Updates from November, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • এসপ্রেসো 2:45 pm on November 27, 2013 Permalink | Reply  

    মোবাইল থেকে লগিন করতে পারছি না কেন?

     
    • ক্যাপাচিনো 1:07 am on December 11, 2013 Permalink | Reply

      আমার মোবাইল বাংলাই দেখা যায় না – তায় আবার লগ-ইন। ভালো বাংলা দেখা যায় এমন ফোন চাই।

  • ক্যাপাচিনো 2:13 pm on November 24, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , , সত্যান্বেষী, ,   

    সত্যের অন্বেষন ও ঋতুপর্ণ 

    এই পোস্টটা না লিখলেও চলত – বিশেষ করে মানুষটি যখন আর নেই। তবে আমি কখনও অকারনে ঋতুপর্ণকে নিয়ে কিছু লিখিনি বা বলিনি, তাই এটুকু লিখতেই পারি। গতকাল দেখলাম সত্যান্বেষী। গল্পটি অনেক কাল আগে অনেকবার পড়া থাকলেও বিশেষ কৌতুহল ছিল স্রষ্টার শেষ সৃষ্টি নিয়ে। বলতে বাধ্য হচ্ছি প্রচন্ড হতাশ হলাম।

    পরিচালক তো তাঁর স্বকীয়তা অবশ্যই রাখবেন – গল্পটা আমূল বদলে দিয়েছেন। তাও ঠিক ছিল। কিন্তু কতগুলো ব্যাপার মিলল না একেবারেই – সবার আগে যেটা বলব তা হল ব্যোমকেশের স্বভাবসিদ্ধ বুদ্ধির ঝলক যেন একেবারেই নেই। শরদিন্দু কেন – যে কোন গোয়েন্দা গল্পেই পাঠক যেটা সবচেয়ে উপভোগ করেন তা হল কাহিনীকার বা গোয়েন্দার সহকারীর সঙ্গে একটা দূরত্ত। এখানে ব্যোমকেশের চরিত্রে সেই ছোঁয়া যেন একেবারেই পেলাম না। কেন কে জানে? ব্যোমকেশকে ছাপিয়ে অজিতের কেমন একটা ওপরচালাক হওয়ার চেষ্টা। সেখানেই কেমন যেন হারিয়ে গেলাম গোয়েন্দা গল্পের মূল স্রোত থেকে। যে ব্যোমকেশের ছবি ভাসে শরদিন্দুর গল্প পড়লে, তার সাথে এর কোন মিলই নেই। সুজয় ও অনিন্দ দুজনেই প্রচন্ড বেমানান।

    ঋতুপর্ণ কয়েকটি রদবদল করেছেন, যা একরকম তাঁর ট্রেডমার্ক ছিল। এর মধ্যে বলবন্তপুর নামকরন ও রাজবংশের যোগাযোগটা মন্দ লাগে না। যেটুকু শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শুনতে পাই, তা মন্দ লাগে না। বাদবাকী চরিত্রেরা কেউই খারাপ অভিনয় করেন নি। লোকেশন দুর্দান্ত। সবই ঠিক ছিল – যদি প্লট মেলাতে গিয়ে অহেতুক যৌনতার প্রসঙ্গটুকু টেনে নিয়ে আসা না হত। কারন সেটুকু বাদে গল্পটি বরং বেশি উপভোগ্য ছিল। শরদিন্দুর ভক্ত মাত্রেই সেটা জানবেন।

     
    • ক্যাপাচিনো 1:14 am on December 11, 2013 Permalink | Reply

      ভাগ্যিস লেখাটা কেউ পড়েনি – সিনেমাটা একেবারেই দেখার মত না।

    • ক্যাফে লাতে 2:46 pm on January 3, 2014 Permalink | Reply

      লেখাটা পড়েওছিলাম, তারপরে ফিল্মটাও দেখার সৌভাগ্য (নাকি দুর্ভাগ্য) হল দুয়েক সপ্তাহ আগে কোন একটা টিভি চ্যানেলে। দেখে বড়ই দুঃখ হল। গল্পটা পরিচালক বদলিয়েছেন নিজের মত করে বলে শুধু নয়। এত অজন্ত ছবিতে ভরা…এত অপ্রয়োজনীয় তথ্য…সেগুলি কি, কেন, কি প্রয়োজন , কিছুই বোঝা গেল না। ঋতুপর্ণ ঘোষ যে ছবিটাকে একেবারেই মন দিয়ে করেন নি, সেটা প্রথম থেকে শেষ অবধি বোঝা যাচ্ছিল।

    • Smritilekha Chakraborty 2:16 am on January 5, 2014 Permalink | Reply

      ইস! আমি তো ফ্লিপকার্টে দেখতেই পাচ্ছি না; নইলে ফস করে কিনে দেখে ফেলতুম।

  • ক্যাফে লাতে 6:37 am on November 15, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , হাথী ছাপ   

    মরা নয়, জ্যান্ত হাতি লাখ টাকা !! 

    হ্যাঁ, ঠিকই লিখেছি। জ্যান্ত হাতির দাম লাখ টাকাই বটে। কেন? সেটা বলি।
    একটা মেলায় গেছিলাম। সেখানে দেখলাম এক অদ্ভূত জিনিষ বিক্রি হচ্ছে। হাতির মল থেকে তৈরি কাগজের নোটবই, ডায়েরি, ফ্রিজ ম্যাগনেট, বুকমার্ক ইত্যাদি। শুনেই নির্ঘাত অন্নপ্রাশনের ভাত উগরে আসবে বলে মনে হচ্ছে?? আমারো কয়েক সেকেন্ডের জন্য হয়েছিল। কিন্তু জিনিষগুলো এতই লোভনীয় দেখতে, যে সেসব সরিয়ে রেখে সব নেড়েচেড়ে দেখলাম, এবং একটা ছোট নোটবই কিনেও ফেললাম। হাতির ত্যাগ করা মল থেকে ফাইবারটুকুনি বার করে নিয়ে , সেই ফাইবার ভাল করে ধুয়ে , পরিশুদ্ধ করে, হ্যান্ডমেড পেপার তৈরির নিয়ম মেনেই তৈরি করা হয় এই কাগজ। সম্পূর্ণভাবে রিসাইকেল করা, ১০০% অর্গ্যানিক ।

    আর না, দুর্গন্ধ বিলকুলই নেই।
    এই বিষয়ে যদি আরো বিশদে জানতে চান, তাহলে দেখুন ” হাথী ছাপ”- এর ওয়েবসাইট- অনেক অজানা তথ্যের ভান্ডার এই ছোট্ট ওয়েবসাইটটিঃ
    http://www.elephantpoopaper.com

    যাঁদের মাথা থেকে ভাবনাটা বেরিয়েছেন, সেই মহিমা আর বিজেন্দ্রকে স্যালুট জানাই। আর ভাবছি, একটা হাতি কিনবো। কেউ ইনভেস্ট করবে???

     
    • ক্যাপাচিনো 1:23 am on November 16, 2013 Permalink | Reply

      হা হা, সে নয় হল – কিন্তু হাতি কিনলেই তো হল না – তার খোরাক বাবদ দৈনিক দশটা করে কলাগাছ জোগাবে কে?

  • ক্যাফে লাতে 6:13 am on November 15, 2013 Permalink | Reply
    Tags: জাপানি সুন্দরী,   

    জাপানি সুন্দরীদের হাসি এবং বিরাট বড় বার্গার 

    সব দেশেই সৌন্দর্যের কিছু মাপকাঠি থাকে। সেগুলি বেশিরভাগই সমাজের তৈরি করা। যেমন আমাদের দেশে, কালো হলে সেই মেয়ে সুন্দরী নয়, মোটা মেয়ে সুন্দরী নয়, ইত্যাদি। জাপানিদের একটা সেরকম মাপকাঠি হল সুন্দরী মেয়েদের মুখের হাঁ বড় হলে চলবে না। যতটা ছোট হওয়া সম্ভব, ততই ভাল। এমনই অবস্থা , যে খাবার খাওয়ার সময়েও বড় গ্রাস নিতে পারবে না। তাই জাপানী সুন্দরীরা, যতই ইচ্ছা থাক, বড় বড় বার্গার নাকি খেতে পারছিলেন না। মানে, উল্টোদিকে বালকবন্ধু হয়ত গবগবিয়ে জাম্বো সাইজ বার্গার খাচ্ছে, কিন্তু মেয়েটি মুখ বন্ধ করে জুসের স্ট্র তে টান দিচ্ছে। তা এই ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এক বার্গার বিক্রেতা সংস্থা সব থেকে বড় মাপের বার্গারের সাথে , তার থেকেও বড় মাপের একটা করে র‍্যাপার দেওয়ার ব্যবস্থা করল, যাতে সেই র‍্যাপারের আড়ালে ক্রেতা মেয়েটি মনের আনন্দে যত বড় খুশি হাঁ মুখ করে বার্গার গবগবিয়ে খেতে পারে, আর সেটা আশেপাশের লোকেদের দৃষ্টিকটু না মনে হয় !! এই র‍্যাপারের সামনের দিলে আবার স্মিত হাসিমাখা এক জোড়া ঠোঁটের ছবি আছে। এবং দেখা গেছে, এই ব্যবস্থার পরে, মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে বড় মাপের বার্গার কেনার প্রবণতা ২১৩% বেড়ে গেছে !!

    এই পুরো বিষয়টা নিয়ে একটা মজার ভিডিও রয়েছে এই লিঙ্কেঃ

    ভাগ্যিস, আমাদের দেশে এরকম কোন নিয়ম নেই। নাহলে ফুচকা আর এগরোল খাওয়ার সময়ে যে কি বিপত্তি হত !!

     
    • ক্যাপাচিনো 1:31 am on November 16, 2013 Permalink | Reply

      স্যালুট। দুর্দান্ত লাগল এই ভিডিওটা দেখে – সত্যিকারের নারীবাদ একেই বলে।

  • ক্যাফে লাতে 5:55 am on November 15, 2013 Permalink | Reply  

    দেখছি লোকজন সব কফিহাউজে আসা বন্ধ করে দিয়েছে !! আমি তো অনেকদিন আসিইনি, ভেবেছিলাম, অন্যরা হয়ত নিয়মিত আছেন। অহন দ্যাখসি কেওই নাই !!

    তাহলে নাহয় আমিই দুটো পোস্ট দিই

     
    • ক্যাপাচিনো 12:39 am on November 16, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, কোথায় যে চলে যায় লোকজন সব?

      • ক্যাফে লাতে 1:56 pm on November 19, 2013 Permalink | Reply

        তোমাকে হাতের কাছে পেলে ধরে ক্যালাতাম !!

  • ভাঁড়ের চা 12:50 pm on November 5, 2013 Permalink | Reply  

    ধন্তেরাস, হ্যালোইন, না ভুত-চতের্দশী ? 

    বাংলা মতে গত ২/১১/১৩-তে “ভুত-চতুর্দশী” এবং কালীপুজোও, (এ বছরের জন্য, অন্য বছরে সাধারনত দু’দিনে দু’টি হয়) ছিল। তার আগে “ধন্তেরাস” গেছে। এটা আমরা অবশ্য সবাই জানি, কেননা বেশ কিছুদিন যাবৎ এখানকার মানুষজন সব কিছু ভুলে অলঙ্কার কেনার উৎসবে সামিল হয়েছিলেন!
    এর মধ্যে এই সময়ে নাকি “হ্যালোইন ডে”ও! তাতেও মেতে উঠেছেন কেউ কেউ ইতিমধ্যেই (হয়ে গেল নাকি এর মধ্যেই ? সেরেছে, একেবারেই আপ টু ডেট হতে পারছি না)! এত কান্ড থাকতে “ভুত-চতুর্দশী”! গোল্লায় যাক ভুতটুত!! বোকা বোকা ব্যাপার আর কাকে বলে! যত্ত সব!
    এই ‘গোল্লায় যাবার’ কথাটা অনুধাবনযোগ্য, কেননা আন্তর্জাতিক হতে গেলে ‘দেশী-বিদেশী ইত্যাদি’ ন্যাকা ন্যাকা ভাবনা ভাবলে চলে নাকি ? চলে না, তাই গোল্লায় যাওয়াটা স্বাভাবিক উক্তি! সেই আবহমান কাল থেকেই চলে আসছে এটা। পুরোন নামী লেখকদের লেখায় ‘ইংরাজীতে স্বপ্ন দেখা’র কথাও পড়েছি ! এমন স্বপ্নদেখা ব্যক্তিরাও হয়ত আন্তর্জাতিক হতে চেয়েছিলেন ততকালে!

     
    • ক্যাপাচিনো 1:33 am on November 16, 2013 Permalink | Reply

      আরে আমার হ্যালোইনের গপ্পটা আর বলাই হচ্ছে না – বলব , বলব করে কত গল্প যে পেটের ভেতর জমছে।

  • ক্যাফে লাতে 5:35 am on November 4, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , শকুন্তলা দেবী,   

    শকুন্তলার ডুডল 

    shakuntala-doodle

    আজকের গুগল ডুডল হল শকুন্তলা দেবীকে নিয়ে। আজ শকুন্তলা দেবীর ৮৪ তম জন্মদিন। জীবন্ত ক্যালকুলেটর নামে পরিচিত এই ভদ্রমহিলাকে আমি ছোটবেলায় এক আধবার টিভিতে দেখেছি।

     
    • ক্যাপাচিনো 1:35 am on November 16, 2013 Permalink | Reply

      ডুডলটাও জম্পেশ হয়েছে।

  • ভাঁড়ের চা 6:41 am on November 2, 2013 Permalink | Reply  

    স্বচ্ছ স্বীকারোক্তি 

    ছোটবেলা থেকেই বেশ রোগা ছিলাম।
    মা হয়ত বলল পাড়ার দোকান থেকে কিছু নিয়ে আসতে, ওমনি খালি পায়ে খালি গায়ে দৌড় লাগাতাম। পাড়ার বন্ধুরা ” করোপোরেশনের হেলথ অফিসার” বলে পেছনে লাগত! তার পর অনেকভাবে, যেমন খাওয়া দাওয়া (ভাল-মন্দ) বাড়িয়ে, ব্যায়াম, আসন করে (এ দু’কারনে ব্যায়ামবীর নীলমনি দাসের বাড়ি অব্দি ধাওয়া করেছি) বা নানা যোগীরাজের নানা উপদেশ বই পড়ে বা টেলিভিশন দেখে নিয়ম কানুন নিষ্ঠাভরে পালন করেও কিছু করা যায় নি, মানে ওজন এক কিলোও বাড়ানো যায় নি ! শেষে হাল ছেড়ে দিয়ে সাধারন কাজকর্মে মনোনিবেশ করে দিন কাটিয়ে দিয়ে বর্তমান অবস্থায় এসেছি!
    আশ্চর্য্য ব্যাপার হল, গত বিশ-পঁচিশ বছর হল ওজন সেই ৬০ কিলোতেই আটকে আছে! কখনও সামান্য কমলেও (৫৮) ৬০-এর পর এক গ্রামও এগোয় নি!
    কিন্তু এই বয়সে এসে, ওজন (৬০ কিলো) না বাড়লেও নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে গর্ববোধ না করে আর থাকা যাচ্ছে না! আমার স্বাস্থ্য নাকি দারুনভাবে “মেনটেইন” করছি! নাকি আমার চেহারা দারুন “স্লিম আন্ড ফিট”। প্রশংসার বন্যা বয়ে যাচ্ছে চারিদিকে! এখনকার ট্রেন্ড হল বেশী ফ্যাট না থাকা, ওজন কম থাকা ইত্যাদি। এতে নাকি শরীরে কোন রোগ বাসা বাঁধে না, শরীর ফিট থাকে, এরকম আরও কত কি! সবাই ডায়েট কন্ট্রোল করে!
    সান্ধ্য আড্ডাধারী সতীর্থেরা অবশ্য অনুযোগ করেন, “আর দু’চার কেজি বাড়াতেই পারেন, তাতে তেমন ক্ষতি হবে না।” আর আমার উচ্চতা অনুযায়ী ৬৫ কিলো হলে নাকি ভাল হত!
    যেন হাতের মোয়া !
    এটা যে আমার ক্ষমতার বাইরে(কোন কালেই কি ছিল?) কি করে বোঝাই!!

     
    • ক্যাফে লাতে 1:28 pm on November 2, 2013 Permalink | Reply

      কি আনন্দ 🙂 আহা! আমার ও যদি অমন হত !!

    • এসপ্রেসো 6:24 pm on November 4, 2013 Permalink | Reply

      একই ব্যপার আমাকেও কষ্ট দেয়। আমার ওজন নিয়ে অবশ্য কথা না বলাই ভাল! :sorry

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel