Updates from August, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ভাঁড়ের চা 3:24 pm on August 12, 2013 Permalink | Reply  

    আড্ডা-১৪

    পোষ্টেজ ষ্ট্যাম্পের গপ্পো বলি এবার। আসলে সেদিন শুনবার পর থেকে বলার জন্য মুখিয়ে আছি

    কিন্তু সময় হচ্ছে না।
    ১৬৫৩ বা কাছাকাছি সময়ে প্রথম চালু হয়েছিল চিঠি চালাচালি ব্যাপারটা। কে যেন ভেবেছিলেন

    সংবাদ আদান প্রদানের প্রয়োজনীয়তা। প্রথমেই ত আর ষ্ট্যাম্প তৈরী হয় নি। যাদের সংবাদ পাঠাবার দরকার

    তারা একটা কাগজে লিখে সেটা ভাঁজ করে একটা জায়গায় জমা দিত। যারা তা বহন করবে তারা সেটা

    পড়ে নিয়ে যদি পাঠাবার মত হয়েছে বলে ভাবত’ তবে সেসব নিয়ে ঠিকানায় লেখা জায়গায় প্রাপকের কাছে

    পৌঁছে দিত। তখন ত’ ষ্ট্যাম্প ছিলনা, প্রাপক উপযুক্ত মাশুল দিয়ে ছাড়িয়ে নিত। এমনটাই রীতি ছিল কিনা!

    এই ব্যবস্থা প্রায় শ’দুয়েক বছর চালু ছিল।

    তবে এতে অনেকের আপত্তি ছিল। কেননা নিজের লেখা অন্যে পড়ুক এটা কে আর চায় !

    এর ওপর একদিন হল কি, একজন দরিদ্র লোক চিঠি হাতে পেয়ে সেটা পড়ে দেখে বাহকের হাতে ফেরত

    দিয়ে দিল, চিঠিও নিল না পয়সাও দিল না। বাহক প্রশ্ন করে জানল, তার ছাড়ানোর মত পয়সা নেই!

    তাছাড়া,প্রেরক-প্রাপকের ব্যবস্থামত সাংকেতিক ভাষায় লেখা চিঠি ইতিমধ্যে পড়াও হয়ে গিয়েছে! কি জন্য

    পয়সা দেবে সে ?
    কতৃপক্ষ প্রমাদ গনলেন। এতে ব্যবস্থা ভেস্তে যাবার সমুহ সম্ভাবনা! তখন ঠিক হল, প্রেরকই ডেলিভারি

    ইত্যাদির খরচ দেবে, প্রমাণস্বরূপ চিঠির ওপর একটুকরো কাগজ সেঁটে দেওয়া হতে লাগল। এতেও নানা

    ধরনের অসুবিধা ( জালিয়াতির মত ব্যাপার আর কি ) দেখা দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত নানা পর্যায় পেরিয়ে আধুনিক

    ব্যবস্থায় আসা গিয়েছিল! এটা ১৮৫৩/৫৪ নাগাদ।
    খুব কৌতুহলোদ্দীপক গপ্পো, কি বলেন ?

     
    • ক্যাপাচিনো 2:26 pm on August 15, 2013 Permalink | Reply

      আরে, এ তো দারুন গল্প। ভালো ভালো।

    • ক্যাফে লাতে 1:45 am on August 20, 2013 Permalink | Reply

      এই গল্পটা চলতে থাকুক। এটা নিয়ে একটা বিস্তারিত লেখা কিছুদিন আগে একটা পত্রিকায় পড়েছিলাম। কিভাবে আধুনিক স্ট্যাম্প এসেছিল…।

  • কফি মেকার 9:56 am on August 10, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    লেখক, পাঠক ও সম্পাদক – বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিন নিয়ে সেমিনার 

    বিভিন্ন বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিনকে নিয়ে একটি বাংলা সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। 993947_565130910217736_8676493_n

    এই সেমিনারের উদ্দেশ্য হলঃ
    ১ – বিভিন্ন ওয়েবম্যাগগুলোর সাথে উপস্থিত দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
    ২ – ওয়েবম্যাগ সম্পর্কে মানুষজনকে পরিচিত করে তুলে পাঠকের পরিধি বাড়ানো।
    ৩ – অন্যান্য ছাপা পত্রিকার সম্পাদকদের ওয়েবম্যাগ গড়ে তুলতে আগ্রহী করে তোলা।

    আপনারা যদি কলকাতায় থাকেন এবং আসতে পারেন, তাহলে খুব ভালো হয়। সেমিনার সম্পর্কে জানুন এখানে :
    http://bit.ly/122PUvR

    সেমিনারের ফেসবুক পেজঃ
    http://www.facebook.com/events/256799987785016/

     
    • এসপ্রেসো 8:12 pm on August 10, 2013 Permalink | Reply

      আসতে পরলে ভালো লাগতো কিন্তু তা তো সম্ভব হচ্ছে না। তবে সেমিনারের পর আলোচনা সম্পর্কে আপনি একটা পোষ্ট করলে ভালো হয়।

    • ক্যাফে লাতে 4:19 am on August 11, 2013 Permalink | Reply

      বাহঃ যাব ভাবছি সময় করে।

    • ভাঁড়ের চা 1:49 pm on August 14, 2013 Permalink | Reply

      একটু ঔৎসুক্য ত আছেই। তাই,সেমিনারের সংক্ষিপ্ত বর্ণ্না পেলে ভাল লাগত, জানা যেত সব।
      অপেক্ষায় থাকলাম।

  • ভাঁড়ের চা 2:58 pm on August 9, 2013 Permalink | Reply  

    বাচ্চা-বুড়ো সবার মুখের মিষ্টি মা ডাকের রুপান্তর—
    “মা > মাম্মী> মামা > মাম্মা > মাম > মাম-মাম > মম” ইত্যাদি !
    আর বাবা ডাকের রুপান্তর—–
    “বাবা > বাবি > বাপি > বাবু > পাপা > বাপ (একটু গ্রাম্য হলে)” ইত্যাদি !
    এর সবটাই (মা-বাবা বাদে) হয় তথাকথিত ইংরাজি মাধ্যম স্কুল আর না হয় টিভি মেগাসিরিয়ালের

    অবদান।
    আর কোন ডাক-রুপান্তর জানা থাকলে বলতে পারেন, অজ্ঞতা দুর হবে !

     
    • ক্যাপাচিনো 9:22 pm on August 23, 2013 Permalink | Reply

      আমার খুকি (এখনও এক বছর হয় নি) – বাবাকে ডাকে বাবাই আর মাকে ডাকে ম্যা বলে :thumbup

    • ক্যাফে লাতে 12:14 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply

      আমি একটি নিখাদ বাঙালি বাচ্চাকে জানি, যে নিজের মা কে মা বলে ডাকলেও বাবাকে ড্যাডি বলে ডাকে । সেটা অবশ্য তার ড্যাডিই তাকে ডাকতে শিখিয়েছেন।

      আর আমি নিজে আমার বাবাকে এমনিতে বাবা বলেই ডাকি, তবে রেগে গেলে মাঝে মাহে কিপ্টে বুড়ো বলেও ডাকি !! :ultah

  • এসপ্রেসো 9:00 am on August 9, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ঈদ   

    eid
    ঈদ মোবারক, কফিহাউজের সকল কফিদের ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাই।

     
    • ভাঁড়ের চা 2:33 pm on August 9, 2013 Permalink | Reply

      আপনাকেও অনেক শুভেচ্ছা আর ভালবাসা।

      • এসপ্রেসো 9:14 pm on August 9, 2013 Permalink | Reply

        :sungkem

    • ক্যাপাচিনো 4:31 am on August 10, 2013 Permalink | Reply

      ঈদ মোবারক এবং সেই সঙ্গে অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা আমার তরফ থেকেও :thanks2

      • এসপ্রেসো 8:07 pm on August 10, 2013 Permalink | Reply

        :selamat ঈদ মোবারক

    • ক্যাফে লাতে 4:20 am on August 11, 2013 Permalink | Reply

      আমি অনেকদিন পরে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। অনেকদিন পরে তো কি হয়েছে, জানাচ্ছি তো 🙂

      • এসপ্রেসো 8:11 pm on August 12, 2013 Permalink | Reply

        :ngacir2 আহা, কি কপাল আমাগর…(হি হি হি..ঈদ মোবারক)

  • ক্যাফে লাতে 2:57 am on August 8, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ফ্রেন্ডশিপ ডে,   

    বন্ধু দিবস , বন্ধু দড়ি, বন্ধু তালিকা 

    ভাঁড়ের চা এর লেখার সূত্র ধরে এই পোস্ট।

    সালটা ১৯৯৯। আমি একটা প্রতিষ্ঠানে যেতাম মাল্টিমিডিয়া ট্রেনিং নিতে। সেখানে এইরকম আগস্টের এর সকালে, মনোজ, সেখানেই সম্ভবতঃ মার্কেটিং এ কাজ করত, আমারই কাছাকাছি বয়স, হঠাৎ এসে আমাকে বল্ল – আরে তুমনে ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড নহি পেহনি? আমি অবাক হয়ে বললাম- ওহ কেয়া হ্যায়? তাতে সে আমার দিকে অত্যন্ত করুণার চোখে তাকিয়ে যা বল্ল, তার বঙ্গানুবাদ হল – আমার মত দুর্ভাগা কেউ আর নেই। আমি ফ্রেন্ডশিপ ডে তে ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড হাতে না পড়ে ঘুরছি !! এ একেবারে আপামর ফ্রেন্ডস দের প্রতি অত্যন্ত অবিচার। এবং এই দিনটা যে ফ্রেণ্ডশিপ ডে সেটাও যে আমি জানি না, তার জন্য আমার নির্ঘাত দ্বীপান্তর হওয়া উচিত।

    তারপরে সে আমাকে তার ব্যান্ড দেখাল। দেখলাম, তার হাতে একটি রামধনু স্ট্রাইপ দেওয়া ইল্যাস্টিকের ব্যান্ড। তখন আমার দিশি মাথা আলোকিত হল!! – এই বস্তুটিকে তার আগের বছর বিখ্যাত করেছেন শাহরুখ খান , ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ছবিতে। আর বাজার সেই সূত্রটুকু ধরে নিয়েছে কচি মাথা চিবোনোর জন্য। স্মৃতি বলছে, তার আগে অবধি ভারতে ফ্রেন্ডশিপ ডে এর কোন ধারনা ছিল না। ওটিকে এদেশে আমদানি করেছিলেন স্বর্গত যশ চোপড়াজী।

    ৯০-৯১তে বিশ্বায়নের পরে পরে এইসব দিন-টিন আমাদের দিনযাপনকে ক্রমশঃই জটিল করে তুলছে। কিছুদিন আগে পরপর গেছে মাদার্স ডে, ফাদার্স ডে। তার পরে আবার দেখলাম একদিন হল পেরেন্টস ডে!! এই তো বাবা-মাকে নিয়ে আলাদা করে একবার আদিখ্যেতা হল, আবার এক সাথে?? ছোটবেলায় তো জানতাম, পেরেন্টস ডে মানে যেদিন স্কুলে বাবা-মা রা সবাই যান, আর আমরা নাচ -গান অনুষ্ঠান করি…

    ভ্যালেন্টাইন্‌স্‌ ডে যে কি বস্তু সেটা জানলাম কলেজে এসে। এই দিনে গোলাপ এবং চকোলেট পাওয়া ক্লাসের বন্ধুদের দেখে বুঝলাম, নারী জন্ম বৃথা, যদি একটি দেদার আহলাদ দিতে পারা বালকবন্ধু না থাকে!!

    ইদানীং বন্ধু দিবস দিশি ব্যবসায়ের মধ্যে ঢুকে গেছে। রাখী পূর্নিমার আগে-পিছে আসে বলেই, এই সময় থেকেই রাখী ব্যবসায়ীরা বন্ধু-দড়ির ব্যবসা করতে থাকেন। বন্ধু-দড়ি কি, তা যদি না বোঝেন, তাহলে বলি- এটি প্রায় একটি রাখীই- শুধু মাঝখানে ওই বড় কারুকার্য করা চাকতিটা থাকে না। আজকাল স্কুলে পড়া বাচ্চাদের বাবামায়েদের এই এক নতুন খরচা বেড়েছে- সারা ক্লাসের জন্য বন্ধু দড়ির যোগান দিতে না হলেও, অন্তত ডজন খানেক তো দিতেই হয়।

    গতকাল আমার বাড়ীর সাহায্যকারিনী মহিলা আমাকে এসে অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানিয়েছে, তার ১৬-১৭ বছরের ছেলে ‘ফ্রেন্ডসি’ না কি দিনে হাতে দশ বারোটা সুতো বেঁধে এসেছে। সেই ছেলে এতদিন বোনেদের কাছে রাখী বাঁধত না। কিন্তু ইদানীং প্রেমে পড়ে তার এহেন পরিবর্তন !!

    শেষে একটাই কথাঃ বিশ্বায়নের সাথে ফ্রি বন্ধু দিবস আমদানি করেছিলেন মনমোহন সিং, বন্ধু দড়ির খোঁজ দিয়েছিলেন যশ চোপড়াজী, আর বন্ধুদের যে তালিকাভুক্ত করতে হয়, সেটা আমাদের শিখিয়েছেন মার্ক জুকারবার্গ!!

     
    • ক্যাপাচিনো 6:23 am on August 8, 2013 Permalink | Reply

      অসম্ভব ভালো লেগেছে বললেও কম বলা হয়। :sungkem

      • ক্যাপাচিনো 6:31 am on August 8, 2013 Permalink | Reply

        “গতকাল আমার বাড়ীর সাহায্যকারিনী মহিলা আমাকে এসে অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানিয়েছে, তার ১৬-১৭ বছরের ছেলে ‘ফ্রেন্ডসি’ না কি দিনে হাতে দশ বারোটা সুতো বেঁধে এসেছে। ”
        :hammer

    • ভাঁড়ের চা 6:53 am on August 9, 2013 Permalink | Reply

      নানা দড়ি আর দিবসের কথা শুনলাম! ‘ধান্তেরাস উৎসব’-এর নাম কয়েকবছর আগে পর্যন্তও শুনেছেন কেউ? অন্ততঃ কখনো বাঙ্গালী বাডির উৎসব বলে ভেবেছেন-ই কেউ ? কিন্তু এটা এখন বাঙ্গালীদের জাতিয় উৎসবের অন্তর্গত! ঐ সময় গহনা না কিনলে নাকি চলেই না ! হুজুগ আর কাকে বলে ?

  • ক্যাপাচিনো 6:25 pm on August 7, 2013 Permalink | Reply  

    বাংলা নিয়ে হইচই 

    শুনলাম ইন্টারনেটে বাংলায় লেখা ও সাহিত্যচর্চা নিয়ে নাকি বিশাল হইচই বেধেছে কলকাতায়। সত্যি নাকি? যারা জানেন – তারা একটু খুলে বলবেন কি?

    আমরা তো সামান্য ব্লগার যাকে বলে আদার ব্যাপারি, এখন খোদ কফিমেকার যদি এসে আমাদের এত্তেলা না দেন, তাহলে আমরা যাই কোথায় – আপনারাই বলুন। যাইহোক, কফিমেকার যদি এসবের মধ্য থেকে থাকেন, তাহলে আশা করছি আমরাও নেমন্তন্ন পাব।

    কফিহাউজের আড্ডা হইহই করে চলতে থাকুক। এদিকে এসপ্রেসো, ব্ল্যাক কফি, কোল্ড কফি এরা সব হাওয়া। কোথায় গেল কে জানে?

     
    • ক্যাফে লাতে 4:14 am on August 8, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ হ্যাঁ, কফিমেকার আমাকে তো জানিয়েছে। তোমাকেও জানাবে নিশ্চয়। সে নাকি খুব জমজমাট ব্যাপার হতে চলেছে ১২ তারিখ। সেটা অবশ্য সোমবার। সেটা একটা সমস্যা যে কতজন আসতে পারবে। তবে আমি বাপু যাচ্ছি। শুনলাম সব বিখ্যাত ওয়েব ম্যাগাজিনরা আসবে। আমাদের মত ফচকে আড্ডাবাজির ব্লগের কি আর সেরকম কদর হবে? তবে কফিমেকার যাবে বলেছে, আমাদের ব্লগ নিয়ে।

      • ক্যাপাচিনো 6:32 am on August 8, 2013 Permalink | Reply

        ব্যাটা নচ্ছার কফিমেকার – আমায় বলিস নি?

  • ভাঁড়ের চা 3:52 pm on August 6, 2013 Permalink | Reply  

    প্রতিবছর আগষ্ট মাসের প্রথম রবিবার হল, International Friendship Day । এবছর ঐ দিনটা পড়েছে ৪ঠা আগষ্ট। ঐ দিন আবার কিশোর কুমারের জন্মদিন। একইদিনে দুটি দিন পড়াতে একটু ঘাবড়ে গিয়েছিলাম! কিশোর কুমারের জন্মদিন কিনা ‘আন্তঃ বন্ধুত্ব দিবস’ আর আমি সেটা জানিনা ? নিজেকে ‘শেম, শেম’ বললাম যে কতবার তার হিসেব নেই! অনেক, অনেক বার!
    অবশেষে অগতির গতি নেট খুলে দেখা গেল একটা গপ্পো। ‘ Happy Friendship Day- Actual Story Behind’-এ সার্চ মেরে পাওয়া গেল সেটা। এখানে বলে সময় নষ্ট করছি না, দেখে নিলেই চলবে।
    প্রশ্ন এসে গেল একটা। আমাদের যারা প্রিয় বন্ধু, তাদেরকে বছরের ওই একটা দিনই মনে করব শুধু ? সেদিন একটা SMS বা অভিনন্দনপত্র পাঠিয়ে গোটা বছর যোগাযোগের দায় সেরে দেব ?
    বন্ধু নিয়ে আর একটা কথা খুব শুনতে পাই আজকাল। কেউ তার বন্ধু সম্পর্কে এমন প্রায়ই বলে থাকে ” ও আমার খুব ভাল বন্ধু”! এর অর্থটা কি ? বন্ধুরা তাহলে খারাপও হয় ? তাহলে সে বন্ধু রইল কোথায় !
    কি যে মুশকিল ! বুঝতেই পারি না ব্যাপারগুলো ! দিনকালের অবস্থা ভাল নয় বোধ হচ্ছে !!

     
    • ক্যাপাচিনো 5:16 pm on August 6, 2013 Permalink | Reply

      হে হে, তা নয় ব্যাপারটা হচ্ছে গিয়ে এই যে সময়ের সাথে সাথে বন্ধু শব্দের সামান্য উত্তরণ হয়েছে – এখন সামান্য পরিচিত হলেই বন্ধু। তাই যারা কিনা আদপেই ল্যাঙ্গোটিয়া ইয়ার দোস্ত, তারা হয়ে যাচ্ছে গিয়ে ভালো বন্ধু। এই আর কি। :salaman

    • ক্যাফে লাতে 2:24 am on August 8, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ ঠিক, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌরাত্ম্যে (এর বাংলা কি হবে – সামাজিক মাধ্যম ? 🙂 ) এখন এত ফ্রেন্ডস জীবনে কি বলব আর… ফেসবুকে দেখি একেজনের ৩০০০,৪০০০ করে বন্ধু…।আমি তো আমার নিজের ফ্রেন্ডস লিস্টে এত “বন্ধু” আছেন, তাঁদের অনেকের সাথে একটাও কথা বলিনি, কেন তাঁরা আমার বন্ধু তালিকায় তাও মনে নেই। যখন যোগ করেছিলাম নিশ্চয় কিছু একটা ভেবে, অথবা কোন ধান্দায় করেছিলাম, এখন আর মনে নেই 🙁

    • ভাঁড়ের চা 7:38 am on August 9, 2013 Permalink | Reply

      পাল্লায় পড়ে একটা সোশ্যাল মিডিয়ার সদস্য হয়েছিলাম ! কিন্তু একদিনও খুলে দেখা হয়নি এতে কি হয়। এইমাত্র শুনলাম ৩০০০/৪০০০ বন্ধু হয়ে যেতে পারে! ভারি মুশকিল অতগুলো বন্ধু ম্যানেজকরা। তাছাড়া পাসওয়ার্ড না থাকলে যে সেই বন্ধুদের সাথে কথাবার্তা দুর অস্ত্‌, তাদের নাম ইস্তক দেখতে পাওয়া যায় না, সেটা জানা ছিল না। তাই কারও নাম দেখা যায় নি। সে বাবদে ঐ সাইটের যারা মালিক তাদের মেইল-মেইলে আমার মেইল-বাক্স ভারাক্রান্ত !
      ‘খারাপ বন্ধু’ যারা হয় তারা কি ঐ রকম বন্ধু নাকি !
      এটাও ভারি মুশকিল!!

    • ক্যাফে লাতে 4:22 am on August 11, 2013 Permalink | Reply

      বন্ধু কখনো খারাপ হয়না। শত্রুরা খারাপ হয়। আর আজকের দিনে, সোশ্যাল মিডিয়া যাদের বন্ধু তালিকাভুক্ত করে, তাদের আসলে বলা উচিত “পরিচিত”

  • ক্যাপাচিনো 10:08 am on August 6, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    মজারু ৬ – দিল বোলে হাড়িপ্পা 

    আগের মজারু


    অনেকদিন মজারু লেখা হয় না, তাই ভাবলাম আজকে আবার লিখি।

    এই নামে একটি সিনেমা আছে বটে, তবে এ গল্প সে গল্প নয়। সিনেমাটা শুনেছি যাচ্ছেতাই ছিল, এ গপ্পো তার চেয়ে ঢের ভালো। কয়েক বছর আগের কথা। আমাদের এক সহকর্মী একটি মেয়ের সাথে প্রেম করত। বিয়ে প্রায় ঠিক, তবু অফিসের অনেকটা সময় তার কাটত ফোনেই, দীর্ঘ আলাপে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুমধুর প্রেমালাপের বদলে শোনা যেত নানাবিধ তর্জন গর্জন – একপেশে নয়, এপিঠ ওপিঠ দু-তরফেই। যেমন তোমার বাবা আমার বাবাকে মিসড কল দিলেন কেন, তুমি হলুদ শাড়ি পরলে কেন ইত্যাদি। একদিন সন্ধ্যের দিকে টয়লেট থেকে লবি দিয়ে কিউবিকালের দিকে ফেরার সময় একজন তো প্রায় পড়েই যাচ্ছিল ফোনে ভেসে আসা হঠাৎ চিৎকারে।

    এরপর তো আর থেমে থাকা যায় না। তাই সে ফোন সেরে ফিরতেই আমরা তো যথারীতি ঘিরে ধরলুম – কি হয়েছে? সে বললে, দিল বোলে হাড়িপ্পা কেস। আমরা তো অবাক। বললুম – সে আবার কি রে? তাতে যা উত্তর দিল তাতে তো আমার চক্ষু চড়কগাছ। তার এক প্রাক্তন প্রেমিকা ছিল। সে চুপিচুপি তাকে অর্কুটের ফ্রেন্ডলিস্টে যোগ করে, কিন্তু তার হবু বউয়ের কাছে ধরা পড়ে যায়। এরপর সে অন্য একটি অর্কুট প্রোফাইল তৈরি করে (যেখানে তার হবু বউ নেই), কিন্তু আবার ধরা পড়ে যায়। তাতেও একটুও দমে না গিয়ে সে এক নতুন বুদ্ধি বের করে – একটি নতুন প্রোফাইল করে তার নাম দেয় দিল বোলে হাড়িপ্পা, কিন্তু এরকম প্রোফাইলকে তার প্রাক্তন প্রেমিকা চিনবে কি করে, তাই বাধ্য হয়ে নিজের ছবিটাই দেয়। ব্যস, আবার ধরা পড়ে যায় হবু বউয়ের হাতে।

    তো এই হচ্ছে গল্প। আজকালকার সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর রমরমার যুগে, খুঁজলে এরকম আরও গল্প পাওয়া যাবে বিস্তর। কি বল তোমরা?

     
  • ভাঁড়ের চা 3:36 pm on August 2, 2013 Permalink | Reply  

    সবাই চুপচাপ! ব্যাপারখানা কি ? কোন রহস্য ?

     
    • ক্যাফে লাতে 2:27 pm on August 4, 2013 Permalink | Reply

      আর বলবেন না, খুব চাপে আছি 🙁

      • ক্যাপাচিনো 3:23 pm on August 4, 2013 Permalink | Reply

        রহস্য বলে রহস্য? খুব সাংঘাতিক একটা ব্যাপার হতে চলেছে।

        • ভাঁড়ের চা 2:57 pm on August 5, 2013 Permalink | Reply

          চাপটাই বা কিসের, আর রহস্যটাই বা কি ? দুটোই কিন্তু বি পি বাড়ায়, প্রথমটা তাড়াতাড়ি আর পরেরটা একটু ধীর গতিতে ! বুঝতেই পারা যাচ্ছে, এস ছেড়ে ছুড়ে বাতেলা বাজি করাই ভাল অপশন । ঠিক কিনা !

          • ক্যাপাচিনো 9:08 am on August 6, 2013 Permalink | Reply

            ঠিক, আপনার কথাই ঠিক।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel