Updates from February, 2014 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ভাঁড়ের চা 1:51 pm on February 28, 2014 Permalink | Reply
    Tags: গাভাসকার, শচিন   

    আনসাং হিরো ? 

    শচিন তেন্ডুলকার অবসর নেবার পর, সম্মান জানাতে গোটা দেশ ত ঝাঁপালোই, সরকারও ‘ভারতরত্ন’, সাংসদপদ দিয়ে সে কাজের অংশিদার হলেন। কিচ্ছু বলার নেই। যোগ্য মানুষকে যোগ্য সম্মানই দেওয়া হয়েছে।
    তবে এসব করার সময় অন্তত আরও একজন মানুষ অন্তত উল্লেখিত হতে পারতেন। তিনি নিঃসন্দেহে সুনীল গাভাসকার।
    কিছু সময় বাদ দিলে গাভাসকার খেলেছেন খুব কঠিন সময়ে। অবশ্য, তখনকার দিনে সবাই-ই কঠিন অবস্থাতেই খেলতেন।
    এখন ব্যাটসম্যানদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত এমন পোষাক-আষাক পরানো হয়, দেখে মনে হয় যেন যুদ্ধ করতে পাঠানো হচ্ছে। পাছে তীব্রগতির বল খেলোয়াড়দের জখম করে ফেলে, তাই সর্ব অঙ্গ, মানে মাথা থেকে পা, বর্ম আঁটা! গাভাসকারের সময় এক অ্যাবডোমেন গার্ড ছাড়া আর কিছু থাকত বলে মনে হয় না। তবে পানামা টুপি কোন সময় খুলে ফেললে একটা আধা হেলমেটের (এখনকার মত পুরো নয়) মত কিছু নজরে পড়ত! ব্যস।
    ক্লাইভ লয়েডের ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলে সে সময়ে খেলতেন জনাপাঁচেক পেসার, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে জনা চারেককে খেলাতেন তিনি, কোন স্পিনার নেবার দরকার বোধ করতেন না, প্রয়োজন হলে তিনি নিজে সামাল দিতেন। সমীহ আদায় করা নাম সে সব পেসারদের–ম্যালকম মার্শাল, অ্যান্ডি রবার্টস, জোয়েল গার্নার, মাইকেল হোল্ডিং, কার্টলি অ্যামোব্রোজ। আরও কেউ কেউ ছিলেন। সবার নাম মনে নেই। অষ্ট্রেলিয়া দলে সে সময় ছিলেন ডেনিস লিলি আর টমসনের মত বোলার। ইংল্যান্ড দলে সে সময় কারা খেলতেন সেটা মনে করতে পারছি না, ক্রিস ওল্ড বা বব উইলিস হলেও হতে পারেন। পাকিস্তানের ছিলেন ইমরান, ইউনুস, আক্রামেরা। মানে, বিশ্বের সর্বকালের সেরা পেস বোলার সব! আধুনিক খেলোয়াড়দের নাম মনে রেখেও বলা যায়, এমন খেলোয়াড় আজকাল প্রায় অপ্রতুল! শচিন পাকিস্তানি খেলোয়াড়, শেষ দিকে গ্লেন ম্যাকগ্রা, ব্রেট লি, আর ওয়েষ্ট ইন্ডিজের ওয়ালশ ছাড়া আর বিশেষ শক্ত বোলারের মোকাবিলা করেন নি বলেই মনে হয়। আর বিশেষ কারও কথা মনে পড়ছে না। থাকলে পাঠক মনে করালে উপকৃত হব।
    মার্শাল স্বাভাবিক চেহারার হলেও ওঁর দৌড় ছিল দেখার মত, আমার ত মনে হয় অলিম্পিকে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে অংশ নিলে অনেকেরই শংকার কারন হতে পারতেন, তার ওপর ছিল ভয়ংকর পেস বোলিং। ভয়ংকর চেহারা ছিল গার্নার আর অ্যামব্রোজের, সাত ফুটের কাছাকাছি উচ্চতার খেলোয়াড়রা দৌড়ে এসে যখন বল করতেন তখন দু’তিন গজের সুবিধা পেয়েই যেতেন, যেটা অন্য বোলারেরা পেতেন না।
    কোন গার্ড না নিয়ে এঁদের সামনা সামনি হতে বুকের পাটার প্রয়োজন হয়, যেটা গাভাসকারের অবশ্যই ছিল, তেন্ডুলকারের ক্ষেত্রে সেটা প্রমানিত হয়েছে বলে মনে হয় না। হলেও গাভাসকারের মত করে হয় নি।
    তবে গাভাসকারের সময় একটা ঘটনা ঘটেছিল। সেটা ছিল কেরি প্যাকারের ‘সার্কাস’! সেই সময় ভারত ছাড়া বিশ্বের অন্য ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের সব শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়দের প্যাকার সাহেব যাকে বলে কিনে নেওয়া, প্রায় তাই-ই নিয়ে ছিলেন! ফলে ভাল ভাল বোলাররা টাকার পাহাড়ে চেপে টেষ্ট খেলা ছেড়ে দেন কয়েক বছরের জন্য। সেই সময় গাভাসকার বেশ কয়েকটা শতরান করে ফেলেন।
    সম্ভবত, ১৯৯৬ এর বিশ্বকাপের সময় থেকেই একটা ধারনা চালু হয়েছিল যে “স্লগ ওভার” হল শুরুর প্রথম ১৫ ওভার আর শেষের ১০ ওভার। এর আগে কেবলমাত্র শেষেরটার কথাই ভাবা হত। আর যেহেতু গাভাসকার ওপেনিং ব্যাটসম্যান ছিলেন তাই তিনি টেষ্টের মত ধরে খেলতেন, কখনও পিটিয়ে খেলেননি। শুনতে অবাক লাগবে একথা ভেবে যে, মোট ১০৮টি খেলে তিনি মাত্র ১টি শতরান করেন, তাও দলের প্রয়োজনে অধিনায়ক কপিল দেবের আগ্রহাতিশয্যে! কপিল বাধ্য না করলে সেটাও হত কিনা সন্দেহ!
    এছাড়াও আর একটা অবাক করা ব্যাপার আছে। আগে প্রতি দল ৬০ওভার করে খেলত, এখনকার মত ৫০ নয়। গাভাসকার একটা খেলায় পুরো ষাট ওভার খেলে নট আউট থেকে যান, রান করেন মাত্র ৩৬ । যা একদমই হাস্যকর। এখনকার আবহে এই সময়ে হয়ত হয়ে যেতে পারত ব্যক্তিগত ২৫০ রান ! হয়ত বা তারও বেশী।
    ওপরের বিষয়টা বাদ দিলে বাকি সব বিষয়ে কিন্তু গাভাসকার, শচিনের থেকে বিশেষ পেছনে থাকবেন না! পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যাবে একথা।
    একটু তুলনা করি। শচিন খেলেছেন ২০০ টেষ্ট আর শতরান করেছেন ৫১ টি। সাফল্যের হার শতকরা ২৫.৫ এর মত। আর একদিনের খেলায় তিনি ৪৬৩ খেলায় ৪৯টি শতরান করেন, সাফল্যের হার শতকরা ১০.৫ ।
    এবার গাভাসকারেরটা দেখা যাক। তিনি ১২৫ ম্যাচে ৩৪ টি শতরান করেন যাতে সাফল্য শতকরা ২৭ এর সামান্য বেশী। ২০০ ম্যাচ খেললে শচিনকে ধরে ফেলা একেবারে অসম্ভব ছিল না। একদিনের খেলায় অবশ্য এ তুলনা আসেই না। ১০৮ ম্যাচে মাত্র একটা শতরান। এতে শতকরা হার একেরও কম। তবে এ সময়ের খেলোয়াড় হলে তাঁর এই হার নিশ্চয়ই থাকত না, অন্যদের মত তাঁরও হার বেড়ে যেত নিশ্চয়ই। এমন খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে একথা বলা যেতেই পারে। তবে কি হলে কি হত সেটা কোন কাজের কথা নয়। যা হয়েছে তা-ই মনে রেখে তাঁর কৃতিত্বের স্বীকৃতি অবশ্যই প্রাপ্য ছিল।
    তবে শচিনের আন্তর্জাতিক আঙ্গিনায় ১০০ টি শতরান অবশ্যই অতুলনীয়। আর কেউ আদৌ পারবেন কিনা এখনই বলা যাচ্ছে না।
    শচিন বন্দনায় গাভাসকারকে একেবারে ভুলে গেলে একটা অবিচার হয়ে যেতে পারে!

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:44 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply

      গাভাসকারের ঐ ৬০ ওভারে নট আউটের পরিসংখ্যানটা আমি অনেক দিন আগেই শুনেছি। অবিশ্বাস্যই মনে হত। হ্যাঁ, আজকাল ক্রিকেটারদের মত সুবিধে থাকলে হয়তো উনি আরও অনেক ভালোই করতেন। শচীনকে নিয়ে এই এত নাচানাচি যে কিসের সত্যি বলতে কি আমি কখনই সেরকম বুঝিনি। একটা লোক দিনের পর দিন টিমের জায়গা এইজন্য জুড়ে রেখেছে যে সে একটা ভয়ঙ্কর রেকর্ড করবে – কি জানি বাবা, আমার তো মনে হয় এটা আমাদের দেশ বলেই সম্ভব।

      আমাদের দেশে নিয়ম ব্যাপারটা এতটাই শীথিল যে এটা হওয়াই স্বাভাবিক। অস্ট্রেলিয়া হলে হত কি?

  • ক্যাফে লাতে 6:48 am on February 26, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    হেল্‌থ্‌ পয়েন্ট 

    গতকাল সন্ধ্যায় বাজারে গেছিলাম। ফেরার পথে একটা গলিতে একটা দোকানের সামনে দেখলাম বেজায় ভীড়। দোকানের নাম “হেলথ পয়েন্ট” -বেশ বড় বড় করে লেখা, তাই দূর থেকেই, বিশেষ চেষ্টা না করেই দেখা যাচ্ছে। একটু অবাকই হলাম- ওষুধের দোকানের সামনে এত ভীড় কেন? কেউ মূর্ছা গেছে? কোন দূরারোগ্য অসুখের ওষুধ হঠাৎ করে বাজারে এসেছে? হঠাৎ কি কোথাও খুব বেশি করে কোন অসুখ হচ্ছে? পক্স? আমার সঙ্গে যে বন্ধু ছিলেন তিনি আবার একটু পরোপকারী গোছের। কেউ বিপদে পড়েছে খবর পেলেই সাহায্য করতে ছোটেন। ওনার ধারণা হল- কিছু তো বিপদ হয়েছে, তাই লোকে দাঁড়িয়ে যত না সাহায্য করছে তার থেকে বেশি মজা দেখছে – যা অনেক সময়েই হয়ে থাকে…।

    তা, তিনি আদর্শ নাগরিক হয়ে হেলথ পয়েন্ট এর দিকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে পা বাড়ালেন। আমি পাতি নাগরিক হয়ে “ভীড় হয়েছে তো আমাদের কি…” বলে ব্যাজার মুখে দু-পা এগিয়ে ফুটপাথের ধারে অপেক্ষা করতে দাঁড়ালাম। আর তখন দোকানের মাথার মুকুটের দিকে ভাল করে চোখ পড়ল। দেখলাম- বড় বড় করে হেল্‌থ পয়েন্ট লেখার নিচে ছোট করে লেখা আছে F.L. SHOP !!

    হায়রে স্বাস্থ্য! ওষুধের দোকানই বটে!!

     
  • ক্যাপাচিনো 6:23 pm on February 24, 2014 Permalink | Reply  

    একজন পছন্দের মানুষ চলে গেলেন। মন ভালো নেই। পরিবারের কেউ নন, আত্মীয় বন্ধু বান্ধব ও না – ছিলেন আমাদের এক বর্ষীয়ান ড্রাইভার। আমার সাথে অনেক কথা হত। খুব ভালো লাগত কাকুকে। মুসলিম ছিলেন – সেরকম শিক্ষাদীক্ষা না থাকলেও অনেক বিষয়ে কথা বলতে – আর আমার বেশ ভালো লাগত। সুস্থ সবল সেই মানুষটা – যিনি পান খেতে খেতে আমাদের বাড়ি আসতেন একটা ছোট্ট সাইকেল চড়ে – তাঁকে আর কোনদিন দেখব না। কেন এত খারাপ লাগছে জানি না।

     
    • ভাঁড়ের চা 12:57 pm on February 25, 2014 Permalink | Reply

      ভদ্রলোক কে ? আমার জানাচেনা ? পাটুলি না অন্য কোন জায়গার ?

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:29 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply

        ওনার বাড়ি আসলে অযোধ্যায়। থাকতেন আমাদের বাড়ির কাছেই – শ্যামনগরে। বেলঘড়িয়ার দিকে একটি ফ্যাক্টরিতে চাকরি করতেন ক্রেন চালান’র। সেই কোম্পানি এক সময় বন্ধ হয়ে যায়। তখন আমাদের বাড়িতে কাজ করতেন গাড়ি চালান’র – আমি স্কুলে পড়তাম। আমাকে অনেক কথা বলতেন। আমি খুব ভক্ত ছিলাম মুনশি কাকুর। উনি তো পড়াশুনো বিশেষ জানতেন না। কি করে কথাগুলো চিন্তা করেছিলেন – এটা আমি এখনও ভাবি।

        মানুষটা খুব শক্তপোক্ত ছিলেন – পরে ফ্যাক্টরিটা চালু হয়ে যাওয়ায় আবার সেই কাজে ঢোকেন – অনেক পরিশ্রম করে ছেলেদের দাঁড় করিয়েছেন। সুস্থ সবল মানুষটা হঠাত করে চলে যাবেন ভাবতে পারছি না। ওনাকে নিয়ে আমি কিছু কিছু লেখা লিখেছি।

    • ক্যাফে লাতে 7:19 am on February 26, 2014 Permalink | Reply

      গত নভেম্বর মাস থেকে পাঁচটি মৃত্যুসংবাদ পেয়েছি। তার মধ্যে চারজন আত্মীয়, একজন অনাত্মীয়। আত্মীয়দের মধ্যে তিনটি মৃত্যুসংবাদের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম- যেকোনদিনই খবর আসতে পারে। একটির জন্য একবিন্দুও প্রস্তুত ছিলাম না। শেষ যে খবরটি পেয়েছি দিন দশেক আগে, তিনি অনাত্মীয়। কিন্তু তাঁকে যেন খুব বেশি করে চিনতাম। কোনদিনও মুখোমুখি হইনি, কথা বলিনি ছবি দেখালে চিনতে পারব না। তিনি আমার ভাইয়ের প্রিয় শিক্ষকের শিক্ষক। তাঁর নাম ডঃ সোমনাথ জুৎশি। দেশের সমাজ-সংস্কৃতি-সাহিত্য-সিনেমা নিয়ে পড়াশোনা করা বিশিষ্ট চিন্তাবিদদের মধ্যে একজন ছিলেন তিনি। তাঁর বাড়িতে নাকি ১৪,০০০ বই আছে। এবং সম্ভবতঃ ততগুলিই ফিল্মের সিডি-ডিভিডি। কঠিণ দর্শন থেকে পাল্প ফিকশন- সব বই পড়তেন তিনি। আমার ভাই মাঝে মাঝেই যেত পড়াশোনা নিয়ে আলোচনা করতে। আমি এক-দুইবার খাবার রান্না করে পাঠিয়েছি। শুনেছি, খুব তৃপ্তি করে খেয়েছিলেন। ভাইকে বলেছিলেন, এর পরে একদিন আমাদের বাড়ি আসবেন আবার খেতে। কিছুদিন আগে শুনলাম, উনি নাকি অমিশ প্যাটেলের “শিভা ট্রিলজি” পড়ছেন। তখন বললাম, তাহলে এবার একদিন সাহস করে দেখা করতে যাব- এই ট্রিলজি আমিও পড়েছি, উনি কি বলেন শুনে আসা যাক। তারপরে যা হয়…আজ যাব, কাল যাচ্ছি, পরশু অনেক কাজ…করতে করতে যাওয়া আর হয়ে ওঠেনি। তারপরে এক বৃষ্টিঝরা রবিবারে সকালে খবর পেলাম, আগের দিন রাতে, কোন এক সময়ে, একা একাই সবকিছু ছেড়ে অমৃতলোকের পথে পাড়ি দিয়েছেন তিনি। ঠিক যেমন ভাবে দুই মাস আগে আমার বড়মামা একদিন বিকেলে একা একা চলে গেছিলেন কাউকে না জানিয়ে।

      তোমার খারাপ লাগাটা ঠিক কেমন, সেটা আমি জানি।

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:35 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply

        আমার মন খারাপের কারনটা হচ্ছে এটাই যে হঠাতই শুনলাম মানুষটাকে আর দেখতে পাব না – ছোটবেলায় কারও প্রতি একটা জায়গা তৈরি হলে সেটা অন্যরকমভাবে থেকে যায়। এই নিয়ে কিছু লিখব কফিহাউজে।

  • ভাঁড়ের চা 2:52 pm on February 19, 2014 Permalink | Reply  

    —— লঘুক্রিয়া(২)। 

    ধোনি- বাহিনীর ‘ফুসফাস’ ব্যাপারটা আবার প্রমানিত হল। আগে একদিনের খেলা ছিল, পাঁচ ম্যাচের চারটেতেই গাড্ডু, আর এবার দু’ম্যাচের টেষ্ট-এ ১-০, সেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেই। এই দল কিন্তু মোটেই কিছু আহামরি দল নয়, বিশ্ব র‌্যাংকিং-এ শেষের দিকের দল। আর আমাদের দল থাকে প্রথম দিকেই। সেই জয়ী দলের ক্যাপ্টেন তিনশ’ রান করে ফেলল। এমনই বলের ধার! বোলাররা আমাদের ক্যাপ্টেনেরই রিক্রুট !
    দাদা কিন্তু পাকিস্তানে আর অষ্ট্রেলিয়ায় রীতিমত দাদাগিরি করে এসেছিল। আর ইংল্যান্ডে ? সেখানকার কথা ওরা বা আমরা কেউই ভুলতে পারব কি কোন দিন ? ক্রিকেটবিশ্ব সেই একবারই লর্ডসের ব্যালকনিতে জামা উড়তে দেখেছিল! অকল্পনীয় ঘটনা! আমার ২৬ ইঞ্চি ছাতি এক সেকেন্ডে ৪২ হয়ে গিয়েছিল! আমাদের যা হাল তাতে আর কখনও সে জিনিষ হবে? আর হবে না! হ্যাঁ, হলফ করেই বলা যায়!
    ‘দাদা’, দাদাই!

     
    • ক্যাফে ক্যাপাচিনো 6:01 pm on February 24, 2014 Permalink | Reply

      কি জানি – আমার ধোনির খেলা বা ক্যাপ্টেনসি কোনদিনও সেরকম ভালো লাগেনি। দেশের হাত এতটা বেহাল হল এটা খারাপ লাগছে।

  • ক্যাপাচিনো 1:31 am on February 17, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ধুম-৩, , হিন্দি সিনেমা   

    ব্লক বাস্টার – ২০১৩ 

    এই পোস্টটা না লিখলেও হত। মানে কিচ্ছু এসে যে তো না। দুটো সিনেমার গপ্পো – যা কিনা অনেকদিন হল বেরিয়েছে। এদ্দিনে যাদের দেখার তারা দেখে ফেলেছে। যাদের টাকা-পয়সার প্রশ্ন ছিল তাদের কাজ মিটে গেছে। আমার ধারনা আজকাল কোন সিনেমা দিনের পর দিন চলার প্রয়োজন হয় না – প্রথম দু-তিন সপ্তাহেই কাজ মিটে যায়, আর এর জন্য দায়ী মাল্টিপ্লেক্সে টিকিটের দাম, যা মনে হয় না কোন নিয়মের তোয়াক্কা করে। তোমার পয়সা থাকলে তুমি দেখ, না হোলে দেখো না। হুজুগে সব্বাই সামিল। আর বাকিটা তো ইতিহাস।

    দেশে থাকলে হয়তো আমিও এর ব্যতিক্রম ছিলাম না – কিন্তু দেশের বাইরে থাকায় এই দুটি সিনেমা অনলাইন দেখেছি অনেক দিন বাদে। ক্রিশ-৩, ধুম-৩। ধুমের সাথে আমার একটা আত্মিক যোগাযোগ আছে। আমি চাকরি পাওয়ার পর প্রথম নিজের টাকায় টিকিট কেটে যে সিনেমাটি দেখি তা হল ধুম। সেই থেকে দশ বছর কেটে গেল। এসিপি এখনও এসিপিই আছেন। সিনেমায় চুরি হয়ে যাওয়ার পরে ডাকসাইটে ডিটেকটিভ এসে বলেন আমার মনে হচ্ছে এর পেছনে আছে চোর। অনেকটা সেই সোনি টিভিতে সিআইডি সিরিয়ালে যেরকম এসিপি একটি মোবাইল হাতে তুলে নিয়ে বলেন – আরে দয়া, ইয়ে তো ফোন হ্যায়, অনেকটা সেই রকম। যাই হোক, দশতলা বাড়ির ছাত থেকে বার বার দেখা যায় টাকা উড়ছে। চুরি কি করে হল, তা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য নেই। তাও ঠিক ছিল – এক কালে ডনে যেরকম টাইট রোপ ওয়াক দেখা গেছিল, এখন সেরকম টাইট রোপ বাইকিং দেখা যায়। প্রথম সারির হিরোয়িনকে স্ট্রিপটিজ করতে দেখা যায় – এগুলোই তো ২০১৩ র পাওনা। নিন্দুকে নাকি বলে ঐ যে ক্রিস্টোফার নোলানের প্রেস্টিজ নামের কি একটা সিনেমা ছিল, যার থেকে আইডিয়াটা ঝাপা – আরে দুর মশাই, প্রেস্টিজ নকল করলে চলে? চৌখশ দর্শকদেরও প্রেস্টিজ পকেটে পুরে সিনেমাটা দুবার দেখতে হয়। না না – ধুম এক্কেবারে আদ্যোপান্ত ভারতীয়।

    কৃশ – ৩ কি করে ৩ নম্বর হল সেটা আমরা অনেকেই বুঝিনি – আগের সিনেমাটির নামই তো কৃশ ছিল? যাই হোক, সব দেখে শুনে বুঝেছি, জটায়ুর মত মুখে আঙুল দিয়ে – না না কোন প্রশ্ন নয় বলাটাই শ্রেয়। কল্পবিজ্ঞানের হাত ধরে ভারতীয় সিনেমার শুরুটা ভালোই হয়েছিল। বিজ্ঞানের মধ্যে যাচ্ছি না – আমার প্রশ্নটা অন্য যায়গায় – কল্পবিজ্ঞান ভাবতে গেলে কি এক্স মেন সিরিজটার খুব দরকার ছিল? হিন্দি সিনেমা কোনদিনই মৌলিকতার দাবি রাখেনি। যে সিনেমার শুরু ইটির হাত ধরে, তার কাছে বেশি আশা করার দরকারটাই মনে হয় ছিল না। এই সিনেমার গল্প লিখতে নাকি পাঁচ বছর ধরে রাকেশ রোশন চিন্তা করেছেন। আমি বুঝেছি কেন – টাকে চুল নেই তো? ছিঁড়বেন কি? তাই গল্পটা লিখতে এত দেরী।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:36 pm on February 19, 2014 Permalink | Reply

      ছবিগুলো আমার দেখা হয় নি। টিভিতে না দিলে দেখা হয় না (আজকাল অবশ্য এভাবেও দেখা হয়ে ওঠে না নানা কারনে), তাই ছবি সম্পর্কে কোন কথা বলতেই পারব না, তবে কৃশ কি করে ৩ নং হল এটা আমিও অনেক সময় ধরে ভেবেছিলাম তখন। তাহলে আগে কি আমার অজান্তে আর দুটো হয়ে গেছে ? ভেবেছিলাম হবেওবা, আমাকে যে সবই জানতে হবে এমন দিব্যি কে দিয়েছে ?

      • ক্যাফে ক্যাপাচিনো 6:32 pm on February 24, 2014 Permalink | Reply

        কেশব নাগের অঙ্ক বইটা এই জন্যেই খুব দরকার – মানে যারা এইসব সংখ্যাতত্ত নিয়ে চর্চা করেন আর কি।

  • ভাঁড়ের চা 1:22 pm on February 9, 2014 Permalink | Reply  

    “পৌষ-পার্বন” 

    নানা ঘটনার ঘনঘটায় অনেক ধরনের পোষ্ট দেওয়ার থাকলেও হয়ে উঠছে না।
    কয়েকদিন আগেই গেল পৌষ-পার্বন। ফেস বুকে দেখলাম কেউ উঠোন জুড়ে দেওয়া আলপনার ছবি দিয়েছে, ভারি সুন্দর হয়েছে। খুব ভাল লাগল।
    সেটা দেখে আমার মনে পড়ে গেল ছোটবেলার কথা, পুর্ববঙ্গে আমাদের বাড়ির কথা। পৌষ সংক্রান্তির আগের দিন-কে সেখানে বলা হত ‘গোবর আলপনা’র দিন, এর মানে টা অবশ্য জানতাম না। আজও জানি না।
    তা ঐ দিন সকালে দাদু কাঠ কয়লা দিয়ে বড় উঠোনটায় নানা ধরনের জীব-জন্তুর ছবি এঁকে দিতেন গোবর লেপা ঝকঝকে উঠোন ভরে। পরে দিদিমা বা অন্যেরা চালগুঁড়ো জলে গুলে, সেই সব ছবির ওপর বুলিয়ে দিতেন। (তখন আজকালকার মত আলপনা দেবার জন্য নানা ধরনের রং পাওয়া যেত না, চালগুঁড়ো দিয়ে সেটা করা হত)। শুকিয়ে গেলে দারুন সুন্দর সব ছবি হত! জ্যোৎস্না রাত হলে রাতে যা সুন্দর দেখাত কি বলব।
    এই সুন্দর জিনিষটার সৌন্দর্য আরও বেড়ে যেত আর একটা কারনে, সেটা হল মিষ্টি মিষ্টি নানাধরনের পিঠেপুলির গন্ধ! সে যে কি মজা ছিল তখন!
    পৌষ-পার্বন নিয়ে কবি ঈশ্বর গুপ্ত’র একটা কবিতা আছে, অনেকেই পড়েছেন। শুরুটা এ সম্ভবত এ রকম, ( বইটার অনেক খোঁজ করেছি কিন্তু পাই নি, পেলে সবটাই লিখতাম)–
    “ধনুর তনুর শেষ মকরের যোগ,
    সন্ধিক্ষণে তিন দিন মহাসুখ ভোগ।”
    * * * * *
    * * * * *
    * * * * *
    ” ——-যত সব বামা,
    কুটিছে তন্ডুল সুখে করি ধামা ধামা।
    শেষের লেখার মত চাল কোটা আমিও দেখেছি। আমাদের ঢেঁকিতে পাড়ার মহিলারা চাল কোটাতে আসতেন। এসব ব্যাপারগুলো এখন অলীক আর অবাস্তব। আর আমার দেখা পিঠে-পুলি করাটাও বোধ হয় (যদিও কোন কোন বাড়িতে এখনও হয়) সমান অবাস্তব!
    এমন ভাবার কারন বলি। সেদিন গড়িয়া বাজারের পাশ দিয়ে আসার সময় একটা দোকানে আমার প্রিয় ‘বাদাম চাক’ রাখা দেখে লোভ সামলাতে পারলাম না। কিনতে গিয়ে চোখে পড়ল শোকেসে রাখা পাটিসাপ্টা! বিক্রির জন্য রাখা ! এটাও প্রিয় আমার। কিন্তু দাম করতে ইচ্ছে হয় নি।
    ছোটবেলা থেকে বাড়িতে তৈরী পাটি সাপ্টা খেয়ে আসছি। প্রথমে দিদিমা, পরে মা আর এখন স্ত্রী, (এমনকি মাঝে মাঝে মেয়ে)—এঁদের তৈরী নানাধরনের পিঠে খাবার পর কিনে খেতেও আর ইচ্ছে হল না, বা লোভও হল না!
    আবাসনের বাসিন্দা এক অল্পবয়সি ‘মা’ তাঁর বছর দশেকের মেয়ের গুণপনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সে কি কি করতে পারে ফিরিস্তি দিচ্ছিলেন। সে সব হল পিজ্জা, ম্যাকারনি, পাস্তা ইত্যাদি! চিনা খাবারও পারে কিছু কিছু!
    ইচ্ছে হয়েছিল জিজ্ঞেস করতে যে সে বা তার মা পাটিস্পাপ্টা বানাতে পারে কিনা !
    সাহস হয় নি!!

     
    • Mustafa Abier 4:35 pm on May 14, 2014 Permalink | Reply

      Good writing

    • Nabil Uddin 6:00 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      Valoi likhechen 🙂

  • ভাঁড়ের চা 12:48 pm on February 6, 2014 Permalink | Reply  

    “ভারতরত্ন” শচিন। 

    সিদ্ধান্ত আগে হয়ে গেলেও আনুষ্ঠানিক ব্যাপারটা হল সবে মাত্র। তেন্ডুলকার ‘ভারতরত্ন’ হলেন। সম্ভবত এ সিদ্ধান্তে কারও কিছু বলার নেই, আর থাকবেও না কোন দিন।
    এর মাসতিনেক আগে শচীন তেন্ডুলকরকে নিয়ে হৈ হৈ পড়ে গেছিল! ছেলে-বুড়ো সবাই যত রকম সম্ভব ভাল ভাল বিশেষন প্রয়োগ করে যাচ্ছিলেন। তা যাবেনই। দেশের উৎকৃষ্টতম খেলোয়াড়ের এ সমস্ত প্রাপ্যই ছিল।
    সুনীল গাভাসকরও একজন খুব বড় খেলোয়াড়। তাঁরও ত তেন্ডুলকর সম্পর্কে বক্তব্য থাকতে পারে, এবং রেখেছেনও, আর এক যোগ্য খেলোয়াড় বিরাট কোহলি সম্পর্কে বলতে গিয়ে। গত ১/১১/১৩ তারিখের কাগজে দেখলাম।
    গাভাসকর মনে করেন, কোহলিই হল ভারতীয় ক্রিকেটে সচিন, দ্রাবিড়, লক্ষণের যোগ্য উত্তরাধিকারী। নিশ্চয়ই। কিন্ত এঁদের ক্যাপটেন, যোগ্যতায় এঁদের সাথে এক পংক্তিতে থাকা, একসাথে নামোল্লেখের দাবিদার, কোনও অংশে এঁদের থেকে সামান্যও কম’ত ননই বরং কোন কোন ক্ষেত্রে বেশী যে সৌরভ গাঙ্গুলী, তিনি নামোল্লেখের যোগ্য পর্যন্ত হলেন না! ভারতীয় ক্রিকেটে এই নামটা ভুলতে গেলেও যে অনেকদিন সাধনা করতে হবে, তা কি কেউ কেউ ভুলে যাচ্ছেন ? অতঃপরম্‌ কিম্‌ আশ্চর্যম্‌।
    মাননীয় গাভাসকর প্রদত্ত আরও একটা তথ্য জানাবার রয়েছে (এটা আমিও জানতাম, কিন্তু স্মৃতি দুর্বল বলে নিশ্চিত হতে পারছিলাম না, তাই আগে লিখতে সাহস করিনি)। গাভাসকরের উক্তি “—-আমার যত দুর মনে পড়ে,সচিন তাঁর প্রথম ওয়ান ডে সেঞ্চুরি পেয়েছিল ৮০-র কাছা কাছি ম্যাচ খেলার পর।—–“। সৌরভ এমন সুযোগ কখনও পেতেন ?
    কি মনে হয়!

     
    • ক্যাপাচিনো 10:29 am on February 7, 2014 Permalink | Reply

      ভারতীয় ক্রিকেটে লবি ব্যাপারটা যে কি সাংঘাতিক তা কি নতুন করে বলে বোঝানর অপেক্ষা থাকে? দ্রাবিড়কে নিয়ে এত নাচানাচি হয় – উনি প্রথম দিকে কেমন খেলতেন, কি ব্যাটিং অ্যাভারেজ ছিল একবার মনে করে দেখুন দেখি। তারপর দক্ষিন আফ্রিকার সেই সিরিজ যেখানে দ্রাবিড়কে উইকেট কিপার বানিয়ে রেখে দেওয়া। সে সব অনেকেই ভুলে গেছেন। ভুলে গেছেন কিভাবে কাম্বলি শচিনের হাত ধরে সুজোগ পেতেন, বা আজহার হাত ধরে হায়দ্রাবাদ লবি। তাই না?

  • ক্যাফে লাতে 3:50 am on February 4, 2014 Permalink | Reply
    Tags: সরস্বতী পুজো   

    সসসোতি / স্বরসতি / সরসতি/ পুজোর দিন যা যা করতে নেই আর করতে আছে… 

    যা যা করতে নেইঃ
    ১। বই-খাতার দিকে তাকাতে নেই, পরাসোনা করতে নেই। মা হেব্বি পাপ দেবে।
    ২। অঞ্জলি না দিয়ে টোপা বা নারকেলি, কোন কুল খেতে নেই।
    ৩। ভুলেও কোন লেখা পরে-টরে ফেললে মুস্‌কিল- মা সরসতি রেগে যাবে।
    ৪। তারাতারি বারি ফিরতে নেই, যত রাত তত ভাল।

    যা যা করতে আছেঃ
    ১। মেয়েদের হলুদ সারি পরতে হবে, ছেলেদের পাঞ্জাবি । চোকে সাংগ্লাস পরতে হবে, না হলে ঝারি করতে অসুবিদে।
    ২। মেয়েদের ঝিঙ্কু সাজতে হবে- একেবারে কোয়েল-কারিনা, আর ছেলেদের সব একদম দেব-সলমন।
    ৩।দুপুরে খিচুরি খেতে হবে। সেটা ইস্কুলে বা পারার ক্লাবে বা কোচিন সেন্টারে সবার সাতে বসে খেতে হবে। যারা বারিতে খিচুরি খায় এই দিনে, তাদের জিবন একদম বেরঙ্গিন।
    ৪।সাইকেল, বাইক, স্কুটার নিয়ে মেয়েদের স্কুলের সামনে ভির করতেই হবে। আজকের দিনে স-অ-ব মেয়ে পটতে রাজি। একবার বাইকের পেছনে চাপাতে পারলেই একেবারে হ্যাপি হ্যাপি দিন, লাইফ মেহেফিল।
    ৫। বিকেলে দুজনে মিলে সিনেমা, চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া বা বইমেলা, অবসসই যাওয়া উচিত।

    (হে মা সসসোতি / স্বরসতি / সরসতি, বানাম-টানাম অনেক ভুল হল, খমা করে দিও। আর এবারে যেন পাস-টাস করে যাই, না হলে মা বলেছে হেবি পেটাবে)

     
    • ক্যাপাচিনো 11:45 am on February 4, 2014 Permalink | Reply

      :kimpoi

  • ভাঁড়ের চা 1:23 pm on February 2, 2014 Permalink | Reply  

    “মা”-আছে ! থাকবে চিরকাল ! 

    না, ‘পরী’ নেই!! ওর মা-ও নেই বর্তমানে!! শুধু মা-ই বা কেন, গোটা ফ্যামিলিই হাওয়া!
    আর ‘ঝিলিক’ ? সে-ও যাই যাই করছে! হয়ত যাবে শিগগীরি!! ওর মা-ও যাবে!
    তবে যে-ই যাক ‘হুরী-হিড়িকে’র ত অভাব নেই! তাই আসবেও ওরা!
    আর ওরা থাকলে “মা” থাকতে বাধা কোথায় ? তাই সে-ও থাকবে অনন্তকাল। কেউ আসুক -যাক, তাতে “মা”-এর হেলদোল নেই, সে আসবেই আর থাকবেই!!

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel