এবং মেগাসিরিয়াল- দুই-ই মন দিয়া উপভোগ করুন, পয়লা বৈশাখ , পঁচিশে বৈশাখ, জন্মাষ্টমী, রথযাত্রা, দুর্গাপুজা, ধন্তেরস এবং খ্রীস্টমাস উপলক্ষ্যে নতুন জামা, সোনার গয়না আর ডিজাইনার ঘড়ি বা ব্যাগ কিনুন; সময় এবং হাতে যথেষ্ট পয়সা থাকলে দীঘা-পুরি-দার্জিলিং-শান্তিনিকেতন-লামাহাটা-সিকিম-কন্যাকুমারি-সিঙ্গাপুর-হংকং-দুবাই-যথা ইচ্ছা তথা ঘুরিয়া আসুন। সেখানে গিয়া মোবাইলে ছবি তুলিয়া তৎক্ষণাৎ ফেবুতে আপলোড করুন; লোকজন তাতে লাইকালে আনন্দিত হউন, না লাইকালে গভীরভাবে ডিপ্রেস্‌ড্‌ হউন; যথেচ্ছ পরিমাণে পরনিন্দা পরচর্চা করুন, সরকার এবং বিরোধীপক্ষ- দুই দলকেই মনের সুখে গালাগাল দিন (ওই লিস্টে চাহিলে নিজের পছন্দের আরো কয়েকটা নাম লিখিয়া নিন ); বছরভর অম্বল-বুকজ্বালা-গ্যাস-পটি প্রবলেম-সর্দি-কাশি-গলা খুশখুশ-মাথাধরা লইয়া ব্যস্ত থাকুন; রান্নার গ্যাস-ইলিশ মাছ-সর্ষের তেল-পেট্রল-মদ-পেঁয়াজ-ট্যাক্সি- নাইটি-ছাতু-সিগারেট-মোবাইল বিল-ইন্টারনেট চার্জ ইত্যাদি প্রভৃতি সমস্ত কিছুর নিরন্তর দাম বাড়িয়া চলা লইয়া যুগপৎ বিরক্ত এবং হতাশ হউন…
    মোটকথা, গতবছর যাহা যাহা করিয়াছিলেন, তাহা তাহাই করিয়া চলুন। নতুন বছরে শুধু একটা জিনিষই নতুন- ওই তিনের বদলে চার লেখা অভ্যেস হতে দিন পনেরো সময় লাগিবে।

     
    • ক্যাপাচিনো 1:16 am on January 4, 2014 Permalink | Reply

      ঠিক কথা। আমিও আজকে লিখতে গিয়ে বেশ কয়েকবার ভুল করেছি দেখলাম

  • ক্যাফে লাতে 6:37 am on November 15, 2013 Permalink | Reply
    Tags: সমসাময়িক, হাথী ছাপ   

    মরা নয়, জ্যান্ত হাতি লাখ টাকা !! 

    হ্যাঁ, ঠিকই লিখেছি। জ্যান্ত হাতির দাম লাখ টাকাই বটে। কেন? সেটা বলি।
    একটা মেলায় গেছিলাম। সেখানে দেখলাম এক অদ্ভূত জিনিষ বিক্রি হচ্ছে। হাতির মল থেকে তৈরি কাগজের নোটবই, ডায়েরি, ফ্রিজ ম্যাগনেট, বুকমার্ক ইত্যাদি। শুনেই নির্ঘাত অন্নপ্রাশনের ভাত উগরে আসবে বলে মনে হচ্ছে?? আমারো কয়েক সেকেন্ডের জন্য হয়েছিল। কিন্তু জিনিষগুলো এতই লোভনীয় দেখতে, যে সেসব সরিয়ে রেখে সব নেড়েচেড়ে দেখলাম, এবং একটা ছোট নোটবই কিনেও ফেললাম। হাতির ত্যাগ করা মল থেকে ফাইবারটুকুনি বার করে নিয়ে , সেই ফাইবার ভাল করে ধুয়ে , পরিশুদ্ধ করে, হ্যান্ডমেড পেপার তৈরির নিয়ম মেনেই তৈরি করা হয় এই কাগজ। সম্পূর্ণভাবে রিসাইকেল করা, ১০০% অর্গ্যানিক ।

    আর না, দুর্গন্ধ বিলকুলই নেই।
    এই বিষয়ে যদি আরো বিশদে জানতে চান, তাহলে দেখুন ” হাথী ছাপ”- এর ওয়েবসাইট- অনেক অজানা তথ্যের ভান্ডার এই ছোট্ট ওয়েবসাইটটিঃ
    http://www.elephantpoopaper.com

    যাঁদের মাথা থেকে ভাবনাটা বেরিয়েছেন, সেই মহিমা আর বিজেন্দ্রকে স্যালুট জানাই। আর ভাবছি, একটা হাতি কিনবো। কেউ ইনভেস্ট করবে???

     
    • ক্যাপাচিনো 1:23 am on November 16, 2013 Permalink | Reply

      হা হা, সে নয় হল – কিন্তু হাতি কিনলেই তো হল না – তার খোরাক বাবদ দৈনিক দশটা করে কলাগাছ জোগাবে কে?

  • ক্যাফে লাতে 6:13 am on November 15, 2013 Permalink | Reply
    Tags: জাপানি সুন্দরী, সমসাময়িক   

    জাপানি সুন্দরীদের হাসি এবং বিরাট বড় বার্গার 

    সব দেশেই সৌন্দর্যের কিছু মাপকাঠি থাকে। সেগুলি বেশিরভাগই সমাজের তৈরি করা। যেমন আমাদের দেশে, কালো হলে সেই মেয়ে সুন্দরী নয়, মোটা মেয়ে সুন্দরী নয়, ইত্যাদি। জাপানিদের একটা সেরকম মাপকাঠি হল সুন্দরী মেয়েদের মুখের হাঁ বড় হলে চলবে না। যতটা ছোট হওয়া সম্ভব, ততই ভাল। এমনই অবস্থা , যে খাবার খাওয়ার সময়েও বড় গ্রাস নিতে পারবে না। তাই জাপানী সুন্দরীরা, যতই ইচ্ছা থাক, বড় বড় বার্গার নাকি খেতে পারছিলেন না। মানে, উল্টোদিকে বালকবন্ধু হয়ত গবগবিয়ে জাম্বো সাইজ বার্গার খাচ্ছে, কিন্তু মেয়েটি মুখ বন্ধ করে জুসের স্ট্র তে টান দিচ্ছে। তা এই ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এক বার্গার বিক্রেতা সংস্থা সব থেকে বড় মাপের বার্গারের সাথে , তার থেকেও বড় মাপের একটা করে র‍্যাপার দেওয়ার ব্যবস্থা করল, যাতে সেই র‍্যাপারের আড়ালে ক্রেতা মেয়েটি মনের আনন্দে যত বড় খুশি হাঁ মুখ করে বার্গার গবগবিয়ে খেতে পারে, আর সেটা আশেপাশের লোকেদের দৃষ্টিকটু না মনে হয় !! এই র‍্যাপারের সামনের দিলে আবার স্মিত হাসিমাখা এক জোড়া ঠোঁটের ছবি আছে। এবং দেখা গেছে, এই ব্যবস্থার পরে, মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে বড় মাপের বার্গার কেনার প্রবণতা ২১৩% বেড়ে গেছে !!

    এই পুরো বিষয়টা নিয়ে একটা মজার ভিডিও রয়েছে এই লিঙ্কেঃ

    ভাগ্যিস, আমাদের দেশে এরকম কোন নিয়ম নেই। নাহলে ফুচকা আর এগরোল খাওয়ার সময়ে যে কি বিপত্তি হত !!

     
    • ক্যাপাচিনো 1:31 am on November 16, 2013 Permalink | Reply

      স্যালুট। দুর্দান্ত লাগল এই ভিডিওটা দেখে – সত্যিকারের নারীবাদ একেই বলে।

  • ক্যাফে লাতে 5:35 am on November 4, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , শকুন্তলা দেবী, সমসাময়িক   

    শকুন্তলার ডুডল 

    shakuntala-doodle

    আজকের গুগল ডুডল হল শকুন্তলা দেবীকে নিয়ে। আজ শকুন্তলা দেবীর ৮৪ তম জন্মদিন। জীবন্ত ক্যালকুলেটর নামে পরিচিত এই ভদ্রমহিলাকে আমি ছোটবেলায় এক আধবার টিভিতে দেখেছি।

     
    • ক্যাপাচিনো 1:35 am on November 16, 2013 Permalink | Reply

      ডুডলটাও জম্পেশ হয়েছে।

  • ক্যাফে লাতে 7:44 am on October 26, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , সমসাময়িক   

    মান্না দে, মেরি হপকিন্স, চায় টি ল্যাতে…আরো কত কি… 

    এই পোস্টের নাম হতে পারত-কত কি জানার আছে বাকি !! কিন্তু তার বদলে যে নাম দিলাম, সেটা দিয়ে পোস্টের বিষয় সম্পর্কে একটা আন্দাজ দেওয়ার মাত্র চেষ্টা করছি। বরেণ্য শিল্পী শ্রী মান্না দে পরলোকগমন করলেন দুই দিন আগে। সকলের দেখাদেখি ফেসবুকে অবশ্য সাহেবি কেতায় RIP লিখিনি, কিন্তু একজনের স্ট্যাটাস মেসেজ পড়ে ভাবলাম আমিও একটু ওনার গান শুনি। ইউটিউবে শুনতে গিয়ে নিজেই হাঁ – এই সমস্ত গান, এই হিন্দি গানটা…আরে ওই বাংলা গানটা…এটাও ওনার গাওয়া? – শুনতে শুনতে কেটে গেল বেশ অনেকটা সময়। তয়ারি মাঝে মনে পড়ল, এই কথাটা অনেকদিন ধরেই আড্ডাতে বলব ভাবছি, কিন্তু বলা হয়ে ওঠেনি। মান্না দে মহাশয়ের সবথেকে জনপ্রিয় গান বোধ হয় “কফিহাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই… ” – শিক্ষিত শহুরে বাঙালির পরতে পরতে এমনভাবে জড়িয়ে আছে এই গান, সে এক আকর্ষণ এড়ানো বেশ মুশকিল। তার খোদ প্রমাণ আমাদের এই ব্লগ।

    যে কারণে এই ভিডিওটা দেওয়া এবং এর প্রসঙ্গ তোলা, মেরি হপকিন্স নামের এক গায়িকার (তাঁর জীবনী এখানে দেওয়ার মানে নেই, উইকিপিডিয়াতে দেখে নিন) একটা গান আছে – once upon a time there was a tavern…” সেই গানের ভাবনার সাথে আমাদের কফিহাউসের আড্ডা গানের বড়ই মিল। দেশ-কাল-ধর্ম-বর্ণব্যতিরেকে মানুষের প্রাথমিক ভাবনা-ভাললাগা-প্রয়োজনীয়তাগুলি যে আদতে একই, সেটা প্রমাণ করে এই গান। মেরি হপকিন্সের সেই গানের লিঙ্ক দিলাম এখানেঃ

    এই প্রসঙ্গে একটা অন্য তথ্য দিয়ে শেষ করি। গতকাল একটা দারুণ ওয়েবসাইট খুঁজে পেয়েছি – এক তরুণ এবং তরুণী ভারতের চা-ওয়ালাদের নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করছেন- ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের চা-ওয়ালা, তাদের রেসিপি, চায়ের রকম ফের এবং প্রতিটি চা-ওয়ালার কাছ থেকে পাওয়া জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তাঁরা ধরে রাখছেন। তাঁদের এই বিষয়ে ওয়েবসাইট এবং ব্লগ আছে। সেখানে জানতে পারলাম বিদেশের কফি শপ গুলিতে নাকি “চায় টি ল্যাতে” বলে একটি পানীয় বিক্রি হয়, সেটি খুব জনপ্রিয়। সেটি আমাদের ভারতীয় “চায়” অর্থাৎ প্রচুর দুধ-চিনি-মশলা দেওয়া চায়ের একটা সংস্করণ, এবং সেটি তৈরি হয়ে প্যাকেটের গুঁড়ো দিয়ে। মানে ওই চাপা-দুধ গুঁড়ো হাবিজাবি সব একসাথে প্যাকেট কেটে গরম জলে মিশিয়ে দাও আর কি !! নামটা আমার বেশ পছন্দ হয়েছে , যদিও আমিও ওই এলাচ, দুধ এবং প্রচুর চিনি দেওয়া বস্তুটিকে চা বলে গন্যই করি না এবং পছন্দই করিনা। আগে জানতাম বিদেশীরা হোটেলে গিয়ে ইন্ডিয়ান কারি বলে এক ভজঘট বস্তু খেতে খুব পছন্দ করে। এই রাস্তা/ফুটপাথ/রেলস্টেশনের চা শীততাপনিয়িন্ত্রিত রেস্তোঁরাতে বসে খেতে কেমন লাগবে জানতে পারলে মন্দ হয় না !!

     
    • ক্যাপাচিনো 10:46 am on October 27, 2013 Permalink | Reply

      বাহ এ তো দারুন। হ্যাঁ, আমি তোমার সঙ্গে এই বিষয় এক মত। আমরা পুরানো সেই দিনের কথার দৌলতে ‘Auld Lang Syne’ এর কথা সবাই শুনেছি। বছর ছয়েক আগে যখন আমি স্কটল্যান্ড যাই তখন সেখানকার লোকগীতি শুনে মনে হয়েছিল খুঁজলে আরও অনেক মিল পাওয়া যাবে।

      চায়ের নতুন কথাটা আমিও এই প্রথম শুনলাম। কালটিভেট করে দেখতে হচ্ছে।

  • ক্যাফে লাতে 5:11 am on October 26, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দুর্গাপুজো, সমসাময়িক   

    অনেকদিন পরে 

    অ-নে-ক-দি-ন পরে কফিহাউসে এলাম। আগেভাগেই কান ধরে স্বীকার করছি, না আসার বিশেষ কোন ভয়ানক কারণ ছিল না, কিন্তু কেন যেন ঘেঁটে ছিলাম। মাঝে কত কিছু হয়ে গেল- সেই মহালয়া থেকে শুরু করে এই কয়েক দিন আগের ঈদ অবধি, কিন্তু আমি তারো আগে থেকে বেপাত্তা!! যাকগে, এসে গেছি, এখন সবাইকে যথাযোগ্য শুভেচ্ছা জানিয়ে দিচ্ছি। প্রশ্ন উঠতে পারে, এতদিন পরে পুজোর শুভেচ্ছা দিয়ে লাভ কি? এর দুটো উত্তর হতে পারে – ১) হয় ইংরেজি belated wishes এর মত ধরে নিন, অথবা আগামি বছরের জন্য আগাম ধরে নিন। আজ্ঞে হ্যাঁ ! পুজোর উদ্যোক্তারা যদি বিজয়া দশমীর পরের দিন থেকেই পরের বছরের থিম ভাবতে শুরু করেন, ফেসবুক যদি একাদশীর দিন থেকেই -“পুজোর আরে ৩৬০ দিন বাকি”- পোস্টে ছেয়ে যেতে পারে, তাহলে আমার আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে রাখতে আপত্তি কোথায়?

     
    • ভাঁড়ের চা 12:32 pm on October 28, 2013 Permalink | Reply

      Belated wishes ত বছরদশেকের জন্যও হতে পারে, তাই না ? সুতরাং আজই আগাম দশ বছরের জন্য এখনই জানিয়ে রাখলেই বা ক্ষতি কি ! জানাই ? নাকি ?

  • ক্যাপাচিনো 8:47 am on September 23, 2013 Permalink | Reply
    Tags: সমসাময়িক   

    এ সব তোমার দোষ ললনা 

    এই ভিডিওটি দেখে তারিফ না করে থাকতে পারছি না।

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel