Updates from December, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • কফি মেকার 11:42 pm on December 31, 2013 Permalink | Reply  

    কফিহাউজের আড্ডায় সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। কফিহাউজে আসুন, আড্ডা মারুন। আনন্দে থাকুন, ভালো থাকুন।

     
  • ভাঁড়ের চা 1:39 pm on December 25, 2013 Permalink | Reply  

    কলকাতা ঘুরে গেল বিশ্বকাপ, সঙ্গে প্রাক্তন ব্রাজিলিও অধিনায়ক। টিভি-তে প্রচারিত হতে দেখা গেল ভারতীয় বিখ্যাত সব খেলোয়াড়েরা উপস্থিত থেকে সেই কাপকে স্বাগত জানাচ্ছেন। পরদিন কাগজেও দেখলাম। ভারতীয় খেলোয়াড় বলতে দেখলাম শচীন তেন্ডুলকার আর সৌরভ গাঙ্গুলী!
    স্বাগত জানানো হল ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি, আর তা জানালেন ক্রিকেট খেলোয়াড়েরা! ভারতে ফুটবল যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে খেলা হয় কিনা সেটা অজানা থেকে গেল ব্রাজিলের সেই ভদ্রলোকের কাছে!
    যদি বিশ্বকাপকে ফুটবলে সীমাবদ্ধ না রেখে সব খেলার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাওয়া হয়ে থাকে, তাহলেও সেদিন কলকাতায় উপস্থিত থাকা বিশ্বনাথন আনন্দকে ডাকা যেত নিশ্চয়ই।
    পরে জানলাম ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুনী গোস্বামীসহ আরও কেউ কেঊ। অবশ্য দর্শক হিসেবে !
    প্রদীপ ব্যানার্জি, চুনী গোস্বামী (এঁরা এশিয়ান কাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য) বা বদ্রু ব্যানার্জির (১৯৫৬-এর ভারতীয় অলিম্পিক দলের অধিনায়ক, যেখানে ভারত ৪র্থ স্থান পেয়েছিল) মত খেলোয়াড়দের নিশ্চিতই ডাকা যেত, আর এতে দেশের সম্মানই বাড়ত বোধ হয়! অথচ তাঁরা অচ্ছুৎই রয়ে গেলেন! নিদেন পক্ষে হাতের কাছে বাইচুং ভুটিয়াও ত ছিলেন, নাকি ? এঁদের কাউকে কি আমন্ত্রন করা যেত না ?

     
    • ক্যাপাচিনো 12:54 am on December 28, 2013 Permalink | Reply

      আমার কালকের মন্তব্যটা দেখি পোস্ট হয়নি, কি কান্ড।

      যাক গে – আমরা যে এক আত্মবিস্মৃত জাতি এ তো তার আরেকটি প্রমাণ।

  • ক্যাপাচিনো 2:04 am on December 24, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    গান শোনা 

    অনেকদিন কিছু লিখিনি। কিন্তু কিছু লেখারও নেই। প্রচন্ড শীতে ঠক ঠক করে কাঁপছি আর বাইরে প্রচন্ড ঝড়ের হুঙ্কার শুনছি। তাই ভাবলাম একটা গানই শোনাই। অনেকদিন হয়ে গেল, কফিহাউজে গানের কথাবার্তা হচ্ছে না। অবশ্য বাংলা গান নয় যদিও, তাও খারাপ লাগবে না।

    গানটা শুনেছি সাম্প্রতিক কালে – কিন্তু শোনার পর থেকে ভুলতে পারছি না যেন। সুরে কথায় গানটা মাথায় বসে গেছে। শুনে দেখুন কেমন লাগে, তারপর না হয় বলবেন।

     
  • ভাঁড়ের চা 12:34 pm on December 22, 2013 Permalink | Reply  

    ব্যাপারখানা কি ? একা কুম্ভ কি আমিই নাকি ?

     
    • ক্যাপাচিনো 12:49 am on December 23, 2013 Permalink | Reply

      সেরকমই মনে হচ্ছে দেখি। বাকি লোকজন খুবই চুপচাপ। ঠান্ডার জোরে কিনা কে জানে।

    • Smritilekha Chakraborty 2:21 am on January 5, 2014 Permalink | Reply

      কি আর করবে? এত চা-কফি এখানে! না লিখে তাই খেয়ে ফেলছে!!

  • ভাঁড়ের চা 12:44 pm on December 17, 2013 Permalink | Reply  

    “বর্ণ ফ্রি”র সেই সিংহির নাম আগে কিছুতেই মনে পড়ছিল না, এখন মনে পড়ল। ওর নাম “এলসা”। আগের পোষ্ট-এর শেষ লাইনটায় ”এলসা” পড়তে হবে সিংহির জায়গায়।

     
  • ভাঁড়ের চা 1:14 pm on December 16, 2013 Permalink | Reply  

    অবাক বন্ধুত্ব ! 

    আজ (৬/১১/১৩) সকালে দশটা নাগাদ টিভি-তে চ্যানেল সার্ফিং করছিলাম, সময় কাটাবার জন্য। হঠাৎ Nat Geo Wild-এ এসে থমকে দাঁড়াতে হল! দেখি, একজন মানুষ একটি ভয়ানক দর্শন কুমিরের সাথে নিশ্চিন্তে সাঁতার কাটছে। আবার গায়ে গলায় হাত বুলিয়ে আদরও করছে! চমকে, থমকে গেলাম। ক্রমশঃ দেখতে দেখতে আগ্রহ জন্মে গেল বিষয়ে।
    আশ্চর্য গল্প প্রকাশ পেল। ঘটনাস্থল আফ্রিকা মহাদেশ। কুমিরটি যখন বেশ ছোট ছিল, তখন “চিটো”র (মানুষটির নাম, নামটি জিটোও হতে পারে, ঠিক বোঝা যাচ্ছিল না) নজরে পড়ে গুরুতর আহত কুমিরটিকে। তিনি দয়া পরবশ হয়ে বাড়ি নিয়ে এসে গৃহসংলগ্ন জলাশয়ে রাখেন, এবং অতি যত্নে তার শুশ্রষায় লেগে পড়েন। ক্রমে কুমিরটি ( নাম “পোচো” বা “কোচো”, এটাও ভাল করে বুঝতে পারিনি) নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া,ওষুধ-পত্র ও আদর যত্নে সেরে ওঠে। কালক্রমে সে বিশাল আকার প্রাপ্ত হয়, এবং ক্রমশঃ উভয়ের মধ্যে প্রগাঢ় বন্ধুত্ব হয়ে যায়। এর পর পোচো, চিটোর নির্দেশ/ইশারা শিখে ফেলে, একে অপরের বন্ধুর মত থাকতে শুরু করে।
    চিটোর ইতিমধ্যে নেশার মত হয়ে গেছে বন্য প্রানীদের শুশ্রষা করা (এই জায়গাটা অন্যমনষ্ক হয়ে পড়েছিলাম বা সব কথা বুঝিনি)। বনে-জঙ্গলে রাতবিরেতে ঘুরে ঘুরে জীবজন্তু খুঁজে বেড়ানো, জঙ্গলে রাত কাটানো (মশা, পোকামাকড় অন্য বিপদ উপেক্ষা করে)– এসব দেখে দেশের শান্তিরক্ষকেরা অনেক চেষ্টা করেও ভদ্রলোককে বাড়িতে বাঁধতে পারল না, পাগল ভেবে তারা হাল ছেড়ে দিল। পাগলের উদ্ভট কান্ডকারখানা দেখে স্ত্রী-ও তাঁকে পরিত্যাগ করে চলে গেলেন। কিন্তু মানুষটির নেশা কাটল না। কুমিরে মজে রইলেন! তবে, বাড়িতে মহিলা না থাকলে চলে! তিনি আবার বিয়ে করলেন, সংসারী হলেন, তাঁর একটি কন্যাসন্তান জন্মাল। স্ত্রী প্রথমে না জানলেও একদিন রাতে জলাশয়ে স্বামীকে কুমিরের সাথে দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন!
    যিনি এপিসোডটি বর্ণনা করছেন (এঁকে আমরা ‘কথক’ বলব এখন থেকে) তিনি একদিন দেখলেন চিটোর বাড়ির সামনে বেশ ভিড় এবং মানুষজন টিকিটের মত কিছু কিনছে! আরও খোঁজ নিয়ে জানলেন যে চিটোর সাথে কুমিরের বন্ধুত্ব দেখতেই আসছেন টিকিট কেটে!
    এটা কথক ভদ্রলোক ভালভাবে নিতে পারলেন না, টাকা উপায়ের একটা ফিকির ভেবে তিনি চিটোর ক্রিয়া কলাপ সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করলেন। তিনি ভাবলেন যে কুমিরের স্বভাবটা নিশ্চয়ই শান্ত, এবং চিটো-পোচোর বন্ধুত্ব কোন বিশেষ ঘটনা নয়, এবং চিটো সেই সুযোগে কিছু উপার্জন করে নিচ্ছে! আর পোচো শান্ত স্বভাবের হওয়ায় তিনিও পোচোর সাথে বন্ধুত্ব করে নিতে পারবেন! এতে চিটোর বাহাদুরি করা বন্ধ হবে!
    কথক চিটোকে জানালেন যে তিনি কুমিরের কাছে যেতে চান, এবং তাকে আদর করতে চান! চিটো অবাক হলেও রাজী হলেন।
    প্রথম এক-আধ বার কিছু না বললেও, কথক ভদ্রলোক কুমিরের খুব কাছাকাছি হতেই সে এমন অস্থির আর ভয়ংকর হয়ে উঠল যে তিনি ভয়ে তাড়াতাড়ি জল ছাড়লেন। এবং বিশ্বাস করলেন যে চিটোর বন্ধুত্ব কোন ভাঁওতাবাজি নয়!
    তবে তাঁর একটা চিন্তা হল যে কুমিরের যা বয়স তাতে সে শ’খানেক বছর হেসেখেলে বেঁচে থাকবে, অথচ চিটো ত অতদিন বাঁচবেন না! তখন পোচোর দেখভাল কে করবে ? একথা শুনবার পর অনেক ভেবে চিটো সাব্যস্ত করলেন যে মেয়েকে সেই দায়িত্ব দেবেন! সেই অনুসারে কিশোরী শাকিরা (মেয়ে)-কে তিনি চিটোর ভাষা শেখাতে লাগলেন।
    কিন্তু–
    কিন্তু কিছুদিন পর কথক একদিন এক দুঃসংবাদ পেলেন। কোন কারণে কুমিরটির (পোচো) মৃত্যু হয়েছে।
    সিমলিপালের ‘খৈরী’-কাহিনি বা ‘বর্ন ফ্রি’র সিংহি-কাহিনি শোনা ছিল। আগে না জানলেও এখন পোচো-কাহিনি শুনে অবাক হলাম! প্রায় ওদের সমগোত্রীয় কাহিনি আর কি!

     
    • ক্যাপাচিনো 1:20 am on December 23, 2013 Permalink | Reply

      আমিও এই কাহিনী শুনে বড় অবাক হয়েছি। এরকম না হওয়াটাই স্বাভাবিক কারন কুমিরের কতটুকু মস্তিষ্ক আছে সেটা সন্দেহের। অবশ্য আমি ইস্কুলের জীবন বিজ্ঞানে শোনা কথার ওপর নির্ভর করে বলছি। আমি যতটুকু জানি বাঘ সিংহকেও পোষ মানান একেবারে অসম্ভব। শুধু এই কারনে যে তাদের সেরকম স্মৃতিশক্তি নেই।

    • Smritilekha Chakraborty 2:19 am on January 5, 2014 Permalink | Reply

      বাবা রে! এইসব লোক কোত্থেকে যে আসে!

  • ভাঁড়ের চা 1:11 pm on December 11, 2013 Permalink | Reply  

    জীবনের অবশ্যম্ভাবী এক একটা অবস্থা কাটাতে একটু সময় লাগে। তেমন লাগল বলে এ ক’দিন একটু পাগল পাগল লাগছিল। মাসখানেকের মধ্যে দুই প্রিয়জন হারিয়ে তেমনই অবস্থায় পড়েছিলাম।
    এখন থেকে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা দেখি।

     
  • ক্যাপাচিনো 1:15 am on December 11, 2013 Permalink | Reply  

    বাপরে – নয় নয় করে ৩০০ লাইক পড়ে গেছে দেখি।

     
  • ক্যাপাচিনো 12:37 am on December 11, 2013 Permalink | Reply  

    কি ব্যাপার হচ্ছে কে জানে – একটা পোস্ট দেওয়ার নানা চেষ্টা করলুম – হলই না। শীতে সব ব্যাপার কিরকম জবুথবু হয়ে গেছে দেখি। শীতে কলকাতায় কি হচ্ছে তার গরমা গরম হাল হকিকত জানতে পারলে ভালো হত। আমি আবার ঠান্ডার দেশে কিনা – আরও ঠান্ডা মেরে যাচ্ছি এই তালে। আড্ডায় বাকিদের কি খবর কে জানে?

     
  • ভাঁড়ের চা 6:31 am on December 2, 2013 Permalink | Reply  

    অনেকদিন পর এলাম, খালি হাতেই। কিছু করার নেই, এমনই হওয়ার ছিল। সবার খবর আশা করি ভালই। সময়মত নতুন post দেব।

     
    • ক্যাপাচিনো 12:51 am on December 11, 2013 Permalink | Reply

      অনেক দিন আপনার পোস্ট পড়া হচ্ছে না – শিগগির পোস্ট দিন।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel