Updates from May, 2014 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • এসপ্রেসো 11:35 pm on May 30, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    আমি আয়া পরছি। আমার খবর ভালো, আপনাদের…?

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 9:53 pm on June 6, 2014 Permalink | Reply

      আমার খবর ভালো – তুমি কেমন আছো? আর এদ্দিন ডুব মেরে ছিলেই বা কোথায়?

      • এসপ্রেসো 10:15 am on June 13, 2014 Permalink | Reply

        অনেক চাপে ছিলাম।

  • ভাঁড়ের চা 1:12 pm on May 28, 2014 Permalink | Reply  

    আমার কলকাতা চেনা– 

    আমার কলকাতা চেনানোর গুরু হলেন রবিদা। আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড়, আমার পিশতুতো দাদা। আমাদের বাড়িতেই থাকতেন। পড়াশোনায় খুব একটা উৎসাহ ছিল না। ক্লাসে ওঠার পরীক্ষায় কদাচিৎ পাশ করতেন! এর জন্য কম গঞ্জনা সইতে হত না তাকে। তবে কলকাতার গড়ের মাঠের ফুটবল নিয়ে সমস্ত কিছু মুখস্থ, ইষ্টবেঙ্গল ক্লাবের পাঁড় সমর্থক।
    গত শতাব্দীর শেষ অর্দ্ধের প্রথম দিকের কথা। একদিন বিকেলের দিকে রবিদা আমাকে নারকেলডাঙ্গা থেকে শর্টকাটে কি করে শেয়ালদা’য় পৌঁছান যায় তা দেখাতে নিয়ে চললেন।
    এর অর্থ হল নারকেলডাঙ্গা মেন রোড থেকে রেললাইন ধরে শিয়ালদা’র দিকে হাঁটতে শুরু করলে প্ল্যাটফর্মে গিয়ে ওঠা হবে, যারা গাড়ি থেকে নেমে ষ্টেশন থেকে বাইরে বেরোতে চায় তাদের সাথে! অর্থাৎ টিকিট পরীক্ষক বিনা টিকিটের যাত্রি হিসেবে হাজতে পুরলে কিছু করার নেই। রবিদাকে সে কথা বলতে হেসে উড়িয়ে দিলেন।
    “ধুস, রোজ যাচ্ছি এদিক দিয়ে, চ চ।”। তারপর “ঐ ত’ রয়েছে, তাড়াতাড়ি চ, চলে গেলে আর দেখতে পাবি না। মেওয়ালালকে দেখেছিস ? ঐ দ্যাখ। দ্যাখত চিনতে পারিস কিনা।”
    মানুষ বেরোবার গেটের সামনে দুজন ভদ্রলোক কথা বলছেন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে।
    আরে, একজনের মাথার চুল আঁচড়ানোটা চেনা লাগছে যেন, এমন চুলওয়ালা এই মানুষটার ছবি দেখেছি খবরের কাগজে। প্রায়ই দেখতে পাই। হ্যাঁ, এই-ই ত সেই মেওয়ালাল, মাঠ কাঁপানো ইষ্টার্ন রেলের (তখন বোধ হয় নাম ছিল ‘ই আই আর’) খেলোয়াড়!
    সেই আমার প্রথম কলকাতা ময়দানের এক হিরো দর্শন।
    কতকাল আগের কথা সব! মাঝে মাঝে মনে হয় এ সব ঘটেছিল ত!
    আমার কলকাতা এবং ময়দান চেনা রবিদা মারফৎ। পরে সময়মত আরও বলব।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:22 pm on May 28, 2014 Permalink | Reply

      যাব্বাবা!! লেখার মাঝে আবার ছবিটা এল কি করে ! ওটা আমি দিই নি। তাছাড়া বাক্যটাও এলোমেলো হয়ে গেছে। Edit করে Save করলাম, কিন্তু কিছু হল না।

    • এসপ্রেসো 11:33 pm on May 30, 2014 Permalink | Reply

      ভালো লাগলো। আর নিশ্চিন্তও হলাম, আকি কলকাতা এলে আপনার সাথে আগে যোগাযোগ করবো তাহলে আর হারানোর ভয় নেই।

  • ক্যাপাচিনো 12:02 am on May 22, 2014 Permalink | Reply  

    ইংজিরি 

    ইস্কুলে থাকতে একটা ওয়ার্ডবুক ছিল – বাংলা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ শেখার জন্য। আজকাল তার মধ্যে গোটা তিনেক নির্ঘাত ভুল ধরেছি।
    ঢ্যাঁড়শ ছিল লেডিস ফিঙ্গার
    বেগুন ছিল ব্রিঞ্জল
    আর জবাফুল ছিল চায়না রোজ।

    কিছুদিন বিদেশবাসের পর জানলাম – ইংরেজরা এইরকম নাম করেছে
    ঢ্যাঁড়শ-ওকরা
    বেগুন – অবার্জিন
    জবাফুল – হিবিস্কাস।

    কোনদিন ইস্কুলে ফিরে গিয়ে যদি একবার মাস্টারমশাইকে হাতে পাই।

     
  • ক্যাপাচিনো 12:11 am on May 19, 2014 Permalink | Reply  

    বিশ্ব ভ্রমণ 

    বাড়ি বসে দুনিয়া দেখার জন্য এর চেয়ে ভালো ভিডিও আর দেখেছি বলে মনে পড়ে না। আপনারাও দেখুন।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:29 pm on May 21, 2014 Permalink | Reply

      “অ্যারাউন্ড দি ওয়ার্ল্ড ইন এইট্টি ডেজ” ? খুব ভাল ভিডিও।

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 12:06 am on May 22, 2014 Permalink | Reply

        আশি দিনে কি? আমার মনে হয় ছোকরা অনেক দিন ঘুরেছে। ভুপর্যটক ভাবতেই আমার সেই মন্দার বোসের কথা মনে পড়ে যায় আবার। “নিজের দেশের জিনিস জানেন না – আবার আফ্রিকা”

    • Shafi islam 6:45 am on May 31, 2014 Permalink | Reply

      Thank you for sharing

  • ভাঁড়ের চা 1:58 pm on May 17, 2014 Permalink | Reply  

    রাস্তা ধোয়া। 

    আজকের কাগজে (১৫/২/১৪) দেখছিলাম কলকাতার কোন কোন রাস্তা নাকি আজকাল নানা ভাবে পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা হচ্ছে, বিশেষ করে ধোয়া হচ্ছে। রাস্তা ধোয়ার এই ব্যাপারটা ছিল খুব কৌতুহলোদ্দীপক। যাঁদের ষাট-পঁয়ষট্টি বছর তাঁরা কেউ কেউ স্মৃতি ঘাঁটলে, সে দৃশ্য মনে করে উঠতেও পারেন। নেহাৎ না পারলে শিবরাম চক্রবর্তীর লেখা পড়ে নিতেও পারেন। সব মনে পড়ে যাবে।
    আমার অবশ্য নিজের দেখা এসব। বড় রাস্তার দু’পাশে কিছু দুর অন্তর অন্তর জলের উৎস থাকত। ঘোলা জল, ভক ভক করে উঠত সে জল। ভোরে উঠে দেখা হত না বটে ( অত সকালে কে উঠছে), তবে বিকেলে দেখতাম প্রায়ই। বেলা তিনটে/সাড়ে তিনটে নাগাদ ঘাড়ে একটা পাইপ নিয়ে ( এখনকার মত পলিথিন নয়, ক্যানভাসের তৈরী ল্যাতপেতে পাইপ গুটিয়ে আনতে হত) কর্পোরেশনের লোক এসে হাজির হত রাস্তা ধুতে। পাইপের মোটা দিকটা রাস্তার উৎসের ( হাইড্রান্ট) সঙ্গে যুক্ত করে দিলে সরু দিক দিয়ে তীরবেগে জল বেরোত। সেই জল অনেক দুর পর্যন্ত যেতে পারত। লোকটি সেই জল ছড়িয়ে দিত অনেক দুর অবধি, যা রাস্তা ধুয়ে দিত। সামনে লোকজন বা গাড়ী এসে গেলে পাইপের মুখটা নামিয়ে নিত।
    জলের উৎস এমন দুরত্বে থাকত যে কোন জায়গাই বিনা ধোয়া অবস্থায় থাকত না।
    উৎসের জল নাকি গঙ্গার জল (এটা আমি হলফ করে বলতে পারি না, কারন আমি জানি না জলের প্রকৃত উৎস কি, তবে জলটা গঙ্গাজলের মত ঘোলা ছিল )। সব সময় জল উঠত ঐ সব উৎস থেকে। গরম কালে পাড়ার বাচ্চারা যথেচ্ছ জল ছেটাছেটি করে স্নান করত।
    কবে যেন এই ব্যাপারটা, মানে রাস্তা ধোয়াটা, উঠে গেল! টেরও পেলাম না।
    নিয়মটা আবার চালু হবে ভাবতে ভাল লাগছে।

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 11:43 pm on May 18, 2014 Permalink | Reply

      কলকাতার ধুলো জগৎবিখ্যাত বটে। রাস্তা ধোওয়ার গল্প বেশ লাগল। রাস্তা ধোয়ার ব্যাপারটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কেন?

    • ভাঁড়ের চা 12:52 pm on May 20, 2014 Permalink | Reply

      কেন বন্ধ হয়েছিল সেটা বলা খুব মুশকিল। সেটা পৌরসভার নিয়ম পরিবর্তন হতে পারে, তাদের আর্থিক সমস্যা হতে পারে বা অন্য কিছু, সঠিক জানা নেই। জানা খুব মুশকিল। এ সংক্রান্ত কোন বিজ্ঞপ্তি আমার চোখে পড়ে নি।

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 12:05 am on May 22, 2014 Permalink | Reply

        কলকাতা শহরটা এক কালে মানুষের কাছে উদাহরন ছিল, বড় শহর ছিল, বৈচিত্র ছিল। আজকাল যখন দেশের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে কলকাতার নাম সেভাবে নেওয়া হয় না তখন খারাপ লাগে।

  • ক্যাপাচিনো 10:18 pm on May 10, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    রয়েল বেঙ্গল টাইগার – রিভিউ 

    নতুন বাংলা সিনেমা দেখলাম – রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। আসলে পরপর কিছুদিন বাংলা সিনেমাই দেখছি। মানে ধুম / ক্রিশ এই জাতীয় কয়েকটা সিনেমা দেখার পর আর হিন্দি সিনেমার সামনে যেন বসা যাচ্ছে না। তাই ভাবলাম লারে লাপ্পা, ঝারে ঝাপ্পা সিনেমা যদি দেখতেই হয়, তাহলে বাংলাই দেখি বরং। বেচারারা সিনেমা গুলো তো করছে দেখার জন্যই। তবে মানতে বাধ্য হচ্ছি, প্রচন্ড বাজে কিছু লিরিক্স আর বেসামাল কিছু সংলাপের সঙ্গে মানিয়ে নিলে অসুবিধের জায়গা বড় একটা নেই। এই নিয়ে একটা পোস্ট আগেই দেব ভেবেছিলাম, কিছুটা কুঁড়েমি এবং কিছুটা সময়ে অভাবে আর দেওয়া হয়নি। আমার বন্ধুমহলে অনেক দক্ষিন ভারতীয় – তারা তো দিব্যি নিজেদের মশালা ফিল্ম তারিয়ে তারিয়ে দেখে – আর আমাদেরই বা দোষ কোথায়।

    যাইহোক, সিনেমার কথায় ফিরে আসি। বেশ টানটান ঝকঝকে সিনেমা, কোথাও ঝুল নেই। অভিনয়েও সেরকম ফাঁক ফোকর নেই। একজন গলাধাক্কা খাওয়া, ভীতু, লাজুক মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো নিয়ে গল্প। একজন মধ্যবিত্ত বাঙালি যুবক সমস্ত সমস্যা থেকে বাঁচতে তার এক বন্ধুর সাহাজ্য চায়। বন্ধুর কথায় লাভ হয়ও, এক এক করে সমস্যার জাল কাটতে থাকে। এরকম থিমে হয়তো একশো সিনেমা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে, কিন্তু এখানে যেটা নতুনত্ত, তা হল স্প্লিট পার্সোনালিটি বা মাল্টিপল সাইকোলকজি ডিসঅর্ডার। এক সময়ে তৈরি ফাইট ক্লাবের মত কাল্ট সিনেমার ছোঁয়া কিছুটা আছে বলতে হবে। হিন্দিতে লাগে রহো মুন্নাভাই বা কার্তিক কলিং কার্তিক হালফিলে তৈরি হলেও – বাংলায় কিন্তু এই বিষয় নিয়ে সিনেমা আগে হয়েছে বলে দেখিনি। শেষে দেখা যায় বন্ধুটি আদপেই কাল্পনিক চরিত্র। সমস্যাটা সেখানেই।

    আবীর অনেক সিনেমাতেই ভালো অভিনয় করেছেন, নতুন করে কিছু বলার নেই। কিন্তু জিতের মত স্টার বাঙালি নায়ক পার্শ্বচরিত্রে এত সুন্দর মানিয়ে যাবেন ভাবিনি। সিনেমাটি না দেখে থাকলে দেখতেই পারেন। যদিও আমি গল্প বলে দিলাম অনেকটাই, তবুও। আমারও তো ফাইট ক্লাব গুলে খাওয়া ছিল, তার ওপর মিশির আলির ভক্ত, তাও –

     
    • shadman 6:37 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      ধন্যবাদ আপনার রিভিউয়ের জন্য 🙂

    • yournewsbd 10:59 am on June 4, 2014 Permalink | Reply

      সব কিছু মিলিয়ে কলকাতা বাংলা সিনেমাগুলো খারাপ না। একটু একটু করে পরিবর্তন হচ্ছে।

  • ভাঁড়ের চা 2:02 pm on May 8, 2014 Permalink | Reply  

    ইউজ অ্যান্ড —। 

    কয়েকদিন আগে ব্যাংকের কাজে বের হয়ে রাস্তায় গিয়ে মনে পড়ল ডট পেনটার কথা। সেটা ত আনা হয়নি ! আবার বাড়ি গিয়ে সেটা আনব কিনা ভাবতেই মনে পড়ল কি দরকার কালক্ষেপ করে, একটা ‘ইউজ অ্যান্ড থ্রো’ কিনে নিলেই ত হয়, মাত্র’ত দু’তিন টাকা দাম ! কাজ হল। কলমটা ফেলিনি, নিয়ে এসেছি বাড়িতে!
    তিন টাকার কলমের কথায় চট করে মনে পড়াল ৫০/৬০ বছর আগের কথা!
    তখন ডট পেন ছিল না (থাকলেও একেবারে প্রাথমিক স্তরে, মানে ধ্যাবড়া লেখা পড়ত আর সেই কলম পকেটে রাখলে জামা নষ্ট হওয়া ছিল অবধারিত!) ছিল ঝর্না কলম। কলমে কালি ভরে লেখালেখি করতে হত। কিন্তু সেটাই ছিল সেই কলমের ত্রুটি। কালি ‘লিক’ করত অহরহ! তখনকার দিনে স্কুলে কলম নিয়ে গেলে শাস্তি পেতে হত (পেন্সিল ছিল ম্যান্ডেটরি)। লুকিয়ে নিয়ে গেলেও ‘হাতে কালি, মুখে কালি’ হয়ে ধরা পড়ে যেতে হত।
    কালিভরা সে সময়ের কলমের দামছিল একটাকা/দেড় টাকা। ‘রাইটার’ নামের একটা খুব চালু কলমের দাম ছিল ১ টাকা।
    কালি লিক করলে ছুটতে হত ‘পেন হসপিট্যাল’-এ। হ্যাঁ, এমনই নাম ছিল এক একটা দোকানের, যেখানে সেই লিক করা কলমের মেরামতি হত।
    এমন অনেক দোকান ছিল তৎকালীন কর্ণওয়ালিস ষ্ট্রীটে (বর্তমানে যার নাম বিধান সরনি)। হাতিবাগান থেকে শ্যামবাজারের মোড় পর্যন্ত যেতে রাস্তার বাম ফুটপাথে যত গাড়িবারান্দা ছিল, তার প্রায় সবগুলোতেই নানা ধরনের দোকানের পাশে পাশে থাকত ঐ কলম সারাইয়ের দোকান। দেওয়ালে একটা কাচে ঢাকা শোকেসের মত টাঙানো থাকত, যার প্রতি তাকে সাজানো থাকত নানা ধরনের সারাইয়ের সরঞ্জাম। দোকানদার বসতেন সামনে একখানা টুল নিয়ে, ফুটপাথের ওপর।
    ‘অসুস্থ’ কলম নিয়ে গেলেই পুরোদস্তুর ‘চিকিৎসা’ হয়ে স্বাভাবিক হয়ে যেত! খরচ সামান্যই, দু’চার পয়সার মত ছিল।
    এখনকার জমানা ত ইউজ এন্ড থ্রো-এর। কে আর এইসব দোকানে আসবে! আমার জানতে ইচ্ছে হয় সেই সব দোকান কি আছে ? না থাকাটাই স্বাভাবিক! না থাকলে সেখানে কি হয় এখন, মানে কিসের দোকান এখন সেখানে ? আর সে ধরনের মানুষজনই বা কি করেন (এখন নিশ্চয়ই অন্য জীবিকাতেই আছেন, তাহলেও জানতে দারুন ইচ্ছে হয় কবে থেকে, কিভাবে, অন্য ক্ষেত্রে উত্তরন হয়েছে )!
    আর এক ধরনের দোকান ছিল আগে। এখন শহরতলিতে দেখা গেলেও কলকাতা শহরের মধ্যে দেখা পাওয়া দুষ্কর। আস্তে আস্তে সেখানেও যে ডুমুরের ফুল হয়ে যাবে তা নিশ্চিতই বলা যায়।
    আমার বহু পুরোন ঘড়ির ষ্টীলের রিষ্টব্যান্ড খারাপ হয়ে সেটা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যাচ্ছে না দেখে, সারাইয়ের দোকান খুঁজতে গিয়ে হয়রান হয়ে যখন আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি, ভাবছি একে এবার ‘আলবিদা’ জানাতে হবে কিনা, তখন একদিন দেখি গড়িয়ার (পুরোদস্তুর শহর) ফুটপাথে চাদর বিছিয়ে একটি ছেলে নানাধরনের ঘড়ির পার্টস নিয়ে বসে আছে! সৌভাগ্যবশত কাজটা হল। গড়িয়া ছাড়িয়ে বারুইপুরের দিকে গেলে ঘড়ি সারাইয়ের দোকান এখনও মেলে এক আধটা। কিন্তু কতদিন মিলবে বলা শক্ত ! সেই ইউজ এন থ্রো ! ঘড়িও তেমনই হয়ে গেছে কিনা ! কিন্তু চল্লিশ বছরের পুরোন,বহু স্মৃতি জড়ানো ঘড়ি কি করে ‘থ্রো’ করা যায় তা ভেবে পাওয়া যায় না!
    তেমনই রয়েছে জুতো সারাইয়ের দোকান, এদেরও শহুরে অঞ্চলে দেখা পাওয়া খুব মুশকিল। কারিগরেরা সব আসল শহর ছেড়ে শহরের সীমানার দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এমন দোকান একটা দেখতে পেয়েছিলাম পাটুলির এক গলিতে। অবশ্য জুতোও এখন “ইউজ এন থ্রো”! আগে হাওয়াই চপ্পলের ষ্ট্র্যাপ আলাদা কিনে লাগিয়ে নিয়ে আসা যেত এখন ব্যাপারটা বন্ধ হয়ে গেছে! খুঁজে পেতে পাওয়া যায় হয়ত কিন্তু নিজে লাগিয়ে নিতে হয়। না হলে পুরো সোলটাই “থ্রো”!
    বাড়িতে তেমন চপ্পল থাকলে, আর শহরতলিতে যাবার থাকলে, সঙ্গে নিয়ে যাবেন। সেখানে পেয়ে যাবেন, সেখানে এখনও তেমন দোকান আছে।

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:28 pm on May 10, 2014 Permalink | Reply

      আপনি যে কলমের কথা বলছেন, সেই ধরনের কিছু কলমে আমিও লিখেছি – বলা উচিত যখন কলমে লিখতে শুরু করেছি, তখন লিখেছি ওভাবেই।তখন সেরকম ভালো ডট পেন পাওয়া যেত না। কালির কলমে যেরকম তাড়াতাড়ি লেখা যেত সেরকম সুবিধেও হত না। ক্লাস সেভেন অবধিও কিছু কিছু পরীক্ষা কালির পেনে দিয়েছি মনে আছে। তারপর সব কোথায় হারিয়ে গেল। এখন তো কাগজ কলমে লেখা হয়ই কম।

      ঘড়ি সারাইয়ের দোকান এখনও কিছু কিছু দেখি,কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তাঁদের ব্যবসাও বদলাতে হয়েছে, শুধু ঘড়ি সারাই করে আর চলছে না, সেই সঙ্গে ব্যাটারি, ফোন রিচার্জ এই সব করতে দেখি অনেক কেই।

      সব কিছু ইউজ এন্ড থ্রো হয়ে গেলে আরও কত কি হারিয়ে যাবে, ভাবতেই মন খারাপ হয়ে গেল।

    • Mustafa Abier 4:27 pm on May 14, 2014 Permalink | Reply

      Seemed very entertaining

    • Nabil Uddin 5:54 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      Valoi Moja pailam 🙂

    • shadman 6:35 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      dhonnobad, onk interesting laglo blog ta.

  • ভাঁড়ের চা 1:24 pm on May 5, 2014 Permalink | Reply  

    বন্ধুরা আবার ডুব মেরেছে। এক-আধজন মাঝে মাঝে উঁকি দিলেও আড্ডাখানায় স্থায়িভাবে বসতে চাইছে না। কি হল সব ?

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel