Updates from April, 2014 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 7:59 pm on April 27, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    গায়ে মাখার মাখন 

    হ্যাঁ, শিরোনাম টা ঠিকই – কোন ভুল নেই ওতে। আজকে দোকান বাজার করতে করতে একটিতে গিন্নি সহযোগে ঢুকে পড়েছি। দোকানের নাম বডি শপ। বডি শপ? মানে তেল, সাবান, প্রসাধন ইত্যাদির দোকান। তা আমি কি আর করব, এদিক ওদিক করতে গিয়ে দেখি একটা তাকে লেখা আছে বডি বাটার। তার মধ্যে কোনটা আম,কোনটা স্ট্রবেরি ইত্যাদি সব লেবেল। তা আমি তো অবাক, ভাবলাম এ নিশ্চয় খাওয়ার জিনিস। মাখন যখন বলছে।
    সামনে সারি সারি কৌটো রাখা আছে। তার মধ্যে কয়েকটা কয়েকটাতে লেখা আছে ট্রাই করুন। আমি ভাবলাম বলছে খেয়ে দেখুন, খুলতে দেখি ম ম করছে আমের গন্ধ। খেয়েই ফেলছিলাম আরেকটু হলে, তখন ওপরে এক জায়গায় দেখলাম পোস্টার সহ লেখা রয়েছে, আফ্রিকায় নাকি এই বডি বাটারের প্রচলন। বাদামের নির্যাস থেকে তৈরি হয় এই ক্রিম। অনেকে নাকি প্রাকৃত্রিক প্রসাধন হিসেবে ব্যবহার করেন। সেই জন্য ইউরোপে নাকি শুরু হয়েছে এই ধরনের রপ্তানি। আর যে অঞ্চল থেকে এই ক্রিম রপ্তানি হয়, সেখানে নাকি দশটি নতুন স্কুল খোলা হয়েছে এই মাখনের টাকায়, তারপরে তিনটি মেডিকাল সেন্টার। ভালো লাগল দেখে।

    ভাবলাম এক কৌটো কিনি, তারপর মনে হল এত সুন্দর গন্ধ, ভুল করে খেয়ে ফেলাটা আমার মত পেটুক লোকের পক্ষে অসম্ভব কিছু না।

     
    • স্মৃতিলেখা চক্রবর্ত্তী 5:08 pm on May 5, 2014 Permalink | Reply

      The Body Shop তো মুম্বাইতেও আছে।

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:13 am on May 11, 2014 Permalink | Reply

        হুম তা তো থাকতেই পারে, তবে কিনা এই মাখনের ব্যাপারটা আমি জানতাম না।

    • Jobayer Hasan 3:37 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      হাহা!! ভালো ছিল।

  • ভাঁড়ের চা 6:14 am on April 25, 2014 Permalink | Reply  

    বলিউড, টলিউড! 

    হাস্যকর ব্যাপার আর কাকে বলে ! হলিউডের অনুকরনে মুম্বই এবং কলকাতা সিনেমার কেন্দ্রকে “বলিউড, টলিউড” বলাটা যে কি হাস্যকর লাগে ! শুধু হাস্যকর না, আমি ব্যক্তিগতভাবে হিনম্মন্য হয়ে পড়ি এটা ভাবতে গিয়ে! কেন ভাই, নিজেদের সাতন্ত্র্য বলে কিছু নেই ? নাকি আমাদের এখানে সবাই হলিউডের করুনায় বেঁচে আছে ?

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 12:25 am on April 26, 2014 Permalink | Reply

      ঠিক কথা। এখন তো বলিউড শব্দটা ইংরাজী ভাষাতেও খুব প্রচলিত বলে মনে হয়।

      আবার এটাও দেখি যে দাক্ষিনাত্যের সিনেমাকেও অনেক সময় টলিউড বলা হয়।

    • ভাঁড়ের চা 12:54 pm on April 27, 2014 Permalink | Reply

      আমি ত জানি বাংলা সিনেমার আঁতুরঘর টালিগঞ্জ থেকেই ‘টলিউড’ এসেছে, এর মধ্যে দাক্ষিনাত্য আছে নাকি আবার ! দাক্ষিনাত্য কি ভাবে ? ব্যাপার-স্যাপার বোঝা ভারি মুশকিল !

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 7:43 pm on April 27, 2014 Permalink | Reply

        হ্যাঁ, আমারও তাই ধারনা ছিল। কিন্তু আমি বেশ কিছু জায়গায় শুনেছি দাক্ষিনাত্যের সিনেমাকে টলিউড বলতে। তাদের টলি পাড়ার জায়গায় কোন পাড়া আছে কে জানে।

    • Sujonbndu07 10:03 am on May 6, 2014 Permalink | Reply

      খুব পছন্দ হয়েছে

  • ক্যাপাচিনো 9:37 am on April 21, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    আড্ডা গেল কই 

    মহা সমস্যাতেই পড়েছি। আড্ডা দেওয়ার মত বিষয় কিছুই খুঁজে পাচ্ছি না। দেশের বাইরে থাকলে এই একটা সমস্যা। ঝগড়াঝাঁটি নেই, কথা কাটাকাটি নেই, তর্ক বিতর্ক নেই, জমাটি খাওয়া নেই – দেশের খবরও সেরকমভাবে পাই না যে সে নিয়ে কিছু বলব। কদিন আগে একটি ভিডিও দেখেছিলাম এই প্রসঙ্গে – যদি সত্যিই সরকার বদলে যায় তাহলে কত শিল্পী (কার্টুনিস্ট ইত্যাদি), লেখক, সমালোচক আর লেখার উপাদান খুঁজে পাবেন না। আমারও মনে হচ্ছে একই অবস্থা। কফিহাউজের আড্ডায় এই যে অনেক দিন কিছু লিখিনি তা হল বিষয়ের অভাব।

    এই প্রসঙ্গে বলি একটা খবর সম্প্রতি আমার নজরে এল। ফেসবুকে নাকি নানা ধরনের রদবদল হচ্ছে – (যার কিছুটা তো চোখেই দেখছি) ফলে যে হারে লাইক পাওয়া যেত আগে, এখন নাকি তা কমতে থাকবে। যারা ফেসবুককে টাকাপয়সা দেবেন, তারাই সেভাবে তাদের ভক্তদের কাছে পৌঁছতে পারবেন। আমার মনে হয় এই মতলব ওদের বরাবরই ছিল – যারা এতদিন বোঝেন নি তারা ভুল করেছেন, ফেসবুকের সঙ্গে নেশার মত জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ফেসবুক থেকে জনগন বীতশ্রদ্ধ হলে বাংলা ব্লগের বাজার কি সরগরম হবে? কি জানি বাবা।

    আরও একটা কথা মাথায় এল – আজকাল কি আমাদের বাংলা ভাষার ধারক ও বাহক – আনন্দ গ্রুপ কিঞ্চিৎ কনফিডেন্সের অভাবে হীনমন্যতায় ভুগছে? নোটিফিকেশন দেখে মনে হচ্ছে রসাল খবর ছাড়া আর কোন রসদ নেই আজকাল। বড় বড় বাবুদের যদি লেখার বিষয় না থাকে, তবে আমি যদি কিছু খুঁজে না পাই লেখার বিষয় হিসেবে, তাহলে আর দোষ কোথায়। আমি তো নিতান্তই আদা ব্যাপারি।

     
    • ভাঁড়ের চা 12:40 pm on April 22, 2014 Permalink | Reply

      দ্বিতীয় প্যারাগ্রাফটা আশাব্যঞ্জক। ফেসবুকে যদি প্রবেশাধিকারের কড়াকড়ি হয় তাহলে, কফিহাউসটা বেঁচেও যেতে পারে। না হলে ত দেখছি গতিক মোটেই সুবিধার নয় ! আর কোন সভ্য আমদানী করা যায় কি, যাতে আড্ডাখানার স্বাস্থ্য ভাল হয় ? নাকি, তাতে গাজন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে !

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:49 pm on April 22, 2014 Permalink | Reply

        আমার তো ভয় হয় গাজন নষ্টই হবে। এর আগেও তো কয়েকবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সকলেই ঐ এক দুবারের পর কেমন যেন হারিয়ে যায়। বাংলা ব্লগ এখনও সেই শৈশবেই রয়ে গেল। ফেসবুকের দুর্দিন এলে কি হয় অবশ্য বলা যায় না।

        • ভাঁড়ের চা 1:23 pm on April 23, 2014 Permalink | Reply

          কমিটেড সদস্য পাওয়া যায় কি ? তাহলে আমদানীর কথা চলতে পারে। না হলে অবশ্য গাজন নষ্ট হওয়ার আশংকাই থেকে যায়।

    • Mustafa Abier 4:30 pm on May 14, 2014 Permalink | Reply

      Interesting writing

    • Nabil Uddin 5:56 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      Hmmm , thik eki problem face korechi 🙁

  • ভাঁড়ের চা 12:54 pm on April 12, 2014 Permalink | Reply  

    আমার প্রথম টিভি দেখা। 

    কলকাতায় কবে প্রথম টেলিভিশন দেখেছি জানেন ? যদিও সঠিক বলা যাচ্ছে না, তাহলেও বোধ হয় ১৯৫৪ বা ৫৫ সালে। ৫৬-ও হতে পারে।
    আগে, মানে ১৯৫০ এর দশকে, কংগ্রেস নামক রাজনৈতিক দলের অধিবেশন হত নানা জায়গায়। এ উপলক্ষে নানা জিনিষের প্রদর্শনী হত তখন। কল্যানীতে একবার দেখেছিলাম তেমন। সেখানে বিশাল বিশাল আকারের সব সব্জি দেখেছিলাম। এর পর হয়েছিল পুর্ব কলকাতায়। (এই সময়ের পরে মনে হয় আর দেখিনি)।
    পুর্ব কলকাতায় ফুলবাগান অঞ্চলে এখন যেখানে শ্যামাপ্রসাদ (নাকি গুরুদাস ?) কলেজ হয়েছে,বা যে রাস্তাটা সোজা কাঁকুর গাছি ভেদ করে মানিকতলার দিকে গিয়েছে, সেই জায়গাটা ছিল ধু ধু মাঠ। এই মাঠে হয়েছিল ঐ রাজনৈতিক দলের অধিবেশন।
    নেতারা সব আসতেন তদারকি করতে। সবাইকে ত আর চিনতাম না, তবে অতুল্য ঘোষ মহাশয় আর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ বিধান চন্দ্র রায় কে চিনতাম। এঁদের সেখানে দেখেছি।
    সেখানে যে প্রদর্শনী হয়েছিল তাতেই প্রথম টেলিভিশন দেখি। সাদা-কালো টিভি।
    ত্রিপলে ঘেরা পাশাপাশি দুটো ঘর বানানো হয়েছিল, যার একটা ছিল স্টুডিও আর একটাতে রাখা ছিল টিভি। আমি যখন দেখি তখন পাড়ার একটি ছোট মেয়ে গান গাইছিল, আর পাশের ঘরে টিভিতে(সাদাকালো) সেটা দেখা যাচ্ছিল। আন্টেনার সাহায্য ছাড়া কেব্‌ল্‌ মারফৎ চিত্র সম্প্রচারিত হচ্ছিল। (এর প্রায় কুড়ি বছর পর কলকাতায় পাকাপাকি টিভি আসে,তখন আন্টেনা আসবে কোত্থেকে)।
    এই পাশাপাশি ঘর আর কেব্‌ল্‌ মাধ্যমে সম্প্রচার– এ ব্যাপারদুটো সাধারনের মনঃপুত হয়নি , কেননা তখন তার ছাড়া রেডিওতে গান শুনে অভ্যস্ত সবাই (প্রত্যেকের ছাদে এরিয়েল শোভা পেত)। তাই টিভি দেখে এসে সব কি নাক সিঁটকানি,”পাশাপাশি ঘর, আর তার দিয়ে জোড়া ত সব কিছু—“। যেন এটা করা কত্ত–ও–ও–ও সোজা !!

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 8:11 pm on April 20, 2014 Permalink | Reply

      টিভি দেখার এই গল্পটা পড়ে বেশ আনন্দ পেলাম। এমনিতেই পুরনো দিনের গল্প শুনতে খুবই ভালো লাগে।

      এই প্রসঙ্গে আমারও একটা গল্প মনে পড়ে গেল। ১৯৮৩ সালের কথা। আমার বয়স তখন দুবছর। মনে থাকার কথা নয়। কিন্তু এই গল্পটি আমাদের পরিবারে বহুল প্রচলিত। তখনকার দিনে আমাদের পাড়ায় বেশি টিভি ছিল না। পাড়া প্রতিবেশী অনেকেই টিভি দেখতে আমাদের বাড়ি আসতেন। এই টিভিটি আমি নিজেও ছোটবেলায় অনেকদিন দেখেছি। বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত জেতার পর শুনেছি আমাদের বাইরের ঘরের খাটটি (তখনও সোফা জিনিসটা খুব একটা আসেনি – আর এলেও এত লোকের স্থান সঙ্কুলান হত না) আর ভার সহ্য করতে না পেরে ভেঙে পড়ে।

      পুরনো কথা উঠলেই বাবা – কাকার মুখে এই গল্পটা এখনও নতুন করে শুনি।

  • ক্যাপাচিনো 9:48 pm on April 6, 2014 Permalink | Reply  

    আমার অনেক দিনের পোস্ট জমা পড়ে আছে। তাই মাফ চেয়ে নিচ্ছি। অনেক দিন ধরে ইন্টারনেটের সংযোগে নেই। বিলেতে বাড়ি বদল করতে হল – সে অনেক ঝক্কি গেছে। আর দু-তিন দিনে বাড়িতে ইন্টারনেট পাব – আর আশা করছি নিয়মিত হয়ে উঠতে পারব।

     
    • ভাঁড়ের চা 12:43 pm on April 7, 2014 Permalink | Reply

      ভাবছিলাম “কারুর দেখা নাইরে, কারুর দেখা নাই” গাইব নাকি ! এখন একটু নিশ্চিন্ত লাগছে।

  • ভাঁড়ের চা 1:44 pm on April 2, 2014 Permalink | Reply  

    দুর্দিন। 

    দোকানের ঝাঁপ ফেলতে হবে বলে মনে হচ্ছে। কি আর করা, কারও তো হেলদোল নেই !

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 9:49 pm on April 6, 2014 Permalink | Reply

      খুবই দুঃখের ব্যাপার।

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 9:50 pm on April 6, 2014 Permalink | Reply

        :sorry

  • ভাঁড়ের চা 1:18 pm on April 1, 2014 Permalink | Reply  

    কফিহাউসের দুর্দিন ! 

    সত্যিই কি দুর্দিন এসে গেল কফিহাউসের ? কেউ আসছে না, কিছু বলছে না। হাপিত্যেস করে বসে থেকে থেকে পিঠ কোমরে ব্যথা ধরে গেছে! কি যে করা যায় বুঝতেই পারছি না।

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:00 pm on April 6, 2014 Permalink | Reply

      আমার না হয় ইন্টারনেট ছিল না। কিন্তু যাদের ছিল?

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel