Updates from January, 2014 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাফে লাতে 4:55 pm on January 12, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ফিল্ম সমালোচনা, হনুমান ডট কম   

    হনুমান ডট কমঃ রিভিউ আ লা ক্যাফে লাতে :) 

    হনুমান ডট কম দেখলাম। এইমাত্র। টিভিতে হল। গল্পটা পরিচালক মন্দ ফাঁদের নি, কিন্তু স্ক্রিন প্লে এবং চরিত্রায়ণ অত্যন্ত দুর্বল। মানে, গ্রামের স্কুল, সেখানে ফিজিক্স পড়ান যে শিক্ষক, তিনি আইনস্টাইনের ছবি গুগলে দেখে হাত তুলে নম নম করেন, ব্যাপারটা বেশ হাস্যকর। তাছাড়া, কৌশিক সেন, প্রসেঞ্জিন চ্যাটার্জি বা তাঁর স্ত্রীর ভূমিকার অভিনয় করা অভিনেত্রী- মৌসুমী, কাউকে গ্রাম্য মোটেও মনে হচ্ছিল না। যদিও মৌসুমী কে এক অত্যন্ত সাধারন গৃহবধূর চরিত্রে ভাল মানিয়েছে। আর ছবিটা ভয়ানক লম্বা- অকারণে। শেষের দিকে তো ধৈর্য্য রাখাই মুশকিল হচ্ছিল।
    নায়কের সম্পর্কে আর কি বলব!! ভদ্রলোক ডিরেক্টরদের ধরে ধরে নিজের জন্য অফবিট ফিল্ম বানানোর চেষ্টা করছেন, কিন্তু একটা কথা যে ওনাকে কেউ কখনো কেন বলেনা- যে উনি , প্রথম কথা, অভিনয়টা মোটেও সেরকম সাঙ্ঘাতিক কিছু পারেন না,আর দুই, ওনাকে ওই বখে যাওয়া হিরো “পোসেনজিত” হিসাবেই যাও বা চালানো যায়, অন্য কোন রোলেই মানায় না, যে লালন ফকিরই সাজুন বা অঞ্জনিপুত্র…যে অভিনেতা চরিত্র অনুযায়ী নিজের কথাবার্তার অ্যাক্সেন্ট পাল্টাতে পারেন না, গলার মডিউলেশন নেই, সে আর অভিনেতা কিসের মশাই?
    এইবার আসল কথায় আসিঃ
    ১। ছবির নাম হনুমান ডট কম কেন? -বুঝি নাই
    ২। হিরোর নাম অঞ্জনিপুত্র কেন? বাঙালিরা শিবের নামে, বিষ্ণুর নামে নিজের ছেলের নাম রাখে, হনুমানের নামে রাখে এরকম প্রায় দেখা বা শোনাই যায় না। যাইহোক, ধরে নিলাম নায়কের বাবা বা মা কেউ না কেউ হনুমান ভক্ত ছিলেন। বা নায়ক ও হনুমান ভক্ত, কারণফিল্মের শুরু, শেষ এবং মাঝে মধ্যেও হনুমান চালিসার অংশ শোনা গেছে। কিন্তু সারা ফিল্ম জুড়ে আর কোথাও কোন রেফারেন্স হনুমানের- এমন কি নায়কের ঘরে হনুমানের একটা ছবি পর্য্যন্ত নেই। পুরোটাই ওই হনুমানের মত “বুকের মধ্যেই” আর কি…
    ৩। যদিও কোথাও বলা হয়নি অঞ্জনিপুত্রের বউ শহুরে মেয়ে নয় (সে মেচেদার মেয়ে) , তাহলেও, তার বই তাকে “মন ” “মন” বলে ডাকলেই আমার প্রবল হাসি পাচ্ছিল। ব্যাপারটা একদমই মানাচ্ছিল না আর কি।
    ৩। স্ক্রিপ্ট বোধ হয় পরিচালক গৌরব পান্ডে নিজেই লিখেছেন, আর উনি মনে হয় বাংলাটা ঠিকঠাক জানেন না। প্রচন্ড হাসি পেল এবং বিরক্ত লাগল, প্রসেনজিত যখন ডাস্টবিন এর বাংলা বললেন “কুঁড়াদান” , আর নিজের বাংলাদেশ আশ্রয়দাতা বন্ধুকে বললেন “আমি হাত বাটিয়ে দেব” (মানে বলতে চেয়েছিলেন আমি হাতে হাতে কাজ করে সামলে দেব)। আইসল্যান্ডে গিয়ে বসিরহাটের বাঙালি ভাষার যা খিচুড়ি পাকাল, তা অসাধারণ।
    ৪। এই সূত্রেই বলতে হয়, বিমানবন্দর থেকে বেরিয়েই নায়ক এক বাঙালি বন্ধু পেলেন, এবং তাঁকে সেই সূদুর বিদেশে বাংলা বলতে শুনে এক ফোঁটাও অবাক হলেন না – এটা দেখে আমিই বেশ অবাক হয়ে গেছি। মনে হল যেন আইসল্যান্ড নয়, আছিপুর গেছে!!
    ছবি রিলিজ করার পরে যে ফিডব্যাকটা সব থেকে বেশি পেয়েছিলাম, সেটা হল যে প্রসেঞ্জিত আইসল্যান্ড গিয়ে শেষ -মেশ ভূত মেমসাহেবকে চুমু খেল। ! ছবি দেখে বুঝলাম, এটা বেশিরভাগ দর্শকেরই পোষায় নি আর কি! বাংলা ফিল্মে, প্রসেনজিত, একটা জলজ্যান্ত সাদাচামড়ার মহিলাকে হাতের কাছে পেয়ে শুধুমাত্র তাকে একটা চুমু খেয়েই ছেড়ে দিল, মাখোমাখো শয্যাদৃশ্য একটা অন্তত হলনা, সেটা একেবারেই বোধ হয় পোষায়নি কারোরই। তাই সব কিছু ছেড়ে ওই ফিডব্যাকটাই এসেছে সব থেকে বেশি। আমার কাছে, ওই একটা ছোট্ট প্রায় সাদা কালো চুম্বন মূহুর্তই, বোধ হয় এক ছবির এক মাত্র সুক্ষ্ম (subtle) দৃশ্য হওয়ার দাবী রাখে।

     
    • ক্যাপাচিনো 12:46 am on January 13, 2014 Permalink | Reply

      সিনেমাটা তো আর দেখা হয়নি – তবে ঐ পোসেনজিত ব্যাপারে এক্কেবারে একমত। উনি একটু নিজের সম্পর্কে বার খেয়ে (দোষ দিয়ে লাভ নেই চারপাশে লোক অনেক) এই একই কাজ বারবার করছেন। ঐ লাইনটা পড়ে হেসে কুটোপুটি খেলাম।

    • ক্যাপাচিনো 12:48 am on January 13, 2014 Permalink | Reply

      বাংলা কবিতায় যেমন আজকাল লিখে দিতে হয় ইহা কবিতা। তেমনি সিনেমার শুরুতে বা অন্ততঃ শেষে লিখে দেওয়া উচিত ছিল নামকরনটা আদপে কি থেকে হল – তাই না?

      • ভাঁড়ের চা 1:01 pm on January 16, 2014 Permalink | Reply

        অঞ্জনিপুত্র বোধ হয় অংকের শিক্ষক ছিলেন, ফিজিক্সের নয়। মানে আমি যেন তেমনই শুনলাম। তা হলেও আইনষ্টাইনের নাম অবশ্যই জানা উচিৎ ছিল।
        যে জিনিষটা কলকাতার স্টুডিওতেই করা যেত, তার জন্য আইসল্যাড যাবার দরকার কি হল কে জানে। স্টান্ট, নাকি !
        এর আগে ‘মনের মানুষ’ নিয়েও একই প্রশ্ন উঠেছিল মনে। কোথাও বলেওছিলাম একথা। ঐ ছবি করার জন্য বাংলা দেশে যাবার কি খুব দরকার ছিল ?

        • ক্যাফে লাতে 4:13 am on January 17, 2014 Permalink | Reply

          গুড কোশ্চেন। আই আন্সার গিভ।
          ব্যাপারটা হচ্ছে যে, আজকাল তো ওনাকে নিয়ে কেউ খুব একটা বিদেশে শুটিং করতে যায় না। দেব, জিত, মায় সোহম , হিরণ…এরা পর্যন্ত কারণে অকারণে সুইজারল্যান্ড, দুবাই, হং কং, প্যারিস, এথেন্স, হেন জায়গা বাকি নেই যেখানে গিয়ে নেচে কুঁদে আসছে না। ওদিকে দেব আবার সুপারহিরো হওয়ার চেষ্টায় সোজা সাউথ আফ্রিকা চলে গেল। আর উনি? সে কবে একবার সান ফ্রান্সিস্ককো(অপরাজিতা তুমি) বা ওই গোছের কোন জায়গা, আর তারপরে এই মিশর…তা ওনাকেও তো কিছু করে দেখাতে হবে? তাই যেখানে এর আগে কোন বাঙালি গিয়ে শুটিং করেনি, এই আইসল্যান্ড! – দর্শক কেও অপশন দেওয়া- সাউথ আফ্রিকা দেখবে, নাকি আইসল্যান্ড দেখবে? ভাগ্য ভাল যে উনি আবার কমলেশ্বরকে জোর করেন নি যে শঙ্করের চরিত্রটাও উনি করবেন, বা স্বর্গত ঋতুপর্ণ ঘোষ কেও আবদার করেন নি সত্যান্বেষী সাজবেন !!

          • ভাঁড়ের চা 1:56 pm on January 17, 2014 Permalink | Reply

            দেবের ছবির প্রয়োজনে আফ্রিকা যেতে হয়েছে। বাকিরা কেন গিয়েছিলেন সেটা বোঝা দায়। একবার ভাটিকান বা ভেনিস দেখিয়ে ছবির কি মোক্ষলাভ হয় কে জানে।

            • ক্যাফে লাতে 2:00 pm on January 17, 2014 Permalink

              স্বপ্ন স্বপ্ন…।স্বপ্ন বেচে খায় সিনেমা। ওটা বুড়োরা সবাই বোঝে না 🙂

            • ক্যাপাচিনো 11:15 pm on January 19, 2014 Permalink

              দিব্যি সিনেমা চলছিল – অপ্রয়োজনে বিলেত গিয়ে কি স্বপ্ন হয় কে জানে। তার মধ্যে পাসপোর্ট, ভিসা, ফরেক্স আসে না? বাস্তবিক যা চাপ – তাতে ঐ ব্যাপারটা স্বপ্নেও অধরা মনে হয় আমার।

          • ক্যাফে লাতে 4:03 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

            ক্যাপাচিনো, এই অ্যাদ্দিনে , তোমার কমেন্ট পড়ে আমি বুঝতে পারলাম ফিল্ম এর নাম কেন হনুমান ডট কম। হে বালক, ফিরে যাও সেই রামায়ণের যুগে। হনুমান সেই যুগ থেকেই ভিসা পাসপোর্ট, ফরেক্স ইত্যাদির ঝামেলাকে লবডঙ্কা দেখিয়ে (নাকি ল্যাজ? )ভারত -শ্রীলঙ্কা করেননি বার তিনেক? আর প্রথমবারেই রাবনের ইমিগ্রেশন অফিসার লঙ্কাদেবীকে মেরে-টেরে …আরো কি কি সব যেন করেছিলেন… এই ছবির হিরো-ও তো হনুমান (নামে), তাই তারও ওইসব ভিসা-পাসপোর্ট ওইসব লাগেনি (ওসব তোমার -আমার মত মিয়ার মর্টালদের জন্য) । প্রায় গেছোদাদা স্টাইলে বসিরহাট-ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল-আইসল্যান্ড- এই থিওরি মেনে পৌঁছে গেছে বরফের দেশে ।

            • ক্যাপাচিনো 7:08 pm on January 20, 2014 Permalink

              :mewek

    • মনিপর্ণা 4:06 am on January 20, 2014 Permalink | Reply

      ইয়ে মানে বলছিলাম কি…প্রণাম নেবেন । আমি কুড়ি মিনিটের বেশী দেখতে পারিনি সিনেমাটা 🙁 কী অসহ্য অত্যাচার ! মানুষ তো আমরা…নাকি 🙁

      • ক্যাপাচিনো 7:07 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

        :nohope

    • ক্যাফে লাতে 3:54 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

      কি বলছেন ভাই…এমন কথা বলতে আছে? হনুমান বলে কি মানুষ নয়?? আর সেইজন্যই তো মানুষ হিসাবে আমাদের হনুমান ডট কম দেখা উচিত …মানবিক কর্তব্য !!

    • স্মৃতিলেখা চক্রবর্ত্তী 5:26 am on February 18, 2015 Permalink | Reply

      আইসল্যান্ড-এই ফাঁদা সিনেমা, “দ্য সিক্রেট লাইফ অফ ওয়াল্টার মিট্টি” দেখলে ‘হনুমান.কম’-এর আইসল্যান্ড-এর দৃশ্যায়ন মোটেও ভাল্লাগবে না।

  • ক্যাফে লাতে 5:10 am on January 8, 2014 Permalink | Reply
    Tags: পরিবেশ,   

    পরিবেশ ইত্যাদি… 

    গতকাল এবং আজ , দুটো পরিবেশ সংক্রান্ত খবর পড়লাম। দুটোই বেশ অন্যরকম। তাই শেয়ার করছি। প্রথমটা একজন ভারতীয় প্রৌঢ়াকে নিয়ে। তাঁর নাম সালুমারাদা থিমাক্কা। কর্ণাটকের বাসিন্দা। তিনি একটা মহাসড়কের চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দুইপাশে ২৮৪ টি বট গাছ পুঁতে পরিবেশ বিদ্যার ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে গেছেন. আর সেটা করেছেন নিজের স্বামীর সাথে। তাঁদের বাড়ির আশেপাশে অনেক বট গাছ আছে। সেখান থেকে চারা তৈরি করে দুজনে মিলে রাস্তার দুই পাশে পুঁতে তাদের বড় করেছেন। পুরো খবর এইখানেঃ
    http://beingindian.quora.com/Saalumarada-Thimmakka-A-living-monument

    এটাকে বেশ আশাব্যঞ্জক খবর বলে যদি আনন্দিত হন, তাহলে বলি, আজকের খবরের কাগজে দেখলাম, শিকাগোতে নাকি এখন সাইবেরিয়ার থেকেও বেশি ঠাণ্ডা !! লোকে শিকাগোকে বলছে “চিলবেরিয়া”। সেখানে এখন তাপমাত্রা -৫২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কাছাকাছি!! বাবারে! আমার ভেবেই জমে যাওয়ার অবস্থা। এবং অনেকের মতে, এটাও কিন্তু গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ফল। বেশিরভাগ মানুষ ভাবছেন, উষ্ণায়নের ফলে দিকে দিকে গরম বাড়বে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরেই, শীতপ্রধান দেশগুলিতে যে ভয়ানকভাবে ঠাণ্ডা বেড়ে যাচ্ছে, সেটাও কি কেউ খেয়াল করছে?

    http://www.bbc.co.uk/news/world-us-canada-25638881 ছবিটা দেখ একবার সবাই।

     
    • ক্যাপাচিনো 12:12 am on January 9, 2014 Permalink | Reply

      প্রথম খবরটা অবশ্যই ভালো। যতটা প্রয়োজন ততটা নয়। তবু মন্দের ভালো।

      গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর এই ব্যাপারটা অনেকেই বলছেন। আমাকে ইংল্যান্ডের এক বাসিন্দা কদিন আগে বললেন যে ঋতু বৈচিত্র ব্যাপারটা অনেক কমে আসছে। এবছর তো অদ্ভূত ঝর বৃষ্টি চলল শীতকালে।

      • ক্যাফে লাতে 4:20 pm on January 9, 2014 Permalink | Reply

        আসলে আমেরিকাতে কোন কোন জায়গায় ওইরকম ঠাণ্ডা প্রতি বছরই পড়ে। এবার সেটা শিকাগোতেও পড়েছে বলে এত হই হই। ভারতের সংবাদ পত্রে প্রথম পাতার খবর। যাকগে, জানা গেছে ব্যাপারটার পোষাকি নাম পোলার ভর্টেক্স। সোজা বাংলা, উত্তর মেরু থেকে আসা হিম শীতল ঘূর্ণি ঝড়। আর তাতেই পৃথিবীর সবথেকে ক্ষমতাশালী দেশ একেবারে কুপোকাত।ওই একজন মহিলার কাছে সবাই কাবু-প্রকৃতিদেবী। তা সে পোলার ভর্টেক্স এর ফলে আমেরিকার ভড়কে যাওয়া জীবনের কিছু ছবির লিঙ্ক আছে এই পাতায়- বেশ ঘাবড়ে যাওয়ার মত পরিস্থিতি কিন্তু !!
        http://mashable.com/2014/01/07/polar-vortex-photos/

        • ক্যাপাচিনো 12:19 pm on January 12, 2014 Permalink | Reply

          বাপরে তার মানে গোটা লেক জমে গেছে? সাংঘাতিক ব্যাপার। আমার এখানে কালকে একটু বরফ পড়েছে। এই শীতে এই প্রথম। -১ নেমে গেছিল।

  • ক্যাফে লাতে 6:16 am on January 6, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, ফটোগ্রাফ   

    নতুন বছর সবে শুরু হল। পুরনো বছরকে এত সহজে তো ভোলা যায় না। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের এই লিঙ্কটা সবাই দেখ- গত ছব্রের সেরা ফটোগ্রাফগুলি রয়েছে এই পাতায়। প্রথম ছবিটার তুলনা নেই।

    http://travel.nationalgeographic.com/travel/best-of-travel-365/2013/

     
    • ক্যাপাচিনো 12:34 pm on January 6, 2014 Permalink | Reply

      উফফ – অসাধারন সব ছবি। এটা দেখে ভালো লাগছে যে আমার পরিচিত একটা ছবি আছে – চার্চগেট স্টেশন। এক কালে এই স্টেশনের কাছেই ছিল আমার অফিস। অনেক যাতায়াত করেছি। তবে শিয়ালদা স্টেশনেও একই রকম ছবি হত বলে আমার বিশ্বাস।

  • ভাঁড়ের চা 1:23 pm on January 4, 2014 Permalink | Reply  

    নববর্ষের হেডলাইন! 

    অন্যত্র একবার Happy New Year বলেও ধন্দে পড়ে গেছি। মাস আষ্টেক আগেই একবার “শুভ নববর্ষ” জানিয়ে ছিলাম কাউকে কাউকে, আবার তাদেরকে মাস চারেক পরে একবার জানাতে হবে সেই রেশ বজায় রাখতে। এর মাঝে আবার এখনও একবার জানালে কেমন যেন ঘেঁটে যাচ্ছে ব্যাপারটা, তাই না! তাই এখানে আবার ঐ কথাটা জানাতে একটু কেমন ইয়ে লাগছে, আবার ত সেই ঘাঁটাঘাঁটিই হয়ে যাবে!
    যাক গে। অনেকেই খেয়াল করেন নি একটা জিনিষ। কলকাতার এক বাংলা কাগজের গত ১লা জানুয়ারির সংস্করনের প্রথম পাতাটা দেখলে একটা বিষয় নজরে পড়বেই। প্রায় সব মূল খবরই মহিলাদের নিয়ে। সব নতুন প্রজন্মের মহিলা। এমন আর কখনও ইতিপূর্বে দেখেছি কি ? মনে ত পড়ে না!
    তিনটা মূল খবরের প্রধান হলেন কলকাতার ফুটবল মাঠের মহিলা রেফারি, যাঁর নাম কণিকা বর্মন! বড় দল ইষ্টবেঙ্গল- রেলওয়ে এফ সি ‘র খেলা দাপটের সাথে পরিচালনা করে মাঠে নতুন ইতিহাস গড়লেন। দ্বিতীয় জন হলেন খ্যাতনামা সাহিত্যিক নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়ের নাতনি, জয়ন্তিকা। গোয়ন্দা প্রবর শার্লক হোমসের রহস্যতত্বের খোঁজ খবর করা নিয়ে ‘হোমস সূত্রা’ নামে একখানা বই লিখেছেন যা সাড়া ফেলে দিয়েছে তথ্যাভিজ্ঞ মহলে। আর শেষ মহিলা হলেন শামিমা আনসারি, যিনি মোটর সাইকেলের পেছনে বসে গলার হার ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন! এঁর ওপর এখন স্বীকৃতি আর পুরষ্কারের বর্ষন চলছে, যা সর্বান্তকরনে সমর্থনযোগ্য।
    বছরের প্রথম দিনে এই তিন সেলিব্রিটি প্রাপ্তি বঙ্গজদের পক্ষে নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়।

     
    • Smritilekha Chakraborty 2:09 am on January 5, 2014 Permalink | Reply

      ১৪২০ হল ‘নববর্ষ’ আর ২০১৪ হল নতুন বছর।
      *শুভ নতুন বছর*

      • ভাঁড়ের চা 1:18 pm on January 5, 2014 Permalink | Reply

        ১৪২০ আর২০১৪ এর চক্করে এবছরটা নাহয় পার পাওয়া গেল নববর্ষ আর নতুন বছর বলে, ২০১৫ টা কি হবে ?

    • ক্যাপাচিনো 3:25 am on January 5, 2014 Permalink | Reply

      বাহ এ তো দারুন খবর। হোমস সূত্রা বইটি কি নিয়ে একটু বিষদে জানাবেন? আমি আবার শার্লক হোমসের সাঙ্ঘাতিক ফ্যান।

    • ভাঁড়ের চা 1:10 pm on January 6, 2014 Permalink | Reply

      বইটা হাতে না পেলে বিশদে কিছু বলা যাবে না। সেটা’র চাহিদা এত বেশী যে অন লাইন যাঁরা বিক্রি করেন তাঁদের ভাঁড়ারও নাকি খালি হয়ে গেছে, এমনকি লেখিকার বাবাও নাকি পান নি! যদি কোথাও পান ত পড়ে দেখতে পারেন।

  • ক্যাফে লাতে 5:48 am on January 2, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    আবার সে এসেছে ফিরিয়া…নতুন বছরে !! 

    হ্যাঁ, অনেকদিন হাওয়া হইয়া যাওয়ার পর, আবার আমি ফিরিয়া আসিয়াছি !! কেন হাওয়া হইয়াছিলাম, তাহার কোন একটি উত্তর না। কেন ফিরিয়া আসিলাম, তাহার কারণ একটাই- আড্ডা হইতে দূরে থাকিয়াও মন খালি আড্ডা আড্ডা করে…কেমন আছেন ভাই কফি মেকার, চাফি, ভাঁড়েরচা, ক্যাপাচিনো ? দেখাই যাইতেছে, আগেকার মতই, কুম্ভ এই এঁরাই কয়জন…বাকিরা তো বার্ষিকভাবে ধোঁওয়া !!
    যাহাই হউক, কুম্ভ, ধোঁওয়া ইত্যাদি সবাইকেই জানাইতেছি নতুন ইংরেজি বছরের শুভকামনা। সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন, ভাল মন্দ খান, টিভিতে নিউজ চ্যানেলের ঢপের খবর এবং মেগাসিরিয়াল- দুই-ই মন দিয়া উপভোগ করুন, পয়লা বৈশাখ , পঁচিশে বৈশাখ, জন্মাষ্টমী, রথযাত্রা, দুর্গাপুজা, ধন্তেরস এবং খ্রীস্টমাস উপলক্ষ্যে নতুন জামা, সোনার গয়না আর ডিজাইনার ঘড়ি বা ব্যাগ কিনুন; সময় এবং হাতে যথেষ্ট পয়সা থাকলে দীঘা-পুরি-দার্জিলিং-শান্তিনিকেতন-লামাহাটা-সিকিম-কন্যাকুমারি-সিঙ্গাপুর-হংকং-দুবাই-যথা ইচ্ছা তথা ঘুরিয়া আসুন। সেখানে গিয়া মোবাইলে ছবি তুলিয়া তৎক্ষণাৎ ফেবুতে আপলোড করুন; লোকজন তাতে লাইকালে আনন্দিত হউন, না লাইকালে গভীরভাবে ডিপ্রেস্‌ড্‌ হউন; যথেচ্ছ পরিমাণে পরনিন্দা পরচর্চা করুন, সরকার এবং বিরোধীপক্ষ- দুই দলকেই মনের সুখে গালাগাল দিন (ওই লিস্টে চাহিলে নিজের পছন্দের আরো কয়েকটা নাম লিখিয়া নিন ); বছরভর অম্বল-বুকজ্বালা-গ্যাস-পটি প্রবলেম-সর্দি-কাশি-গলা খুশখুশ-মাথাধরা লইয়া ব্যস্ত থাকুন; রান্নার গ্যাস-ইলিশ মাছ-সর্ষের তেল-পেট্রল-মদ-পেঁয়াজ-ট্যাক্সি- নাইটি-ছাতু-সিগারেট-মোবাইল বিল-ইন্টারনেট চার্জ ইত্যাদি প্রভৃতি সমস্ত কিছুর নিরন্তর দাম বাড়িয়া চলা লইয়া যুগপৎ বিরক্ত এবং হতাশ হউন…
    মোটকথা, গতবছর যাহা যাহা করিয়াছিলেন, তাহা তাহাই করিয়া চলুন। নতুন বছরে শুধু একটা জিনিষই নতুন- ওই তিনের বদলে চার লেখা অভ্যেস হতে দিন পনেরো সময় লাগিবে।

     
    • ক্যাপাচিনো 1:16 am on January 4, 2014 Permalink | Reply

      ঠিক কথা। আমিও আজকে লিখতে গিয়ে বেশ কয়েকবার ভুল করেছি দেখলাম

  • ক্যাপাচিনো 4:03 pm on January 1, 2014 Permalink | Reply
    Tags: নতুন বছর, , ২০১৪   

    নববর্ষে লন্ডন 

    লন্ডন শহরের নতুন বছরের শুরুটা ঠিক কেমন হয় আপনারা অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন, তাও নতুন করে বলি। টেমসের পাশে লন্ডন আই নামক বিশাল নাগরদোল্লাটি থেকে শুরু হয় বাজির বিস্ফোরন। দেখার জন্য অনেক মানুষ ভিড় করেন টেমস এর আসে পাশে। সন্ধ্যে সাতটা থেকে লোকজন জড় হতে শুরু করেন এই পনের মিনিটের অনুষ্ঠান দেখার জন্য। আমি লন্ডনের কাছাকাছি নববর্ষের সময়ে অনেকবার থাকলেও কখনই চাক্ষুষ দেখিনি – শুধুমাত্র এতটা ধকল পোষাবে না বলে। বেশ কয়েকবারের মত এবারেও দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়েছি – ইউটিউব দেখে। নতুন বছরের শুরুতে এই অনুষ্ঠানটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

    http://www.youtube.com/watch?v=DsrzMHE14EA

    কফিহাউজের আড্ডায় সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। সকলে ভালো থাকুন, আনন্দে থাকুন, সুস্থ থাকুন। যাদের কাছে এই আতরবাজির আলো পৌঁছয় না, তাদের জীবনেও আলো আসুক নতুন বছরে।

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel