Updates from October, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 9:24 pm on October 28, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ডেনমার্ক,   

    ডেনমার্ক দেখতে হলে 

    আমার এক বন্ধু ডেনমার্ক ঘুরে একটা ভিডিও বানিয়েছে, সকলকে না দেখিয়ে থাকতে পারলাম না। মনে হয় ভালো লাগবে – বিশেষ করে গজলের সুরের সঙ্গে এই ছোট্ট বেড়িয়ে আসা।

     
    • ভাঁড়ের চা 6:57 am on October 29, 2013 Permalink | Reply

      একটু আগেই নরওয়ের ছবি দেখছিলাম। তারপর এটা। আমাদের দেশটা এমন কবে হবে! আদৌ হওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে কি ? আচ্ছা, অনন্তকাল অপেক্ষা করলে ?
      নাহ্‌, নেই ! দীর্ঘশ্বাস ছাড়া আর কোন উত্তর নেই !

      • ক্যাপাচিনো 8:10 am on October 29, 2013 Permalink | Reply

        মনে হয় না আছে, এসব দেশে জনসংখ্যা কত কম আর দেশ কত সুন্দরভাবে তৈরি। কিছুর অভাব নেই। লোকে জোচ্চুরি করে না।

        • ক্যাফে লাতে 7:18 pm on October 29, 2013 Permalink | Reply

          হ্যাঁ, জোচ্চুরিটা নেই বললেই চলে। আমাদের এখানে নদীর ধারে কয়েকটা সুন্দর বেঞ্চ পেতে রাখ তো দেখি…সাত দিনের মধ্যেই পাটাতন খুলে, ভেঙে, কেটে, না হলে পুরো বেঞ্চটাই হাওয়া করে নিয়ে চলে যাবে। কলকাতা শহরের পাশে এত বড় একটা নদী, অথচ নদীর পারে হাঁটার রাস্তা, বসার জায়গা নেই বললেই চলে। থাকলেও সন্ধের দিকে গিয়ে হাঁটতে বা বসতে পারবে না। যে কটা পার্ক আছে হাতে গোনা, সব মদ-জুয়ার আড্ডা…এই ভিডিওটা অবশ্য দেখতে আরো বেশি ভাল লাগছে কারণ এখন ইউরোপে পাতা ঝরার সময়- এই সময়ে গাছের শুকনো পাতা গুলো এত অসাধারণ রঙ ধরে…এমনিতেই দেখতে ভাল লাগে।

          • ক্যাপাচিনো 10:48 am on November 3, 2013 Permalink | Reply

            ঠিক কথা। আমাদের দেশে যদি শুধু একটু সচেতনতা থাকত, তাহলে আমরা কোথা থেকে কোথায় যেতে পারতাম।

  • ক্যাফে লাতে 7:44 am on October 26, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    মান্না দে, মেরি হপকিন্স, চায় টি ল্যাতে…আরো কত কি… 

    এই পোস্টের নাম হতে পারত-কত কি জানার আছে বাকি !! কিন্তু তার বদলে যে নাম দিলাম, সেটা দিয়ে পোস্টের বিষয় সম্পর্কে একটা আন্দাজ দেওয়ার মাত্র চেষ্টা করছি। বরেণ্য শিল্পী শ্রী মান্না দে পরলোকগমন করলেন দুই দিন আগে। সকলের দেখাদেখি ফেসবুকে অবশ্য সাহেবি কেতায় RIP লিখিনি, কিন্তু একজনের স্ট্যাটাস মেসেজ পড়ে ভাবলাম আমিও একটু ওনার গান শুনি। ইউটিউবে শুনতে গিয়ে নিজেই হাঁ – এই সমস্ত গান, এই হিন্দি গানটা…আরে ওই বাংলা গানটা…এটাও ওনার গাওয়া? – শুনতে শুনতে কেটে গেল বেশ অনেকটা সময়। তয়ারি মাঝে মনে পড়ল, এই কথাটা অনেকদিন ধরেই আড্ডাতে বলব ভাবছি, কিন্তু বলা হয়ে ওঠেনি। মান্না দে মহাশয়ের সবথেকে জনপ্রিয় গান বোধ হয় “কফিহাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই… ” – শিক্ষিত শহুরে বাঙালির পরতে পরতে এমনভাবে জড়িয়ে আছে এই গান, সে এক আকর্ষণ এড়ানো বেশ মুশকিল। তার খোদ প্রমাণ আমাদের এই ব্লগ।

    যে কারণে এই ভিডিওটা দেওয়া এবং এর প্রসঙ্গ তোলা, মেরি হপকিন্স নামের এক গায়িকার (তাঁর জীবনী এখানে দেওয়ার মানে নেই, উইকিপিডিয়াতে দেখে নিন) একটা গান আছে – once upon a time there was a tavern…” সেই গানের ভাবনার সাথে আমাদের কফিহাউসের আড্ডা গানের বড়ই মিল। দেশ-কাল-ধর্ম-বর্ণব্যতিরেকে মানুষের প্রাথমিক ভাবনা-ভাললাগা-প্রয়োজনীয়তাগুলি যে আদতে একই, সেটা প্রমাণ করে এই গান। মেরি হপকিন্সের সেই গানের লিঙ্ক দিলাম এখানেঃ

    এই প্রসঙ্গে একটা অন্য তথ্য দিয়ে শেষ করি। গতকাল একটা দারুণ ওয়েবসাইট খুঁজে পেয়েছি – এক তরুণ এবং তরুণী ভারতের চা-ওয়ালাদের নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করছেন- ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের চা-ওয়ালা, তাদের রেসিপি, চায়ের রকম ফের এবং প্রতিটি চা-ওয়ালার কাছ থেকে পাওয়া জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তাঁরা ধরে রাখছেন। তাঁদের এই বিষয়ে ওয়েবসাইট এবং ব্লগ আছে। সেখানে জানতে পারলাম বিদেশের কফি শপ গুলিতে নাকি “চায় টি ল্যাতে” বলে একটি পানীয় বিক্রি হয়, সেটি খুব জনপ্রিয়। সেটি আমাদের ভারতীয় “চায়” অর্থাৎ প্রচুর দুধ-চিনি-মশলা দেওয়া চায়ের একটা সংস্করণ, এবং সেটি তৈরি হয়ে প্যাকেটের গুঁড়ো দিয়ে। মানে ওই চাপা-দুধ গুঁড়ো হাবিজাবি সব একসাথে প্যাকেট কেটে গরম জলে মিশিয়ে দাও আর কি !! নামটা আমার বেশ পছন্দ হয়েছে , যদিও আমিও ওই এলাচ, দুধ এবং প্রচুর চিনি দেওয়া বস্তুটিকে চা বলে গন্যই করি না এবং পছন্দই করিনা। আগে জানতাম বিদেশীরা হোটেলে গিয়ে ইন্ডিয়ান কারি বলে এক ভজঘট বস্তু খেতে খুব পছন্দ করে। এই রাস্তা/ফুটপাথ/রেলস্টেশনের চা শীততাপনিয়িন্ত্রিত রেস্তোঁরাতে বসে খেতে কেমন লাগবে জানতে পারলে মন্দ হয় না !!

     
    • ক্যাপাচিনো 10:46 am on October 27, 2013 Permalink | Reply

      বাহ এ তো দারুন। হ্যাঁ, আমি তোমার সঙ্গে এই বিষয় এক মত। আমরা পুরানো সেই দিনের কথার দৌলতে ‘Auld Lang Syne’ এর কথা সবাই শুনেছি। বছর ছয়েক আগে যখন আমি স্কটল্যান্ড যাই তখন সেখানকার লোকগীতি শুনে মনে হয়েছিল খুঁজলে আরও অনেক মিল পাওয়া যাবে।

      চায়ের নতুন কথাটা আমিও এই প্রথম শুনলাম। কালটিভেট করে দেখতে হচ্ছে।

  • ক্যাফে লাতে 5:11 am on October 26, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দুর্গাপুজো,   

    অনেকদিন পরে 

    অ-নে-ক-দি-ন পরে কফিহাউসে এলাম। আগেভাগেই কান ধরে স্বীকার করছি, না আসার বিশেষ কোন ভয়ানক কারণ ছিল না, কিন্তু কেন যেন ঘেঁটে ছিলাম। মাঝে কত কিছু হয়ে গেল- সেই মহালয়া থেকে শুরু করে এই কয়েক দিন আগের ঈদ অবধি, কিন্তু আমি তারো আগে থেকে বেপাত্তা!! যাকগে, এসে গেছি, এখন সবাইকে যথাযোগ্য শুভেচ্ছা জানিয়ে দিচ্ছি। প্রশ্ন উঠতে পারে, এতদিন পরে পুজোর শুভেচ্ছা দিয়ে লাভ কি? এর দুটো উত্তর হতে পারে – ১) হয় ইংরেজি belated wishes এর মত ধরে নিন, অথবা আগামি বছরের জন্য আগাম ধরে নিন। আজ্ঞে হ্যাঁ ! পুজোর উদ্যোক্তারা যদি বিজয়া দশমীর পরের দিন থেকেই পরের বছরের থিম ভাবতে শুরু করেন, ফেসবুক যদি একাদশীর দিন থেকেই -“পুজোর আরে ৩৬০ দিন বাকি”- পোস্টে ছেয়ে যেতে পারে, তাহলে আমার আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে রাখতে আপত্তি কোথায়?

     
    • ভাঁড়ের চা 12:32 pm on October 28, 2013 Permalink | Reply

      Belated wishes ত বছরদশেকের জন্যও হতে পারে, তাই না ? সুতরাং আজই আগাম দশ বছরের জন্য এখনই জানিয়ে রাখলেই বা ক্ষতি কি ! জানাই ? নাকি ?

  • ব্ল্যাক কফি 10:07 am on October 24, 2013 Permalink | Reply  

    কথা দাও আবার আসবে …

    কথা দাও আবার আসবে ...

    কথা দাও আবার আসবে …

     
    • ক্যাপাচিনো 2:14 pm on October 24, 2013 Permalink | Reply

      প্রণাম ও শ্রদ্ধার্ঘ্য।

  • ব্ল্যাক কফি 10:00 am on October 24, 2013 Permalink | Reply  

    কথা দাও আবার আসবে … 

     
    • ক্যাপাচিনো 2:00 pm on October 24, 2013 Permalink | Reply

      একবার গেলে কি আর কেউ আসে – তবে যার গান আছে, তিনি তো চিরকালই থাকবেন।

  • ভাঁড়ের চা 7:01 am on October 24, 2013 Permalink | Reply  

    বড় মানুষের মর্জি ! 

    (শেষ অংশ)

    আজ অপর এক শিল্পীর কথা যিনি যন্ত্রশিল্পী, ঐ একই দিনে শোনা।
    শিল্পী বন্দু খান খুব বড় সারেঙ্গীবাদক ছিলেন। তিনি যখন বাজাতেন শ্রোতা একেবারে মোহিত হয়ে যেতেন। তা, এঁর একটা অভ্যাস ছিল বাজাতে বাজাতে মাঝপথে সুর মিলিয়ে এক কলি গুনগুনিয়ে গেয়ে উঠতেন। আসরে চললেও বেতারে এটা চলত না, বা চলার কথা নয়! তাই বেতার কর্তৃপক্ষ শত ইচ্ছা থাকলেও ওঁকে বাজাতে আমন্ত্রণ জানাতে পারতেন না! কেন বলুন দেখি ? তখন সব অনুষ্ঠান ‘লাইভ’ পরিবেশন করা হত, এখনকার মত আগে রেকর্ডিং করে, পরে সেটা বাজানো হত না। তাই কোন শিল্পী যদি বাজাতে বাজাতে গেয়ে ওঠেন, ত সেটা একটা গোলমেলে ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়! প্রয়োজনে এখনকার মত সম্পাদনা করার সুবিধা ত’ ছিল না! তাই সাহস করে ওঁকে আমন্ত্রণ জানানো যেত না।
    একবার ওঁকে ব্যাপারটা অনেক করে বুঝিয়ে রাজী করানো গেল যে, উনি বাজাবার সময় কোন কথা একেবারেই বলবেন না।
    যথারীতি অনুষ্ঠানের সময় উনি এসে ধৈর্য্য ধরে নির্ধারিত বাদন সময় ২০ মিনিট বাজিয়ে থামলেন ! সকলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন! এখন, খান সাহেব সফলভাবে বাজাবার পর এত আনন্দ পেয়েছেন যে বাজনা শেষ হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তিনি উৎফুল্ল হয়ে সহযোগী সঙ্গতকারিদের বলে উঠলেন, “দেখা আপনে, আজ কোন কিছু গেয়ে উঠি নি!” (বাংলা অংশটি উনি হিন্দিতেই বলেছিলেন, হিন্দী বলে নিজের পান্ডিত্য জাহির করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছি না)!
    ঘোষক অনুষ্ঠান শেষের ঘোষনার উদ্যম করছিলেন, কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার তা হয়ে গেছে!
    * * * * * * * *
    যে দিনকার কথা লিখছি, সেদিনই রেডিওতে ঘোষক শোনালেন বড়ে গোলাম আলি খান আর শ্রেয়া ঘোষালের ডুয়েট। দারুন। মিঞা সাহেব যখন ইহলোক ত্যাগ করেন তখন শ্রেয়া পৃথিবিতে আসেন নি! তাহলে কি করে হল ?
    আধুনিক ‘তকনিকি কামাল’।

     
    • ক্যাফে লাতে 5:16 am on October 26, 2013 Permalink | Reply

      হেব্বি হেব্বি, এইরকম গল্প আরো শুনতে চাই।

  • ভাঁড়ের চা 7:21 am on October 21, 2013 Permalink | Reply  

    বড় মানুষের মর্জি ! 

    (দু’ ভাগে শেষ করতে হবে, আজ প্রথমাংশ)
    গত ২৫ শে আগষ্ট তারিখে, সময় কাটানোর জন্য বিকেলের দিকে এফ এম রেডিওতে বিকেলের আড্ডা শুনছিলাম। সঙ্গীতশিল্পীদের নিয়ে নানা রকম গল্প বলছিলেন ঘোষক। এর থেকে দু’একটা শোনাই। প্রথম গল্প সম্ভ্রম জাগানো দু’জন শিল্পী, সঙ্গীতজ্ঞা বেগম আখতার আর সুগায়ক আমির খানকে নিয়ে। এঁরা নিজেদের মধ্যে বিশেষ কথাবার্তা না বললেও ঝগড়া বা মনোমালিন্য ছিল না, বরং একে অপরের প্রতি দারুন শ্রদ্ধাশিল ছিলেন। প্রয়োজনে কথা বললেও তৃতীয় একজনকে মধ্যস্থ করতেন। আমির সাহেবকে কিছু বলতে হলে বেগম আখতারজী মধ্যস্থ ব্যক্তিকে বলতেন। এর উত্তর দেওয়ার থাকলে আমির সাহেব ঠিক একইভাবে উত্তর দিতেন। এ সময় কিন্তু তিনজনই একত্রেই থাকতেন! এমন করা হয় সাধারনত নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা না থাকলে বা ঝগড়াঝাটি করার সময়। কিন্তু এঁদের মধ্যে তেমন কিছু ছিল না।
    একদিন কোন সঙ্গীতানুষ্ঠানের আসরে মঞ্চে বেগম আখতারজী গান গাইছেন। খুব জমে গেছে। আমিরজী শুনে বাইরে না থাকতে পেরে একেবারে সামনের সারিতে বসে মগ্ন হয়ে গান শুনতে লাগলেন। এদিকে গানে মগ্ন শিল্পী হঠাৎ তাকিয়ে সামনের সারিতে খান সাহেবকে দেখেই গান বন্ধ করে চুপ করে বসে রইলেন! সঙ্গতকারিরা অবশ্য থামেননি, তাঁরা ত’ যথারীতি বাজিয়েই চলেছেন! শিল্পী আর গান ধরেন না! প্রথম দিকে না বুঝলেও একটু পরেই উদ্যক্তারা বুঝে ফেললেন ব্যাপারটা!ওঁদের ত মাথায় হাত! কি করা যায় ! শেষে অনেক ভেবে চিন্তে একজন খান সাহেবের কাছে গিয়ে কানে কানে ফিসফিসিয়ে ব্যাপারটা বলাতে তিনি উঠে গেলেন আর শিল্পীর গানও শুরু হল!
    এরপর খান সাহেবের গান শুরু হলে আকখতারজী অবশ্য সামনের আসনে বসেন নি। একদম পেছনের সারিতে চাদর মুড়ি দিয়ে খান সাহেবের গান শুনে চুপি চুপি চলে যান!
    বড় মানুষের মর্জি, “দেবা ন জানন্তি—“!

     
    • ক্যাপাচিনো 4:29 pm on October 24, 2013 Permalink | Reply

      আমি যখন এক সময়ে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ছাত্র ছিলাম – তখন কিছু কিছু গল্প শুনেছি অনেক প্রবাদ প্রতিম শিল্পীদের নিয়ে, সেই সব কথা মনে পড়ে গেল।

    • ক্যাফে লাতে 5:13 am on October 26, 2013 Permalink | Reply

      সেকি ক্যাপাচিনো!! তুমি আবার গান শিখেছিলে?? কই কোন দিন বলনি তো?? :matabelo

      • ভাঁড়ের চা 12:48 pm on October 28, 2013 Permalink | Reply

        সেই সব শেখা গানের একখানা ভিডিও আপলোড করলে হত, শোনা যেত দিব্যি।

      • ক্যাপাচিনো 8:08 am on October 29, 2013 Permalink | Reply

        উঁহু গান নয়, যন্ত্র সঙ্গীত। ছ সাত বছর শিখতে চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু আর রাখতে পারলাম কই, যেদিন বাড়ি থেকে বেরনো সেদিন ত থেকেই গান বাজনাও বন্ধ। নিজমুখে আর লজ্জার কথা বলি কি করে। :malu2 :sorry

  • এসপ্রেসো 4:42 am on October 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    সবাইকে ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই, কোরবানি ঈদের ত্যাগের শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে; সকলের জীবন হোক মঙ্গলময়। ঈদ মোবারক।

     
    • ক্যাপাচিনো 8:27 pm on October 20, 2013 Permalink | Reply

      অনেক দেরি হয়ে গেল – ঈদের অনেক শুভেচ্ছা তোমাকেও। সবার জীবন মঙ্গলময় হোক।

      • এসপ্রেসো 8:35 am on October 25, 2013 Permalink | Reply

        :sungkem শেষপর্যন্ত যে একজনকে পাওয়া গেল তাই বা কম কি!

  • শনিবারের কফি 3:53 pm on October 12, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দুঃখিত   

    আগের দিনে পাত্রী পছন্দের ছবি দেয়া হতো পাত্র পক্ষকে। পাত্রপক্ষ পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার দুর্দণ্ড প্রতাপ দেখিয়ে ছবি পছন্দ না হলে যোগাযোগ করতো না। আরে বাবা, পছন্দ না হলে বলে দেবে- পছন্দ হয়নি। তাই বলে পেণ্ডুলামের মতো ঝুলিয়ে রাখা? আমার খবর একটাই- প্রোফাইলের ছবি এখনও ছাড়পত্র পায় নাই; কেমন আছি? সে আর বলতে!

     
    • ক্যাপাচিনো 7:13 pm on October 14, 2013 Permalink | Reply

      কফিমেকার মনে হচ্ছে ছুটিতে গেছে, কোন কাজ ঠিক করে করছে না।

    • ক্যাফে লাতে 5:17 am on October 26, 2013 Permalink | Reply

      আপ্নার দুঃখ ঘোচানো হয়েছে এবার- এক্কেবারে ঠিকঠাক।

  • ভাঁড়ের চা 5:13 am on October 12, 2013 Permalink | Reply  

    মহালয়ার সকাল(২) 

    (পরবর্তী অংশ)
    তাহলেও মা আসছেন।
    তবে কিনা মায়ের আগমন বার্তা আমাকে একটু সন্ত্রস্ত করে তোলে! হয়ত আড্ডাধারিরা একটু অবাক হতে পারেন এটা শুনে, কিন্তু আমি নাচার! প্রথম গোলমালটা হল ঐ মহালয়া নিয়েই! আগে সব বাড়ীতেই একসাথে বেতার প্রচার শুরু হত,পাড়ার সবাই এক সাথেই শুনতেন। কিন্তু এখন সিডি/ক্যাসেট বাজানো হয় মাইক/বক্স সহযোগে (রেডিও কোন বাড়িতে নেই বোধ হয়)! তাই বিভিন্ন মন্ডপে বিভিন্ন সময়ে শুরু হতে বাধ্য। আমার বাড়ির চতুর্দিকে আস্তে-জোরে মিলিয়ে গোটা পাঁচ-ছয় আওয়াজ শুনতে পেলাম, সবই আলাদা আলাদা সময়ে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কেমন ঘেঁটে গেছিল ব্যাপারটা! যাতে পুজোর আয়োজন ঘোষনা করা হয় সেই ফেষ্টুনে লেখা ‘সর্বজনীন’ আর ‘সার্বজনীন’ নিয়ে কি যেন একটা গোলমাল আছে। পরের কথাটিতে নাকি কিছু অশুদ্ধি আছে, এটা নাকি লেখা যায় না! তবে ছেলে বুড়ো সবাই আবহমান কাল থেকে লিখে চলেছেন! বাড়িতে ভাল অভিধান না থাকায় জোর গলায় কিছু প্রতিষ্ঠা করতে পারছি না, অথচ একান্তভাবে নিতেও পারছি না। সন্দেহ থাকলে নিশ্চিন্তে নেওয়া যায় নাকি ?
    পুজোতে পুজোই হওয়ার কথা। অথচ পুজোর ‘থিম’ নিয়ে সকলে এত ব্যস্ত যে, পুজো হল কি গোল্লায় গেল তাতে কারও ভ্রুক্ষেপ আছে বলে মনে হয় না। এ নিয়ে আগে একটা পোষ্ট দিয়েছি, সভ্যেরা দেখে থাকবেন। ‘থিমোৎসব’ চলছে দীর্ঘদিন। ক্রমে উন্মাদনা বেড়েই চলেছে, কোথায় যে এর সীমারেখা বলা মুশকিল!সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যের লেখা (শ্রীকান্ত’-এর ‘নতুনদা’ অংশে কিনা মনে করতে পারছি না) অনুসরন করে বলা যায় উপলক্ষ্য আসলকে বোধ হয় অতিক্রম করতে চলেছে!
    আর একটা কথা। এটা ভাবতে গেলে একটু ভীতির উদ্রেক করে। শহরের দিকে সব রকমের সাবধানতা নেওয়া হলেও মফঃস্বল অঞ্চলে কোন কোন জায়গায় তা হয় না। যে মন্ডপে থিম পুজো করা হয় তার প্রবেশপথ এবং প্রস্থান পথ সর্বদা আলাদা থাকে না। একটাই পথে প্রবেশ-প্রস্থান এক সাথে চলে আর সে পথটা খুব একটা প্রশস্থ নয়। সেখানে বিপদ আপদ ঘটলে মুশকিল। একবার একথা প্রকাশ করে বেশ সমালোচিত হয়েছিলাম।
    এছাড়া ধুনোর ধোঁয়া, ঘাম ও গরমের জন্য শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না ।
    এর মধ্যে গমগমে মাইকের কথা আর না-ই বা বললাম, ওটা ক্লিশে হয়ে গেছে!
    মাইকের কথায় আর একটা কথা মনে পড়ল। পুজোর মন্ত্র তারস্বরে মাইকে প্রচারের কি দরকার বুঝিনা। সব পুজোতেই এটা হয়। মা-এর কর্ণে কি এমনিতে পৌঁছায় না নাকি!
    সব দেশেই পুজোর মন্ত্র নিজেদের ভাষাতেই হয়, আমাদের হয় সংস্কৃত ভাষায়। দীর্ঘ দিন এই ভাষাটার আর চল নেই, আমাদের পাঠ্য থেকে বিদায় নিয়েছে। তাই অল্পসংখ্যক কিছু বয়স্ক মানুষ বাদ দিলে, সংস্কৃত ভাষার জ্ঞান আমাদের সীমিত হতে বাধ্য। কি দরকার মাইকে প্রচার করে! বিদ্যা ধরা পড়ে যাবার সম্ভাবনা!
    কাশ-শাপলা-স্থলপদ্ম-পদ্ম বাদ দিলে শহরাঞ্চলেও শিউলি আশা করা যেতেই পারে। কিন্তু সে আশাই সার, কার্যকর করার কেউ নেই,অথচ একটা শিউলি গাছ পুজোর আবহে বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে। পাটুলির এক জায়গায় অবশ্য দেখেছি, ঐ গাছের জন্য পুজো ব্যাপারটাই একটা অন্য মাত্রা পেয়ে গেছে। যতবার ওর পাশ দিয়ে গেছি, প্রতিবারই ধন্যবাদ জানিয়েছি যাঁরা ঐ গাছএর যত্ন-আত্তি করে থাকেন তাঁদের।

     
    • ক্যাপাচিনো 8:32 pm on October 20, 2013 Permalink | Reply

      সত্যিই ঐ মন্ডপের ভিড় আর ধোঁয়া সবে মিলে এক এক সময় মহা অসহ্য হয়ে ওঠে। আর গান যেন বাজাতেই হবে – সে বাংলা, হিন্দি যাই বাজুক না কেন, সে তো এক ধরনের অত্যাচারই – তাই না?

      • ভাঁড়ের চা 12:39 pm on October 21, 2013 Permalink | Reply

        লাউডস্পিকারে পুজোর মন্ত্রপাঠ ? আমার কাছে সেটাও ত কেমন যেন মনে হয় ! সেটাও অত্যাচার টাইপেরই !

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel