Tagged: মজারু Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 12:34 am on January 23, 2014 Permalink | Reply
    Tags: , মজারু   

    বিলেতের গপ্প – ১ 

    কদিন প্রচন্ড ঠান্ডার প্রকোপ কাটিয়ে এই সবে একটু চাঙ্গা হয়েছি। মনে হচ্ছে এবার আস্তে আস্তে আড্ডায় ফেরা যাবে।

    আজকে একটা মজার ঘটনা বলি। কদিন আগে একটু গাজরের হালুয়া করে অফিসে নিয়ে গেছে আমার এক জুনিয়ার। তা আমি একটু চেখে বললুম, নেহাত মন্দ হয় নি – যা সায়েব’দেরও এক চামচ করে খাইয়ে আয়। প্রথমে সন্দেহের চোখে দেখলেও এক চামচ খাওয়ার পরে সব্বাই দেখি ঠোঁট চাটছে। তা কি আর করা যাবে, স্টক ততক্ষনে শেষ।

    এরপর একজন আমাকে এসে বলেই বসলে – ব্যাপারটা কি বাড়িতে ম্যানেজ করা যায়? মানে রান্না করে? আমি অবাক হয়ে বললাম কেন করা যাবে না – কিন্তু তোমার কি সেই ধৈর্য আছে? তাতে সে খুব আগ্রহ নিয়ে আমার কাছে গাজরের হালুয়া রান্না করা শিখলে। গত শনি-রবি তার রান্না করার কথা।

    এই অবধি সব ঠিক ছিল, কিন্তু অবাক হলাম এই সপ্তাহে একদিনও তাকে অফিসে না দেখে। কেউ জিজ্ঞেস করলেই বলে, বাড়ি থেকে কাজ করছি – এই কালকেই আসব। আমি আর ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করতে পারছি না – ঠিক কি রেঁধেছিলে আর কি খেয়েছিলে।

     
  • ক্যাফে লাতে 4:06 pm on August 27, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মজারু   

    আপেল চাই 

    এই খবরটা কিছুদিন আগে কাগজে পড়েছিলাম। সত্যি মিথ্যা জানি না। পড়ে বেশ মজা লেগেছিল, তাই লিখছি। এটা অস্ট্রেলিয়ার ঘটনা। সেখানে এক ই-কমার্স সাইটে , প্রযুক্তি বিভাগে এক মহিলা বিজ্ঞাপন দেন তিনি দুটো অ্যাপেল কিনতে চান। তিনি আদতে দুটি আইপ্যাড কিনতে চেয়েছিলেন। আরেক মহিলার সাথে তার কথা হয়। কথাবার্তার পরে, দুজনে এক রেস্তোরাঁতে দেখা করে। প্রথমজন টাকা দিয়ে আইপ্যাডের দুটি বাক্স বগলদাবা করে বাড়ি আসেন এবং বাক্স খুলে দেখেন, তার মধ্যে রয়েছে একটি করে আপেল!! কি ভয়ানক কান্ড 🙂

     
    • ক্যাপাচিনো 4:29 pm on August 28, 2013 Permalink | Reply

      হে হে – আমার তো মনে হয় ঠিকই হয়েছে। যেমন কম্ম, তেমন ফল!

  • ক্যাপাচিনো 10:08 am on August 6, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মজারু   

    মজারু ৬ – দিল বোলে হাড়িপ্পা 

    আগের মজারু


    অনেকদিন মজারু লেখা হয় না, তাই ভাবলাম আজকে আবার লিখি।

    এই নামে একটি সিনেমা আছে বটে, তবে এ গল্প সে গল্প নয়। সিনেমাটা শুনেছি যাচ্ছেতাই ছিল, এ গপ্পো তার চেয়ে ঢের ভালো। কয়েক বছর আগের কথা। আমাদের এক সহকর্মী একটি মেয়ের সাথে প্রেম করত। বিয়ে প্রায় ঠিক, তবু অফিসের অনেকটা সময় তার কাটত ফোনেই, দীর্ঘ আলাপে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুমধুর প্রেমালাপের বদলে শোনা যেত নানাবিধ তর্জন গর্জন – একপেশে নয়, এপিঠ ওপিঠ দু-তরফেই। যেমন তোমার বাবা আমার বাবাকে মিসড কল দিলেন কেন, তুমি হলুদ শাড়ি পরলে কেন ইত্যাদি। একদিন সন্ধ্যের দিকে টয়লেট থেকে লবি দিয়ে কিউবিকালের দিকে ফেরার সময় একজন তো প্রায় পড়েই যাচ্ছিল ফোনে ভেসে আসা হঠাৎ চিৎকারে।

    এরপর তো আর থেমে থাকা যায় না। তাই সে ফোন সেরে ফিরতেই আমরা তো যথারীতি ঘিরে ধরলুম – কি হয়েছে? সে বললে, দিল বোলে হাড়িপ্পা কেস। আমরা তো অবাক। বললুম – সে আবার কি রে? তাতে যা উত্তর দিল তাতে তো আমার চক্ষু চড়কগাছ। তার এক প্রাক্তন প্রেমিকা ছিল। সে চুপিচুপি তাকে অর্কুটের ফ্রেন্ডলিস্টে যোগ করে, কিন্তু তার হবু বউয়ের কাছে ধরা পড়ে যায়। এরপর সে অন্য একটি অর্কুট প্রোফাইল তৈরি করে (যেখানে তার হবু বউ নেই), কিন্তু আবার ধরা পড়ে যায়। তাতেও একটুও দমে না গিয়ে সে এক নতুন বুদ্ধি বের করে – একটি নতুন প্রোফাইল করে তার নাম দেয় দিল বোলে হাড়িপ্পা, কিন্তু এরকম প্রোফাইলকে তার প্রাক্তন প্রেমিকা চিনবে কি করে, তাই বাধ্য হয়ে নিজের ছবিটাই দেয়। ব্যস, আবার ধরা পড়ে যায় হবু বউয়ের হাতে।

    তো এই হচ্ছে গল্প। আজকালকার সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর রমরমার যুগে, খুঁজলে এরকম আরও গল্প পাওয়া যাবে বিস্তর। কি বল তোমরা?

     
  • ক্যাপাচিনো 9:44 pm on May 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মজারু   

    মজারু ৫ – পাথরকুচি কেস 

    আগের মজারু


    বাবার অফিসে ঘটনা আগেও বলেছি। এটা নতুন সংযোজন। বাবার অফিসে এক পিওন আছে – তার নাম তপন। আমরা তপনদাই বলি সাধারনতঃ। এ হেন তপন’দার খুব ইংরেজি বলার শখ। শুনেছি এক কালে তিনি একটি কুরিয়ার কোম্পানিতে কাজ করতেন আর কেবল ইংরেজিতেই কথাবার্তা বলতেন অর্থাৎ অফিসে পৌঁছে জিজ্ঞেস করতেন, “নাথিং থিং?”
    ডেস্কে বসে থাকা কর্মচারীটিও সেই তালে তাল দিয়ে চলতেন। যাক গে, সে সব অনেক অনেক দিন আগের কথা। দিনকাল বদলেছে। আজকাল তো আর সেভাবে ইংরাজি বলতে হয়ই না। তাও বাবা একদিন দেখলেন যে তপন’দা একটা বই হাতে করে অফিসে এসেছে – ফুটপাত থেকে কেনা ইংরাজি শেখার বই।
    বাবা অবাক হয়ে বললেন, “এই বই দিয়ে তোর কি হবে রে তপন?”
    তপনদা – “কেন? ইঞ্জিরি শিখব। বয়েস হয়ে গেছে বলে কি ইঞ্জিরি শিখতে পারব না নাকি?”
    বাবা তখন খুশি হয়ে বললেন – “আচ্ছা শেখ। বেশ মন দিয়ে পড়াশুনো কর। দিন দশেক বাদে একটা কথা ইংরেজিতে বলতে বলব। পারলে এক হাজার টাকা পুরষ্কার পাবি।”
    এর পর কিছুদিন কেটে গেছে। তপনদা বই মুখে করে থাকে অনেক সময়।
    তপন’দা একদিন এসে বললে যে ইঞ্জিরি শেখা হয়ে গেছে। বাবাও হাসিমুখে বললেন – বেশ, ইংরাজিতে বল তো দেখি – আমি আমার হারান কাকাকে খুঁজে পেলাম। তপন’দা আরও দিন দুই সময় নিয়ে বইটই নেড়েচেড়ে এসে বললে – আই প্রাউড মাই ফাদার। অফিসে আরও যারা সেই ইংরেজি শুনেছে, তাদের সবার তো মাথায় হাত।
    সব শুনেটুনে জেঠু বললেন – “ও এ তো পাথরকুচি কেস!”
    সব্বাই গল্পের গন্ধ পেয়ে জেঠুকে ঘিরে ধরলে – “সে আবার কি কেস?”
    জেঠু আরাম করে চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, “ও তেমন কিছু না। অর্শ্ব হয়েছিল আমাদের এক বন্ধু তরুনের। তা এখন একটা বইতে তখন টোটকা হিসেবে লেখা ছিল যে অর্শ্ব হলে পাথরকুচি পাতা বেটে লাগাতে হবে। ডিটেলস এ যাচ্ছি না, কিভাবে। কিন্তু হয়েছে কি ‘পাতা’ কথাটুকু উইপোকায় খেয়ে গেছে – ফলে সেই লেখা দাঁড়িয়েছে ভালো করে পাথর কুচি লাগাতে হবে। তা তরুন তো অতশত জানে না, সে বইয়ের লেখা মতই স্টোনচিপ এনে ঘষে দেখতে গেছে কি হয়। তারপরে বাবা রে, মারে করে প্রায় এক রক্তারক্তি কান্ড – আমাদের তো হসপিট্যালেই নিয়ে যেতে হয়েছিল। তাই বলছিলাম, তপনেরও ঐ একই কেস হয়েছে!”
    তপন’দা গম্ভীরমুখে বললে,”থাক থাক আর বলতে হবে না। আমার বেনটা খারাপ – তবে এতটাও খারাপ নয়”

     
    • ক্যাফে লাতে 12:38 am on May 17, 2013 Permalink | Reply

      :rate

    • চা পাতা 3:41 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      এঃ হেঃ হেঃ……

      • ক্যাপাচিনো 5:42 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

        আরে এক্কেবারে সত্যি ঘটনা, এক ফোঁটাও বানিয়ে লেখা নয়।

        • চা পাতা 6:04 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

          সেইটেই তো বলছি। এক্কেরে হা-হা-লু-খু-গে (হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গ্যালো)!

  • এসপ্রেসো 11:50 am on May 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , মজারু,   

    RAP in রোদ্দুর 

    এই ঠাটাপরা রোদ্দুরে আমি কি যে করি
    ঘড় থেকে বেরুলেই পুড়ে পুড়ে মরি
    ডানে যাই বায়ে যাই, ছায়া নেই কোথাও
    শেষমেষ মাথাতে ছাতাটাই ওঠাও
    ও ইয়া…..ও ইয়া, ও ইয়া….
    ও ইয়া…..ও ইয়া, ও ইয়া….

     
    • ক্যাপাচিনো 4:04 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

      হা হা, ব্যাপক। পোস্টারটাও দারুন। বাংলায় তো র‍্যাপ সেরকম নেই বললেই চলে, তুমি বরং শুরু করে দাও।

      • এসপ্রেসো 12:58 pm on May 15, 2013 Permalink | Reply

        :alay ইয়ো….ইয়ো…..ওক্কে…

    • ক্যাফে লাতে 12:11 am on May 15, 2013 Permalink | Reply

      বাহঃ বাহঃ -এইবার বাবা সেহগল কে ডাকলেই হয় । :kr

      • এসপ্রেসো 12:59 pm on May 15, 2013 Permalink | Reply

        :alay ইয়ো….

  • ক্যাপাচিনো 8:08 pm on April 27, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , খানাপিনা, মজারু   

    মজারু – ৪ 

    আগের মজারু


    খাবারের গুনাগুনের সঙ্গে জিভের রসনা একেবারে সমানুপাতিক নয়। যা পেটের পক্ষে ভালো, তা স্বাদের পক্ষে নয় – আবার উল্টোটাও বড় রকমের সত্যি। যেমন তেঁতো। ঐ জিনিসটা পাতে দেখলেই – মুখটা বাংলার পাঁচের মত হয়ে যায়। অথচ নিম বা উচ্ছে কোন না কোন একটা আগপাতে থাকবেই। আজকেও ছিল – বউকে আগেও কথাটা অনেকবার বলেছি, সে কানে নেয়নি। কিন্তু আজকে আমার মুখ দেখে অবাক হয়ে বললে, “হ্যাঁ গো, তেঁতো খাওয়ার সময় তোমার মুখটা সত্যিই কিরকম যেন বেঁকে যায়”
    অনেক কষ্টে বললাম, “তাহলে এবার বিশ্বাস হল তো? আর আমাকে তেঁতো টেতো গিলিও না”
    সে আরও খানিকক্ষন অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বললে, “তুমি যে কি কর এক এক সময় তা কিন্তু সত্যিই বোঝা যায় না বাপু – এই একদিকে বলো যে তেঁতো নাকি তোমার ভালো লাগে না, তাহলে ওরকম করে আঙুল চেটে পরিষ্কার করে খেলে কেন? যে জিনিস ভালো লাগে না তার জন্য ওরকম আবার কেউ করে নাকি?”
    বললাম, “মেলা বক বক কর না তো, যাতে হাতে লাগা তেঁতো পরের খাবারগুলোর স্বাদ নষ্ট না করে দেয়, তাই জন্য এই ব্যবস্থা”
    সে কপালে হাত দিয়ে বললে, “বোঝো! তোমার মত লোক আরেকটা দেখিনি।”


    পুনশ্চঃ গল্পটা আমার গিন্নির জবানবন্দীতে লিখলে পাঠকরা বোধহয় একটু বেশি মজা পেতেন।

     
  • ক্যাপাচিনো 1:47 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , , মজারু   

    মজারু ৩ – অথ রসগোল্লা উবাচ 

    আগের মজারু


    সেদিন সন্ধ্যের সময় মিষ্টির দোকানে গেছি রসগোল্লা কিনতে। বললাম – “গোটা পনের দাও?”
    দোকানদারনী বললে, “৬ টাকার টা না দশ টাকার টা?”
    গামলায় সাজান দুটো সাইজের দিকে তাকিয়ে দেখে বুঝলাম যে দশটাকার রাজভোগগুলো বড্ডই বড় হয়ে যাবে, বললাম, “ছোটটাই দাও”
    দোকানদারনী একবার রসগোল্লার সাইজ আর একবার আমার সাইজ মেপে বললে,”ছোটটায় হবে?”
    লজ্জায় পড়ে বললাম,”খুব হবে। হবে নাই বা কেন?”
    সে কথা না বাড়িয়ে হাঁড়িতে রসগোল্লা তুলতে শুরু করলে। গোটা পনের তোলার পরেও দেখা গেল ভাঁড়ের বেশ কিছুটা খালি আছে। দোকানী আমার দিকে চেয়ে হেসে বললে, “আর পাঁচটা দিয়ে দেব? গরম তৈরি হল সবে”
    আমি অন্য সময় হলে হ্যাঁই বলে ফেলতাম, এবার অনেক কষ্টে সংবরন করে বললাম, “না না ঐ কটাই থাক”
    সে মুড়ে টূড়ে আমার হাতে প্যাকেট তুলে দেওয়ার পরেই দেখলাম পাশে অমৃত্তি ভাজা হচ্ছে। আর লোভ সামলাতে পারলাম না। দর করে ফেললাম।
    দোকানী এক গাল হেসে ঠোঙায় ভরতে ভরতে বললে – “অমৃত্তিই যখন নিলে তখন আর পাঁচটা রসগোল্লা খেলে আর কি ক্ষতি হত?”

    • শুধু খাওয়া দাওয়ার জন্যই কলকাতা এক নম্বরে।
     
    • এসপ্রেসো 3:07 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

      :cool হুম…খালি খাই খাই….

    • ক্যাপাচিনো 4:33 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

      তুমি এ তল্লাটে এসো একদিন – দেখব কেমন খেতে পার। :lapar

      • এসপ্রেসো 5:31 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

        :lapar মিষ্টি আমার খুব প্রিয় নয়, একটু-আধটু খাই । ঝাল আমার বেশ লাগে । ও তল্লাটে যেদিন যাব সেদিনের জন্য সকল চা-কফিদের অগ্রীম ফুচকা খাওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রখছি……

        • ক্যাপাচিনো 7:42 pm on April 23, 2013 Permalink | Reply

          বেশ বেশ – তা ঝাল যখন বললে তখন পরের পোস্টটা না হয় ঝালের ওপরেই হবে।

    • ক্যাফে লাতে 3:43 am on April 23, 2013 Permalink | Reply

      এহ, এটা একেবারে আমার গল্প হয়ে গেল। নিজেই নিজেকে আটকে রাখার জন্য আজকাল মিষ্টির দোকানে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছি…।।উহুহুহুহু… অমৃতি…কত্তদিন খাইনি রে ভাই :supermaho

      • ক্যাপাচিনো 7:41 pm on April 23, 2013 Permalink | Reply

        হে হে, আমাদের পাড়ায় এসো একদিন সন্ধ্যের সময়। যদি কপাল ভালো থাকে অমৃত্তি পাবে। তবে কিনা রোজ ভাজে না।

    • চা পাতা 3:43 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      রোব্বারে আমার ফেভারিট ১হাতা পাঠা’র ঝোলের সাথে ১খুঁড়ি লাল দই!

  • ক্যাপাচিনো 8:05 pm on April 19, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মজারু   

    মজারু – ২ 

    আগের মজারু


    আমার জেঠুর মুখে শোনা গল্প। অনেক বছর আগের কথা। তখন জেঠু কাকারা কলকাতায় চাকরি করতেন – কাজেই লোকাল ট্রেনে ডেলিপ্যাসেঞ্জারি করতে হত। এরকম যেতে আসতে প্রায়ই একটা দল তৈরি হয়ে যায়। সেখানে পাড়ার বা এক বয়সের লোকজন সাধারনতঃ একসাথে বসে, জায়গা রাখে – মুড়ি, বাদাম ইত্যাদি খায় আর গল্প আড্ডা দিতে দিতে ফিরে আসে। এদের মধ্যে একটু মুরুব্বি গোছেরও কেউ কেউ থাকে, ফলে আলোচনার সিংহভাগ তারাই দখল করে থাকে। এরকম একজনের ঘটনা।

    তিনি ট্রেনে উঠে রোজ কোন না কোন বিষয় নিয়ে গল্প ফাঁদেন। গল্পের বিষয়বস্তু প্রায়ই বদলায়। এমন অবস্থায় একদিন ফিজিক্সে পোস্টগ্রাজুয়েট এর এক ছাত্রকে পেয়ে শুরু করলেন বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা। ব্যাখ্যা করতে লাগলেন আলট্রাভায়োলেট রে এবং ইনফ্রারেড রে কি, কখন দেখা যায়। ছেলেটিও লাজুক বলে মাথা নেড়ে সব শুনতে লাগল – প্রতিবাদ করল না। জেঠু আর থাকতে না পেরে বললেন, ‘হ্যাঁ রে, তুই স্যাটাজিট রের নাম শুনেছিস?”
    পাছে এতক্ষন ধরে দেওয়া জ্ঞান যাতে হালকা না হয়ে যায়, তাই তিনি একটুও না দমে গিয়ে বললেন, “বাহ ঐটা শুনব না – ঐ তো সূর্য ডোবার সময় তো ঐ রে টা পৃথিবীতে এসে পৌঁছয়” – এদিকে যে ফাঁদে পা দিয়েছেন তা একেবারেই বুঝতে পারেন নি।
    ব্যস আর যায় কোথায় – প্রথমে চুপচাপ থাকলেও পরে সবাই ফ্যাক ফ্যাক করে হাসতে শুরু করে।

    শুনেছি তারপর ঐ ভদ্রলোকের জ্ঞান দেওয়ার অভ্যেসটা অনেকটা কমে যায়। এখনও পুরনো বন্ধুদের আড্ডায় অনেকেই স্যাটাজিট রে’র প্রসঙ্গ তুলে নিয়ে আসে।

     
    • কোল্ড কফি 2:46 am on April 20, 2013 Permalink | Reply

      স্যাটা বোসের কথা মনে পড়ল :cekpms

      • ক্যাপাচিনো 5:52 am on April 20, 2013 Permalink | Reply

        আমার মনে পড়ছে না ঠিক – যদিও শোনা শোনা লাগছে। স্যাটা বোসটা যেন কে ছিল?

    • ক্যাফে লাতে 6:31 pm on April 20, 2013 Permalink | Reply

      বাহঃ এই গল্পটা দারুণ তো!!

      স্যাটা বোস -যদি ভুল না বলি – শঙ্করের চৌরঙ্গী উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র।যিনি পাঁচতারা হোটেলে চাকরি করতেন। পুরো নাম সত্যসুন্দর অথবা সত্যসাধন বসু – সেইটে সাহেবি কায়দায় ছোট করে স্যাটা। ছবিতে উত্তমকুমার চরিত্রটা করেছিলেন।

      • ক্যাপাচিনো 12:56 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

        ওহহো, হ্যাঁ – এইবারে বুঝলুম

  • ক্যাপাচিনো 12:07 pm on April 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মজারু   

    স্টোরিবোর্ডিং 

    ফেসবুকের পাতা থেকে সংগ্রহ করা। কিন্তু এত ভালো লেগেছে যে শেয়ার না করে পারলাম না।

    396730_10150578088792488_183666928_n

     
    • ক্যাফে লাতে 4:12 am on April 23, 2013 Permalink | Reply

      ছবিটা দেখে আমার চেনা দুজন উঠতি ফিল্ম মেকারকে মনে পড়ে গেল। তারা খালি স্টোরিবোর্ডই করছে। এবার মাঠে নামলে হয়। :thumbup

      • ক্যাপাচিনো 8:24 am on April 25, 2013 Permalink | Reply

        হে হে – হ্যাঁ, খালি স্টোরিবোর্ডই করছে আর শেষ পর্যন্ত পছন্দ হচ্ছে না বলে মাঠে নামতে পারছে না।

  • ক্যাপাচিনো 10:06 pm on April 4, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মজারু   

    একুশে আইন 

    সুকুমার রায়ের সেই অমর কবিতাটা তোমরা নিশ্চয়ই পড়েছো
    “সেথায় সন্ধে ছটার আগে
    হাঁচ্‌‌তে হ’লে টিকিট লাগে”

    আমার অফিসে নতুন বছরে এরকম একটা নিয়ম জারি করা হয়েছে – কেউ বিয়ে করলে বিয়ের তিন মাসের মধ্যে সন্তানের নাম কোম্পানিকে জানতে হবে – নইলে কোম্পানির তরফ তার জন্য ভবিষ্যতে কোন সুযোগ সুবিধে পাওয়া যাবে না। সেই থেকে যাদের নতুন বিয়ে হয়েছে বা হবে তারা খুব চিন্তায় পড়েছে।

    যদিও এটা ছাপার ভুল – হয়তো খুব শিগগিরই শুধরে নেওয়া হবে। তবু আমার কেবল সুকুমার রায়ের এই কবিতাটাই মনে পড়ছে – অবশ্য এই কবিতাটা আরেকটা অন্য কারনে আমার খুব প্রিয়। তোমরাই আন্দাজ করে নাও কেন।

    যে সব লোকে পদ্য লেখে,
    তাদের ধ’রে খাঁচায় রেখে,
    কানের কাছে নানান্‌ সুরে
    নামতা শোনায় একশো উড়ে,
    সামনে রেখে মুদির খাতা-
    হিসেব কষায় একুশ পাতা।।

     
    • চাফি 12:31 am on April 5, 2013 Permalink | Reply

      :selamat

    • আজবদেশেঅমলা 11:41 pm on April 7, 2013 Permalink | Reply

      তোমার এই একুশে আইনের গল্প পড়ে মনে হচ্ছে, বোধ হয় তোমার অফিসই নতুন করে একটা সামাজিক বিপ্লব আনবে। খুব সম্ভবত উত্তর পূর্বের কোন এক জনজাতি আছে (অথবা এটা আফ্রিকার কোন উপজাতির নিয়ম- একদম ভুলে গেছি) – সেটা হচ্ছে যে কোন মেয়ের বিয়ে হওয়ার আগে তার গর্ভবতী হওয়া আবশ্যক। সে গর্ভধারণ করতে সক্ষম হলে তবেই তার বিয়ে হয়। তা তোমাদের অফিস যা নিয়ম বানিয়েছে, তাতে তো ব্যাপারটা সেইরকমই করতে হবে মনে হচ্ছে।

      এরকম নিয়ম হলে বেশ হয় কিন্তু। টিকিধারী পন্ডিতেরা ১৬ না ১৮- এই নিয়ে আর নতুন তরজা করে সময় নষ্ট করতে পারবে না। :cool

      • ক্যাপাচিনো 10:05 pm on April 8, 2013 Permalink | Reply

        হা হা, ভালো বলেছো। কফিহাউজের আড্ডার আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel