Updates from August, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 6:52 pm on August 30, 2013 Permalink | Reply  

    এতদিন কোথায় ছিলাম 

    কফিহাউজের বন্ধুদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি দীর্ঘ অনুপস্থিতির। আমার বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন – গত মাসে একদিন সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে গিয়ে হাত ভাঙেন, তার ফলে কাঁধে একটি সার্জারি হয়। এই পর্যন্ত তাও ঠিক ছিল। কিন্তু এর পরে বাড়ি ফিরে এসেও তিনি দুবার উপর্যুপরি অসুস্থ হয়ে পড়েন সেপসিস-এ (ক্ষুদ্রান্ত্র সংক্রান্ত জটিল কিছু সমস্যা) যেখান থেকে আসতে থাকে অন্য উপসর্গ। ফলে দু বার করে টানা এক সপ্তাহ হাসপাতালে। শেষমেষ ডাক্তার কালকে ছুটি দিচ্ছেন  – তাই আনন্দে আজ ঘুম হচ্ছে না। হাসপাতালের অভিজ্ঞতা এক এক করে বলব – কারন তা প্রায় গল্পের মতই। আপাতত এইটুকু থাক। সবাই ভালো থাকুন, আর যেখানেই যান না কেন, হাসপাতাল মুখো যেন না হতে হয়।

     
    • ভাঁড়ের চা 2:48 pm on August 31, 2013 Permalink | Reply

      উপায় কি ! মুশকিলটা হল প্রয়োজনে যেতেই হয়। ইতিমধ্যেই বার কয়েক ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা হয়েছে! মনে হয় অভিজ্ঞতার গল্প একই হবে ! দুর থেকে বাবার দ্রুত আরোগ্য কামনা করা ছাড়া আর কিই বা করতে পারি। ঈশ্বরের কাছের আরোগ্য কামনাই একমাত্র প্রার্থনা।

      • ক্যাপাচিনো 5:17 am on September 1, 2013 Permalink | Reply

        অনেক ধন্যবাদ। মনে হয় অভিজ্ঞতার গল্প একই হবে – কিন্তু তাও এক এক করে বলব।

  • ক্যাফে লাতে 4:06 pm on August 27, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    আপেল চাই 

    এই খবরটা কিছুদিন আগে কাগজে পড়েছিলাম। সত্যি মিথ্যা জানি না। পড়ে বেশ মজা লেগেছিল, তাই লিখছি। এটা অস্ট্রেলিয়ার ঘটনা। সেখানে এক ই-কমার্স সাইটে , প্রযুক্তি বিভাগে এক মহিলা বিজ্ঞাপন দেন তিনি দুটো অ্যাপেল কিনতে চান। তিনি আদতে দুটি আইপ্যাড কিনতে চেয়েছিলেন। আরেক মহিলার সাথে তার কথা হয়। কথাবার্তার পরে, দুজনে এক রেস্তোরাঁতে দেখা করে। প্রথমজন টাকা দিয়ে আইপ্যাডের দুটি বাক্স বগলদাবা করে বাড়ি আসেন এবং বাক্স খুলে দেখেন, তার মধ্যে রয়েছে একটি করে আপেল!! কি ভয়ানক কান্ড 🙂

     
    • ক্যাপাচিনো 4:29 pm on August 28, 2013 Permalink | Reply

      হে হে – আমার তো মনে হয় ঠিকই হয়েছে। যেমন কম্ম, তেমন ফল!

  • ভাঁড়ের চা 3:49 pm on August 27, 2013 Permalink | Reply
    Tags: কর্কট ও মকরক্রান্তি রেখা।, গ্লোব, , মেরুপ্রদেশ   

    এমন-ই ত’ হওয়ার ছিল। 

    (লেখাটা বড় হয়ে গেছে, কিন্তু উপায় নেই, ছোট ছোট করে বার দু’এক দেওয়া যেত হয়ত, তাতে করে রসভঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনাও থাকত। তাই মডারেটারের কাছে আবেদন যে, এই বার অন্ততঃ কাটাকুটি করবেন না।)
    আবার যন্ত্রগনক, মানে কম্প্যুটার, আমাকে টেনে বসালো কি-প্যাডের সামনে! বছর দু’এক আগে একবার ফ্যান্টাসি বা উদ্ভট উদ্ভট কথা লিখিয়েছিল আমাকে দিয়ে (কফি হাউসে নয়, অন্যত্র) ! তবে এবার কিন্তু একেবারে সত্য ঘটনা! তাই আজগুবি ভেবে পাতা উল্টে গেলে একদম চলবে না!
    উত্তর ইউরোপের নরওয়ে দেশের কোন এক শহরের বয়স ১০০ বছর হলেও, এযাবৎ নাকি সূর্যের আলোর দেখা পায়নি, না গ্রীষ্মে, না শীতে! এবার এই প্রথম বার দেখা পাবে এই শীতে! কি, ভারি আশ্চর্য লাগছে ? না ? বলব ব্যাপারটা, তবে তার আগে আমাদের বাসস্থান ধরিত্রীদেবীর কিছু কিছু আজব কাজকর্মের কথা বলতে হবে। না হলে সবটা পরিষ্কার হবে না।
    ভুগোলের পাঠে সাহায্য করে যে গ্লোব, তা দেখেছেন ত ? বইয়ের দোকানে গেলেই দেখতে পাবেন। ভাল করে দেখলে বুঝবেন কেমন একদিকে হেলে দাঁড়িয়ে আছে। এর অর্থ উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু সংযোগকারি কাল্পনিক রেখা যার নাম “অক্ষ”, সে হেলে আছে একদিকে ! কখনও কোন গ্লোব ঠিক সোজা উল্লম্ব (vertical) অবস্থায় দেখেছেন ? না, দেখেননি! কারণটা কি বলুন’ত ? খুব সোজা। আমাদের পৃথিবীও একদিকে হেলে (Axial Tilt) দাঁড়িয়ে একমনে ঘুরে চলেছে, সেই আদ্দিকাল থেকে, মানে যেদিন তার জন্ম হয়েছিল, সেদিন থেকে! গ্লোবটা ত তার কপি(Copy) কিনা, উল্লম্ব হবে কি করে !
    এখানে দু’টো কথা বলার রয়েছে। প্রথম হল, একদিকে হেলে থাকা। আর তা’ কত ডিগ্রি হেলানো? না,উল্লম্ব রেখার সাথে ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে। আর দ্বিতীয় হল, ঐ যে একমনে ঘোরার কথা বললাম, সেই ঘোরাটা। সেটা হল দু’রকমের। একটা হল নিজের অক্ষের চারিদিকে ২৪ ঘন্টায় একবার করে। পৃথিবীর পরিধি ২৫০০০ মাইল বা ৪০০০০ হাজার কিমি-এর ওপর! তাহলে ঘন্টায় হাজারখানেকের বেশী মাইল বা ষোলশ’ কি মি বা সেকেন্ডে ৪৫ মিটার-এরও বেশী বেগে ঘুরছি আমরা সবাই! একটা ঘুরন্ত লাট্টুর ওপর পিঁপড়ে থাকলে তার যা অবস্থা হয় আমাদেরও সেই একই অবস্থা! আবার,ঐ ঘুরতে ঘুরতেই সূর্যের চারিদিকে নিজের কক্ষপথেও ছুটছি প্রবল বেগে, প্রায় সেকেন্ডে ৩০ কি মি!
    এমন উল্টোপাল্টা বেগে চললে আমাদের অবস্থা কাহিল হওয়ার কথা, কিন্তু আমরা বুঝতেই পারি না! ভারি আশ্চর্য! বরং আরও আশ্চর্য আশ্চর্য কিছু ঘটনা ঘটায় এই ঘূর্ণন। কি তা বলতে পারেন ?
    এই মুহূর্তে মনে পড়ছে একটাই, যার প্রভাবেও আরও অনেক কিছু ঘটে। তা হল ঋতুপরিবর্তন! সূর্যের সাপেক্ষে পৃথিবীর চার বিশেষ অবস্থানের কারণে আমরা চার ঋতু পাই সমস্ত পৃথিবি জুড়ে। অন্য পারিপার্শ্বিক কারণে আমরা আরও দুটো বাড়িয়ে নিয়েছি। অর্থাৎ সবাই গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত আর বসন্ত পেলেও আমরা বর্ষা আর শীতের মাঝে শরৎ আর হেমন্ত বাগিয়ে নিয়েছি।
    ঋতু পরিবর্তন না থাকলে রোদ, বৃষ্টি, শীত-গ্রীষ্ম, আবহাওয়ার পরিবর্তন, চাষ-বাস আরও কত কি হত না! সর্বোপরি প্রাণের সৃষ্টিই ত’ হত না!
    কে পৃথিবীকে এমন হেলে থাকতে বাধ্য করল, কেন করল, তার কোন উত্তর নেই। কেউ বলেন ঈশ্বর, ত’ কেউ বলবেন প্রকৃতিদেবী! যিনিই করে থাকুন, তিনি না থাকলে আর পৃথিবীকে না হেলালে আমরাই ত হতাম না! কি অদ্ভুত আর আশ্চর্যজনক কথা! ভাবলে অবাক লাগে না ? তবে তিনি যা করেছেন, জেনেই করুন বা না জেনেই করুন, সেটা যে প্রানীজগতের উপকারার্থে হয়েছে, সে কথা নিশ্চয়ই বলতে হবে না!
    বিজ্ঞানীরা অনেক ভেবে চিন্তে বার করেছেন যে কোটী, কোটী বছর আগে যখন পৃথিবী সৃষ্টি হচ্ছিল তখন সময়টা ছিল ভারি অশান্ত। বিশাল, বিশাল আকারের প্রস্তরখন্ড এদিক ওদিক ছুটে বেড়াত এলোমেলো! তারা এক বা একাধিক একত্রে কখনও প্রবলভাবে ঢুঁ মেরে পৃথিবির মুন্ড ঘুরিয়ে দিয়েছে! আর তাতেই ত’ পৃথিবী একদিকে হেলে গেছে! আমাদের পরিচিত চাঁদও নাকি এরকম ঢুঁ খাওয়া কতকগুলি বিশাল বিশাল প্রস্তরখন্ড একত্রিত হয়ে তৈরী হয়েছে!
    আচ্ছা, যদি এমন কান্ড না হত, তাহলে পৃথিবির অক্ষ তার কক্ষতলের ওপর সোজা খাড়া অর্থাৎ লম্ব থাকত ( বা হেলে না থাকত ), তাহলে ঋতু পরিবর্তনের জন্য যা যা হয়েছে তার কিছুই হত না। কোথায় আমরা, কোথায় কি !
    কিন্তু ওসব ভেবে ত লাভ নেই। পৃথিবিও হেলে আছে আর আমরাও আছি। সুতরাং তার ফলাফল দেখা যাক। ফলাফলটা এরকম–দোর্দন্ডপ্রতাপ সূর্যদেবকেও পৃথিবির ওপর আলো ফেলতে গেলে বেশী ট্যাঁ-ফোঁ না করে একটা সীমা রেখার মধ্যে চলাফেরা করতে হয়! সীমা হল উত্তর দিকে কর্কটক্রান্তি আর দক্ষিণ দিকে মকরক্রান্তি রেখা। উত্তর দিকে যখন আসে তখন সেখানে গ্রীষ্মকাল, দক্ষিণে শীতকাল। আর যখন সে দক্ষিণে যায়, সেখানে গ্রীষ্মকাল আর উত্তরে শীতকাল।
    গ্রীষ্মকালে উত্তর মেরু ও তার কাছাকাছি অঞ্চল দীর্ঘকাল, অর্থাৎ প্রায় ছয় মাসকাল, এক নাগাড়ে সূর্যের আলো দেখতে পেলেও দক্ষিণ মেরু অঞ্চল অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে! অবশ্য ‘দীর্ঘকাল’ মানে একেবারে ছয়মাস নয়। ছয় মাস ধরে অল্প অল্প করে আলো বাড়তে বাড়তে মাসতিনেকের জন্য উত্তর মেরু পুরো আলোকিত হয়, তার পর আবার দিন কমতে থাকে আর রাতের দৈর্ঘ বাড়তে থাকে, এবং শেষ পর্যন্ত উত্তর মেরু পুরো অন্ধকারে যাবার জন্য তৈরী হতে থাকে। এই সময় দক্ষিণ মেরুতে ঠিক বিপরীত ঘটনা ঘটে। সঠিকভাবে বলতে গেলে উত্তর মেরুতে দিনে ২৪ ঘন্টাই দিন থাকে ১১ সপ্তাহের মত। তার আগে হয়ত ২৩ ঘন্টা দিন একঘন্টা রাত বা ২২ ঘন্টা দিন ২ ঘন্টা রাত– এমনি হয়।
    এই বার আমাদের নরওয়ের কথা বলতে পারি। এইদেশ এবং আরও ক’টি দেশ যেমন আলাস্কা ইত্যাদি উত্তর মেরুপ্রদেশের খুব কাছা কাছি। তাই অল্পসল্প এদিক-ওদিক হলেও, মেরুর যা চরিত্র এসব দেশেরও প্রায় তাই-ই। এখন হয়েছে কি, সেই ১৯০৭ সালে নরওয়ে দেশের মধ্যবর্তী এক পাহাড়ী অঞ্চলে একটি শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠে, যা আবার ছোট মালভূমির মধ্যেকার জায়গা! পাহাড়ের আড়ালে থাকায় গ্রীষ্মকালেই এখানে সূর্যের আলো আসে না, আর শীতকালে সূর্য যখন দক্ষিণ গোলার্ধে তখনও যে আসবে না, তা বলাই বাহুল্য।
    একেবারে মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে প্রবল ঠান্ডা। যখন উত্তর মেরুতে গ্রীষ্মকাল, তখন মাস ছয়েক রোদ পাবার কথা, কিন্তু পাহাড়ের মধ্যবর্তী উপত্যকায় হওয়ায় সর্বদাই ছায়াময়! আর শীতকালে ? তখন ত’ মাসছয়েকের জন্য প্রবল ঠান্ডার সঙ্গে ঘোরতর অন্ধকার! শহরের স্থপতি তখন থেকেই মতলব ভেঁজেছিলেন কৃত্রিম উপায়ে সূর্যের আলো আনার। তবে তখন ত’ বিজ্ঞানের এত উন্নতি হয় নি! তাই বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে শহরের পাশের পাহাড়ে যাবার জন্য রোপওয়ে তৈরী হয়েছিল যাতে শহরবাসী একটু আলো আর উষ্ণতার স্বাদ পেতে পারে! এমনকি শীতকালেও! তাতেই ত গত ১০০ বছরেরও বেশী হলেও ঐ শহরের মানুষ রোদই দেখেনি! দড়িপথে পাহাড়ে গিয়ে রোদ উপভোগ করেছে!
    এতদিনে এবার সেপ্টেম্বর মাস থেকে ঐ এলাকার বাসিন্দারা শহরের কেন্দ্রে থাকা টাউন হলের সামনের চত্বরে সূর্যের আলো পাবেন, একেবারে শীতকালের শুরু থেকেই! তা আসবে কোথা থেকে ? পাহাড়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় তিনখানা ৪৫০ মিটার উঁচু স্তম্ভ তৈরী করে তার মাথায় তিনখানা বিশাল বিশাল আয়না লাগানো হয়েছে (তিনটি স্তম্ভের ওপর একখানা বিশাল আয়নাও হতে পারে, এব্যাপারে বিশদ কিছু জানানো হয় নি )। এর থেকে প্রতিফলিত আলো টাউনহলের সামনে এসে পড়বে! খরচ কত বলুন দেখি ? ৮,২৩,০০০ ডলার!
    এতদিন নরওয়ে সরকার দিনে ২৪ ঘন্টাই দিন দেখাবার জন্য পর্যটকদের আমন্ত্রণ জানাতেন, এবার থেকে রাতেও দিনের আলো দেখতে তাঁদেরকে ডাকবেন! খরচটা উঠে আসবে! কি বলেন ?
    * * * * *

     
    • ক্যাফে লাতে 7:06 pm on August 27, 2013 Permalink | Reply

      আরে, এতো বেশ দারুণ ব্যাপার। আমাদের কফি বিন্‌স্‌ আবার এই মূহুর্তে কর্মসূত্রে নরওয়ের কাছাকাছিই আছে, ওকে বলতে হবে তো ছবি পাঠানোর জন্য 🙂

    • ক্যাপাচিনো 4:27 pm on August 28, 2013 Permalink | Reply

      দারুন পোস্ট – নরওয়ে নিয়ে এত কিছু জানাই ছিল না। আমাদের বন্ধু কফি বিনস সবে সবে নরওয়ে ঘুরে এসেছে, সে হয়তো এই ব্যাপারে কিছু বলতে চাইলে বলতেও পারে।

    • ভাঁড়ের চা 3:35 pm on August 29, 2013 Permalink | Reply

      নরওয়ের যে শহরের কথা বলা হয়েছে তার নাম সম্ভবতঃ আরজুকান (R jukan)। তখন মনে না পড়ায় লেখা যায় নি। ইংরাজি বানানটা ঠিক হল কিনা জানিনা। কফি বীনসের কাছে জেনে নিতে হবে।

  • ক্যাপাচিনো 5:37 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply  

    শুনছি মাদ্রাস ক্যাফে নাকি দারুন সিনেমা হয়েছে। এক্কেবারে হই হই যাকে বলে – হেব্বি ঝাড়পিট, যেন হলিউডি। সময় পেলে দেখতে যেতাম।

     
    • ক্যাফে লাতে 6:53 pm on August 25, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ আমিও খুব ভাল রিভিউ পড়েছি। কিন্তু দেখতে যাওয়ার সময় নাই 🙁

    • এসপ্রেসো 8:05 pm on August 25, 2013 Permalink | Reply

      একই অবস্থা- সময়ের অভাব, অবশ্য সময় পেলে যে হলে গিয়ে দেখবো তা তো সম্ভব না; অন্য ব্যবস্থা করতে হবে।

  • ক্যাফে লাতে 12:20 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply
    Tags: বিজ্ঞাপন, ,   

    পুলিশ এবং রাখী 

    আইডিয়া একটি নতুন বিজ্ঞাপন দিয়েছে ঃ পুলিশ এবং পাবলিকের মধ্যে ভালবাসা বাড়বে রাখী বন্ধনের মাধ্যমে। সত্যিই কি বাড়বে? কি মনে হয়?

     
  • ক্যাফে লাতে 12:11 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    কেমন মানুষ আমরা? 

    অনেকদিন ধরে একটা মজার পোস্ট দেব ভেবে রেখেছিলাম। কিন্তু আজকে সকালে এমন একটা খবর দেখলাম, যে সেটা লেখার ইচ্ছা আপাততঃ নেই। গতকাল মহাজাতি সদনের কাছে একটি ল্যাম্প-পোস্টে এক ভদ্রমহিলা দিনে দুপুরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করলেন। বিকের চারটে নাগাদ। কিন্তু কেউ এসে তাকে থামাল না। কেউ খেয়াল ও করেনি। নাকি করেছিল? কলকাতার নতুন ত্রিফলা ল্যাম্প-পোস্টগুলি তো এমন উঁচু নয় যে, একবার ওপরে উঠে গেলে কারোর নজরে পড়বে না! তাহলে? মহিলা নাকি ফুটপাথেই থাকতেন। স্বামীর নেশার সমস্যায় বিরক্ত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু যখন ঘটনা ঘটছিল, কেউ দেখেনি? ভাবতে কিরকম অবাক লাগে না? সত্যি বলতে গেলে, ভাবতে অস্বস্তি হয়। আমি যদি একলা থাকি, আর রাস্তায় বেরিয়ে কিছু দুর্ঘটনা হয়, তাহলে লোকজন তো মনে হয় না তাকিয়ে চলে যাবে অথবা হাঁ করে দাঁড়িয়ে দেখতে থাকবে, কিন্তু কিছু করবে না।

    কেন আমরা এরকম হয়ে গেছি?

    আমার মনে হয় এর একটা বড় কারণ আমাদের আইনি ব্যবস্থার জটিলতা। যে খবর মাঝে মাঝেই শোনা যায়, হাওড়া স্টেশনের কাছে রেল লাইনে মৃতদেহ পড়ে থাকলে তা হাওড়া পুলিশ, না কলকাতা পুলিশ, না রেল পুলিশ- কার আওতায় পড়ে, সেই হিসাব করতেই দিন কাবার। কিঞ্ছুদিন আগে আমার এক বন্ধু দূরপাল্লার বাসে কলকাতার বাইরে যাচ্ছিলেন। বিদ্যাসাগর সেতুতে যখন বাস, তখন সেখানে একটা ছোট অ্যাক্সিডেন্ট গোছের ঘটে। যে গাড়িটি ঘটিয়েছিল, সেটি সেতুর টোল প্লাজা পেরিয়ে চলে যায়, কিন্তু আবার কলকাতার দিকে ফিরে আসে। পুরো ঘটনাটা আমার ঠিক মনে নেই। তবে সেখানে যে ঝামেলাটা হয়েছিল সেটা এইরকম- গাড়ি কলকাতার দিক থেকে টোল প্লাজা পেরিয়ে গিয়ে আবার ফিরে এসেছিল। তাই এবার তার কেস কলকাতা পুলিশ, না হাওড়া পুলিশ নাকি টোল প্লাজা পরিচালনকারি সংস্থা, কাদের এক্তিয়ারে, সেই ধাঁধা মেটানোর চক্করে সাধারণ মানুষের অশেষ দুর্ভোগ।

    হাসপাতালে দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীদের নিয়ে গেলে আগেই থানায় ডায়েরি ইত্যাদি নিয়ে বাজে ঝামেলা করা হয়। এই সমস্যা মেটানোর জন্য আগেই থেকেই কেন প্রতিটা বড়, নিদেন পক্ষে সরকারি হাসপাতালে একটা করে মিনি পুলিশ বুথ রাখা হয়না? যাতে সেখানে নিয়ে গেলেই ঝটাঝট ডায়েরি হয়ে যায়? পুলিশের কাজ সাহায্য করা। কোন থানা, রাস্তার এপার না ওপার, এই সব বিষয়গুলি কি একটা মানুষের প্রাণের থেকে বেশি জরুরী?

    আমি নিশ্চিত, গতকাল যদি কেউ ওই মহিলাকে গলায় ফাঁস দিতে দেখেও থাকে, সে নিজেকে এই ভেবেই ক্ষান্ত করেছে – ওর ইচ্ছা ও ঝুলছে, আমার তাতে কি? কেন ফালতু থানা পুলিশে জড়িয়ে নিজের দিন বরবাদ করি!! গতকালের ঘটনার দায় আমি পুলিশের ওপরে দিচ্ছি না, কিন্তু সাধারন মানুষের মধ্যে এই একে অপরের প্রতি উদাসীনতা কেন এসেছে, এবং ক্রমশঃ বেড়ে চলেছে, সেটা খতিয়ে দেখার সময় মনে হয় এবার এসেছে। আর কতদিন, কতভাবে, সব দায় ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলে, শুধু নিজের জন্য বাঁচব আমরা?

     
    • ক্যাপাচিনো 12:49 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply

      আমিও এই ঘটনাটি পড়েছি কিন্তু কিছু বলার মত শব্দ খুঁজে পাইনি। দিন দুপুরে একজন আত্মহত্যা করলেন, আর কেউ বাধা দিল না – কেউ তাকে নামিয়ে আনার চেষ্টা করল না?

  • এসপ্রেসো 9:11 pm on August 22, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    বাঙালী যে আড্ডাবাজ তা এই কফিহাউজটা দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে ? সবাই অনিয়মিত আসছে আসুক কিন্তু অনিয়মেরো তো একটা নিয়ম আছে নাকি !

     
    • ক্যাফে লাতে 5:13 am on August 23, 2013 Permalink | Reply

      ডায়ালগ না মেরে, নিজে কতদিন বাদে এখানে মুখ দেখালে সেটা ভেবে দেখেছ হে এসপ্রেসো??? :matabelo
      আগে ডজন খানেক পোস্ট দাও, তারপরে ডায়ালগ দাও, বুঝলে খোকা

      • এসপ্রেসো 11:13 am on August 23, 2013 Permalink | Reply

        :cool আমার অনিয়মেরো একটা নিয়ম আছে বস্। হো হো হো…

    • ক্যাপাচিনো 6:20 pm on August 23, 2013 Permalink | Reply

      ঠিক ঠিক – কম করে ডজন খানেক

      • এসপ্রেসো 7:04 pm on August 23, 2013 Permalink | Reply

        :bingung কিছুই বুজলাম না…!

        • ক্যাপাচিনো 9:15 pm on August 23, 2013 Permalink | Reply

          বলি এদ্দিন বেপাত্তা হয়ে ছিলে কোথায়?

          • এসপ্রেসো 8:42 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply

            এই…একটু ব্যাস্ত ছিলাম আরকি…
            তা বলি আপনার কি খবর ?

            • ক্যাপাচিনো 4:43 am on August 25, 2013 Permalink

              আমি বড় সমস্যায় আছি বন্ধু, আমার বাবা এক মাসে তিনবার হাসপাতালে। এখনও রয়েছেন।

    • এসপ্রেসো 8:02 pm on August 25, 2013 Permalink | Reply

      প্রর্থনা করি জলদি সুস্থ হয়ে উঠুন আপনার বাবা।

  • ক্যাফে লাতে 1:38 am on August 20, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    বাংলা বানান, শব্দ ইত্যাদি 

    ইদানীং বাংলা বানান, শব্দ ইত্যাদি নিয়ে কয়েকটা কথা মনে এল, সেগুলি একত্রে না লিখলে চলছিল না।
    ১। একটা মিডিয়া হাউস, যারা নিজেদেরকে বাঙালি সংস্কৃতির ধারক বাহক বলে মনে করে, তারা একটা এস এম এস প্রতোযোগিতা করেছে। তার থেকে আমরা কি শিখেছি? শিখেছি ‘বেকার’ শব্দের বিপরীত হল ‘ভাল’।

    ২। দিন সাতেক আগে বাংলা ওয়েব ম্যাগাজিনের ভবিষ্যত নিয়ে একটা আলোচনা সভায় গেছিলাম। সেখানে অনেক কিছু শুনলাম, দেখলাম, জানলাম।সেখান থেকে বেরিয়ে এক বন্ধুকে দুটো ভবিষ্যৎবানী করেছিলাম। এক, এর পর থেকে দিকে দিকে বাংলা ভাষাকে বাঁচানোর জন্য সেমিনার হবে । দুই, হঠৎ করে শিশু-সাহিত্যের প্রতি ভাল্বাসা বৃদ্ধি পাবে, এবং পাড়ায় পাড়ায় একজন করে জে কে রাউলিং প্রাণ পাবেন 🙂 তা এইরকমই এক ছোটদের জন্য বাংলা পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেখলাম গতকাল ফেসবুকে। এটা ছাপা না ওয়েব, তা জানিনা। তবে যিনি বিজ্ঞাপন দিয়েছেন তিনি অনেক কিছুর সাথে ‘স্রিতিকথা’ ও চেয়েছেন আর বলেছেন সব লেখা ছোট হওয়া ‘বঞ্চনীয়’। !!

    দুটো নতুন বাংলা শব্দ শিখলাম !!

    তবে হ্যাঁ, এই দুর্দিনে, একটা দারুণ জিনিষ দেখেছি। সেটা ঠিক না ভুল জানিনা, তবে কিনা কেউ একজন চেষ্টাটা করেছেন বলে বেশ উত্তেজিত হলাম। দুইদিন আগে রাস্তায় একটা গাড়ি দেখেছি, তার গায়ে চারদিকে বড় বড় করে লেখা আছে ‘ নিশ্চয় যান’ । কে বলতে পারবে এটা আদতে কোন গাড়ি ছিল?

     
    • ভাঁড়ের চা 3:08 pm on August 21, 2013 Permalink | Reply

      গত ২৩/৭/১৩ তে একটা ছোট্ট পোষ্ট দিয়েছিলাম ” অসভ্যতামী” নামক একটি নতুন শব্দের অনুপ্রবেশ নিয়ে। এমন নতুন কথা আরও আছে, যা চোখে পড়েছে।( তবে এখন লিখতে পারছি না, পরে কোন সময় লিখব)। এসব পড়লে মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে এরা বাঙ্গালী ত ? আসলে এরা বেশীর ভাগই ইংরাজি মাধ্যমে পড়া ছাত্র, যারা ইংরাজিটাও ভাল করে শেখেনি, আর বাংলাটাও জানে না ! তবে ফর ফরানি শুনলে চমকে যেতে হয় !

    • ক্যাপাচিনো 9:20 pm on August 23, 2013 Permalink | Reply

      এই রে নিশ্চয় যান টা আবার কি রে? :bingung

    • ক্যাফে লাতে 12:15 pm on August 24, 2013 Permalink | Reply

      ভাব ভাব, নিশ্চয় যান কি??

      • ক্যাপাচিনো 4:56 pm on August 28, 2013 Permalink | Reply

        এখনও ভাবিতে পারি নাই!!! :sorry

    • ক্যাফে লাতে 7:38 pm on August 28, 2013 Permalink | Reply

      আর ভাবিয়ে লাভ নেই, নিশ্চয় যান হল অ্যাম্বুল্যান্স!! মানে, আমি একটা অ্যাম্বুল্যান্সের গায়ে দেখেছি, চারিদিকে নিশ্চয় যান লেখা। :hoax

  • ক্যাফে মোকা 7:29 am on August 18, 2013 Permalink | Reply  

    আজ থেকে কফি হাউজের আড্ডাটা  আরেক টু উস্কে দিতে ..আমি এলাম ক্যাফে মোকা …. আড্ডার ঠেকে আসর জমাতে …আমিও আছি

     
    • ক্যাপাচিনো 7:30 am on August 18, 2013 Permalink | Reply

      বাহ, বেশ বেশ। দলবল বাড়লেই ভালো।

    • ক্যাফে লাতে 1:23 am on August 20, 2013 Permalink | Reply

      বাহঃ বাহঃ । আমি লাতে, তুমি মোকা। বেশ বেশ
      :salaman

    • এসপ্রেসো 9:07 pm on August 22, 2013 Permalink | Reply

      :thumbup মওকা বুঝে মোকা হাজির…

  • ক্যাপাচিনো 7:56 pm on August 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    রাঁঞ্ঝনা – রিভিউ 

    কে যেন বলেছিল কফিহাউজের আড্ডায় যে রান-ঝা-না-আ দেখবে? (উচ্চারনটা ভুল – আমার মনে হয় ওটা হবে রাঁঞ্ঝনা) – তা সে মনে হয় দেখেনি। তাই ভাবলাম, আমি যখন দেখলাম, কিছু তো বলাই উচিত।

    যাইহোক, মোদ্দা কথা হচ্ছে – আরেকটি প্রেমের গল্প, এবং তাতে বড়ই ভজঘট্ট। দুজোড়া প্রেমিক প্রেমিকা আছে – যদিও শেষমেষ কেউই তার অভিপ্রেত সঙ্গীকে খুঁজে পেল না। হ্যাঁ, আশা করছি এতদিনে বোধহয় জেনেই গেছেন যে মিলনান্তক গল্প না – পরিচালক গল্পটা ঠিক পোক্ত হাতে টানতে পারেন নি। তাই সে পথে না গিয়ে বলি যে একে বারে ফেলে দিতে গিয়েও ফেলে দেওয়া যাচ্ছে না একটাই কারনে, তার কারনগুলো এইরকম

    • ফটোগ্রাফি অসাধারন বললেও কম বলা হয়। সেই সঙ্গে রঙের ব্যবহার, বেনারসের পটভূমি চোখে পড়ার মত।
    • সবকটা গান খুব সুন্দর মানিয়ে গেছে। একটা তো দিয়েই দিলাম পোস্টের সঙ্গে।
    • চরিত্রগুলো সাদামাটা এবং ভীষন বাস্তব মনে হচ্ছিল কিছু মুহুর্তে।

    ভারতীয় সিনেমায় অনেক এক্সপেরিমেন্ট হচ্ছে কমার্শিয়াল সিনেমাতেও। সেটাই একমাত্র আশার আলো। ভিজিল ইডিয়ট প্রচন্ড কষে রিভিউ লিখেছিল, অত খারাপ নয় কারন নেগেটিভ হলেও সিনেমার শেষে কেন জানি না মন ভালো হয়ে যায়।

     
    • ক্যাপাচিনো 9:16 pm on August 23, 2013 Permalink | Reply

      দেখছি কেউ এইডা পড়ে নাই।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel