Tagged: বাংলা সিনেমা Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাফে লাতে 11:00 am on July 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , বাংলা সিনেমা, রম্যরচনা   

    আমার মায়ের শপথ :) 

    না, আমার মায়ের কোন শপথ নিয়ে লিখছি না। এইনামের একটা বাংলা ফিল্ম আছে। কয়েকদিন আগে দুপুরবেলা টিভিটে কোন চ্যানেলে চলছিল। আমি ঘুম তাড়ানোর জন্য দেখছিলাম। তা সেখানে দেখলাম, জিৎ হলেন নায়ক, আর রেশমি ঘোষ হলেন নায়িকা। জুন মালিয়াও আছেন। তিনি জিতের ডাবল রোলে স্ত্রী এবং মা। তা গল্প এইরকমঃ জিৎ এবং জুন সাপুড়ে দম্পতি। তারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসে ঘুরতে ঘুরতে, এবং ঘটনা চক্রে বড়লোক জমিদারের কুটিল চক্রান্তে সাপুড়ে মারা যায়। জুন প্রতিজ্ঞা করে এই মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবে। তারপরে যা হয় আর কি …তার ছেলে বড় হয়, সেই জমিদারেরই মেয়ের প্রেমে পড়ে ইত্যাদি… কিন্তু এইখানে একটা ছোট্ট টুইস্ট আছে। মায়ের শপথ সে ফিল্মের শেষ পনেরো মিনিটে পূরণ করে, না হলে আর হিরো কিসের? কিন্তু তার আগে, আরো সারি সারি ভিলেন কে খতম করে আরেকজন। সে হল সাপুড়ে দম্পতির পোষা সাপ চন্দ্রা, যাকে তারা নিজের সন্তানের মত ভালবাসত, যত্ন আত্তি করত। কিন্তু বর মরে যাওয়ার পরে দুঃখিনী জুন তাকে ছেড়ে দিয়ে বলে নিজের ব্যবস্থা নিজে করে নাও। এখন সেই সাপ, সে কিন্তু তার মায়ের ‘দুধ কা কর্জ’ দিয়েই ছাড়বে। তাই সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভুলেন কে ছোবল মেরে মেরে শেষ করে। কিন্তু তার আগে সে আরো দুটো অত্যাশ্চর্য কাজ করে। এক , এক দৃশ্যে ছেলে জিৎ (মানে হিসেবমত তার ছোট ভাই) ভিলেনের দলের লোকেদের হাতে এন্তার মার খেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। তখন এই সাপ পাশের পুকুর থেকে মুখে করে জল নিয়ে এসে তার মাথায় ছিটিয়ে তার জ্ঞান ফেরায় !!
    হে তরলমতী পাঠক!! এইটুকু শুনিয়াই অবাক হইও না!!
    এর পরে আরো অভাবনীয় ঘটনা ঘটে। নায়িকাকে তার বাবা রাস্তার ছেলের সাথে প্রেম করার অপরাধে ঘরে বন্ধ করে রাখে। জিৎ মনে দুঃখে নদীর ধারে বসে বীন বাজায়। সেই শব্দ শুনে সেই চন্দ্রা গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে আসে, এবং ভাইয়ের দুঃখ সহ্য করতে না পেরে, সেই জমিদারের বাড়ি গিয়ে হুড়কোর গায়ে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে হুড়কো খুলে নায়িকাকে মুক্তি দেয়!! এই কাজ ফিল্মে কুকুরদের করতে দেখেছি, হাতিদের করতে দেখেছি…কিন্তু সাপ!!
    যাইহোক, এই ফিল্মেই আরো দেখলাম, যে বিজ্ঞানের তোয়াক্কা না করেই, বীন বাজালেই সাপ গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে চলে আসছে বীনের আওয়াজে মাতোয়ারা হয়ে। এবং সেটা একবার না, অনেকবার…

    যাই, এক কাপ চা খাই…আর লেখার কিছু নাই। বাকিটা বুঝে নাও

     
    • ক্যাপাচিনো 11:14 am on July 16, 2013 Permalink | Reply

      হাসব না কাঁদব বুঝতে পারছি না। সত্য সেলুকাস – বিচিত্র এই দেশ।

    • ক্যাফে লাতে 11:33 am on July 16, 2013 Permalink | Reply

      কেঁদোনা, বুঝতে পারছি তোমার মনে বড় আঘাত লেগেছে

      • ক্যাপাচিনো 12:10 pm on July 16, 2013 Permalink | Reply

        এরকম এক পিস সাপ পেলে আমি পুষব আর কিছুটা কোডিং ও করিয়ে নেব।

    • ভাঁড়ের চা 3:47 pm on July 16, 2013 Permalink | Reply

      এই সব অয়,অয়! z।নতি পার না!

  • চাফি 1:34 pm on May 31, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , বাংলা সিনেমা   

    এবং ঋতুপর্ণ চলে গেলেন 

    কফিহাউজে ওনাকে নিয়ে দুটো পোস্ট ইতিমধ্যে পড়ে গেছে। আর একটা দেওয়ার কারন এটাই যে একটা ছোট্ট ঘটনা বলতেই হয়। কদিন ধরে দেখছি ফেসবুক শোক সংবাদে ভেসে যাচ্ছে।

    এর মধ্যে এরকম অনেকেই আছেন – যাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয়ও রয়েছে – যাঁরা একসময় ঋতুপর্ণকে সামনাসামনি একটা উপহাসের পাত্র হিসেবে তুলে ধরেছেন গল্প, আড্ডা ও লেখায়। অথচ সেইরকম অনেকেই এখন যেন দুঃখে ভেসে যাচ্ছেন, মেনে নিতে পারছেন না বাংলা সিনেমার এত বড় ক্ষতির কথা। মনে পড়তে খারাপ লাগছে মীরের তুলে ধরা সস্তা নাটুকে মুহুর্তগুলোই তাঁরা খুব রসিয়ে রসিয়ে বলেছেন, তুলে ধরেছেন একাধিকবার। একজন সামান্য ভাঁড় হয়েছেন আমাদের রসদ, অথচ যিনি প্রকৃত মুক্তমণা পরিচালক, যিনি যৌনতার রাখঢাক ব্যাপারটা মুছে সত্যিটুকু সিনেমার পর্দায় এনে প্রশ্ন করেছেন আমাদের, তাঁকে করেছি ব্রাত্য।

    কেন জানি না এটা বড় বেশি ভড়ং বলে মনে হচ্ছে। আর কিছু হোক না হোক, এই একটা জায়গায় তো বাঙালি কম যায় না। আফশোস এটাই যে এরকম একজন প্রতিভার প্রকৃত মূল্যায়ন করার মত মানসিকতা আর যাই হোক আম আদমীর নেই। বিশ বছর ধরে সিনেমা বানিয়ে যে উপহার উনি আমাদের দিয়ে গেছেন, তা বুঝতে দর্শক হিসেবে আমরা অনেক অনেক পিছিয়ে।

    সেলাম ঋতুপর্ণ।

     
  • ক্যাপাচিনো 3:34 am on March 30, 2013 Permalink | Reply
    Tags: বাংলা সিনেমা,   

    গান শোনা – থুড়ি দেখা 

    এতদিন এসব ইংরিজি বা হিন্দিতেই দেখেছি – তাই বলে বাংলায়? কস্মিনকালেও না। এক্কেবারে জালি কমার্শিয়াল বাংলা সিনেমার গান থেকে তৈরী ম্যাশ-আপ। বেশ মজা পেলাম গানের লিরিক্সের কিছু কিছু জায়গায় – তাই পোস্টটা না দিয়েই পারছি না। ‘শ্রাবন মাসে ফাঁকা বাসে তোরে লইয়া ডেটিং এ যাইব’ বা ‘বুকটা করে সামথিং সামথিং টেল মি উপায়’ – বা ময়না নিয়েও কি একটা গান আছে দেখলাম। সিরিয়াসলি যে সব কজন মাথা চুলকে, ক্রিয়েটিভিটি ভাঙিয়ে এইসব গান লেখেন – তাদের সেলাম। যাদের জন্য এই গান তৈরী হয় – তারা মহান, কারন মনে তো হচ্ছে এইসব গান শ্যুট করতে ভালোই খরচ খরচা হয়।

    দুটো রিমিক্স তৈরী হয়েছে দেখলাম – দুটোই দিচ্ছি। প্রথমটা পরেরটার তুলনায় মনে হয় তাও মন্দের ভালো।

    একদিকে দুর্বোধ্য কবিতা আর অন্যদিকে সিনেমায় হিজিবিজি লিরিক্সের জয়জয়াকার। বাংলা ভাষা আর যাবে কোথায়?

     
    • ক্যাফে লাতে 10:46 am on March 30, 2013 Permalink | Reply

      ভয়ঙ্কর :nohope

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel