Tagged: আড্ডা Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাফে লাতে 11:00 am on July 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা, , রম্যরচনা   

    আমার মায়ের শপথ :) 

    না, আমার মায়ের কোন শপথ নিয়ে লিখছি না। এইনামের একটা বাংলা ফিল্ম আছে। কয়েকদিন আগে দুপুরবেলা টিভিটে কোন চ্যানেলে চলছিল। আমি ঘুম তাড়ানোর জন্য দেখছিলাম। তা সেখানে দেখলাম, জিৎ হলেন নায়ক, আর রেশমি ঘোষ হলেন নায়িকা। জুন মালিয়াও আছেন। তিনি জিতের ডাবল রোলে স্ত্রী এবং মা। তা গল্প এইরকমঃ জিৎ এবং জুন সাপুড়ে দম্পতি। তারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসে ঘুরতে ঘুরতে, এবং ঘটনা চক্রে বড়লোক জমিদারের কুটিল চক্রান্তে সাপুড়ে মারা যায়। জুন প্রতিজ্ঞা করে এই মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবে। তারপরে যা হয় আর কি …তার ছেলে বড় হয়, সেই জমিদারেরই মেয়ের প্রেমে পড়ে ইত্যাদি… কিন্তু এইখানে একটা ছোট্ট টুইস্ট আছে। মায়ের শপথ সে ফিল্মের শেষ পনেরো মিনিটে পূরণ করে, না হলে আর হিরো কিসের? কিন্তু তার আগে, আরো সারি সারি ভিলেন কে খতম করে আরেকজন। সে হল সাপুড়ে দম্পতির পোষা সাপ চন্দ্রা, যাকে তারা নিজের সন্তানের মত ভালবাসত, যত্ন আত্তি করত। কিন্তু বর মরে যাওয়ার পরে দুঃখিনী জুন তাকে ছেড়ে দিয়ে বলে নিজের ব্যবস্থা নিজে করে নাও। এখন সেই সাপ, সে কিন্তু তার মায়ের ‘দুধ কা কর্জ’ দিয়েই ছাড়বে। তাই সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভুলেন কে ছোবল মেরে মেরে শেষ করে। কিন্তু তার আগে সে আরো দুটো অত্যাশ্চর্য কাজ করে। এক , এক দৃশ্যে ছেলে জিৎ (মানে হিসেবমত তার ছোট ভাই) ভিলেনের দলের লোকেদের হাতে এন্তার মার খেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। তখন এই সাপ পাশের পুকুর থেকে মুখে করে জল নিয়ে এসে তার মাথায় ছিটিয়ে তার জ্ঞান ফেরায় !!
    হে তরলমতী পাঠক!! এইটুকু শুনিয়াই অবাক হইও না!!
    এর পরে আরো অভাবনীয় ঘটনা ঘটে। নায়িকাকে তার বাবা রাস্তার ছেলের সাথে প্রেম করার অপরাধে ঘরে বন্ধ করে রাখে। জিৎ মনে দুঃখে নদীর ধারে বসে বীন বাজায়। সেই শব্দ শুনে সেই চন্দ্রা গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে আসে, এবং ভাইয়ের দুঃখ সহ্য করতে না পেরে, সেই জমিদারের বাড়ি গিয়ে হুড়কোর গায়ে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে হুড়কো খুলে নায়িকাকে মুক্তি দেয়!! এই কাজ ফিল্মে কুকুরদের করতে দেখেছি, হাতিদের করতে দেখেছি…কিন্তু সাপ!!
    যাইহোক, এই ফিল্মেই আরো দেখলাম, যে বিজ্ঞানের তোয়াক্কা না করেই, বীন বাজালেই সাপ গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে চলে আসছে বীনের আওয়াজে মাতোয়ারা হয়ে। এবং সেটা একবার না, অনেকবার…

    যাই, এক কাপ চা খাই…আর লেখার কিছু নাই। বাকিটা বুঝে নাও

     
    • ক্যাপাচিনো 11:14 am on July 16, 2013 Permalink | Reply

      হাসব না কাঁদব বুঝতে পারছি না। সত্য সেলুকাস – বিচিত্র এই দেশ।

    • ক্যাফে লাতে 11:33 am on July 16, 2013 Permalink | Reply

      কেঁদোনা, বুঝতে পারছি তোমার মনে বড় আঘাত লেগেছে

      • ক্যাপাচিনো 12:10 pm on July 16, 2013 Permalink | Reply

        এরকম এক পিস সাপ পেলে আমি পুষব আর কিছুটা কোডিং ও করিয়ে নেব।

    • ভাঁড়ের চা 3:47 pm on July 16, 2013 Permalink | Reply

      এই সব অয়,অয়! z।নতি পার না!

  • ক্যাপাচিনো 12:36 pm on June 17, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা   

    মানডে মর্ণিং ব্লু’জ 

    বারে বারে আসে ফিরে আরেকটি সোমবার
    ছুটির আমেজ ভুলে হই ফের জেরবার
    কাজের পাহাড় জমে
    অবসাদে তাল কাটে :cd
    নিস্তার নেই তবু সপ্তাহে একবার –
    :ngacir2
    (লিমেরিক হয়েছে?)

     
    • ক্যাফে লাতে 1:58 am on June 18, 2013 Permalink | Reply

      এইবারে হয়েছে :2thumbup

    • ক্যাপাচিনো 6:29 am on June 18, 2013 Permalink | Reply

      যাক এদ্দিন চেষ্টা করার পর এইবার হল। তা একটা যখন হল তখন আরও লিখতে হবে।

  • ক্যাফে লাতে 8:56 am on June 15, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা,   

    ব্রেকিং নিউজ সিনড্রোম 

    হ্যাঁ, ব্রেকিং নিউজ সিনড্রোম —- এইটা হল আজকের দিনের এক মারাত্মক অসুখ। আর এই অসুখ দেখা যাচ্ছে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের মধ্যে। ভয়ানক ভাবে। এর একটা প্রকোপ দেখার সুযোগ হয়েছিল গত সপ্তাহে।
    গত শনিবার শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে যেতে হয়েছিল। কাজের সূত্রে একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করতেই হত। সেই অনুষ্ঠানে এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসেছিলেন। বিরাট বড় সুসজ্জিত হলের এক দিনে জনা পঞ্চাশেক সাংবাদিক , ক্যামেরাম্যান,ফটোগ্রাফার দাঁড়িয়ে। প্রথম দিকে মোটামুটি চুপচাপ ছিল সব। তারপরে অনুষ্টান শুরু হল। প্রথমেই মন্ত্রীমশাইকে সংবর্ধনা দেওয়া হল। কিন্তু — উপহার দেওয়া হয়েছে কি হয়নি, সাংবাদিকেরা রীতিমরত হাঁক ডাক শুরু করে দিল- এদিকে এদিকে দেখুন স্যার, ম্যাডাম এদিকে, …ইত্যাদি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্টের বেশ কয়েকজন বিচারপতি, পুলিশ আধিকারিক, রাজনৈতিক নেতা, অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিরা। তাঁদের সবাইকে মোটামুটি নস্যাৎ করে দেখা গেল সাংবাদিকেরাই আসলে সর্বেসর্বা। গোটা পঞ্চাশেক ক্যামেরার ঝলকানিতে মাথা খারাপ অবস্থা। তারপরে অনুষ্ঠান চলাকালীন একটা বইয়ের উদবোধন হল। সেখানে ছোট ছোট মেয়েরা অতিথিদের বই এনে দিচ্ছিল । তাতে তাদের এক রাউন্ড ধমক দেওয়া হল- সামনে থেকে সরে যাও! – তাতে বেচারাদের পুরো ভ্যাবাচ্যাকা অবস্থা। তারপরে মন্ত্রীমশাই বক্তৃতা দিলেন। তখন সাংবাদিকেরা সবাই আবার জায়গা ছেড়ে সাম্নের দিকে এগিয়ে আসার চেষ্টা করল ধাক্কা ধাক্কি করে। তারপরে তারা একে অপরকে ডেকে ধমকাধমকি শুরু করল- অ্যাই অমুক, সরে যা, – আরে তমুক, আর কত ছবি তুলবি। বাকি হলের সমস্ত দর্শক সভ্য ভব্য হয়ে বসে আছেন, কিন্তু এদের ছবি নেওয়া আর শেষ হয়না। ভাবখানা এমন, যেন একটা খবরের কাগজের পুরোটা এই সমস্ত ছবি দিয়ে ভরিয়ে ফেলবে। হল সুদ্ধ লোক চূড়ান্ত বিরক্ত।

    যেটা মজার, বা হয়ত বিরক্তিকর, পরের দিন বেশিরভাগ খবরের কাগজে যত খবর বেরিয়েছে, তার মধ্যে আসল অনুষ্ঠানের খবর খুব কম, অথবা নেই বললেই চলে। সব জায়গাতেই খবরের মূল বিষয় হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেদের উন্নয়নমূলক কাজকর্ম নিয়ে কি বলেছেন, অথবা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কি বলছেন। সত্যি, এরাই জানে কি করে ‘নিউজ’ ব্রেক অথবা মেক করতে হয় !!

     
    • এসপ্রেসো 11:33 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

      :hn জয় বাবাঃ সাঘাতিক (সাংবাদিক)

    • ক্যাপাচিনো 7:34 pm on June 15, 2013 Permalink | Reply

      হা হা, ভালো বলেছো।

      আমি তো মাঝে মধ্যে ফটো তুলতে এদিক ওদিক যাই, তখন কোন অনুষ্ঠান চললে ব্যপারটা বুঝতে পারি। যেরকম স্টেটসম্যান কার র‍্যালিতে গিয়ে ফটোগ্রাফাররা কিভাবে এক একটি গাড়িকে ঘিরে ধরেছিল, কিভাবে ভিন্টেজ গাড়ির চালকে আসনে বসে থাকা এক মহিলাকে পোজ দিতে বাধ্য করছিল – সেই দৃশ্যটা মনে পড়ে গেল। কুমোরটুলিতেও একই অবস্থা হয়। আসলে প্রফেশনাল ফটোগ্রাফাররা তো আর বিষয়টাকে ভালোবেসে করে না – যারা ভালোবাসে, তারা প্রফেশনালি করে না – এই হচ্ছে বিড়ম্বনা।

  • ক্যাফে লাতে 1:54 am on June 13, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা   

    আবার সে এসেছে ফিরিয়া…ঃ) 

    নির্ঘাত সবাই ভেবেছিলে, আমি হাওয়া হয়ে গেছি ! দুই-সপ্তাহ ধরে মুখ ও দেখাচ্ছি না! আর ফিরব কিনা সন্দেহ?? কিন্তু না, পাগলা দাশুর মতই নিজের সম্বন্ধে নিজেই বলছি – ‘আবার সে এসেছে ফিরিয়া…’ এবং এইবার থাকিতেই এসেছে !! বিশ্বাস কর ভাইলোগ- আড্ডায় থাকার ইচ্ছা আমার ১৬ আনার ওপর ১৮ আনা, কিন্তু গত দুই সপ্তাহ ঘরে বাইরে এমন কাজের চাপ পড়ল যে কিছুতেই এমুখো হতে পারলাম না। কাজের চাপ একটু কমেছে কি কমেনি, গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত আমর একমাত্র আদরের ল্যাপটপটি গেল বিকল হয়ে। তাকে ফিরসে ‘জানলাগুলি’ পালটে খাড়া করলাম, তো হতচ্ছাড়া ইন্টারনেট কানেকশন ঝামেলা শুরু করল। সে এক অদ্ভূত ঝামেলা। কানেকশন হয়, কিন্তু কোন ডেটা ট্রান্সফার হয় না। সেই নিয়ে দিন দুয়েক নিতান্তই মুষড়ে পড়ে থেকে অবশেষে পাড়ার কেব্‌ল্‌দাদার দ্বারস্থ হয়ে নতুন একটি কানেকশন নিলাম। গতকাল থেকে আবার আন্তর্জালে অবাধে যাতায়াত করার সুযোগ পেয়ে, এতই হাঁপছেড়ে বাঁচলাম যে দিনভর ঘুমিয়ে কাটালাম।
    কিন্তু…আজ আমি ব্যাক টু আড্ডা। কথা দিচ্ছি, আগামি সাত দিন অন্ততঃ রোজ একটা করে পোস্ট দেব। আর সব পুরোনো পোস্টে উত্তর দেব।
    পরিশেষে, সেই পুরনো দিনের দূরদর্শনের মত, সবাইকে দিশি মতে স্যরি জানিয়ে বলছি – ‘রুকাওয়ট কে লিয়ে খেদ হ্যায়ঃ)’

     
    • ক্যাপাচিনো 5:50 am on June 13, 2013 Permalink | Reply

      বাহ বাহ বেশ – ওয়েলকাম ব্যাক। আমার ও ইন্টারনেট কানেকশন ছিল বিপর্যস্ত, এখন মনে হচ্ছে একটু ঠিক হয়েছে।

    • চাফি 7:54 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

      বটে বটে? আমিও ফিরিচি।

    • ক্যাফে লাতে 5:31 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

      তাহলে তোমাকেও ওয়েল্কাম ব্যাক চাফিভাই!

  • ক্যাপাচিনো 8:03 am on June 5, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা, জন্মদিন   

    আজ আড্ডার আসরে একজনের জন্মদিন 

    Birthday Wish

     
    • এসপ্রেসো 9:18 am on June 5, 2013 Permalink | Reply

      আমি চিনি গো চিনি তাহারে…..
      :ultah
      শুভ জন্মদিন

      • ক্যাপাচিনো 3:54 am on June 7, 2013 Permalink | Reply

        যাচ্চলে যার জন্মদিন, তারই কিনা খোঁজ নেই।

    • ক্যাফে লাতে 1:58 am on June 13, 2013 Permalink | Reply

      আমি নির্ঘাত পৃথিবীর সেই একমাত্র পরমাশ্চর্যম ব্যক্তি, যে নিজের জন্মদিন পেরিয়ে যাওয়ার আট দিন পরে এসে লোক জনকে থ্যাঙ্কু বলে। বিলেটেড বার্থডে উইশ অনেকেই শুনেছে, আমিই নির্ঘাত প্রথম বিলেটেড থ্যাঙ্কু বলা চালু করলাম :maafaganwati

      সবাইকে থাঙ্কু, আর ক্যাপাচিনো, কার্ডটা দারুণ হয়েছে । দেখে আমি বেদম খুশি। :peluk

  • ক্যাফে লাতে 3:16 am on May 18, 2013 Permalink | Reply
    Tags: অঙ্ক, আড্ডা, লেখাপড়া   

    অঙ্ক ঝালাই 

    চিরকালই আমার অঙ্ক নিয়ে খুব গোলমাল। একদম ছোটবেলায় বেশ ১০০ তে ১০০ পেতাম। তারপরে কিছুদিন গেল ৪০ এর বেশি পাইনা। তারপরে আমার বাবার ছাত্র, আশুমামার তত্বাবধানে ৮০-৯০। তার পরে আবার ২০-৩০…এই করে করে মোটামুটি সুযোগ পাওয়া মাত্র অঙ্ককে ত্যাগ দিয়েছি। সত্যি বলতে গেলে, আমাকে এখনো যদি একটা বড় যোগ বা গুণ দেওয়া হয়, ৫০% সম্ভাবনা আছে যে আমি সেটা ভুল করব।
    যাইহোক, ইদানীং আমার কাছে পড়শোনা করতে আসে আমার বাড়ির কাজের মহিলাটির মেয়ে।ক্লাস ফাইভে পড়ে। তাকে অঙ্কও করাতে হয়। তা সেই সব অঙ্ক করাতে গেলে আগে তো নিজে বুঝতে হবে। অতএব, আমি এখন আবার লসাগু এবং ভগ্নাংশ ঝালাচ্ছি।

    এই প্রসঙ্গে আরেকটা কথা বলি – ওকে ইংরেজি পড়াতে গিয়ে টের পাচ্ছি, ইংরেজির মত গোলমেলে ভাষা আর হয়না। গোলমেলে, এবং কোন নিয়মকানুনের মাথামুন্ডু নেই। বিশেষতঃ উচ্চারণের ক্ষেত্রে, এবং বেশ কিছু শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে।

    দুঃখের বিষয়, এত কিছুর পরেও, আমার “শিক্ষিত” বাঙালি বাবা-মায়ের দল বলেন – বাংলা কি কঠিণ, ইংরেজি তো কত সোজা।

     
    • ক্যাপাচিনো 7:54 am on May 18, 2013 Permalink | Reply

      আমার মনে হয় বাংলা ইংরাজি দুটোই সহজ, কিন্তু পড়ানোর পদ্ধতিটা ভুল। এটা আমার অনেক বার মনে হয়েছে, কিন্তু পরীক্ষা করার জন্য ছাত্র পাই নি। অঙ্ক, বিজ্ঞান এইসব পড়িয়েছি, কিন্তু ভাষা কখনই না। মেয়ে বড় হলে চেষ্টা করে দেখতে হবে।

  • ক্যাফে লাতে 6:27 am on May 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা,   

    দ্য আনরিয়েল টাইম্‌স্‌ একটা দারুণ প্রতিবেদন দিয়েছে, মানুষের জীবনের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে- ছবি সহ। দেখতে হলে দেখ এই লিঙ্ক এ-
    http://www.theunrealtimes.com/2013/05/14/in-pictures-different-stages-of-a-mans-life/

    আমি জানি না তোমরা কেউ দ্য আনরিয়েল টাইম্‌স্‌ পড় কিনা, যদি না পড়ে থাক, তাহলে পড়ে দেখতে পার। মূলতঃ ভারতীয় রাজনীতি নিয়ে স্যাটায়ার লেখা হয়। পড়ে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাবে পুরো। যাঁরা এখানে লেখেন, তাঁরা সত্যিই খুবই রসিক, কল্পণাপ্রবণ, এবং ভারতের সাম্প্রতিক রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

     
    • ক্যাপাচিনো 4:00 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

      আমি এই সাইটটা আগে দেখেছি। সত্যি কথা যারা লেখেন তাদের জন্য হ্যাটস অফ। অসাধারন স্যাটায়ার।

  • ক্যাপাচিনো 1:27 pm on May 9, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা,   

    আজকে পঁচিশে বৈশাখ হিসেবে একটা মজার ঘটনা মনে পড়ল। অনেক কেই বলেছি এই কথাটা আসলে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন – কিন্তু কেউই বিশ্বাস করে না। কথাটা অনেকটা বেদবাক্যের মত কাজে লাগে কাউকে খাওয়ার টেবিলে চ্যালঞ্জ দেওয়ার জন্য। – “এই বয়সে আমরা খেতুম হাঁসের মত।”

    যাই হোক, সত্যিই যে এটা রবীন্দ্রনাথের লেখা সেটা হাস্যকৌতুকের এই নাটকের অংশটা পড়লেই বোঝা যাবে।

    “পিসেমহাশয়ের প্রবেশ

    পিসেমহাশয় । বাপু , তোমার খাওয়া হল না দেখছি । দিয়ে যা , দিয়ে যা , এ দিকে দিয়ে যা । পাতে খান-পনেরো পিঠে দে। তোমাদের বয়েসে আমরা খেতুম হাঁসের মতো । সবগুলি খেতে হবে তা বলছি ।”

    নাটকটা কেউ পড়তে চাইলে পড়া যাবে এইখানে

     
    • ক্যাফে লাতে 12:41 am on May 10, 2013 Permalink | Reply

      ঘুরে ফিরে আবার খাওয়া !! :lapar

      • ক্যাপাচিনো 8:01 am on May 10, 2013 Permalink | Reply

        হ্যাঁ, যা বলেছো – যত্তসব পেটুক বাঙালি :tabrakan:

        • ক্যাফে লাতে 1:13 am on May 11, 2013 Permalink | Reply

          তবে খাওয়ার কথায় বলি, একটা লেখায় পড়েছিলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিরকম জলখাবার খেতেন। তার যা ফিরিস্তি, সেটা মোটামুটি আমার সারাদিনের খাবারের সমান।

  • ক্যাপাচিনো 7:14 pm on May 3, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা, ,   

    নাসা ও একটি হাইকু 

    পোস্টের হেডিংটুকু পড়ে কি মনে হচ্ছে? এ আবার কেমন ফাজলামি? কিন্তু না, আদপেই ফাজলামি নয়। আসলে কি হয়েছে প্রবল গরমে আর পোস্ট দেওয়ার মত কিছু মাথায় আসছিল না। দিনরাত কেবল মারামারি খুন যখম, নোংরামো এইসবের খবর। লেখার মত কিছুই পাচ্ছিলাম না। এমন সময় একটা খবরে চোখ আটকে গেল। নাসা থেকে একটি নতুন মহাকাশযান পাঠান হচ্ছে মঙ্গলগ্রহের আকাশে – সেখানে একটি ডিভিডিতে পাঠান হবে বেশ কিছু নির্বাচিত হাইকু। জানি না কফিহাউজের আড্ডায় কেউ আছে কিনা যে এই সুজোগ নিতে চাইবে। তবু মহাকাশের অসীম শূন্যে কিছু শব্দ পাঠানোর লোভ তো সহজে সংবরন করা সম্ভব নয়। তাই ভাবলাম আড্ডায় ফাঁকে ছোট্ট খবরটা দিয়েই দি সবাইকে।
    নাসার ওয়েব সাইটে গিয়ে খবরটি পড়ে দেখতে পারেন এখানে। আর মঙ্গলে হাইকু পাঠানর লিঙ্ক রইল –
    এই শর্টকার্টে।

     
    • ক্যাফে লাতে 12:40 am on May 6, 2013 Permalink | Reply

      হাইকুরা আকাশে গিয়ে করবে টা কি?
      …।
      প্রশ্নটা করার পরে সাইটে গিয়ে দেখলাম হাইকু কি করবে। ব্যাপারটা বেশ ভাল। একটা চেষ্টা করব ভাবছিঃ) তুমি তো জানই, আমি হাইকু কবি 🙂
      থাঙ্কু, লিঙ্কটা দেওয়ার জন্য।

      • ক্যাপাচিনো 7:12 am on May 6, 2013 Permalink | Reply

        হাইকুরা কি আর করবে মহাকাশের অন্যান্য জীবজন্তুকে (যদি থাকে) কবিতা শোনাবে। আর হ্যাঁ তারা যাতে খুব জটিল কবিতা শুনে ভয় না পায় তাই জন্য বোধহয় হাইকুর ব্যাবস্থা।

    • ক্যাপাচিনো 7:11 am on May 6, 2013 Permalink | Reply

      হে হে, আমিও তোমার কথা ভেবেই লিঙ্কটা দিলাম কিনা।

    • Jobayer Hasan 3:42 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      অদ্ভুত তো! মজার।

  • ক্যাপাচিনো 8:08 pm on April 27, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আড্ডা, খানাপিনা,   

    মজারু – ৪ 

    আগের মজারু


    খাবারের গুনাগুনের সঙ্গে জিভের রসনা একেবারে সমানুপাতিক নয়। যা পেটের পক্ষে ভালো, তা স্বাদের পক্ষে নয় – আবার উল্টোটাও বড় রকমের সত্যি। যেমন তেঁতো। ঐ জিনিসটা পাতে দেখলেই – মুখটা বাংলার পাঁচের মত হয়ে যায়। অথচ নিম বা উচ্ছে কোন না কোন একটা আগপাতে থাকবেই। আজকেও ছিল – বউকে আগেও কথাটা অনেকবার বলেছি, সে কানে নেয়নি। কিন্তু আজকে আমার মুখ দেখে অবাক হয়ে বললে, “হ্যাঁ গো, তেঁতো খাওয়ার সময় তোমার মুখটা সত্যিই কিরকম যেন বেঁকে যায়”
    অনেক কষ্টে বললাম, “তাহলে এবার বিশ্বাস হল তো? আর আমাকে তেঁতো টেতো গিলিও না”
    সে আরও খানিকক্ষন অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বললে, “তুমি যে কি কর এক এক সময় তা কিন্তু সত্যিই বোঝা যায় না বাপু – এই একদিকে বলো যে তেঁতো নাকি তোমার ভালো লাগে না, তাহলে ওরকম করে আঙুল চেটে পরিষ্কার করে খেলে কেন? যে জিনিস ভালো লাগে না তার জন্য ওরকম আবার কেউ করে নাকি?”
    বললাম, “মেলা বক বক কর না তো, যাতে হাতে লাগা তেঁতো পরের খাবারগুলোর স্বাদ নষ্ট না করে দেয়, তাই জন্য এই ব্যবস্থা”
    সে কপালে হাত দিয়ে বললে, “বোঝো! তোমার মত লোক আরেকটা দেখিনি।”


    পুনশ্চঃ গল্পটা আমার গিন্নির জবানবন্দীতে লিখলে পাঠকরা বোধহয় একটু বেশি মজা পেতেন।

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel