Updates from March, 2014 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাফে লাতে 3:53 am on March 16, 2014 Permalink | Reply  

    কফিহাউজের সব সদস্য এবং পাঠক বন্ধুদের জানাই দোলের শুভেচ্ছা 

    large_6680757623

    আজ দোল যাত্রা। আমার তরফ থেকে আপনাদের সবার জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা। রঙ মাখুন, রঙ মাখান, মনটাকে রঙিন রাখুনঃ)
    photo credit: koustavghosh via photopin cc

     
    • ভাঁড়ের চা 1:52 pm on March 17, 2014 Permalink | Reply

      কাল ‘ফড়িং’ দেখলাম। কি হয়েছে বল দেখি বাংলা ছবির ? শুরুটা ভালই হয়, যখন জমিয়ে বসার চেষ্টা করি, তখনই কেমন যেন হেদিয়ে যায়। এটা শুরু হয়েছে সেই ‘আবার অরন্যে’ থেকে। ব্যাপারটা কি ?

      • ক্যাফে লাতে 1:28 pm on March 19, 2014 Permalink | Reply

        কেন? ফড়িং তো অনেকই ভাল হয়েছে অন্যান্য অনেক বাংলা ফিল্মের থেকে। শেষটা একটু বেশি ধীরে করেছে অবশ্য, আরেকটু দ্রুত হলে ভাল হত, কিন্তু তা না হলে তো আমার মন্দ লাগেনি।

    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 8:00 pm on April 27, 2014 Permalink | Reply

      দোলযাত্রা তো এক দু মাসের বাসি খবর, আপনি আজকাল কোথায়?

  • ভাঁড়ের চা 1:43 pm on March 5, 2014 Permalink | Reply  

    এখানে আয়নার ছবি দেখা যাবে http://www.mirror.co.uk/news/world-news/giant-mirrors-rjukan-norway-2506643

     
    • ক্যাফে লাতে 6:43 am on March 11, 2014 Permalink | Reply

      ওপরের লিঙ্কটা কোন কারণে কাজ করছে না।, তাই আরেকটা লিঙ্ক দিলামঃ
      http://www.theguardian.com/world/2013/oct/30/giant-mirrors-first-winter-sun-norway-rjukan

      • ভাঁড়ের চা 12:50 pm on March 12, 2014 Permalink | Reply

        এই লিঙ্কটা আগে দেখিনি। ভালই হল আরও খবরাখবর পেলাম। আর একটা এপিসোড করা যায় কিনা দেখি। তবে আগেরটা কাজ করল না কেন বুঝলাম না।

    • Mustafa Abier 4:27 pm on March 19, 2014 Permalink | Reply

      Bishoy ti thik bujhlam na

  • ভাঁড়ের চা 1:27 pm on March 5, 2014 Permalink | Reply
    Tags: আরজুকান,   

    আরজুকানের আয়না-২ 

    সেই যে নরওয়ের আরজুকান শহরে শীতকালে চিরছায়াচ্ছন্ন অঞ্চলে সূর্যালোক উপস্থিত করতে আয়না লাগাবার কথা বলেছিলাম এর আগে, তা নিয়ে আবার বলছি।
    সেপ্টেম্বর-২০১৩-এ সেই আয়না লেগে গেছে যথাস্থানে! ছবি দেখলাম কম্পিউটারে। পাশাপাশি তিনখানা আয়না, তিনখানা স্তম্ভের ওপর। স্তম্ভগুলো আবার একটা পাহাড়ের ওপর দাঁড় করানো। এদের উচ্চতা খুব একটা বেশী না হলেও, যেহেতু উঁচু পাহাড়ের ওপর রয়েছে তাই পাহাড় আর স্তম্ভ মিলিয়ে মাটি থেকে এদের উচ্চতা ৪৫০ মিটারের মতই ত’ হওয়ার কথা। উচ্চতার হিসেবটা তেমনই ত’ ছিল, নাকি!
    এখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল আর দক্ষিন গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল, তাই সূর্যের দক্ষিনায়ন চলছে অর্থাৎ দক্ষিনদিকে সে হেলে আছে। আমাদের এখানে যেমন দক্ষিনে হেলে থেকে পুবে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায়, ওখানেও তাই-ই হয় বটে, তবে দক্ষিনে হেলাটা বড্ড বেশী! প্রায় দিগন্ত ঘেঁষে চলে যায়। মানে সূর্যের মাথার ওপর ওঠার উপায় একেবারেই নেই, চরাচর অন্ধকারে ডুবে যায়। গ্রীষ্মকালে, যখন সূর্য আমাদের এখানে মাথার ওপর ওঠে, তখন ওখানে ওপরে ওঠে সামান্যই, প্রায় পাহাড় ঘেঁষে চলে! এ সব দক্ষিন দিগন্তের ব্যাপার। তাহলে পাহাড়ের উত্তর দিকে, আড়ালে থাকা কোন কোন জায়গায় গ্রীষ্মে পেলেও সব জায়গাতে রোদ পাবে না, না গ্রীষ্মে, না শীতে। এটা সাধারন বুদ্ধিতেই বোঝা যায়।
    আগেই বলেছি আরজুকান শহরটি দু’টি পাহাড়ের মধ্যবর্তী মালভুমি অঞ্চলে, তাই শহরটা চিরকাল না হলেও শীতকালে সূর্যালোক থেকে বঞ্চিত। উত্তরের পাহাড়ের মাথা বা গোড়ার কোন কোন জায়গায় গ্রীষ্মে রোদ পেলেও, শীতে কিন্তু সূর্যের আলো দক্ষিন দিগন্তের কাছ থেকে এসে মাটি থেকে ৪৫০ মিটার বা তার কিছু কম উচ্চতা দিয়ে বেরিয়ে যায়। তাই সেখানে আয়না রাখলে সূর্যালোক প্রতিফলিত হওয়ার সম্ভাবনা। সেই উদ্দেশ্যেই আয়নাগুলো রাখা হয়েছে।
    আয়না আয়না করছি বলে মনে হচ্ছে যে হাতে ধরা আয়না বা আমাদের রোজ দেখতে পাওয়া ড্রেসিং টেবিলের বড় আয়নার মত যেমন হয়, তেমনি বুঝি ! তা কিন্তু মোটেই না। ছবি দেখলে বোঝা যাবে তা। আশেপাশে কর্মরত মানুষজন কেমন যেন পুতুল পুতুল মত। (এক এক খানা আয়নার সাইজ হল ৫৩৮ বর্গফুটের মত। মানে দৈর্ঘ্য-প্রস্থ মনে হয় ৩৩ ফুট x১৬.৫ ফুট এর মত (প্রায়)। এমন মাপের হলেই মানায়!)।
    পাশাপাশি রাখা তিনখানা আয়না মিলে একখানা বিশাল আয়নার চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে পাহাড়ের মাথায়! ওপরের হিসেব মত তিনটে আয়না মিলে সাইজ হল প্রায় ৫০x৩৩ বর্গ ফুট । সেটাও দেখার মত।
    আয়নাগুলোকে কিন্তু সব সময় সূর্যের অবস্থান অনুসারে নির্দিষ্ট দিকে মুখ করে থাকতে হবে যাতে সূর্য অবস্থান পাল্টালেও প্রতিফলিত আলো টাউনহল চত্বরে এক জায়গাতেই পড়ে, মানে আয়নারও অবস্থান পাল্টাতে হবে। সূর্য’ ত কোন সময় স্থির নয়, সদাই চলমান। তাই সে যখন ক্রমাগত পশ্চিম দিকে এগোয়, প্রতিফলিত আলোও টাউনহল চত্বরে এক জায়গায় স্থির থাকবে না। সেই কারনে আয়নাগুলো ‘সূর্যমুখী’। কিন্তু অতবড় আয়নাকে সরাবে কে!
    কে আবার, বিদ্যুৎ-ই ত’ রয়েছে। ঐ আয়নার সাথেই রয়েছে বিশাল সোলার প্যানেল, যা তৈরী করবে সৌরবিদ্যুৎ। এই বিদ্যুৎ আয়নাগুলোকে প্রয়োজনমত ঘোরাবে ত’ বটেই, সেগুলোকে পরিষ্কারও করবে।
    নেট ঘাঁটা ঘাঁটি করতে গিয়ে দেখছি এর আগেও তৈরী হয়েছে এমন আয়না,ইতালিতে ২০০৬-এ। প্রায় একই কেস আর কি। জায়গাটার নাম হল Viganella ( বাংলা উচ্চারন করতে পারছি না)। সেই থেকে এখনও সাপ্লাই করে যাচ্ছে সুর্যের আলো। এখানে আয়নার সংখ্যা হল ১৪ আর সে গুলো ষ্টীলের তৈরী! না, উল্টোপাল্টা বলিনি, ওগুলো সত্যিই ধাতব আয়না। কিন্তু ধাতুর আয়না ত আবার অন্য গল্প, পরে না হয় কোন সময় বলা যাবে।
    কিন্তু এত কায়দা, এত খরচ করে আয়না তৈরী করা কেন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে না ? একটা ত শীতকালে রোদ উপভোগের ব্যাপার রয়েছেই, এর সাথে রয়েছে অন্য একটা কারন, আর সেটাই আসল।
    কয়েকমাস রোদ না পেলে ওখানকার মানুষজন SAD-Seasonal affective disorder নামের একটা বিটকেল অসুখে ভোগে। তাদের সুস্থ রাখার জন্য বিপুল খরচের এই সরকারি প্রচেষ্টা!
    বুঝুন ব্যাপারটা!

     
  • ক্যাপাচিনো 10:57 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    বিশ্বরূপম 

    আজকাল হলিউডি সিনেমা দেখে ভারতীয়দের একটা লাভ হয়েছে। হঠাত হঠাত করে সিনেমায় দুনিয়ার অন্যান্য দেশ ও তার কূটনীতি চলে আসছে। একটা নতুন সিনেমা দেখলাম – বিশ্বরূপম, সেই প্রসঙ্গে বলছি। এখানে নায়ক একজন র'(রিসার্চ ও অ্যানালিসিস উইং) এজেন্ট, যিনি কিনা আফগানিস্তানে বিরাট ভূমিকা নেন আমেরিকান আক্রমনের সময়, তারপর আমেরিকায় একটি পরমানু আক্রমনকে বিফল করেন।

    কমল হাসানের এই ছবিটা বলতে গেলে আমার ভালোই লেগেছে – বিশেষ করে ফ্ল্যাশব্যাকে আফগানিস্তানের দৃশ্য, চরিত্রায়ন বেশ জমাট। আর সবচেয়ে বড় কথা বিশ্বাসযোগ্যও। পরে আমেরিকার অংশে কিছু ভুলচুক আছে (নায়িকা কাকে বিয়ে করলেন গ্রিনকার্ডের জন্য, যাকে কিনা ঠিক করে চেনেনই না, বসের সাথে তাঁর পরকীয়া রোম্যান্স, ছদ্মবেশে র’ এজেন্ট কমল হাসানের মেয়েলি স্বভাবের পুরুষ হওয়া – এসব ঠিক জমেনি)। তবে হ্যাঁ গল্পের কয়েকটি জায়গা – যেমন কি করে একটি উন্নত দেশে পরমানু বোমা তৈরি হল, কি করে সবার নজর এড়ান গেল – আর সেখানে গাইগার কাউন্টারকে বোকা বানাতে পায়রার পায়ে রেডিও অ্যাকটিভ পদার্থ বেঁধে শহরের চারপাশে উড়িয়া দেওয়া – এই বিষয়গুলো বেশ অভিনব। ভিলেনের চরিত্রে রাহুল বোসের অভিনয় নজর কাড়ার মতই।

    কদিন আগে অনেকটা একই রকম সিনেমা দেখেছিলাম – এজেন্ট বিনোদ। সে যত না সিনেমা – সার্কাস তার চেয়ে বেশি। তবে ভারতীয় সিনেমায় এই সবে সবে নায়কেরা সর্বশক্তিমান আন্তর্জাতিক এজেন্ট হচ্ছেন কিনা, তা প্রথম প্রথম একটু ভুলচুক তো হবেই। কি বলেন আপনারা? কদিন বাদে আবার না দেব, জিৎ কে না দেখি। সেটা অবশ্য হজম করা মুশকিল হবে।

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel