Tagged: কলকাতা Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • কফি মেকার 9:56 am on August 10, 2013 Permalink | Reply
    Tags: কলকাতা,   

    লেখক, পাঠক ও সম্পাদক – বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিন নিয়ে সেমিনার 

    বিভিন্ন বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিনকে নিয়ে একটি বাংলা সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। 993947_565130910217736_8676493_n

    এই সেমিনারের উদ্দেশ্য হলঃ
    ১ – বিভিন্ন ওয়েবম্যাগগুলোর সাথে উপস্থিত দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
    ২ – ওয়েবম্যাগ সম্পর্কে মানুষজনকে পরিচিত করে তুলে পাঠকের পরিধি বাড়ানো।
    ৩ – অন্যান্য ছাপা পত্রিকার সম্পাদকদের ওয়েবম্যাগ গড়ে তুলতে আগ্রহী করে তোলা।

    আপনারা যদি কলকাতায় থাকেন এবং আসতে পারেন, তাহলে খুব ভালো হয়। সেমিনার সম্পর্কে জানুন এখানে :
    http://bit.ly/122PUvR

    সেমিনারের ফেসবুক পেজঃ
    http://www.facebook.com/events/256799987785016/

     
    • এসপ্রেসো 8:12 pm on August 10, 2013 Permalink | Reply

      আসতে পরলে ভালো লাগতো কিন্তু তা তো সম্ভব হচ্ছে না। তবে সেমিনারের পর আলোচনা সম্পর্কে আপনি একটা পোষ্ট করলে ভালো হয়।

    • ক্যাফে লাতে 4:19 am on August 11, 2013 Permalink | Reply

      বাহঃ যাব ভাবছি সময় করে।

    • ভাঁড়ের চা 1:49 pm on August 14, 2013 Permalink | Reply

      একটু ঔৎসুক্য ত আছেই। তাই,সেমিনারের সংক্ষিপ্ত বর্ণ্না পেলে ভাল লাগত, জানা যেত সব।
      অপেক্ষায় থাকলাম।

  • ক্যাপাচিনো 1:48 pm on May 12, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , কলকাতা   

    দুদিন আগে বৃষ্টির শন্দ শোনার আগেই দেখি ফেসবুকে আপডেট এসে গেছে – প্রথমে বিশ্বাস করিনি, তারপর কান পেতে দেখি সত্যিই বৃষ্টি হচ্ছে, কিন্তু ভালো করে শুনতে পাওয়ার আগে তা কোথায় যেন মিলিয়ে গেল। আজ সন্ধ্যের পর দেখছি সুন্দর ঠান্ডা হাওয়া বইছে। এই যে এই মুহুর্তে এই লাইনটা লিখছি, তখন দেখি হালকা বাজ পড়ার শব্দ ভেসে আসছে। স্বস্তিটুকু কিছুক্ষন থাকবে তো?

    থাকবে মনে হচ্ছে, বেশ কড়কড়িয়ে বাজ পড়ছে।

     
    • এসপ্রেসো 8:54 pm on May 13, 2013 Permalink | Reply

      :bingung বাজ পড়াটা স্বস্তির !

    • ক্যাফে লাতে 1:41 am on May 14, 2013 Permalink | Reply

      শুধু বাজ?? সেদিন শেষ মেষ কি হল সেটাও বল 🙂

      • ক্যাপাচিনো 4:01 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

        শেষমেষ আবার কি হল? :bingung

  • ক্যাফে লাতে 3:26 am on May 12, 2013 Permalink | Reply
    Tags: কলকাতা, নিউ মার্কেট, , মুখতার আহমেদ   

    জনাব মুখতার আহমেদ 

    ইনি জনাব মুখতার আহ্‌মেদ। এস এস হগ মার্কেটে এনার একটা ছোট মশলাপাতির দোকান আছে। আমি এঁর দোকান এবং এঁকে মাত্র কয়েক মাস আগে আবিষ্কার করেছি – একটা দুষ্প্রাপ্য মশলার খোঁজ করতে করতে। এখন আমি নিয়মিত এনার কাছ থেকে মশলা কিনতে যাই। মোটামুটি যে সমস্ত মশলা সাধারণ ভাবে বাড়ির আশেপাশের দোকানে পাওয়া যায় না, সেই সমস্ত মশলাই ওনার দোকানে পাওয়া যায়। ওখানে এইরকম আরো দোকান আছে। আমি অবশ্য এই চাচার দোকান ছাড়া কোথাও যাই না।
    মুখতার চাচার কাছে যাওয়ার একটা প্রধাণ কারণ হল চাচার ব্যবহার। এত মিষ্টভাষী বিক্রেতা আজকালকার দিনে খুব কম দেখা যায়। যদি তুমি ওনার কাছ থেকে কাজু কিশমিশ কিনতে চাও, তাহলে কেনার আগেই বেশ কিছুটা ফ্রি-তে চেখে দেখতে পারবে। এমনকি না কিনলেও দুই এক টুকরো চেখে দেখতে পার। আমাদের নিতে খারাপ লাগে। একদিন ঠিক আছে, কিন্তু প্রতিদিন হলে একটু অস্বস্তি হয়। দামের কথা তুললে উনি বলবেন – “দেনেওয়ালা তো উপরওয়ালা হ্যায়, হম কৌন হোতে হ্যায় দেনেওয়ালে…” একটু বেশি পরিমাণে কেনাকাটা হলে একমুঠো তেজপাতা ফ্রি দিয়ে দেন।বলেন, “হর এক চীজ কা হিসাব নেহি লাগাতে…”
    এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে চাচা আমাদের জন্য স্পেশাল আলুবোখরার হজমি বানাচ্ছেন – সেটাও ফ্রি 🙂 এখানে একটা কথা বলতে হবে, এখানকার বেশিরভাগ মশলা ওনার ঘরে পেষা হয়। বাকি জিনিষেরও গুণমান খুব ভাল। এই হজমি ওনার তৈরি স্পেশাল মশলা আলুবোখরাতে মাখিয়ে তৈরি করা হয়।
    উর্দুভাষায় একটা শব্দ আছে – ‘তেহজীব’…সেটার সমান্তরাল বাংলা শব্দ ঠিক হয় না। এই বেপরোয়া সম্ভ্রমশূণ্য সময়ে হারিয়ে যেতে বসা সেই তেহজীব এর উদাহরণ দেখা যাবে মুখতার চাচার ব্যবহারে – যা একান্তভাবেই এক আদর্শ মুসলিম বৈশিষ্ট।

     
    • ক্যাপাচিনো 6:18 am on May 12, 2013 Permalink | Reply

      চমৎকার পোস্ট। হগ মার্কেট বলেছো দেখে ফেলুদার কথা মনে পড়ে গেল। কদিন আগে আমি একটা কনটেস্টের জন্য ছবি তুলতে গিয়ে দেখি যে সেখানে ফটোগ্রাফি করা বারন আছে। তুমি তুললে কি করে? যাই হোক, আরেকটা সমস্যা হচ্ছে যে আমি ভিডিও দেখতে পাচ্ছি না। ক্লিক করলে ঝিলমিল করছে – বলছে ভিডিও নেই।

    • ক্যাফে লাতে 7:51 am on May 12, 2013 Permalink | Reply

      হুমমম, আমিও দেখলাম বলছে ভিডিও দেখা যাচ্ছে না। আবার শেয়ার করলাম, তারপরে আবার দেখা গেল।দেখ এখন দেখতে পাও কিনা। বুঝতে পারছি না আমি কোন স্টেপ ভুল করছি কিনা ভিডিও শ্যেয়ার করার সময়ে।

      ওই মার্কেটের ঢোকার গেটে এখনো হগ মার্কেটই লেখা আছে।তুমি যদি আমিনিয়া-নিজামের রাস্তা ধরে গিয়ে ঢোকো, তাহলে দেখবে গেট আছে – এস এস হগ মার্কেট লেখা।নিউ মার্কেটের আসল নাম তো হগ মার্কেটই।
      আর ভিডিও তুলেছি মোবাইলে। তোমার মত গোদা ক্যামেরা নিয়ে বাজার করতে যাব নাকি!! :hope

    • ক্যাপাচিনো 2:23 pm on May 12, 2013 Permalink | Reply

      হুম্ম, এইবার ভিডিও দেখা যাচ্ছে বটে – তবে কিনা দোকানটা কি করে খুঁজে পেতে হয় সেটাও একটু দেখালে পারতে?

      হ্যাঁ, গেট গুলোতে এখনও হগ মার্কেটই লেখা আছে বটে। মোবাইলে তোলা ভিডিও ভালোই হয়েছে।

    • ক্যাফে লাতে 3:29 am on May 13, 2013 Permalink | Reply

      দোকান খুঁজে পাওয়া সোজা। তুমি যদি এস-এন-ব্যানার্জি রোড থেকে কর্পোরেশনের রাস্তা দিয়ে ঢোকো, অর্থাৎ বাঁদিকে আমিনিয়া-নিজাম, ডান দিকে কর্পোরেশন অফিস…নাক বরাবর নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে গেলে, কিন্তু নিউ মার্কেটের ভেতরে না ঢুকে, রাস্তাটা বাঁদিকে ঘুরে গেছে, সেই ধরে হাঁটতে থাকলে…দু-পা হাঁটলেই চোখে পড়বে ডানদিকে একটা পুরোনো গেট -এস এস হগ মার্কেট লেখা। সেটা দিয়ে ঢুকে পড় – গলির দুইপাশে সব দোকানই মুদিখানা/গ্রসারি গোছের। এই দোকানটা ডান হাতে পড়বে, প্রথম গোটা পাঁচেক দোকান ছেড়ে…

      • ক্যাপাচিনো 4:05 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

        আচ্ছা, তুমি যে দুষ্প্রাপ্য মশলাটা খুঁজতে গিয়েছিলে, সেটা কি ছিল?

      • দেশী ছেলে 6:44 am on May 5, 2014 Permalink | Reply

        মত প্রকাশে মক্তমঞ্চ http://barnaparichay.in/

    • ক্যাফে লাতে 12:12 am on May 15, 2013 Permalink | Reply

      হা হা হা …বলব কেন?? তুমি এই প্রশ্ন করছ কেন? তুমি কি রান্না করবে?…
      আমি কিরকম একটা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি…

    • চা পাতা 6:35 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

      আচ্ছা, নিউ মার্কেটে কোথাও কচ্ছপের মাংস পাওয়া যায় কিনা কেউ বলতে পারবে?

    • ক্যাপাচিনো 12:45 pm on June 19, 2013 Permalink | Reply

      আমি যতদূর জানি এক সময়ে এমনি বাজারেই পাওয়া যেত – এখন অবশ্য পাওয়া যায় বলে মনে হয়। আইন করে বারন হয়ে গেছে।

  • ক্যাপাচিনো 1:47 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , কলকাতা,   

    মজারু ৩ – অথ রসগোল্লা উবাচ 

    আগের মজারু


    সেদিন সন্ধ্যের সময় মিষ্টির দোকানে গেছি রসগোল্লা কিনতে। বললাম – “গোটা পনের দাও?”
    দোকানদারনী বললে, “৬ টাকার টা না দশ টাকার টা?”
    গামলায় সাজান দুটো সাইজের দিকে তাকিয়ে দেখে বুঝলাম যে দশটাকার রাজভোগগুলো বড্ডই বড় হয়ে যাবে, বললাম, “ছোটটাই দাও”
    দোকানদারনী একবার রসগোল্লার সাইজ আর একবার আমার সাইজ মেপে বললে,”ছোটটায় হবে?”
    লজ্জায় পড়ে বললাম,”খুব হবে। হবে নাই বা কেন?”
    সে কথা না বাড়িয়ে হাঁড়িতে রসগোল্লা তুলতে শুরু করলে। গোটা পনের তোলার পরেও দেখা গেল ভাঁড়ের বেশ কিছুটা খালি আছে। দোকানী আমার দিকে চেয়ে হেসে বললে, “আর পাঁচটা দিয়ে দেব? গরম তৈরি হল সবে”
    আমি অন্য সময় হলে হ্যাঁই বলে ফেলতাম, এবার অনেক কষ্টে সংবরন করে বললাম, “না না ঐ কটাই থাক”
    সে মুড়ে টূড়ে আমার হাতে প্যাকেট তুলে দেওয়ার পরেই দেখলাম পাশে অমৃত্তি ভাজা হচ্ছে। আর লোভ সামলাতে পারলাম না। দর করে ফেললাম।
    দোকানী এক গাল হেসে ঠোঙায় ভরতে ভরতে বললে – “অমৃত্তিই যখন নিলে তখন আর পাঁচটা রসগোল্লা খেলে আর কি ক্ষতি হত?”

    • শুধু খাওয়া দাওয়ার জন্যই কলকাতা এক নম্বরে।
     
    • এসপ্রেসো 3:07 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

      :cool হুম…খালি খাই খাই….

    • ক্যাপাচিনো 4:33 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

      তুমি এ তল্লাটে এসো একদিন – দেখব কেমন খেতে পার। :lapar

      • এসপ্রেসো 5:31 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

        :lapar মিষ্টি আমার খুব প্রিয় নয়, একটু-আধটু খাই । ঝাল আমার বেশ লাগে । ও তল্লাটে যেদিন যাব সেদিনের জন্য সকল চা-কফিদের অগ্রীম ফুচকা খাওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রখছি……

        • ক্যাপাচিনো 7:42 pm on April 23, 2013 Permalink | Reply

          বেশ বেশ – তা ঝাল যখন বললে তখন পরের পোস্টটা না হয় ঝালের ওপরেই হবে।

    • ক্যাফে লাতে 3:43 am on April 23, 2013 Permalink | Reply

      এহ, এটা একেবারে আমার গল্প হয়ে গেল। নিজেই নিজেকে আটকে রাখার জন্য আজকাল মিষ্টির দোকানে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছি…।।উহুহুহুহু… অমৃতি…কত্তদিন খাইনি রে ভাই :supermaho

      • ক্যাপাচিনো 7:41 pm on April 23, 2013 Permalink | Reply

        হে হে, আমাদের পাড়ায় এসো একদিন সন্ধ্যের সময়। যদি কপাল ভালো থাকে অমৃত্তি পাবে। তবে কিনা রোজ ভাজে না।

    • চা পাতা 3:43 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      রোব্বারে আমার ফেভারিট ১হাতা পাঠা’র ঝোলের সাথে ১খুঁড়ি লাল দই!

  • ক্যাফে লাতে 12:29 am on March 25, 2013 Permalink | Reply
    Tags: কলকাতা   

    ইমরান বাঁশীওয়ালা 

    শনিবার দুপুরে পার্ক স্ট্রীট অক্সফোর্ড বুক স্টড়ে গেছিলাম-ওরা ‘চৈত্র সেল ‘ দিচ্ছে কিনা, তাই। তা কিনলাম দুই এক টা পুরোনো বই, বেশ খানিকটা ডিসকাউন্টে। দোকানের ভেতরে থাকতে থাকতেই একটা মন পাগল করা বাঁশীর আওয়াজ পাচ্ছিলাম- সুন্দর সুন্দর হিন্দী গানের সুর তুলছিল কেউ। বাইরে বেরিয়ে দেখলাম এক বাঁশীওয়ালা। তার বাজানো শুনে এত ভাল লাগল, মোবাইলে তুলেই ফেললাম কিছুক্ষণ।

    ওর নাম ইমরান। ও বাঁশী বিক্রি করে। আর রোদে গলা পার্ক স্ট্রীটকে মাতাল করে তোলে ওর বাঁশীর সুরে।

     
    • ক্যাপাচিনো 12:43 am on March 25, 2013 Permalink | Reply

      এভাবে না দিয়ে ইউটিউব বা ইস্নিপ্স বা সাউন্ডক্লাউডে পোস্ট করে তারপর দিও, তাহলে বরং ভালো হবে। বাঁশি নিয়ে কিছু বলার নেই। আমাদের কফিবিনস ও ভালো বাঁশি বাজাতে পারে।

      • ক্যাফে লাতে 6:37 am on March 30, 2013 Permalink | Reply

        ইমরান বাঁশীওয়ালার ভিডিওটা ইউটিউবে দিলাম ক্যাপাচিনো।

    • ক্যাফে লাতে 2:13 pm on March 25, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, সেইরকমটাই করতে হবে। কিন্তু ব্যাটা কফিবিন্‌স্‌টা গেল কোথায়? ওটাকে এবার কফির কেটলিতে চুবিয়ে ফোটাব :marah দেখাই পাওয়া যায়না ব্যাটার!!!

    • এসপ্রেসো 3:57 pm on March 25, 2013 Permalink | Reply

      :thumbup বাঁশি ভাল লাগল । ইমরান ও ক্যাফে লাতে দুজনকেই ধন্যবাদ । কলকাতা শহরটাকেও একটু দেখে নিলাম । কলকাতার এমন ভিডিও আরো থাকলে আপলোড করবেন প্লিজ ।

  • ক্যাপাচিনো 12:34 am on March 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags: কলকাতা, পুলিশ, ,   

    চোর-পুলিশ-চোর 

    [বাবার কাছে শোনা গল্প – এক্কেবারে আজকেরই টাটকা ঘটনা]
    “আজকে জানিস তো আমার অফিসে দুটো পুলিশ এসেছিল”
    -“হঠাৎ?”
    -“আমার চেম্বারের সামনেই যে মারোয়াড়ির দোকান, সে তার দুটো কর্মচারিকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তাই নিয়ে কিছু গোলমাল হতে নাকি পুলিশে খবর দেওয়া হয়েছিল। তাই দুটো লোক থানা থেকে এসেছিল। ভালো কথা আসবি তো আয় – ঘুরতে ঘুরতে আমাদের বেয়ারা মদনের হাত ধরে অফিসে এসে হাজির। তারপর জাঁকিয়ে বসল।”
    -“বাহ! তারপর?”
    -“একজন এস-আই, আরেকজন বোধহয় নিচু পোস্টের – হাবিলদার টাবিলদার হবে।”
    -“তাই? কিরকম দেখতে?”
    -“এমনি তে তো বেশ শান্তশিষ্ট ভদ্রলোক মনে হল। বেশির ভাগ পুলিশ দেখলেই যেরকম চোর চোর টাইপ মনে হয়, সেরকম না। যাইহোক ঘটনাটা সেটা নয়। সেই যে তারা এসেছে আর যাওয়ার নাম করে না। বসেই আছে। চা খাওয়ালাম, সিগারেট দিলাম। তাও ওঠার নাম করে না।
    মদনকে একবার আকারে-ইঙ্গিতে বললাম, ‘দেখ না অন্য ঘরটা খোলা আছে কিনা?’
    মদনও চালাক চতুর। সে বুঝে গিয়ে বলল, ‘আপনারা ওপরে গিয়ে বসবেন? সাহেবের তো অনেক কাজ আছে। অনেক লোকও আসবে-’
    তাতেও কোন হেলদোল নেই। চুপচাপ বসে আছে।
    শেষমেষ গলা খাঁকরানি দিয়ে বললাম, ‘আপনাকে একটা খবর দিই। যে কাজে আপনারা এসেছেন, তা মনে হয় হবে বলে মনে হয় না। ওদের গোলমাল মিটে গেছে।’
    তাতে জোর গলায় বললে – ‘সে না হয় না হোক, আমরা এখন যাব না।’
    আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম –‘আপনারা তো ভালো কামচোর লোক আছেন মশাই?’
    তাতে তারা কি উত্তর দিল জানিস?”
    -“কি বলল?”
    -“বলে যে – ‘ধুর অন্যান্য দিন এই সময় থানায় থাকলে দারোগা হয়তো চাঁদনিতে একটা ছিঁচকে চোরের পিছনে লাগিয়ে দেবে। এই গরমে হয়রান হয়ে তিনপাক লাগিয়ে হয়তো ধরলাম লোকটাকে – তাতেও নিস্তার নেই। একটু যে চেয়ারে বসব তা হবে না – অমনি হুকুম করবে যা অমুক কলেজে গিয়ে অমুক গুন্ডাকে ধরে নিয়ে আয়। ওফ সে এক যন্ত্রনা। তিরিশ হাজার টাকা মাইনে পাই বলে কি ওর কেনা গোলাম হয়ে থাকব? আপনিই বলুন। নাহ, তার চেয়ে আজকে একটু ছায়ায় আরামে বসে যাই। আপনার অফিসটা বেশ ঠান্ডা।”
    -“তারপর?”
    -“তারপর আর কি, আরও এক রাউন্ড করে চা-সিগারেট খাওয়ালাম। ছোট পুলিশটা আরাম করে সিগারেট টানতে টানতে বলল – ‘বড়বাবুর আর বেশিদিন নেই। চেয়ারটা নড়বড়ে হয়ে এসছে, এবার যে কোন দিন যাবে – এক্কেবারে ইকবালের এলাকায় ট্রান্সফার হয়ে যাবে – তখন দেখব কার পিছনে আমাদের দৌড় করায়।’
    এই হচ্ছে পুলিশ – বুঝলি?”
    -“বুঝলাম। তারপর তারা গেল কখন?”
    -“সারা দুপুর কাটিয়ে রোদের তেজ একটু কমতে হেলে দুলে অফিসের দিকে গেল।”

     
  • এসপ্রেসো 2:30 pm on March 7, 2013 Permalink | Reply
    Tags: কলকাতা   

    আমার বাবা – মা কে আমার বেশ হিংসে হয়। তারা ১১ বার একসাথে কলকাতা (এবং ভারতের অন্যান্য জায়গায়) গিয়েছেন কিন্তু আমাকে নিয়ে যাননি। অবশ্য যাওয়াটা হয়ে ছিল মার চিকিৎসার জন্য।
    হীংসেটা হতো না যদি না মা দেশে এসে কলকাতা আর ভারতের বিভীন্ন জায়গা নিয়ে গল্প করতেন। এটা এরকম ওটা সেরকম ইত্যাদি ইত্যদি।
    আপনাদের কেউ কি আমাকে কলকাতা সম্বন্ধে কিছু জানাবেন। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে।

     
    • ক্যাপাচিনো 5:25 pm on March 7, 2013 Permalink | Reply

      কলকাতা নিয়ে তো অনেক কথাই বলা যায় – তবে এই কমেন্টের ঘর মনে হয় তার পক্ষে অনেক ছোট। তবে আমি তোমার কথা মাথায় রেখেই একটা পোস্ট দেব এক সময়।

      • এসপ্রেসো 9:26 pm on March 7, 2013 Permalink | Reply

        :thumbup আমার কথা মাথায় রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। তবে আপানার কাছে বা জানা মতে যদি কোন সিনেমা, ডকুমেন্টারি, পিডিএফ বই অথবা ওয়েবসাইট লিঙ্ক থাকে দয়াকরে তাও দিবেন।

    • ক্যাফে লাতে 1:00 pm on March 8, 2013 Permalink | Reply

      বলতে শুরু করলে আর শেষ করতে পারব না ভাই 🙂 দেখব, কত কমে বলা যায়। ঠিক কি কি জানতে চাও তার একটা তালিকা দাও দেখি। :alay

      • এসপ্রেসো 2:56 pm on March 8, 2013 Permalink | Reply

        :rose: কলকাতার শহর, গ্রাম, মানুষ, মনুষের জীবন যাপন, মন্দির, মসজিদ, গীর্জা, মানুষের সুখ – দুঃখ সব….সব জানতে চাই।
        জানি সব জানানো সম্ভব নয়…..তার পরেও যেটুকু সম্ভব হয়।
        এমন কিছু জানতে চাই যা আগে কোন দিন আমি শুনিনি, দেখিনি, বুঝিনি।

    • ব্ল্যাক কফি 11:11 pm on March 9, 2013 Permalink | Reply

      আমি এই টুকু বলতে পারি কলকাতা শহরে লোকসংখা কম হলে সুন্দর হতো।

  • ক্যাপাচিনো 1:12 pm on March 1, 2013 Permalink | Reply
    Tags: কলকাতা, হালচাল   

    এই রাস্তা! 

    আজকে অফিসে আসার সময় দেখি একটা ফ্লাইওভারের পাশে রঙ হচ্ছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে – কদিন আগেই নীল সাদা রঙ হয়েছিল একবার। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। আবার সেই রঙের ওপরেই একটা সাদার পোছ পড়ছে। কি হবে কে জানে। আবার এইটা দেখেও অবাক হলাম – যে ফ্লাইওভারে পায়ে হেঁটে যাওয়া যায় না, সেখানে রেলিং এ সুন্দর পানের পিক কোথা থেকে এল? আমাদের ভব্যতার সত্যিই কোন সীমা পরিসীমা নেই।

    :ngacir2

    এই দেখে একটা ছোটবেলায় শোনা গপ্প মনে পড়ে গেল। একজন জাপানে গেছে – কিন্তু গিয়ে টয়লেট খুঁজে পাচ্ছে না। এদিকে পেটে প্রচন্ড চাপ – অবশেষে সে একটা মোজার মধ্যে কাজকর্ম ছেড়ে ছুঁড়ে দিল উঁচু বাড়ির দিকে। মুহুর্তের মধ্যে ধবধবে দেওয়াল ময়লা, নোংরায় ভরে গেল – আর কোথা থেকে দলে দলে পুলিশ ছুটে এল। লোকটিকে ধরে নিয়ে যাওয়া হল। সে ভয়েই কাবু – ভাবছে এই মারে কি সেই মারে, এমন সময় একদল বিজ্ঞানী এসে তাকে নিয়ে গবেষনা করতে বসল – আপনাকে তো কালটিভেট করতে হচ্ছে মশাই, আপনি ওরকম করে কাজটা করলেন কি করে?
    :pertamax

    যাই হোক, আমাদের অফিস পাড়াতে নতুন করে ডিভাইডার হচ্ছে, রাস্তা কমে আসছে – কিন্তু ফুটপাত জুড়ে দোকানের বাড় বাড়ন্ত। সেখানে চলার উপায় নেই। ওদিকে রাস্তায় নামলে গায়ের ওপর দিয়ে গাড়ি, রিক্সা, অটো চলে যেতে পারে যে কোন মুহুর্তে। এখন আবার রাতে আলোও একটু কম হয়। ভয়ে ভয়ে অফিসের সামনের রাস্তা দিয়ে হাঁটি। যেটুকু ফুটপাত খালি সেখানে লোকে বাথরুম করে। সেখান দিয়েও চলার উপায় নেই।

    এই রাস্তা কোথায় যাচ্ছে জানি না। আমার মনে হয় আদতে আমরা বহুত বত্তমিজ। আমরা কোন নিয়ম, কোন শৃঙ্খলা মানতে চাই না। আমরা শাসনও চাই না। আমরা এভাবেই সুন্দর।

    :tkp

     
    • ক্যাফে লাতে 1:40 pm on March 1, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, তোমাদের অফিস পাড়ায় গিয়ে আমি বেশ অবাকই হয়েছিলাম। ওই কে-এফ-সি, সিসিডি ইত্যাদি বাদ দিলে বাকিটার সাথে শিয়ালদা বা বিবাদীবাগের কোন তফাৎ নেই। অথচ জায়গাটা সত্যিই সুন্দর করে রাখা যেত, রাখা উচিতও ছিল। তোমাদের ফরেন ক্লায়েন্টরা এসে কি মতামত দেয় এইসব রাস্তা দেখে?

      • ক্যাপাচিনো 1:44 pm on March 1, 2013 Permalink | Reply

        তারা এসে বেশ মজাতেই তাকিয়ে থাকে এইসবের দিকে। এমনকি কেউ কেউ তো ফুটপাতের দোকান থেকে চাও খেয়ে থাকে। আমার অবাক লাগে এই ভেবে যে এত এত টাকার ট্যাক্স অথচ জায়গাটা একটু পরিষ্কার রাখার দিকে কারো লক্ষ্য নেই।

    • চাফি 2:34 pm on March 1, 2013 Permalink | Reply

      এই রাস্তা কোত্তাও যাইতেছে না

    • ব্ল্যাক কফি 12:36 am on March 2, 2013 Permalink | Reply

      আমরা চাইলে কী না করতে পারি ! কলকাতা কে লন্ডন,লন্ডন কে কলকাতা !

      • ব্ল্যাক কফি 12:38 am on March 2, 2013 Permalink | Reply

        :selamat

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel