Tagged: দেশ Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • চাফি 8:33 pm on September 17, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দেশ,   

    আশারাম বাপুর খবরটি আশা করি আজকাল অনেকেই রাখছেন – যিনি যৌন নিগ্রহের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। আমার কপালে হাত উঠল তাঁর পক্ষের উকিল কি বলছেন তাই শুনে। তিনি আবার যে সে উকিল নন – দেশের অন্যতম বিখ্যাত ব্যারিস্টার পদবাচ্য রাম জেঠমালানি। তিনি বললেন – এ তো ঐ মেয়েটির দোষ যার জন্য সে পুরুষদের দিকে এগিয়ে যায়। অসাধারন – এই না হলে শিক্ষিত মানুষ। আমার বাড়িতেই তিন চার জন ঐ পেশার মানুষ রয়েছেন। তাই বলে মক্কেলের জন্য এতটা মিথ্যে কথা।

    খবরটা তুলে না ধরে পারছিলাম না

     
  • ক্যাপাচিনো 8:11 pm on June 27, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দেশ, ,   

    আমার এক বন্ধু একটা সাইট বানিয়েছে – গো ইউনেস্কো। বেশি বলছি না, কারন সেসব তার সাইটেই বলা আছে ভালো করে। এর মধ্যে ভারতের পাতায় গিয়ে দেখে নিতে পারেন UNESCO হেরিটেজ সাইট আমাদের দেশে কোথায় কোথায় আছে।

    মনে হয় ব্যাপারটা আপনাদের ভালোই লাগবে।

     
  • ক্যাপাচিনো 1:36 pm on June 20, 2013 Permalink | Reply
    Tags: অর্থনীতি, দেশ,   

    পড়ছে পড়ছে পড়ছে টাকা
    নে রে লুটে নেরে
    লুটেরা যত বাড়ছে দলে
    পকেট ফুলে ফেঁপে

    গেল গেল গেল বলে
    কাঁদিস নাক আজ
    চুরিবিদ্যা বড়বিদ্যা
    দেখালে মহারাজ

    সূত্র : ভারতীয় টাকার মূল্য আজকের তারিখে ন্যূনতম।

     
    • ক্যাফে লাতে 6:23 pm on June 20, 2013 Permalink | Reply

      বলতে বাধ্য হচ্ছি, অত্যন্ত জঘন্য ছড়া 🙂
      খবরটা পদ্যে না বলার চেষ্টা করে, গদ্যে বললেই তো পারতে!!

      • ক্যাপাচিনো 7:52 pm on June 20, 2013 Permalink | Reply

        বাহ, দেশের নেতারা পয়সাকড়ি ঝেড়ে তহফিল ফাঁক করে দিলে বুঝি খুব ভালো আর আমি ছড়া কাটলেই যত দোষ? জান কি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সিকিউরিটি বন্ড বেচে দিচ্ছে গেরোয় পড়ে?

      • চা পাতা 5:02 am on June 24, 2013 Permalink | Reply

        হেঃ হেঃ হেঃ হেঃ!

  • ক্যাপাচিনো 9:08 am on June 18, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , দেশ, বর্ষা,   

    উত্তরভারত ধুয়ে যাচ্ছে প্রবল বর্ষণে। মারা গেছেন প্রায় সত্তরের উপরে। হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া। এই কঠিন সময়ে ওদের লড়াই কত অসহায় ভাবতে খুব খারাপ লাগছে। উত্তরাখন্ডে অনেক তীর্থযাত্রীও মহা সমস্যায় পড়েছেন। আশা করি এই দুর্যোগের এই কালো মেঘ যেন কেটে যায়।

     
    • এসপ্রেসো 9:29 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

      আশা করি…

      • ক্যাপাচিনো 11:10 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

        মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। অবস্থা আশঙ্কজনক।

  • চাফি 8:12 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: এইডস, দেশ,   

    অসহায়তা, মনোবিকার নাকি নিছক প্রতিশোধ 

    অনেকদিন থেকেই এই ধরনের কথা শুনে আসছি। এইডস এর রুগিরা নাকি চায় যেনতেন প্রকারে তাদের অসুখ চারদিকে ছড়িয়ে দিতে। ভারতের অনেক উন্নত শহরেই দেখা গেছে যে সিনেমা হলে এইডস রোগাক্রান্ত মানুষ নাকি নিজের রক্ত সিরিঞ্জে মাখিয়ে রেখে আসতেন সিটের মধ্যে বিঁধিয়ে। আপনি বসতে ফিয়ে একটা ছোট্ট খোঁচা অনুভব করলেন – ব্যস। এইচ আই ভি চলে এল আপনার রক্তে। অবশ্য এই ব্যাপারটা যে শুধু সিনেমাহলে তা নয় – ভিড় রাস্তায়ও হয়েছে। এইমাত্র একটি খবর পড়লাম যে আসামে এইরকম একজন এইডস রোগক্রান্ত ব্যক্তি নাকি রক্তদান করেছেন এবং সেই রক্তের জেরে সাতজন এইডস এর কবলে পড়েছেন আরও সাতজন।
    পড়ে প্রথমেই মনে এল যে কথাটা – যে এ কি অসহায়তা না মনোবিকার না কি নিছক প্রতিশোধ। তারপরেই মনে হল, এই গোটা ব্যাপারটার মধ্যে কতটা তির্যক বিদ্রুপ লুকিয়ে আছে – এমন এক ব্যধি, যাকে কেবল বশ মানানো যায় তাকে ছড়িয়ে পড়তে না দিয়ে, সেখানে সব জানা সত্তেও মানুষ নিজেই সেই রোগ ছড়াচ্ছে, জেনে, বুঝে, পরিকল্পনা করে। কেন? কার দায়িত্তজ্ঞানহীনতায় হাসপাতাল থেকে রোগটা ছড়িয়ে পড়ল তা জানি না, বা সেই দিকে ইঙ্গিত করতে চাইছি না, আমার ধারনা ছিল কারও রক্ত নেওয়ার আগে যথারীতি পরীক্ষা করেই নেয় ব্লাডব্যাঙ্ক। সেক্ষেত্রে বড় রকমের গাফিলতি হয়েছে – যা এক্ষেত্রে প্রায় অমার্জনীয়। তবু সে প্রসঙ্গে এই মুহুর্তে যাচ্ছি না।
    অনেক প্রশ্ন মনের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়। যদি আমি জানতে পারি পৃথিবী থেকে আমার চলে যাওয়া প্রায় নির্ধারিত, তাহলে জীবনের বাকি দিনগুলো কি দুনিয়াটাকে আরও সুন্দর করে তুলতে চাইব না? জানি না এই কথাটা বলা যতটা সহজ, কাজে কর্মে করে দেখানো বোধহয় ততটা নয়।

     
    • ক্যাফে লাতে 5:38 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

      ঘটনাটা সত্যি? তাহলে বলতে হবে রক্ত সংরহকারী সংস্থা চূড়ান্ত ভাবে গাফিলতি করেছে।
      আমার চলে যাওয়া নিশ্চিত জেনেও দুনিয়াটাকে সুন্দর রেখে যেতে চাই – এইটা প্রথম ভাবনা হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু দেখতে হবে, সেই মানুষটা কি দুনিয়ার কাছ থেকে স্বাভাবিক ব্যবহার পেয়ে এসেছে? খুব সম্ভবতঃ নয়। একঘরে হয়ে, লোকের দূরছাই সহ্য করে নিশ্চয় বেঁচে থাকতে হয় তাকে।হয়ত বাড়ির লোক, ভালবাসার মানুষেরা সবাই পরিত্যাগ করেছে তাকে। হয়ত চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছে। সামাজিকভাবে ব্রাত্য হয়েছে। আর এই সমস্ত কিছুই তাকে জীবনের প্রতি বিমুখ করে তুলেছে। প্রতিহিংসাপরায়ণ করে তুলেছে। সে ভেবেছে, আমাকে যেরকম কষ্ট দিলে, তোমরাও এইবার সেইরকম কষ্ট ভোগ কর…

      • এসপ্রেসো 11:28 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

        আমিও একমত ক্যাফে লাতে ।

      • ক্যাপাচিনো 7:28 pm on June 15, 2013 Permalink | Reply

        হুম, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে ব্লাড ব্যাঙ্কের পদ্ধতিতে এত বড় রকমের ফাঁক ফোকর থেকে গেল কি করে?

    • চা পাতা 6:09 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

      আমার তো মনে হয় এগুলি সব গুজব।

  • ক্যাপাচিনো 6:53 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ইতিহাস, দেশ, , বিজ্ঞান,   

    ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার 

    এইমাত্র একটা মজার খবর পড়লাম – গুগল নিউজের পাতায় ওপরের দিকেই ছিল বলেই বোধহয় নজরে পড়ে গেল। আর খবরটাও নজিরবিহীন। প্রিন্স উইলিয়াম – যিনি কিনা ব্রিটিশ সিংহাসনের দাবীদার, তাঁর জন্মসূত্রে নাকি ভারতীয় পরিচয় পাওয়া গিয়েছে। ব্যাপারটা কিরকম? না একধরনের মাইটোকন্ড্রিয়াল জিন আছে যা নাকি মায়ের কাছ থেকে সন্তানের মধ্যে চলে আসে। সেই সূত্র ধরে খুঁজতে খুঁজতেই এই আবিষ্কার – কারন এমন একটি জেনেটিক কোড আছে যা নাকি ভারতীয় হতে বাধ্য।

    এখন এই জেনেটিক আবিষ্কারের সূত্র ঘাঁটতে গিয়ে দেখা গেছে – উইলিয়ামের মা ডায়নায় উর্ধতন পঞ্চম পুরুষ থিওডর ফোর্বস (1788-1820) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে ভারতে আসেন এবং সুরাটে থাকাকালীন এক ভারতীয় মহিলাকে পরিচারিকা নিযুক্ত করেন, যার নাম এলিজা কেওয়ার্ক। তাঁরা কখনও বিয়ে করেননি, কিন্তু তাঁদের প্রথম কন্যা ক্যাথরিনের বংশধর হলেন এক কালের হাইনেস, প্রিন্সেস ডায়না। এই রিসার্চ করেছেন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়। ইতিহাস ও বিজ্ঞান – দুই দিক থেকেই এই আবিষ্কার চাঞ্চল্যকর বটে।
    মজার কথা হচ্ছে এই যে ব্রিটিশ জাত আমাদের উপমহাদেশ দাপিয়ে মাড়িয়ে শোষন করে গেছে দুই শতাব্দী, সেই জাতের রাজপরিবারের সাথে সম্পর্ক বেরিয়ে পড়ায় আমাদের কি ভারতীয় হিসেবে খুব একটা গর্ব হওয়া উচিত? জানি না। আমার যুক্তরাজ্য (ইউনাইডেট কিংডম – অর্থাৎ ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড এবং নর্দার্ণ আয়ারল্যান্ড) ভ্রমণ ও সেখানে বেশ কিছু সময় থাকার অভিজ্ঞতা কিন্তু উলটো কথা বলে। সেখানে আইরিশ, স্কটিশ ও ওয়েলসরা কিন্তু একেবারেই ব্রিটিশদের ভালো চোখে দেখে না। ব্রিটিশ জাত যে শুধু ভারতীয় উপমহাদেশ বা অন্যান্য উপনিবেশে ছড়ি ঘুরিয়েছে তা নয় – নিজের প্রতিবেশীদেরও এক কালে কম জ্বালায় নি। তবে কিনা আমরা তো শেষমেষ ভারতীয়, কাজেই এই ঘটনা হ্যাংলাপনা করে মুখ দিয়ে লাল ঝরিয়ে, গাল ভরিয়ে অনেক কথা হয়তো পত্র পত্রিকায় দেখা যাবে – কারন ইতিমধ্যেই গুজরাটে নাকি খোঁজ শুরু হয়ে গিয়েছে রাজকুমারের পিসতুতো / মামাতো / কাকাতো ভাইয়ের খোঁজ। সত্য সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশ।


    তথ্যসূত্র:
    ১) ইকোনমিক টাইমস
    ২) ইন্ডিপেন্ডেন্ট


     
    • চাফি 8:17 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

      হা হা হা, তাও ভালো উনি কলকাতায় ছিলেন না। আজকাল তো কলকাতায় ঐতিহাসিকের অভাব নেই, কোথা থেকে কি বেরিয়ে পড়ত কে জানে।

      • ক্যাফে লাতে 5:27 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

        আচ্ছা চাফি, কলকাতায় কবিদের অভাব নেই বলে জানতাম, ঐতিহাসিকদেরও অভাব নেই? কি কান্ড!

    • ক্যাফে লাতে 5:27 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

      হয়ে গেল !! এবার ন-মো বাবুকে প্রধাণ মন্ত্রী হওয়া থেকে কেউ আটকাতে পারবে না। এমনিতেই তো আমাদের সাদা চামড়া দেখেলেই চোখ চকচক, জিভ সকসক করে। দেখ গে যাও, এবার খোঁজ শুরু হবে ন-মো ভাই ডায়নার কিরকমের তুতো দাদা হন!

      • ক্যাপাচিনো 7:24 pm on June 15, 2013 Permalink | Reply

        যাচ্চলে উনি তো হিন্দু!!! :mewek এরকম দূর সম্পর্কের ভাই বেরোলে রাজনৈতিক ভবিষ্যতের দফারফা হয়ে যাবে না? কি যে বলো!

        • ক্যাফে লাতে 1:21 am on June 17, 2013 Permalink | Reply

          এই মূহুর্তে উনি হিন্দু পরে, আগে গ্লোবালাইজ্‌ড্‌ নেতা। তো ওনার একটা গ্লোবালাইজড্‌ বোন বা বোনপো থাকতে পারে না? :shakehand2

          তবে এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ খবর যেটা, সেটা হল যে গত শনিবার রাতে খবরে দেখলাম এক হিন্দি সংবাদ চ্যানেল হই হই-রই-রই করে বলছে, ডায়নার বড় ছেলে রাজা হওয়া মানে হল এক ভারতীয় রাজকুমারের বৃটিশ সিংহাসনে বসা। বুড়ি রানীমার এতসব এই বয়সে সহ্য হলে হয় 🙂 সিল্কের হ্যাট ঠিক করতে করতে মনে মনে নির্ঘাত ভাবছেন – বড় ছেলের প্রথম বৌটা হাড় বজ্জাত। মরার আগে কেচ্ছা-কেলেঙ্কারি করে গেল, এখন বেটি মরেও সগ্‌গ থেকে ব্যাম্বু দিচ্ছে। 😀 পুরো ‘রসময়ীর রসিকতা’ -আ লা বাকিংহ্যাম স্টাইল !!

          তবে বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং এই কারণে যে যে জিনটার কথা বলা হচ্ছে, সেটা নাকি একমাত্র মায়ের শরীর দিয়েই পরের প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু ডায়নার কোন মেয়ে নেই, তাই এই ‘নেটিব রক্ত’-এর বাকিংহ্যামে ঢোকার এই শুরু এবং শেষ। রানীমা এক কাজ করতে পারেন, নীল রক্তের সম্মান বাঁচাতে চার্লসের দুই ছেলেকেই ত্যাজ্য নাতি করতে পারেন 😀 আর অন্য কাউকে মুকুট দিয়ে যেতে পারেন।

          আরেকটা দিক নিয়ে এখনো সেরকম কোন আলোচনা হয়েছে কিনা জানিনা। ডায়নার সেই ২০০ বছর আগের পূর্বসূরী নাকি আদতে আর্মেনিয় মহিলা ছিলেন। তাহলে কি আর্মেনিয়ানরাও দাবি করবে , যে উইলিয়াম তাদেরও রাজপুত্তুর? শেষ মেশ লড়াই না লেগে যায়, কাদের অধিকার বেশি …তাহলে পুরো হাওড়া পুলিশ -কলকাতা পুলিশ কেস হয়ে যাবে! :thumbup

          • ক্যাপাচিনো 2:14 pm on June 17, 2013 Permalink | Reply

            তা বটে, পলিটিকাল মাইলেজ নেওয়ার জন্য লোকে ঠিক কোন পর্যায়ে যেতে পারে আমার কোন ধারনা নেই। তার ওপর শুনেছি ওনার পাবলিসিটি নাকি কোন বিলিতি কোম্পানি করে। আজকাল বিজেপি তে যা খেও খেওয়ি চলে তাতে এরকম একটা কিছু দরকার হয়ে উঠতে পারে বৈকি। কে জানে পুরোটাই সাজান ঘটনা কিনা।

            আবার এও ভাব পাঁচ পুরুষ আগে কি হয়েছে, তাই নিয়ে এত হুজুগ কিসের কে জানে?

  • চাফি 7:54 pm on April 25, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দেশ, ,   

    এক মাসের বিয়ে 

    এই খবরটা কারও নজরে এসেছে কিনা জানি না। আমির খানের ‘সত্যমেব জয়তে’র প্রথম পর্বটা যদি কেউ দেখে থাকেন তাহলে হয়তো মনে আছে সেখানে বলা হয়েছিল বেশ কিছু রাজস্থান বা হরিয়ানার গ্রাম্য পরিবারে বিয়ে কেনা হচ্ছে – অর্থাৎ দেশের একেবারে অন্য প্রান্তের গরীব ঘরের মেয়েকে টাকা দিয়ে একরকম কিনা আনা হচ্ছে স্থানীয় সমাজে পাত্রীর অভাবে, যেখানে শুধু একজন নয় পরিবারের অন্যান্য পুরুষও সেই বধূটির কাছে তাদের লালসা চরিতার্থ করছে।
    নতুন ঘটনাটি ঘটছে হায়দ্রাবাদে – কিছু মুসলিম পরিবারে। সেখানে মেয়েদের এক মাসের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রবাসী বা বিদেশি পুরুষদের সাথে। কাজীর সঙ্গে যোগসাজসে প্রথমেই তৈরী করে নেওয়া হচ্ছে এক মাস পরের তালাকনামা। এরকম একটি ঘটনায় একজন কিশোরী পালিয়ে আসায় ঘটনা পুলিশের নজরে আসে এবং জানা যায় যে এই ঘটনা শুধু একবার নয় – অনেক ক্ষেত্রেই ঘটছে। এই মেয়েটির সাথে এক মাসের বিয়ে করতে চায় সুদানের এক তেল কোম্পানির লোক – যার জন্য সে দালালকে দেয় প্রায় ১২০০ পাউন্ড অর্থাৎ প্রায় লাখখানেক টাকা। তা কম কি – সব খুইয়ে যখন পুরুষ জাত মেয়ের সম্মানের সব রকম দরদাম ঠিক করে ফেলেছে, তখন এটাই বা কম কি?
    এই পোস্টে অল্প কটা লাইন লিখতে আমার লজ্জা হচ্ছে, কিন্তু যারা এই কান্ড ভরদুপুরে করে যাচ্ছে, তাদের কিছুই হচ্ছে না। মনে হচ্ছে ভারতীয়দের মধ্যে বোধহয় একটা বড়সড় জিনগত পরিবর্তন আসছে – কানটা কাটা গেছে কোন কালে, সেরকমই থেকে যাচ্ছে, আর জুড়ছে না। বিবেক শব্দটা তো অনেককাল আগেই ডিকশনারি থেকে উঠে গেছে বোধহয়।


    খবরটি যে আমার বানান নয় – তার প্রমাণ স্বরূপ দুটো লিঙ্ক নিচে দিলাম।
    টেলিগ্রাফ (UK)
    ফক্স নিউজ


     
    • ক্যাফে লাতে 2:47 am on April 26, 2013 Permalink | Reply

      না না, এই খবরটা একদমই বানানো নয়। দক্ষিণের দরিদ্র মুসলমান পরিবারের মেয়েদের এক থেকে তিন মাসের জন্য বিয়ে করে মধ্য প্রাচ্যের ধনী পুরুষেরা। সময় শেষ হলে, তালাক, এবং দালালের হাতে যায় মোটা টাকা। মেয়েটি পায় সামান্য কিছু টাকাই। এটাকে গোছানো ভাষায় বলা হয় ‘সেক্স ট্যুরিজম’ নিজের বউকে বাড়িতে বোরখার আড়ালে বন্দী করে রেখে আসব। নিজে ভারতে বেড়াতে আসব, আর একটা নতুন মেয়েকে নিয়ে মজা লুটে যাব। হিসেবটা খুব সোজা।
      কিছুদিন আগে দুটো খবর দেখেছিলাম যা চমকে দিয়েছিল। এক, সিরিয়াতে এখন খুব অশান্তি চলছে। তার মধ্যে সেখানকার ক্ষমতায় থাকা সুন্নী গোষ্ঠি ঘোষণা করেছে, সুন্নী নয়, এমন সমস্ত মহিলাদের যথা ইচ্ছা ধর্ষণ করা যেতে পারে ! লিঙ্ক এইখানেঃ
      http://www.humanevents.com/2013/04/02/islamic-cleric-rape-of-non-muslim-syrian-women-permitted/

      ওদিকে মালডাইভ্‌স্‌ এ এক পনেরো বছরের মেয়েকে জনগনের সামনে ১০০ বার চাবুক মারার নির্দেশ দিয়েছে সেখানকার সরকার। মেয়েটির দোষ? সে একজন ধর্ষিতা। তার বিরুদ্ধে অপরাধ হয়েছে, কিন্তু তাকেই পেতে হবে শাস্তি। লিঙ্ক এইখানেঃ
      http://www.avaaz.org/en/maldives_global/?fOONobb&pv=59

      • চাফি 7:46 am on April 26, 2013 Permalink | Reply

        আচ্ছা, তাহলে তোমারও চোখে পড়েছে খবরটা। হিসেবটা তো খুব সোজা বটেই – যেমন নিয়ম, তেমনি নিয়মের ফাঁক ফোকর।

        কিন্তু পরের খবর দুটো আরও ভয়াবহ। আমি আগে শুনিনি। মানুষের শুভবুদ্ধি কোন তলানিতে গিয় ঠেকেছে সেটা তো ভেবে দেখার মত বিষয়।

    • ক্যাফে লাতে 3:03 am on April 26, 2013 Permalink | Reply

      আর উত্তর ভারতের গল্পটা অন্য।
      সেখানে বেশিরভাগ গ্রামগুলিতে কন্যা ভ্রুণ হত্যা করা হয়ে থাকে, কারণ মেয়ে মানেই বিয়ে দিতে হবে, প্রচুর পণ দিতে হবে, ইত্যাদি। এই করতে করতে এক- একটা গ্রাম হয়েছে শুধু পুরুষে পূর্ণ, কোন বিবাহযোগ্য মেয়েই নেই। সেই গ্রামে ত নেই-ই, আশেপাশের গ্রামেও নেই। অগত্যা, এই ব্যবস্থা। এটা অবশ্য আমিও প্রথম জেনেছিলাম ‘সত্যমেব জয়তে’ থেকেই। এই সব মেয়েরা বেশিরভাগই অন্ধ্রপ্রদেশের খরা বিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে আসে। আর এরা বেশিরভাগই দলিত।
      অত্যন্ত হাস্যকর এবং একই সাথে দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, উত্তরের ‘উচ্চবংশীয়’ ঠাকুর বা অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ, যারা সর্বক্ষণ জাতপাতের বিচার করে নিজেদের আশেপাশের মানুষগুলিকে তটস্থ করে রেখেছে, তাদের নিজেদের বংশ বিস্তার এবং শারিরীক ক্ষিদে মেটানোর জন্য তারা সেই ‘দলিত’ মেয়েদেরই নিয়ে আসছে।

      এক দিন থেকে ভালই। এই করতে করতে আর আলাদা রক্তের গর্ব করার মত তাদের কিছু থাকবে না। জাত পাত সমস্যাও সূদুর ভবিষ্যতে মিটবে কি? এই ব্যবস্থার ফল স্বরূপ?
      ঠিক কি হবে সত্যিই জানিনা। কিন্তু এইসব খবর পড়লে মাঝে মাঝেই মনে হয়, পৃথিবীটা মনে হয় সত্যিই ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে।

      • চাফি 7:25 am on April 26, 2013 Permalink | Reply

        কি করে সমস্যা মিটবে জানি না – বিয়ের পর যদি শ্বশুরবাড়িতে একটি মেয়ের অবস্থা কাজের লোকেরও অধম হয় – তাহলে পরবর্তীকালে কোন পারিবারিক সিদ্ধান্তে তার কোন মতামত আদৌ গৃহীত হয় কি? আমার তো মনে হয় এক্ষেত্রে অবস্থা আরো খারাপ হবে মেয়েদের জন্য।

    • ক্যাফে লাতে 4:31 am on April 27, 2013 Permalink | Reply

      তোমার কি ধারণা যে আমাদের দেশে মেয়েদেরকে পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশিদার করা বা ভাবা হয়? খুব কম ক্ষেত্রেই সেটা হয়। এবং সেটা যে সবসময়ে শহুরে, শিক্ষিত লোকেরা করে তা নয়। বেশিরভাগ তথাকথিত উদারমনা, শিক্ষিত লোক আসল সময়ে বাড়ির মহিলাদের বা স্ত্রীর বক্তব্য বা সিদ্ধান্তকে পাত্তা দেয় না। যে সব পুরুষরা দেয়, তাদের স্ত্রীরা হাতেগোনা ভাগ্যবতীদের মধ্যে পড়ে।

      মেয়ে যতই না কেন উচ্চশিক্ষিত হোক, লাখ টাকা রোজগার করুক, বাড়ি ফিরলে, ৯০% পুরুষ এবং শ্বশুর-শ্বাশুড়ির কাছে তার একমাত্র পরিচয়- সে ‘বাড়ির বৌ’ , যার প্রাথমিক দায়িত্ব হল মোটামুটি ভাবে বাড়ির ভেতরের , এবং পারলে, বাইরের ও সমস্ত কাজ করা, স্বামীকে শারিরীক সুখ দেওয়া এবং অবশ্যই সন্তানের জন্ম দেওয়া। আমার আশেপাশে এরকম ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে। ‘সংসার’ এ ঢুকলে তুমি এম-বি-এ না পি-এইচ-ডি, তাতে কিছুই এসে যায়না।

      পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই, এবং বিশেষতঃ ভারতবর্ষে ( এবং আমার ধারণা ভারতীয় উপমহাদেশের সব দেশগুলিতেই ) বিয়েটা একটা লোক দেখানো সামাজিক চুক্তি ছাড়া কিছুই নয়। Marriage is nothing but a social contract for sexual relationship between a man and a woman, verified and approved by the civil society, which supposedly helps in retaining the so called value system , propagated once again, by the same civil society.

      এই কারণেই আজকাল বহু অল্পবয়সী ছেলেমেয়ে একলা জীবন যাপন করার চেষ্টা করছে। এবং ভারতে সেই সংখ্যাটা হুহু করে বাড়ছে।আমি কিছুদিন আগে একটা খবরেও পড়েছি যে, আমেরিকাতে সিঙ্গল মাদার দের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, কারণ কাজ করে খাওয়া মহিলারা সন্তান পালন করতে অনিচ্ছুক নয়, কিন্তু এই বাজারে, সন্তানের বাবা এবং স্বামী হিসাবে খামোখা একটা লোককে পুষতে রাজি নয়, যে অনেক ক্ষেত্রেই বেকার। এটার সাথে অবশ্য সেখানকার অর্থবনৈতিক ব্যবস্থাও জড়িত, কিন্তু কেই বা আর অকারণে শুধুমাত্র ‘পবিত্র বিবাহ বন্ধন”- এর নামে মাঝরাতে বেকার মাতালের বমি পরিষ্কার করতে চায় বল?

      যদি সত্যি কথা বলি, তাহলে আমি মনে করি বিয়ে নামক এই অব্যবস্থাটা পুরোপুরিভাবে পৃথিবীর সমস্ত সমাজ থেকে মুছে ফেলা উচিত। পৃথিবীর প্রচুর সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ।

      • চাফি 5:09 am on April 27, 2013 Permalink | Reply

        আমি তোমার সাথে অরাজি নই – কিন্তু এই কথাগুলো আলোচনাটাকে অন্য দিকে নিয়ে যাবে। বিয়ে উচিত কি উচিত না আমি জানি না – তবে হ্যাঁ সমাজের এই রাখ ঢাক গুড় গুড় ব্যাপার গুলোর প্রতি আমার ঘোর আপত্তি। আর তাছাড়া এক্ষেত্রে দোষটা যে সব সময় পুরষদের তাও নয় – অনেক সময় মেয়েরাই মেয়েদের সমস্যার কারন। যাই হোক, সেটা আমার পোস্টের উদ্দেশ্য নয়। আমি যার বিপক্ষে তা হল মেয়েদের পক্ষে চূড়ান্ত রকমের অবমাননায় – যেমনটা এক্ষেত্রে ঘটছে। ঘটছে আরও অনেক ক্ষেত্রেই – যেমন তুমিও বলেছো। এই জায়গাগুলোয় আমার প্রতিবাদ – অবশ্য প্রতিবাদ করেই বা কি লাভ? এই প্রতিবাদ তো কারও কানেই পৌঁছবে না। যেটা পোস্টে লিখেছিলাম – আমাদের মধ্যেই দুটো পৃথিবী আছে।

  • চাফি 8:31 pm on April 23, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দেশ,   

    চাপ সৃষ্টি করুন 

    মাঝে কদিন আসিনি। কিছু লিখতে ইচ্ছে করছিল না। মনের মধ্যে যেন অনেক অপরিচিত ক্ষোভ জমে ছিল। সেটা ঠিক ক্ষোভ, না অভিমান না লজ্জা তা জানি না। সে ভাষা নেই। তারপর দেখলাম কফিহাউজে তো সে সব নিয়ে কেউ কিছু লেখেন নি – তাই ভাবলাম আমার কথাগুলো না বললেও তো হত। কিন্তু তাও বলছি।

    কাগজের পাতায় চোখ বুলোলেই একের পর এক ধর্ষণের খবর চোখে পড়ে। কসমোপলিটন শহরের আধুনিকা থেকে ছাত্রী থেকে গ্রাম-বাংলার গৃহবধূ, কেউ যেন রেহাই পায় নি। বলিহারি মিডিয়া – এই ধরনের খবর পরিবেষনার সময়েও একটা রগরগে ব্যাপার হিসেবে তুলে ধরার বিষয়টা যেন তারা ভুলতে পারেন না। যাই হোক, চোখ আটকে গেল একটি শিশুর ধর্ষনে। এও সম্ভব? ভয়াবহতা যে কতটা তা বুঝে উঠতে পারছি। প্রতিবাদ করব কি? কলমের ডগা কাঁপছে। আসলে আমি নিজে যতই বড় বড় কথা বলি না কেন, ভেতরে ভেতরে তো আমিও সেই মুখচোরা, সুখী, ঘরকুনো টাইপ। আমার কথায় কি যায় আসে?

    সমস্ত ঘটনায় মনে হত আমাদের মধ্যে দুটো দুনিয়ার মানুষ বাস করেন। যত দিন যাচ্ছে – শুভবুদ্ধি আর অশুভশক্তির টানাপোড়েনটা যেন খুব কদর্যভাবে ফুটে উঠছে। কিন্তু একটু আগে একটা খবর দেখলাম যে এরকম নাকি অনলাইন গেম আছে যেখানে ধর্ষন করে পয়েন্ট জিততে হয়। এই গেম কে বানিয়েছে? নিশ্চয়ই দিল্লিতে পাঁচ বছরের শিশুর ধর্ষনে অভিযুক্ত অশিক্ষিত, বিকৃতমনষ্ক বিহারী নয় – নিশ্চয়ই কোন তথাকথিত শিক্ষিত মানুষেই? তাদের বিকৃতিটা ঠিক কোন পর্যায়ে, তারা ঠিক কতটা অসুস্থ?

    তবে যত বিপ্লব, যত প্রতিবাদ সব নিছক কলমেই। ঐ পুকুরে একটা ঢিক ছোড়ার মতই। খানিক বাদে সব নিঝুম, নিস্তরঙ্গ। আরে দাদা একটু উঠে বসুন, চাপ সৃষ্টি করুন।

     
    • ক্যাফে লাতে 4:24 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

      তুমি এই অনলাইন গেম এর খবর আগে জানতে না? এগুলি মূলতঃ তৈরি হয় জাপানে, এবং এগুলি খুবই জনপ্রিয়। এর মধ্যে একটা আছে সেটাতে একজন ধর্ষক এক মা আর তার মেয়েদের ধর্ষণ করে। উইকিপিডিয়াতে এটার লিঙ্ক খুঁজে পেলামঃ http://en.wikipedia.org/wiki/RapeLay

      মিডিয়াতে এই রেপ ব্যাপারটা যত সোজা করে দেখা বা দেখানো হয় (বা বলা চলে যত উপভোগ্য করে দেখা বা দেখানো হয় ) তাতে আসল পরিস্থিতি বোঝা খুব মুশকিল। এ খুব জটিল সময়, আরো জটিল আমাদের বেঁচে থাকা।

      • চাফি 4:58 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

        নাহ, সত্যিই জানতাম না। এ তো আরো ভয়াবহ ব্যাপার। সেটাই বলছি যে বিকৃতিটা ঠিক কোন পর্যায়ের তার ধারনা পাচ্ছি না।

        • ক্যাফে লাতে 5:09 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

          চাফি, তুমি ফাজলামি কর মাঝে মাঝে, কিন্তু বোঝা যাচ্ছে তুমি নেহাতই এক সাদাসিধে ছেলে। ইন্টারনেটে এই ধরনের আরো অনেক গেম আছে। সেগুলির সম্পর্কে শুনতাম আমার প্রাক্তন কলিগদের কাছ থেকে। ধুর্ষণ ছাড়াও এই ধরনের খেলায় সম্মতি জানানো চরিত্ররাও থাকে, যারা নানারকম ভাবে খেলোয়াড়দের আকর্ষণ করে।
          এই বলতে মনে পড়ল – তুমি কি ‘সবিতা ভাবি’-র সম্পর্কে জান?

          • চাফি 7:36 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

            অসাধারন, শুঁড়ির সাক্ষী মাতাল তাহলে। আমার রাগ এই কনসেপ্টটার ওপর।

            সবিতা ভাবি মানে কি সেই রগরগে কার্টুন ক্যারেক্টার? আজ থেকে বহু বছর আগে মনে হচ্ছে এরকম একটা কমিকস দেখেছিলাম। সেও তো একরকম মেয়েদের অশ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার জন্যই।

    • কোল্ড কফি 5:59 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

      :cd

      • চাফি 7:37 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

        শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেললেই হবে কোল্ড কফি?

    • এসপ্রেসো 8:47 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

      মানুষের রুচি বিকৃত হওয়ার দুটো কারণ আমি জানি –
      ১. স্বাভাবিক চাহিদা পুরণ না হওয়া,
      ২. বিকৃত রুচির কোন ব্যক্তি বা মাধ্যমের সাহচর্য,

      বাকিগুলো করও জানা আছে কি……….?

      • চাফি 9:21 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

        না ব্যাপারটা তো এখানেই সীমিত নেই। এখন যখন এই ধরনের গেম তৈরি হচ্ছে, তখন নিশ্চয়ই সমস্যাটা অনেক গভীরে।

        আবার মাঝে মাঝে এটাও মনে হয় এটা স্বীকার করে নেওয়া উচিত যে এই সব কিছুই অশিক্ষার ফসল।

        • এসপ্রেসো 9:54 am on April 24, 2013 Permalink | Reply

          আসলে আমাদের অনেকেই সুশিক্ষিত হলেও স্বশিক্ষিত হতে পারে না । সমস্যাটা মনে হয় এখানেই….

          • ক্যাফে লাতে 1:13 am on April 25, 2013 Permalink | Reply

            সমস্যাটা শিক্ষার নয়। সমস্যাটা অন্য। এবং অনেক গভীর।
            আর হ্যাঁ, সবিতা ভাবি সম্পর্কে আমি ওয়েব থেকেই জেনেছি। তবে এই ধরনের এক চরিত্র এবার সম্ভবত থাকছে বম্বে টকিজ এর কোন একটা ছোট ছবিতে। অভিনয় করছেন রানী মুখার্জি

  • ক্যাপাচিনো 10:32 pm on March 15, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দেশ,   

    চুরি বিদ্যা বড় বিদ্যা 

    এইমাত্র একটা খবর পড়লাম । সেবি (security and exchange board of India)-র কথায় সাহারা প্রধান সুব্রত রায়কে অ্যারেস্ট করার কথা ঘোষনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ২৪ হাজার কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ সাহারা গ্রুপের প্রধানের কাছে। এই গ্রুপের বিভিন্ন সংস্থা সাধারন বিনিয়োগকারিদের কাছ থেকে অর্থাৎ সোজা কথায় বিভিন্ন বন্ডে টাকা জমানোর প্রতারনা করে এই টাকা তুলেছে এবং তা অবিলম্বে ফেরত দেওয়ার কথা ঘোষনা করেছে। এর মধ্যে সাহারা সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি ফেরত দিয়ে বলেছে – এই ঢের। যারা এইসব ফান্ডে বিশ্বাস করে টাকা ঢেলেছিলেন, তাদের কি গতি হবে কে জানে।

    মনে পড়ে গেল বেশ কয়েক বছর আগে সুব্রতবাবুর ছেলের বিয়ের যাঁক জমকের কথা ঢালাও করে এসেছিল খবরে। অর্থের বীজ কত অনর্থের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তাই ভাবছি।

     
    • ক্যাফে লাতে 2:59 pm on March 18, 2013 Permalink | Reply

      গভীর সমস্যা। আচ্ছা, আরেকটা কথা, আমি পুলিশ-চোর নিয়ে তোমার পোস্ট এ কমেন্ট করতে চাইছি, কিন্তু কিছুতেই পারছি না। এটা কি করে হল? এস্পেসাল কিছু কেরামতি করেছ নাকি?

  • ক্যাপাচিনো 10:18 pm on March 2, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দেশ,   

    শ্যাল ঊই ওভারকাম – সাম ডে? 

    প্রথমেই বলে নিই – শোনা ঘটনা। সত্যতা নিরূপণের দায়িত্ব আমার নয় – যেরকম শুনেছি সেরকম বক্তার জবানবন্দীতেই লিখছি। দিল্লী শহরের ঘটনা। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়।


    রোজ মেট্রোতে করে অফিসে যাওয়ার সময় কয়েকজন ভিখিরিকে রোজই দেখতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাকীরা মোটামুটি বদলে গেলেও একটি মেয়েকে প্রায়ই দেখি – তাকে চিনতে পারার একটা বিশেষ কারন, তার কোলে একটি শিশু থাকে। আর তার চেয়ে বড় কথা হল বাচ্চাটিকে কখনো কাঁদতে দেখিনি। আমার খুব অবাক লাগত – ঐটুকু একটি বাচ্চা তো কান্নাকাটি করবেই, এরকম নিঃসাড়ে চুপ করে থাকে কি করে? আমি মেয়েটিকে একদিন জিজ্ঞেস করলাম – “এটা তোমার ছেলে?” সে মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললে। কিন্তু আর কিছু জিজ্ঞেস করাতে সে কোন উত্তর দিল না।

    কয়েকজন সাংবাদিক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম – ঐ মেট্রো স্টেশনের কাছে একটা লোককে দামী সাদা গাড়ি চড়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। তার আয় এই ভিখিরিদের বিশাল নেটওয়ার্ক থেকে। সব ভিখারিকেই বড় সড় বখরা তুলে দিতে হয় ঐ লোকটির হাতে – পরিবর্তে তাদের হাতে গুঁজে দেওয়া হয় সামান্য কিছু খাবার দাবার। আমরা যে ভিক্ষা দিই তা সদর্থে কোনদিনই ওদের কোন কাজে লাগে না।

    শুনে টুনে মন খারাপ হয়ে গেল। আমি আবার একদিন খোঁজ করতে গেলাম। মেয়েটির সাথে কথা বলতে যেতেই মেয়েটি ভয়ে ভয়ে পিছন দিকে তাকাল। আর কেউ একজন আমার কাঁধে হাত রেখে বলল – “এই তুমি ওকে কি বলতে এসেছো? বিরক্ত কর না।” আমি চলে এলাম বটে – কিন্তু ভেতরে ভেতরে আরও খুঁজতে লাগলাম। ছেলেটা কেন কাঁদে না এই প্রশ্ন আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল। তারপরে সত্যিটা শুনলাম – বাচ্চাগুলোকে দিকে এক-দুটো পাউরুটির টুকরো তুলে দেওয়া হয়। আর সঙ্গে এক গ্লাস ভদকা। ছোট বাচ্চা – ঐ নেশাতেই বেঘোরে তলিয়ে থাকে, আর সহ্য করতে না পারলে মারা যায়। মরে গেলে আরেকটি বাচ্চা এনে তুলে দেওয়া হয়। এরকম অনেক বেওয়ারিশ বাচ্চাও থাকে।

    সহ্য করতে না পেরে পুলিশ নিয়ে ছুটে গেলাম। দেখি মেয়েটি হাওয়া। তাকে আর কোনদিন ঐ স্টেশনে দেখিনি।


    অভিযোগ কাকে করব জানি না। যারা এই নির্মম অপরাধ করতে পারে, তারা এই দুনিয়ার লোক না। এই ক্ষীন প্রতিবাদ কারো কানে পৌঁছবে না, তাই অভিযোগ করতেও চাই না। শুধু শিশুদের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী চাই। চাই তাদের দুনিয়ায় কলঙ্কগুলো মুছে যাক।

     
    • ব্ল্যাক কফি 10:34 pm on March 2, 2013 Permalink | Reply

      এরকমটা হয় আমিও শুনেছি !!!

    • ক্যাফে লাতে 11:36 pm on March 2, 2013 Permalink | Reply

      এই ব্যাপারে আরেকটা ঘটনা আমি পড়েছি। সেটা কোন পত্রিকা বা সংবাদপত্রে বেরিয়েছিল। এক দম্পতি আয়ার জিম্মায় বাচ্চাকে রেখে অফিস যেতেন। রোজই ফিরে দেখতেন বাচ্চা ঘুমিয়ে আছে, অথবা ঝিমোচ্ছে। তাঁরা ভাবতেন, সারাদিন দৌরাত্ম করে ওই হাল হয়েছে। আয়াও তাই বলত। কিন্তু একদিন শিশুটির মা কোন কারণে দুপুরবেলা বাড়ি ফিরে এসেছিলেন। এসে দেখলেন, বাড়িতে সন্তান নেই, এবং আয়া এসি চালিয়ে হাত পা ছড়িয়ে ঘুমাচ্ছে।
      শেষ অবধি যা জানা গেল তা হল, কর্পোরেট দুনিয়ায় যুক্ত বাচ্চাটির বাবা মা সাত সকালেই অফিস চলে যেতেন। তারপরেই আয়া তাকে এক ভিখিরি পান্ডার হাতে চালান করে দিত। কোন না কোন ভিখিরি বাচ্চাটাকে নিয়ে ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে ভিক্ষা করত। কোলে ফুটফুটে বাচ্চা থাকলে অনেকেই একটু ভাবালু হয়ে বেশি টাকা ভিক্ষা দেয়। দিনের শেষে বাচ্চার বাবা মা ফেরত আসার আগে তাকে আবার ফিরিয়ে দিয়ে যেত আয়ার কাছে। আর হ্যাঁ, অবশ্যই বাচ্চাটিকে ড্রাগ দিয়ে রাখা হত।তাই সে সারাদিন ঝিমোত।
      জীবন কি বুঝে ওঠার আগেই এই শিশুটি একরকমভাবে দশটা-পাঁচটা ডিউটিই করছিল!

    • ক্যাপাচিনো 11:45 pm on March 2, 2013 Permalink | Reply

      কেমন যেন মনে হচ্ছে, আমিও এই ঘটনাটা শুনেছি।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel