Updates from September, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ভাঁড়ের চা 3:05 pm on September 14, 2013 Permalink | Reply  

    আর কতকাল থাকব বসে— 

    একটা সময় বাংলা সিনেমা, নাটকের জনপ্রিয়তায় ঘাটা পড়ে গিয়েছিল। সেই সময় বলতে গেলে একমাত্র প্রোসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সিনেমার কেল্লাটা একা রক্ষা করে গিয়েছেন। সঙ্গে অল্প কয়েকজন অভিনেতা- অভিনেত্রী অবশ্য ছিলেন। এখন অবশ্য তাঁদের গাদাগাদি।
    সেই সময়, বাংলা সিনেমা-নাটকের দুর্দিন আর টিভি সিরিয়ালের রমরমার কালে, দর্শক হলমুখি হতেন না। খ্যাতনামা অভিনেতা জ্ঞানেশ মুখপাধ্যায়কে একবার টিভি সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল সিনেমা-নাটকের পড়তি জনপ্রিয়তা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে। তখন উনি বলেছিলেন টিভি দেখে দেখে ক্লান্ত হওয়া বাঙ্গালীর অবস্থার (বর্তমান) কথা, যখন মানুষ টিভি ত্যাগ করে হলমুখি হবেন। কার্যত এখন তাই দেখা যাচ্ছে। আগে যাঁরা টিভি ছেড়ে উঠতে চাইতেন না তাঁরা টিভি নিয়ে বেশ বিরক্ত। এমন অবস্থা কতদিন চলবে বলা মুশকিল।
    ভাল লাগছে এটা দেখে যে সিনেমা-নাটকের স্বাস্থ্য ফিরেছে!

     
    • ক্যাপাচিনো 4:21 am on September 15, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, তা ঠিক। আমরা বড় হয়েছি বাবা কেন চাকর, বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না, স্বামী কেন আসামী টাইপের সিনেমার নাম শুনে। এখন সেই তুলনায় অনেক ভালো সিনেমা হচ্ছে – দু একটা ছোটদের জন্যও। আদ্যোপান্ত কর্মাশিয়াল সিনেমাগুলি অপদার্থ পরিচালক প্রযোজক অভিনেতাদের পাল্লায় পড়ে এখনও ঘটশ্রাদ্ধ করছে বটে, কিন্তু সেসব ছাড়াও দেখার মত অনেক সিনেমা হচ্ছে, এটাই আনন্দের।

      আর টিভি – রাম রাম।

  • এসপ্রেসো 10:37 pm on September 13, 2013 Permalink | Reply
    Tags: কিটারো, চিন্তাভাবনা, যন্ত্রসঙ্গীত   

    কখনোই বিরক্ত হইনা… 

    110824 music-delave-smনিজেকে বুঝার চেষ্টা মানুষের চীরকালের। আমিও নিজেকে বুঝার চেষ্টা করেছি বহুবার। কখনো মনে হয় বুঝি, কখনো মনে হয় কিছুটা বুঝি আবার কখনো মনে হয় কিছুই বুঝি না। বড় অচেনা লাগে নিজেকে।

    এই যে এতো বছর ধরে ভাত খেয়ে যাচ্ছি প্রায় প্রতিদিন এক বা একাধিক বার। কই বিরক্ত হচ্ছি নাতো। কখনো কখনো টেষ্ট বদলানোর জন্য অন্য খাবার খাচ্ছি ঠিকই কিন্তু আবার ফিরে আসি সেই ভাতে। কেন তার কারণ আমার জানা নেই, এই মুহুর্তে জানতেও চাই না। শুধু এটুকুই জানি/বুঝি যে ভাত থেতে আমার বিরক্ত লাগে না।

    গান (গানের কথা) আর কবিতার সাথে অনেকেই নিজেকে মিলানোর চেষ্ট করে, অন্যভাবে বলা যায় নিজের অবস্থা বা সময়টাকে মেপেনিতে চেষ্টা করে। আমিও করেছি বহুবার। কিন্তু অনেকের মত আমিও পুরোপুরি কখনো পারিনি। যে গান বা কবিতার সাথে নেজেকে মিলানোর সুযোগ আছে বলে মনে হয়েছে সেদিকেই ছুটে গেছি কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোন শব্দ বা বাক্যের করনে মনে হয়েছে ‘নিজের সাথে ঠিক মিলানো গেলো না’।

    স্কুলে পড়ার সময় বাবার সাথে রাতে বিটিভি’তে(বাংলাদেশ টেলিভিশন) প্রামান্যচিত্র দেথতাম। এগুলোর খুব সহজ একটা বৈশিষ্ঠ আছে-প্রথিবীর সুন্দর সব জায়গা একের পর এক দেখানো হবে আর তার সাথে বাজবে য্ত্রসঙ্গীত। তখন থেকেই বোধয় যন্ত্রসঙ্গীতের সাথে আমার প্রেম হয়ে গিয়েছিলো। আর ব্রেকাপ হলো না!

    এতো বছর ভরে ভাত খেয়ে যেমন ভাতের প্রতি বিরক্ত হইনি তেমনি যন্ত্রসঙ্গীতের প্রতিও বিরক্ত হইনি কোনদিন। সুখে-দুঃখে সবসময় এটা আমায় সঙ্গ দিয়েছে।

    অনেক গুনি যন্ত্রসঙ্গীত শীল্পি ছিলেন ও অছেন তাদের কজনকেই বা আমি চিনি। কিন্তু যে কজনকে চিনি তাদের মধ্যে সবথেকে বেছি ভালো লাগে ‘কিটারো’। ঐযে বলেছিলাম গান বা কবিতার সাথে নিজেকে মিলাতে পারি না অনেকের মতই, এই ব্যাপারটা কিটারোর সঙ্গিতের ক্ষেত্রে খাটেনি কোনদিন।

    মানুষ সম্ভবত দুঃখপ্রিয় প্রাণী। তাই কিটারোর প্রায় সব সঙ্গিতের মধ্যেই কম বেশি দুঃখের ছাপ থেকেই যায়। হয়তো তাই কিটারোর মিউজিকের সাথে আমি সহজেই মিলাতে পারি নিজেকে। কোন কথা নেই শুধু সুরের মধ্য দিয়েই দেখা হয়ে যায় নিজের সাথে নিজের। কিটারোর সুর আমায় নিয়ে গেছে পুরোনো কষ্টের পাহাড়ে, নিয়ে গেছে সেই পাহাড় পেরিয়ে মায়াবী জগতে আবার ফিরিয়েও দিয়ে গেছে নিজেকে নিজের মাঝে। এভাবেই চলছে বহুদিন ধরে। কখনোই বিরক্ত হইনা…

    কিটারোর সকল সৃষ্টিই অসাধারন। তাই কোনটি সেরা তা বিবেচনা করার ধৃষ্টতা না দেখিয়ে চারটি অসাধারন ট্রেক শেয়ার করছি-

    ১.Caravansary

    ২.Koi

    ৩.Silk Road

    ৪.Mercury

     
    • ক্যাপাচিনো 4:14 am on September 15, 2013 Permalink | Reply

      যন্ত্রসঙ্গীত এক কালে অনেকদিন চর্চা করেও সময়ের অভাবে আর বার বার জায়গা বদলানোর কারনে সামলে উঠতে পারিনি। তোমার পোস্ট করে ট্র্যাকগুলো অসাধারন লাগল। কিন্তু লেখায় এত বানান ভুল কেন?

      • এসপ্রেসো 4:03 pm on September 15, 2013 Permalink | Reply

        :malu ১. আমি বানানে খুব কাঁচা আর ২. দৌড়ের উপরে লিখছিতো তাই !

  • চাফি 9:57 am on September 13, 2013 Permalink | Reply  

    এইমাত্র খবর পেলাম দিল্লী রেপকেসে চারজন আসামীকেই প্রাণদন্ড দিল কোর্ট। অনেক খারাপ খবরের মধ্যেও এটি নিঃসন্দেহে দৃষ্টান্তমূলক।

     
    • ক্যাফে লাতে 3:16 am on September 14, 2013 Permalink | Reply

      দাঁড়াও, এটা তো সবে প্রথম ধাপ। এরপরে হাই কোর্ট, তারপরে সুপ্রিম কোর্ট, শেষ অবধি কি হয় দেক। আর ওই নাবালকটিকে নিয়ে তো আমি বেশি চিন্তিত

  • ভাঁড়ের চা 3:59 pm on September 11, 2013 Permalink | Reply  

    টি ভি’র রমরমে বাজারের ‘হটকেক’ ধারাবাহিক নিয়ে দু’চার কথা লিখি।
    একসময় নাটক দেখতে খুবই ভালবাসতাম। তাই টিভি আসার পর মনে হয়েছিল ঘরে বসে ভাল ভাল

    নাটক দেখা যাবে হয়ত। দুরদর্শনের প্রথম যুগে যে সব নাটক দেখানো হত তা পাতে দেওয়ার যোগ্য মনে হয়নি।

    তবে বাংলা মেগা সিরিয়ালগুলো নিয়ে অনেক আশা ছিল। প্রথমদিকের সাহিত্যনির্ভর সিরিয়ালগুলো খুব

    একটা খারাপ হত না।
    কিন্তু বাংলা সাহিত্যে “ভাল গল্প-উপন্যাসের ঘাটতি পড়িল”, তাই মেগাসিরিয়াল লেখা শুরু হল, তার

    সাথে শুরু হল যন্ত্রনা! আগে খুব উৎসাহ নিয়ে দেখতাম, কোন কিছু ‘তত ভাল নয়’ মনে হলেও আশায়

    থাকতাম, হয়ত এর পর ভাল হবে। কিন্তু ‘কা কস্য পরিবেদনা’!
    একটা ব্যাপার নাকি আছে, যাকে ‘টি আর পি’ বলে! এটা আমার বোধের বাইরে, কিন্তু আছে! এটা যার

    বেশী সেই সিরিয়াল নাকি বেশী দিন চলে, এবং অখাদ্য ব্যাপারগুলোও বছরের পর বছর চলতে থাকে, উদ্ভট

    উদ্ভট ব্যাপার-স্যাপার নিয়ে। অবশেষে গল্পের গরু গাছে উঠতে উঠতে একদিন ধপাস করে পড়ে, আর

    অপঘাতে মৃত্যু ঘটে (এমনটা কোন কোন সিরিয়ালের ভাগ্যে ঘটতে দেখেছি)! কিন্তু এসব বেশ জনপ্রিয়

    সিরিয়াল ছিল একদা। জনপ্রিয় না হলে লাগাতার টি আর পি উঁচু থাকে ?
    বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বাঙ্গালিদের একটা সুপ্ত অহংকার আছে। সমাজের উঁচু তলার মানুষজন নিয়ে এ অহং,

    সত্যি করেই আমাদের সাজে। কিন্তু এই সব মানুষজন সম্বন্ধে সমাজের কাছে কি বার্তা যাচ্ছে ? জজ,

    ব্যারিষ্টার, উকিল, ডাক্তার, ইঞ্জিনীয়ার, অধ্যাপক,সফল ব্যবসায়ি, কর্পোরেট অফিসের বড়কর্তা – অর্থাৎ

    সমাজের যাঁরা মাথা, সিরিয়ালে তাঁদের ভুমিকা দেখলে মাঝে মাঝে মনে হয় এঁরা এত নির্বোধ ! আর পুলিশ

    ত সর্বদাই নির্বোধতম ভাঁড় !
    অর্থ, মেধা, সুযোগ সবই রয়েছে অঢেল, ভাল বাংলা সাহিত্য ভান্ডারও অফুরন্ত। সদ্‌ব্যবহার করলে

    সোনা ফলতে পারে। অথচ সেটা না করে–
    বাংলা ও বাঙ্গালি সম্পর্কে জনমানসে ভুল বার্তা যাচ্ছে !

     
    • ক্যাপাচিনো 6:48 pm on September 11, 2013 Permalink | Reply

      ঐ শেষের লাইনটাতেই এক্কেবারে খাঁটি কথাটি বলেছেন। ভুল বলে ভুল, উফফ। আজকাল কদিন বাড়িতে টিভি চলছে না বলে কি শান্তিতেই আছি।

  • ক্যাফে লাতে 3:21 pm on September 10, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    ভবিষ্যদবানী 

    হ্যাঁ, আমি একটা ভবিষ্যদবানী করছি। একটা জনপ্রিয় বাংলা চ্যানেল কে নিয়ে। এরা , যে কোন কারণেই হোক, এদের বিভিন্ন সিরিয়াল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাগুলিকে ধরে ধরে সিরিয়াল করছে। আর করছে সেই সব জেলাগুলিকে ধরে, যেগুলির আপাতভাবে উন্নতি কম হয়েছে (কলকাতা এবং আশেপাশের জেলাগুলির তুলনায়)। সেইসব সিরিয়ালের নায়িকারা সব এক একটি সরল , সৎ কন্যে, তারা তাদের লোকাল অ্যাক্সেন্টে ভোকাল, আর সদাসর্বদা ফিউশন ফ্যাশনে সুসজ্জিতা। এরা সবাই কলকাতা শহরের সব ধনী বা উচ্চবিত্ত পরিবারের রূপবান, সফল, প্রতিষ্ঠিত ছেলেদের বিয়ে করছে, তারপরে বাংলা সিরিয়ালের থিওরি মেনে স্বশুরবাড়ীতে যথেষ্ট অপমানিত, লাঞ্ছিত হচ্ছে, এবং তারপরে যেভাবেই হোক না কেন, সেই শ্বশুরবাড়ীতেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে, স্বামী -শাশুড়ীর মন জয় করছে, এবং এইভাবেই মহানাগরিক জীবন স্রোতে মিলে মিশে যাচ্ছে।
    এই নিয়ে অনেক বড় তত্ব লেখা যেতে পারে, মিডিয়া এবং ফিল্ম নিয়ে যে সব ছাত্ররা পড়াশোনা করে তাদের ডিজার্টেশন পেপার হয়ে যেতে পারে। আমি সেদিকে এগোচ্ছি না। আমি ভবিষ্যদবানী করতে এসেছি, সেটুকুই করব। এই চ্যানেল পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, এবং নদীয়া ছুঁয়ে ফেলেছে। সম্প্রতি ঢুকেছে মুর্শিদাবাদে। আর কিছুদিন অপেক্ষা কর – বছর ঘুরতে হবে না, মালদা-দুই দিনাজপুর হয়ে দার্জিলিং ছুঁল বলে 🙂 আমরা খুব শিগগির চা বাগানের পটভূমিকায় কোন মিষ্টি দেখতে নেপালি /খাসি/গারো মেয়ের সাথে রাজধানী কলকাতার কোন হ্যান্ডসাম ছেলের প্রেমের গল্প দেখতে পাব।

    দেখে নিও, এই ভবিষ্যদবানী মেলে কিনা !!

     
    • ভাঁড়ের চা 6:57 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

      ওপরের লেখাটা চ্যানেল কতৃপক্ষের নজরে পড়লে ? তাতেও ভবিষ্যৎবানীটা লাগু থাকছে ত’ ?

    • ক্যাপাচিনো 7:36 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

      ভাবছি আমিও এই ফাঁকে একটা ভবিষ্যতবানী করি যে এই সব সিরিয়াল তৈরি হওয়া বন্ধ হোক। যদি তাতে সমাজের কিছু উপকার হয়।

  • ক্যাফে লাতে 3:02 pm on September 10, 2013 Permalink | Reply  

    পাটুলির মোড়ের নাম বদলে আপাততঃ হয়েছে আম্বোলি ক্রসিং। কেন বলতে পার?

     
    • ভাঁড়ের চা 7:12 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

      ‘আম্বোলি’ ব্যাপারটা কি ? আধুনিক যুবসমাজের সৃষ্ট কোন নতুন কথা নয়ত ? ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম কিন্তু ! ব্যাখ্যা প্রয়োজন ।

      • ক্যাপাচিনো 7:17 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

        আম্বোলি? :bingung
        গুগল সার্চ করে দেখি আম্বোলি হচ্ছে মহারাষ্ট্রের কোন এক পাহাড়ি জায়গা।

        • ক্যাফে লাতে 11:56 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

          ঠিক! আম্বোলি হল মহারাষ্ট্রের কোন এক জায়গা। আমি একথা বললাম, কারণ পাটুলির মোড়ে বিশাল করে গনেশ পুজো হচ্ছে 🙂 গনপতি বাপ্পা মোরিয়া বলে মাইকে গান হচ্ছে। বেশিরভাগ লোকজন যারা ওখানে বসে আছে, তাদের মুখচোখ রীতিমত , ইংরেজিতে যাকে বলে ক্লু-লেস 🙂 বিশেষত রিকশাচালকেরা। আর সাতদিন বাদে তারা বিশ্বকর্মা পুজো করবে বলে সবে বাঁশ বেঁধেছে রাস্তার এক দিনে, আর অন্যদিকে হঠাৎ গণেশ দাদার আগমণ! তারা খিচুড়ি নিয়ে খাচ্ছে অবশ্য, আর মনে মনে ভাবছে, লোকে এবার বিশ্বকর্মার জন্য চাঁদা দিলে হয়!

          এক বাংলা সিরিয়ালেও দেখলাম গণেশ চতুর্থী মহাসপ্তাহ না মহা পর্ব কি যেন একটা। সেখানে গণেশের দয়ায় হিরো ঠিক সময়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে হিরোইনকে ভিলেনের হাত থেকে রক্ষা করে।

          এবছর ভারতের পূর্ব দিকে হঠাৎ করে গণেশদাদা কেন দেখা দিলেন ঠিক বুঝছি না। সামনে ২০১৪ বলে নাকি??

    • ভাঁড়ের চা 3:47 pm on September 11, 2013 Permalink | Reply

      যে কারণে আমরা “ধান্তেরাস” উপলক্ষে হঠাৎ করে গহনা কিনতে উৎসাহি হই, ঠিক সেই কারণে গনেশ পুজোতেও উদ্দিপ্ত হই। এটা একটা হুজুক, কারণে-অকারণে বাঙ্গালিরা যার প্রতি প্রবলভাবে দুর্বল!
      একই রকম ভাবে আমরা একদা পাড়ার মোড়ে মোড়ে শনিমন্দির বানিয়ে অতি উৎসাহে শনিপুজো করতে অভ্যস্ত হয়েছিলাম! এখন অবশ্য এই হুজুকটা আর নেই বলেই মনে হয়।
      আম্বলি যে একটা স্থানের নাম এটা জানতাম না!

  • ক্যাপাচিনো 12:31 pm on September 10, 2013 Permalink | Reply  

    পুজো এগিয়ে আসছে কিন্তু পুজো পুজো মনে হচ্ছে না। শরৎ এসে গেল তবু বৃষ্টি থামছে না। রাস্তাঘাটের অবস্থাও তথৈবচ। ভাবছি আনন্দের মুহুর্তগুলো কিভাবে কমে আসছে। কি করলে সেই ছোটবেলার আনন্দ ফিরে আসবে কে জানে – এক মাঝে মাঝে মেয়ের সাথে খেলতে খেলতে ছোট হয়ে যাই – এইটুকু ভালোলাগা নিয়েই এগিয়ে চলা। সম্প্রতি তার দুটি দাঁত গজিয়েছে – সে আমাকে দেখিয়েই শান্ত হল না, বরং হাত টেনে মুখে নিয়ে টুক টুক করে কামড় দিয়ে দেখাল – বাবা আমিও পারি।

     
    • ভাঁড়ের চা 7:03 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

      আমার অনেককাল আগের কথা মনে পড়ে গেল যে ! ” চক্রবৎ পরিবর্তন্তে—“

      • ক্যাপাচিনো 7:15 am on September 11, 2013 Permalink | Reply

        তা তো বটেই। এক বছর আগে সে এখনও পৃথিবীর আলো দেখেনি আর আজ সে আমার সঙ্গে রীতিমত কুস্তি করে।

  • ক্যাফে লাতে 3:41 am on September 6, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মস্তিষ্ক,   

    ফরেন অ্যাকসেন্ট সিনড্রোম 

    আজ্ঞে হ্যাঁ! এটাও একটা অসুখ।
    এই মনে করুন আপনার খুব জোর অসুখ করল, আপনি কোমায় চলে গেলেন, অথবা খুব মাথা যন্ত্রনায় কষ্ট পাচ্ছেন, তারপরে জ্ঞান ফিরলে বা সুস্থ হলে দেখলেন আপনি হঠাত চীনা অথবা স্প্যানিশদের মত করে কথা বলছেন!! কি সাঙ্ঘাতিক কান্ড!!
    উইকিপিডিয়া বলছে এটা নাকি হয় মস্তিষ্কের ভেতরের অংশগুলির কাজের অসামঞ্জস্যের জন্য। সে তো কত কিছুই হয়। তাই বলে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে সেরে উঠে দেখব আমি জাপানিদের মত কথা বলছি, এটা কি ঠিক ?? 🙁

    আমার আবার ভয়ানক মাইগ্রেন!!

     
    • ক্যাপাচিনো 7:49 am on September 6, 2013 Permalink | Reply

      কি সাংঘাতিক। বেচারা চীনেরা অসুস্থ হলে কি হবে? ইঁদুর টিদুরের ভাষা বেরোবে না তো আবার?

  • ভাঁড়ের চা 3:03 pm on September 5, 2013 Permalink | Reply  

    কি পুজো, দুর্গা, না থিম ? 

    পুজো এসে গেল ।আর মাসখানেক বাকি। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল দিন গুনে যাচ্ছে ! বিশেষকরে খবরের চ্যানেলগুলো। আর গরম গরম আলোচনা চলছে কে কি প্ল্যান করছে। নানা শিল্পী একা বা একত্রে তিনি বা তাঁরা কোথায় কি কি কাজ করছেন বা করবেন তার ধারনা দিয়ে চলেছেন, তবে একটু রেখে ঢেকেই! কথা বার্তা শুনে ত তাই মনে হচ্ছে, অবশ্য যদি বুঝতে পেরে থাকি। এঁদের কথায় একটা জিনিষ খুব আসছে যা কিনা ‘থিম’!
    থিম অবশ্য এবারেই প্রথম নয়, দীর্ঘকাল ধরেই ‘থিম’ পুজো হচ্ছে। শুরুটা কবে হয়েছিল বলা সম্ভব নয়, তবে ব্যাপারটা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে গেছে। অনেকদিন চলবে মনে হয়।
    বেশ কিছু বছর ধরে আমার মনে একটা বড় জিজ্ঞাসা আছে যা অনেককেই করেছি কিন্তু সদুত্তর পাই নি। আমরা পুজোর সময় কি পুজো করি, প্রতিমা না কি থিম ? আমরা সাজুগুজু করে ‘ঠাকুর’ (প্রতিমা বললে বোধ হয় সঠিক হয় ) দেখতে বেরিয়ে আসলে কি দেখি, প্রতিমা না থিম ? থিমের আড়ম্বরে প্রতিমা কিন্তু একেবারেই গৌন হয়ে পড়ে! কোন দর্শককে যদি প্রতিমা কেমন হয়েছে জানতে চাওয়া হয়, ত সে কিন্তু প্রতিমা সম্পর্কে কিছুই বলবে না, বিস্তারিত বলতে শুরু করবে থিম নিয়ে।
    শেষ পর্যন্ত ‘শারদোৎসব’এর নাম ‘থিমোৎসব’ হয়ে যাবে নাত ?

     
    • ক্যাপাচিনো 8:40 am on September 6, 2013 Permalink | Reply

      সত্যি কথাই। আমার অবশ্য বরাবরই সাবেকী, ডাকের সাজের ঠাকুরই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। থিম পুজোর চক্করে এবার তো একটা থিমে সাপের ছবি দেখতে পাচ্ছি অনেক জায়গায়।

      • ক্যাফে লাতে 3:06 pm on September 10, 2013 Permalink | Reply

        ওরে পাগল ওটা শুধুমাত্র সাপের থিম নয়। ওটা হচ্ছে মনসা- চাঁদ সদাগর-বেহুলা ইত্যাদি । অন্তত আমার তাই মনে হচ্ছে। কারণ ওদের হোর্ডিং বলছে – হরিশ মুখার্জির ডান হাতে/পুজো এবার বাম হাতে। তা বাম হাতে পুজো তো করেছিল বিজনেস টাইকুন চাঁদ। মানে, তার আগে লেডি মনসার পুজো করেনি বলেই না মনসা টাইফুনে তার মার্চেন্ট শিপগুলো সব ডুবিয়ে দিয়েছিল। ওই সবই দেখাবে বোধ হয়। তবে কিনা এদের যা থিমের হিড়িক, দেখলে হয়ত মন্ডপে চারটে বেতের ঝুড়িতে সাপ রেখে দিয়েছে !
        তা সে দিক বা না দিক, আমি ওদিকে যাচ্ছি না। সাপে আমার খুব বিরক্তি এবং ভয়। খামোখা পুজোর দিনে আলাদা করে চাপ নিতে চাই না।

        • ক্যাপাচিনো 5:47 pm on September 10, 2013 Permalink | Reply

          :cd হায়রে কপাল আমার। আরও কত থিম আছে কে জানে।

    • ভাঁড়ের চা 2:42 pm on September 7, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, কোনও একটা চ্যানেলে সাপ নিয়ে আলোচনা চলছিল মনে হয়। শেষ পর্যন্ত কদ্দুর যে গড়াবে কে জানে!

  • ক্যাফে লাতে 11:54 am on September 1, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    ভাষা হারাচ্ছি আমরা 

    একটা খবরে পড়লাম, গত পঞ্চাশ বছরে ভারতবর্ষ ২২০টা ভাষা হারিয়েছে!!

    এর মধ্যে বেশিরভাগই হল সেইসব ভাষা , যা মূলতঃ আদিবাসী বা যাযাবর মানুষেরা ব্যবহার করতেন। এইসব ভাষা গুলি যদি চালু থাক্ত, তাহলে দেশের ৪%-৫% মানুষ সেগুলি ব্যবহার করতেন। শতাংশটা শুনতে কম লাগছে, কিন্তু আসলে তা প্রায় ৫ কোটি মানুষের সমান!!

    ১৯৬১ সালের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে ছিল ১১০০ ভাষা। এখন যে এতগুলি ভাষা লুপ্ত হয়েছে তার একটা প্রধাণ কারণ সরকারের কিছু নীতি। এই বিষয়ে বিস্তারিত খবর বেরিয়েছে এই লিঙ্ক- এঃ
    http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2013-08-09/india/41237182_1_the-plsi-linguistic-survey-bhasha-research

    বাংলা ভাষাও বোধ হয় খুব দ্রুত ওই দলেই নাম লেখাবে, যদি না আমরা এখন থেকেই একটু সচেতন হই। হব কি??

     
    • ক্যাপাচিনো 7:09 pm on September 1, 2013 Permalink | Reply

      কি সাংঘাতিক – যে দেশের সরকার ভগত সিং কে শহিদ মানে না, সে দেশে তো এরকমটাই হবে।

    • ভাঁড়ের চা 3:05 pm on September 3, 2013 Permalink | Reply

      বাংলা ভাষার লোপাট হওয়া বোধ হয় একেবারে অসম্ভব নয়! আমরা যারা বিদেশে পড়তে বা বসবাস করতে যাই, তারা খুব শীঘ্রই বাংলা ভুলে যাই বা ভুলতে চেষ্টা করি। আর প্রবাসী বাঙ্গালী যাঁরা তাঁরাও বাংলা বিশেষ মনে রাখায় সচেষ্ট হন না। শহুরে এবং চাকুরে বাঙ্গালিরাও অনেক সময় ইংরাজি ব্যবহারে বাধ্য হয়ে বাংলা ভুলে যান বা ছেলে মেয়েদের ইংরাজি মাধ্যমে পড়াতে বাধ্য হন। সুতরাং শহরে বাংলার ভবিষ্যত খুব একটা উজ্জল নয়! তবে গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখনও বাংলার ওপরই ভরসা করে। সরকারি কাজকর্ম বাংলায় বাধ্যতামুলক করলে ভরসাটা আরও পোক্ত হয়। ভাষাটাও আরও দীর্ঘজীবি হয় !

      • ক্যাপাচিনো 8:05 am on September 6, 2013 Permalink | Reply

        বাংলা ভাষার অবস্থাও খুব ভালো কিছু নয় বলেই আমার মনে হয়। আমার তো ঘোরতর সন্দেহ এই যে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে গেলে আমাদের মত কফিহাউজের কিছু লোকজনকে নিয়ে গিয়ে খাঁচায় পুরে না রেখে দেয়। :hammer

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel