Updates from June, 2014 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ভাঁড়ের চা 1:28 pm on June 29, 2014 Permalink | Reply  

    ‘তোমার দেখা নাই—‘ 

    বড়নামধারী(‘কফি’-যুক্ত) সদস্যদের আড্ডাবাজিটা বোধ হয় অন্যত্র চলছে, তাই নামে ‘কফিহাউসের আড্ডা’ হলেও চা-সেবিদেরই নিয়মিত আনাগোনা চলছে সেখানে!
    চা-সেবিদের প্রতিভূ হিসেবে বলতেই হচ্ছে, আর বেশীদিন বোধ হয় আনাগোনার উৎসাহ থাকবে না। তবে পুরোন জিনিষের প্রতি মায়ার টানে সামান্য দীর্ঘায়িত হতে পারে সেই উৎসাহ! সেই পুরোন ”মুরারি’দার ক্যান্টিন”টা ত চট করে ভোলা যায় না। কালোকুষ্ঠি কাঠের টেবিলের চারপাশে রাখা কাঠের বেঞ্চি আর খানকতক লোহার প্রিয় চেয়ারসমৃদ্ধ (মোটা মোটা তারের মত লোহা জড়িয়ে জড়িয়ে তৈরী চারপেয়ে, পিঠের ঠেকনা সমেত) ক্যান্টিনটা ভোলা যায় না, আর ভোলা যায় না “মুরারিদা, দুটো চা, তিনটা ভাঁড়” হাঁকপাড়া। তাই এখনো আসা-যাওয়ার অভ্যাসটা ছাড়া যাচ্ছে না।
    দেখি কতদিন পারা যায়!

     
  • ভাঁড়ের চা 1:52 pm on June 22, 2014 Permalink | Reply  

    পুজো-২০১৪ । 

    উদবাহু হয়ে নৃত্য করার দিন এসে গেল। আর মাত্র ১০০ । আজ সকালেই টিভি চ্যানেলগুলো হিসেব সহযোগে যথারীতি গা গরম করা শুরু করল! আমি চাই বা না চাই আমাকেও এদের সঙ্গী হতে হবে!

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 8:15 pm on June 27, 2014 Permalink | Reply

      পুজোয় আনন্দ করার দিনগুলো কবেই হারিয়ে গেছে। এখন কেবল হুজুগের পুজো। তবে মেয়ের সাথে আমি প্রথম পুজো দেখব – সেই আনন্দে হয়তো দিন গুনব।

  • ভাঁড়ের চা 1:36 pm on June 17, 2014 Permalink | Reply  

    রবিদা- আমার কলকাতা দর্শন– 

    রবিদা’র কথা বলি। রবিদা, আমার পিশতুত দাদা, আমার খুব প্রিয় এবং কলকাতা চেনাবার গুরু। একদিন দুপুরে “দু’আনা পয়সা আছে ? চ’ তোকে গড়ের মাঠ দেখিয়ে আনি। দেখেছিস ? চ, চ।” বলে রওনা দিলেন।
    রবিদা আর অনেক শোনা গড়ের মাঠ, চুম্বকের মত এমন প্রবল আকর্ষন যে উপায় নেই! সঙ্গী হলাম রবিদা’র। নারকেলডাঙ্গা(ফুলবাগানের কাছাকাছি) থেকে হেঁটে রাজাবাজারে এসে ট্রামে তিন পয়সার টিকিটে ধর্মতলা। “বাদাম কেন দু’পয়সার”। ইতস্ততঃ করতে গিয়ে ধমক খেলাম, “ফেরার জন্য তিন পয়সা থাকছে ত, অত ভাবার কি আছে ?” হাঁটতে হাঁটতে প্রথমে মনুমেন্ট দেখে হাঁ করে দাঁড়িয়ে দেখলাম, তারপর রবিদা’র আজ্ঞা মেনে সোজা ফুটবল মাঠ আর ক্লাব টেন্টগুলোর দিকে রওনা। সোজা ইষ্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুর দিকে (ঐ ক্লাবের পাঁড় সমর্থক, এদিকে এলে একবার না ঢুকলে ভাত হজম হয় না।)
    এখনকার কথা বলতে পারব না, তখন ক্লাব তাঁবু সকলের জন্য অবারিত ছিল বলেই মনে হয়। রবিদাকে দেখেছিলাম নিম্নবর্গের কর্মিদের সাথে খুব দহরম-মহরম। তাদের কারও সাথে কথা বলতে বলতে তিনি ঢুকে গেলেন আমাকে সঙ্গে নিয়ে।
    কর্মকর্তাদের কারও কারও সাথেও দেখলাম তাঁর বেশ আলাপ। ওঁদের সাথে কথা বলতে বলতে আমাকে এটা সেটা দেখাচ্ছলেন আর বোঝাচ্ছিলেন।
    হঠাৎ বললেন, ‘চ, এবার যাই, খেলা দেখে আসি’। কোথায় , কার খেলা কে জানে। জানা গেল কোন ঘেরা মাঠে ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের খেলা আছে। প্রশ্ন করতে জানা গেল আমরা টিকিট কিনতে পারব না, তাই ‘র‌্যামপার্ট’-এ খেলা দেখব। র‌্যামপার্ট হল তাদের জন্য, যারা কোন কারনে টিকিট কিনতে পারে না, তাদের জন্য। খেলার মাঠের তিন দিক ঘিরে কাঠের গ্যালারিতে টিকিট কাটা দর্শকেরা বসে খেলা দেখত, আর এক দিক ঘেরা হত না, কাঁটা তারের বেড়া থাকত, মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে বিনা টিকিটের দর্শকেরা খেলা দেখত। এটা র‌্যামপার্ট।
    এই খানে কাজ চালানোর মত ‘পেরিস্কোপ’ দেখেছিলাম। দর্শকদের ভাড়া দেওয়া হত খেলা দেখবার জন্য। ভীড়ের সময় বা বেঁটে হলে ভাল করে কিছুই দেখা যেত না। তখন দরকার হত পেরিস্কোপের।

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 12:10 am on July 2, 2014 Permalink | Reply

      পেরিস্কোপের কথা কেবল ছোটবেলায় বিজ্ঞান বইতে পড়েইছি। এই প্রথম শুনলাম আসলে সেই জিনিসটা ব্যবহারও হত।

      দু-আনা পয়সায় গড়ের মাঠ দেখার এই যে নির্মল আনন্দ, এর কিন্তু তুলনাই হয় না আজকের দিনে। এত সহজে খুশি হওয়ার উপায়গুলোই যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

    • ভাঁড়ের চা 1:02 pm on July 10, 2014 Permalink | Reply

      এর পর ইডেন গার্ডেনের কথা বলব, সেটাও একটা দারুন অভিজ্ঞতা ছিল আমার কাছে। প্রকাশের সঠিক ভঙ্গির অভাবে এই গল্পগুলো জমিয়ে বলা যাচ্ছে না!

  • ক্যাপাচিনো 9:51 pm on June 6, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    আবার বিশ্বকাপ এসে গেল। সেই ছোটবেলা থেকে যতবার দেখছি (১৯৯০ এ ইতালির বিশ্বকাপ থেকে) আর্জেন্টিনা একবারও চ্যাম্পিয়ান হতে পারল না। যাই হোক, খেলার শৈলী ও কৌশল যতই বদলাক না কেন, বাঙালির কাছে ফুটবল ফুটবলই থাকবে – তা সে দেশের ফুটবলে কোন উন্নতি হোক বা না হোক। এদিকে ব্রাজিল তৈরি হচ্ছে তো ভালোই। যদিও এবারে কার দল কেমন জানি না – তবে প্রাক বিশ্বকাপ আমেজে যে একটা দারুন ভিডিও দেখে মন ভালো হয়ে গেল, আর তাই সেটা কফিহাউজের আড্ডায় শেয়ার না করে পারলাম না। উত্তেজনা ছড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে এটুকুই যথেষ্ট।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:32 pm on June 7, 2014 Permalink | Reply

      ১৯৭৮ আর ১৯৮৬তে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ১৯৭৮ এর ফাইনাল খেলার ভিডিও দেখেছিলাম পরে, কিন্তু ১৯৮৬তে ‘লাইভ’ দেখেছিলাম। গোটা টুর্নামেন্টে মারাদোনা যা খেলেছিলেন তার তুলনা মেলা ভার। পেলের খেলা দেখা হয় নি,তাই আমার বিচারে সেরা কে সেটা বলা যাবে না। তবে মারাদোনা যে কি জিনিষ সেটা ইংল্যান্ড ম্যাচে দেখা গিয়েছিল। এই ম্যাচের দু’টো গোলের ঝলকের একটা ভিডিও’ ইউ টিউব’এ দেখা যেতে পারে। এতে ‘হ্যান্ডস্‌ অফ গড’ মার্কা গোলটাও রয়েছে।

    • এসপ্রেসো 10:18 am on June 13, 2014 Permalink | Reply

      :sorry ব্রাজিলের খেলা ভালো লাগেনি…

      • ভাঁড়ের চা 1:24 pm on June 15, 2014 Permalink | Reply

        রাত জেগে খেলা দেখা যাবে না, মানে পারব না। তাই ৯-৩০ এ যা হয় তাই দেখতে হবে। এর মাঝে ব্রেজিল নেই বোধ হয়! তবে যখন ‘নক আউট’ (পরের রাউন্ড) শুরু হবে তখন এক আধবার কি আর না দেখব ?

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel