Updates from July, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ভাঁড়ের চা 4:03 pm on July 25, 2013 Permalink | Reply  

    “বাংলা ভাষা তাহার বিস্তার বাড়াইতেছে”— আমার উপলব্ধি। পূর্ববঙ্গের কথা জানি না, পশ্চিম

    বঙ্গের কথা বলছি! আমরা পঃ বঙ্গবাসীরা হয় “বাংরেজী”(বাংলা+ইংরাজী) আর না হয় “বাংহি”

    ( বাংলা+হিন্দী) ভাষায় আমাদের ভাবের আদানপ্রদান করে থাকি। যেহেতু এই বিষয়ে বিস্তারিত

    লিখতে গেলে ৫০০ শব্দে কুলোবে না তাই খেপে খেপে লিখতে হবে। নির্ধারিত শব্দসংখ্যা অতিক্রম

    করলে মডারেটারের খবরদারিতে পড়ার সম্ভাবনা!
    বর্তমানে খুব সংক্ষেপে বলব বাংলা ভাষার ওপর হিন্দির প্রভাব। এর জন্য টেলিভিশনকেই

    ধন্যবাদ দিতে হবে। ধন্যবাদের কারণ হল, বাংলা ভাষার সমৃদ্ধি। যুগে যুগে অন্য ভাষার অনুপ্রবেশের

    ফলে এই ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে, এমন প্রচুর উদাহরণ আছে!
    এখন অবশ্য সরাসরি হিন্দি শব্দের প্রবেশের উদাহরণ না দিয়ে সেই ভাষার বাংলায় অনুবাদ

    দু’চারটে শোনাই। উপকৃত হতে পারেন! টেলিভিশন মেগাসিরিয়ালে যে হিন্দি ডায়ালগ শোনা যায়,

    তার বঙ্গানুবাদ কেমন হয় দেখুন। হিন্দিতে আছে “হামসে বুরা কোই নেহি হোগা”, এবং যেহেতু

    বাংলায় এর অনুবাদ করার মত শব্দের আকাল পড়েছে, তাই তার অনুবাদ, “আমার থেকে খারাপ

    কেউ হবে না”। অথবা “আগে আগে দেখো হোতা হ্যায় কেয়া” এর অনুবাদ ” আগে আগে দেখ কি

    হচ্ছে” বা “কান খোল কর সুনলো ঠাকুর” এর অনুবাদ “কান খুলে শুনে নাও ঠাকুর” ইত্যাদি। এত

    মিষ্টি যে বাংলা ভাষা, তার কি এতই দৈন্য যে হুবহু হিন্দি শব্দের অর্থ করে দিতে হবে ? সঠিক অর্থ

    হোক আর নাই হোক!
    একটা হিন্দি শব্দ শুনলাম সেদিন,( যদিও কোন শব্দের কথা বলব না বলেছিলাম পরে ভুলে

    যেতে পারি ভেবে লিখছি) হিন্দি ভাষী রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী একদা বলেছিলেন “হমনে জাদুটোনা ত’

    নেহি কিয়া—” ইত্যাদি। এক বাংলা সিরিয়ালে অক্লেশে ” জাদুটোনা” ব্যবহার করা হল। বাংলা

    অভিধান হন্যে হয়ে খুঁজে ‘জাদু’ পেলেও ‘টোনা’র সন্ধান পেলাম না!
    বাংলা ভাষা কি এতই দুর্বল, যে পরিস্থিতির উপযুক্ত শব্দ পাবার জন্য যথেচ্ছ শব্দ সংগ্রহ

    করতে হবে, উপযুক্ত হোক আর নাই হোক ?

     
    • চাফি 7:08 am on July 29, 2013 Permalink | Reply

      হা হা, ভালো বলেছেন বটে। বাংলা ভাষা কিছু লোকজনের কবলে পড়ে অশেষ দূর্গতি ভোগ করছে।

    • ক্যাফে লাতে 4:18 am on August 8, 2013 Permalink | Reply

      কেউ একটা নতুন অভধান লিখছে না কেন? আধুনিক বাংলা ভাষার অভিধান বলে?
      আর ভাঁড়ের চা, আপনি মশাই একটু সেকেলে আছে। বলে কিনা ইংরেজরা সব উপমহাদেশীয় শব্দ, যেমন – বাজার, মায়া, অবতার, বন্‌ধ – এই সব অক্সফোর্ড ডিকশনারিতে ঢুকিয়ে দিল, আর আমাদের সিরিয়ালে জাদুটোনা বললেই মুশকিল !

  • ক্যাফে লাতে 4:12 am on July 23, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    দম্পত্তি !! 

    কলকাতা টিভি সকালে খবর দিল উইলিয়াম কেট এর ছেলে হয়েছে। তা ভাল। রানীর পুতি হল। কিন্তু কলকাতা টিভি হেডলাইন দিচ্ছে …পুত্রসন্তান পেলেন রাজকীয় দম্পত্তি!!

    বুঝলাম এটা রাজকীয় বানান – প্রতিপত্তি …সম্পত্তি…তারজন্যেই একটা বেশি ‘ত’ দিয়ে দম্পত্তি !!

     
    • ভাঁড়ের চা 2:52 pm on July 23, 2013 Permalink | Reply

      টেলিভিশনের দৌলতে বানান ত’ শিখছিই, এছাড়াও আমরা নতুন নতুন শব্দও শিখছি। একটা কথা আজকাল প্রায় প্রতিটি মেগাসিরিয়ালেই ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটা হচ্ছে “অসভ্যতামী”। “অসভ্য” থেকে আসছে “অসভ্যতা”, কিন্তু “অসভ্যতামী” ? ব্যাপারটা ঠিক হজম হচ্ছে না। কেউ কি জ্ঞানের আলো দিতে পারেন একটু, প্রানটা জুড়াবে!

      • চাফি 4:15 am on July 25, 2013 Permalink | Reply

        হে হে, ঐ নিয়ে ভাবলে হবে? বানান ব্যাপারটাই জলে ভেসে গেছহে পুরো!

  • চাফি 6:46 pm on July 19, 2013 Permalink | Reply  

    আরও একটি অনবদ্য ভিডিও শেয়ার না করে পারছি না।

     
    • ক্যাফে লাতে 6:52 am on July 23, 2013 Permalink | Reply

      এই ভিডিওটা শেয়ার করার জন্য চাফিকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম একটা ঘটনা আমাদের দেশেই ঘটেছে, ভেবেও ভাল লাগছে। শ্রী অরুণাচলম মুরুগানান্থম সত্যিই একজন পুরুষ 🙂

      একজন মেয়ে হিসাবে আমি বুঝতে পারি, তিনি নিঃশব্দে কি সাঙ্ঘাতিক এক দ্বিতীয় শ্বেত বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছেন।

      ওঁর একটা কথা আমার দারুণ লেগেছে – টাকার পেছনে ছোটা বন্ধ কর। এটা এখন আউট অফ ফ্যাশন 🙂

      দেখে এবং শুনে ভাল লাগল। অন্ততঃ আরো একজন মানুষ আমার মত ভেবেছেন, এবং একজন সফল মানুষ হয়েছেন। আমি কবে হতে পারি দেখি।

      • চাফি 4:11 am on July 25, 2013 Permalink | Reply

        আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমিও খুশি হলাম। ভদ্রলোকের প্রেসেন্টেশন এবং ধ্যান ধারনা জেনে আমি ওনার ফ্যান হয়ে পড়েছি।

  • চাফি 6:24 pm on July 19, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    নিজের দেশের কত খবর রাখি না।

    ব্রাউজ করতে করতে একটী ভিডিওতে চোখ আটকে গেল – গুজরাটের এমন একটি গ্রাম, যেখানে মেয়েদের বিয়ে হয় না, পরিবারের পুরুষরাই তাদের দেহব্যবসায় প্রবৃত্ত করে। তাদের নিয়ে ও এই ধরনের আরও অনেক ছিন্নমূল মানুষের কাহিনী নিয়ে এই ভিডিও। আপনারাও দেখুন

     
  • ভাঁড়ের চা 3:32 pm on July 17, 2013 Permalink | Reply  

    প্রাচিন মানুষ হওয়ার কারণে, স্কুলে পড়ার সময় পুরোন কলকাতার কিছু কিছু নিদর্শন দেখেছি, যা মিউজিক ওয়ার্ল্ড বা টেলিগ্রামের কথায় মনে পড়ল। সে সব আর দেখা যাবে না!
    উত্তর বা পূর্ব কলকাতায় তখন এমন সব দেখা যেত। ( সময়কাল ১৯৫১-১৯৫৮/৫৯, আজকের নিরিখে বেশ প্রাচিনই। তাই ত ?)
    স্কুলে পড়বার সময় নারকেলডাঙ্গায় (পূর্ব কলকাতা) থাকতাম। মেন রোডে ছিল মুরারিদা’র দোকান, আর ঐ দোকানের পাশে ছিল একটা গ্যাসের আলোর পোষ্ট। বাড়ি থেকে দেখতাম প্রতিদিন সন্ধ্যায় কাঁধে মই নিয়ে একটা লোক আসত, পোষ্টের গায়ে মই লাগিয়ে উঠে আলোর চৌকো বাক্সের দরজা খুলে, দেশলাই কাঠি দিয়ে আলো জ্বালিয়ে দিত। একদিন কৌতুহল বশে কাছে গিয়ে দেখেছিলাম, কি ভাবে কি করে। একটা নলের শেষপ্রান্তে ম্যান্টেল লাগানো থাকত, আর থাকত দুটো লম্বা ঝোলানো সরু তার, বোধ হয় খোলা-বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত লিভারের দু’প্রান্তে লাগানো– এর একটা টানলে গ্যাস খুলত আর অন্যটা টানলে বন্ধ হয়ে যেত। সে লোকটাই প্রতিদিন সকালে এসে, গ্যাস নেভানোর তারটা টেনে নিভিয়ে যেত।
    এই ব্যবস্থায় আলো জ্বলত রাজাবাজার থেকে ফুলবাগান পর্য্যন্ত। উত্তর কলকাতার হরিঘোষ ষ্ট্রীটে ইলেক্ট্রিক আলো থাকলেও গলিঘুঁজিতে গ্যাসের আলো দেখেছি। এই দু’জায়গায় দেখা পাওয়ার’র অর্থ, আরও অনেক স্থানেই দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা।
    এক সময় কলকাতায় ঘোড়ায় টানা ট্রাম চলত, এটা সবারই জানা। না, সে সব আমি দেখিনি বটে, তবে চলতে চলতে ক্লান্ত ঘোড়া যে মাঝে মাঝে থেমে জলপান করত লোহার তৈরী চৌবাচ্চায় রাখা জল, এটাও সবাই জানে। তেমন চৌবাচ্চা একটা ছিল লোয়ার সারকুলার রোডে (এখন এ পি সি রায় রোড), রাজাবাজারের মোড়ে, সায়েন্স কলেজের উল্টোদিকের ফুটপাথে (রাস্তাতেও হতে পারে)।
    বড়রাস্তায় মাঝে মাঝে দেখেছি, ফুটপাতের ওপর, শক্ত-পোক্ত কোমর সমান উঁচু, লোহার থামের মত কিছু পোঁতা। সেটা ফাঁপা ছিল। আর ছিল গোলাকার জানালার মত ব্যবস্থা, যা কাচঢাকা। ভেতরে হাতলের মত কিছু একটা থাকত।
    বন্ধুদের জিজ্ঞেস করে জেনেছিলাম যে ওটা ‘ফায়ার অ্যালার্ম’। বিপদের সময় কাচ ভেঙ্গে হাতল ঘুরিয়ে দিলে নাকি ফায়ার ব্রিগেডের অফিসে বিপদ সংকেত পৌঁছে যেত! এটা পরীক্ষা করে দেখা হয়নি! তাই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না।
    রাস্তার পাশে হাইড্রেন্ট থেকে জল নিয়ে দু’বেলা রাস্তা ধোয়া, ঠেলা গাড়ি, হাতে টানা রিকশা ( এ’ত এখনো চলে অলিগলিতে) এসবও ছিল।
    পুরোন কলকাতার ফেরিওয়ালাদের নানা রকমের হাঁকও শুনেছি, যা এখন বিশেষ শুনতে পাই না। তবে হঠাৎ শুনলে চমকে উঠে সেই ছোট বেলায় চলে যাই। পরে কোন সময় বলার ইচ্ছে রইল এ সম্বন্ধে।

     
    • ক্যাপাচিনো 10:19 am on July 18, 2013 Permalink | Reply

      বাহ পুরনো কলকাতার কিছু দারুন গল্প শুনলাম। খুব ভালো লাগল। নিজেদের পছন্দের শহরের এরকম ছোটখাট ইতিহাস তো সকলেরই জানা উচিত, তাই না?

    • ক্যাফে লাতে 9:32 am on July 20, 2013 Permalink | Reply

      এই গল্পগুলো শুনে আমার কলেজের দিন গুলো মনে পড়ে গেল। বেথুন কলেজে পড়তাম, থাকতাম কাছেই হোস্টেলে। বেশিরভাগই সেই বিখ্যাত উত্তর কলকাতার গলি।

      উত্তর কলকাতার এখনো একটা আলাদা মজা আছে। সেই মজাটা দক্ষিণে ঠিক নেই। কয়েকদিন আগে কাজের সূত্রে ওদিকে গেছিলাম, তাই ভাবলাম ওদিক থেকে একটু মিষ্টি কিনি। বেথুন কলেজের পাশে রামদুলাল সরকার স্ট্রীটে আছে বেশ পুরনো কয়েকটা মিষ্টির দোকান, তার মধ্যে একটা হল গিরিশ-নকুড়। আমি অবশ্য ওখানে কিনিনি। অনেকদিন পরে, একটু গুলিয়ে ফেলেছিলাম। যাইহোক, অন্য যে দোকান থেকে কিনলাম, তার মিষ্টিও মন্দ নয়। আমার পাশেই কেনাকাটা করছিলেন কোন এক স্থানীয় পরিবার। বাবা, মা, মেয়ে। তাঁরা কিনলেন। মেয়ে গোটা দিয়েক মিষ্টি খেলও। বিক্রেতা ভদ্রলোক সেই মিষ্টির দাম নিলেন না। বললেন, আরে, আজকে ওর জন্মদিন, সকালে ভুলে গেছিলাম…এই মিষ্টির আবার কি দাম নেব… ব্যাপারটা হঠাৎ দেখে বেশ ভাল লাগল। এটা দক্ষিণ কলকাতায় দেখা যাবে কিনা সন্দেহ। বাঞ্ছারাম , বলরাম মল্লিক বা সেন মহাশয়ে ঢুকলে তো মনে হয়, আমাকে দয়া করা হচ্ছে মিষ্টি বিক্রি করে। কিন্তু গাঙ্গুরাম যখন আমার বাড়ির কাছে নতুন শোরুম খুলেছিল, মনে আছে, একদিন কোন কারণে বেশ কিছু মিষ্টি কিনতে হয়েছিল। তার পরে অন্য একটা মিষ্টি দেখে খুব লোভ হল, চেখে দেখতে চাইলাম, তখন ওরা আর সেটার দাম নেয়নি 🙂 – এটা হল উত্তুরে বনেদিয়ানা। হঠাৎ বড়লোক দক্ষিণে এই ক্লাসিক ব্যাপারটা দেখা যাবে না। 🙂

  • এসপ্রেসো 3:26 pm on July 17, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    অনেকদিন পর কফিহাউজে এলাম, চা-কফি কিছু পাওয়া যাবে নাকি খালি মুখেই বসে থাকবো !

     
    • ভাঁড়ের চা 3:30 pm on July 17, 2013 Permalink | Reply

      অবশ্যই পাওয়া যাবে। এখনই ছাড়তে যাচ্ছিলাম। পোষ্ট দিচ্ছি এখনই।

      • এসপ্রেসো 5:24 pm on July 20, 2013 Permalink | Reply

        :lapar জলদি জলদি…

    • ক্যাপাচিনো 10:12 am on July 18, 2013 Permalink | Reply

      মাঝে মাঝেই পুরনো বিল না মিটিয়ে হাওয়া হয়ে যাবে, আর হঠাৎ করে উদয় হয়ে চা কফি চাইবে, তা হচ্ছে না বাপু। আগে পুরনো ধার মেটাও, তার পর দেখা যাবে। ততক্ষন তোমায় দেখিয়ে দেখিয়ে আমরা চপ কাটলেট সব খাবো। :lapar

      • ভাঁড়ের চা 3:14 pm on July 18, 2013 Permalink | Reply

        যদিও আমার যা বলার তা বলে ফেলেছি, তাহলেও বলছি ওই পুরনো ধারের ব্যাপারটা নিয়ে আগে একটু ভাবলে হত! এর পর থেকে ঘাপটি মেরে বসে থাকতে হবে !

        • এসপ্রেসো 5:27 pm on July 20, 2013 Permalink | Reply

          :marah তা বিলটা কে নেবে শুনি..!!

      • এসপ্রেসো 5:25 pm on July 20, 2013 Permalink | Reply

        :sorry

    • ক্যাফে লাতে 9:33 am on July 20, 2013 Permalink | Reply

      কে বিল নিচ্ছে? কার ধার? কে কার থেকে ধার করেছিল? আমি তো কই জানিনা???

      এখানে কি আজকাল খাতায় লিখে চা-কফি দেওয়া হচ্ছে নাকি? হিসাব কে রাখছে? কফিমেকার?

      • এসপ্রেসো 5:28 pm on July 20, 2013 Permalink | Reply

        হুম… :hoax2

        • ক্যাফে লাতে 5:06 am on July 22, 2013 Permalink | Reply

          কফিমেকার, তুই ব্যাটা এখানে বেওসা খুলেছিস?? আর আমাকে জানাস নি????
          আমাকে পার্টনার করবি?
          :sungkem

  • ক্যাপাচিনো 11:16 am on July 16, 2013 Permalink | Reply  

    বিভিন্ন ব্লগ পড়তে পড়তে হঠাৎ এই লিঙ্কটি খুঁজে পেলাম – চেতন ভগতের দার্শনিকতা সম্পর্কে। চাইলে আপনারা পড়ে দেখতে পারেন।

    http://sakshinanda.blogspot.in/2013/05/oh-chetan-bhagat-read-what-you-write.html

     
  • ক্যাফে লাতে 11:00 am on July 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , , রম্যরচনা   

    আমার মায়ের শপথ :) 

    না, আমার মায়ের কোন শপথ নিয়ে লিখছি না। এইনামের একটা বাংলা ফিল্ম আছে। কয়েকদিন আগে দুপুরবেলা টিভিটে কোন চ্যানেলে চলছিল। আমি ঘুম তাড়ানোর জন্য দেখছিলাম। তা সেখানে দেখলাম, জিৎ হলেন নায়ক, আর রেশমি ঘোষ হলেন নায়িকা। জুন মালিয়াও আছেন। তিনি জিতের ডাবল রোলে স্ত্রী এবং মা। তা গল্প এইরকমঃ জিৎ এবং জুন সাপুড়ে দম্পতি। তারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসে ঘুরতে ঘুরতে, এবং ঘটনা চক্রে বড়লোক জমিদারের কুটিল চক্রান্তে সাপুড়ে মারা যায়। জুন প্রতিজ্ঞা করে এই মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবে। তারপরে যা হয় আর কি …তার ছেলে বড় হয়, সেই জমিদারেরই মেয়ের প্রেমে পড়ে ইত্যাদি… কিন্তু এইখানে একটা ছোট্ট টুইস্ট আছে। মায়ের শপথ সে ফিল্মের শেষ পনেরো মিনিটে পূরণ করে, না হলে আর হিরো কিসের? কিন্তু তার আগে, আরো সারি সারি ভিলেন কে খতম করে আরেকজন। সে হল সাপুড়ে দম্পতির পোষা সাপ চন্দ্রা, যাকে তারা নিজের সন্তানের মত ভালবাসত, যত্ন আত্তি করত। কিন্তু বর মরে যাওয়ার পরে দুঃখিনী জুন তাকে ছেড়ে দিয়ে বলে নিজের ব্যবস্থা নিজে করে নাও। এখন সেই সাপ, সে কিন্তু তার মায়ের ‘দুধ কা কর্জ’ দিয়েই ছাড়বে। তাই সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভুলেন কে ছোবল মেরে মেরে শেষ করে। কিন্তু তার আগে সে আরো দুটো অত্যাশ্চর্য কাজ করে। এক , এক দৃশ্যে ছেলে জিৎ (মানে হিসেবমত তার ছোট ভাই) ভিলেনের দলের লোকেদের হাতে এন্তার মার খেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। তখন এই সাপ পাশের পুকুর থেকে মুখে করে জল নিয়ে এসে তার মাথায় ছিটিয়ে তার জ্ঞান ফেরায় !!
    হে তরলমতী পাঠক!! এইটুকু শুনিয়াই অবাক হইও না!!
    এর পরে আরো অভাবনীয় ঘটনা ঘটে। নায়িকাকে তার বাবা রাস্তার ছেলের সাথে প্রেম করার অপরাধে ঘরে বন্ধ করে রাখে। জিৎ মনে দুঃখে নদীর ধারে বসে বীন বাজায়। সেই শব্দ শুনে সেই চন্দ্রা গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে আসে, এবং ভাইয়ের দুঃখ সহ্য করতে না পেরে, সেই জমিদারের বাড়ি গিয়ে হুড়কোর গায়ে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে হুড়কো খুলে নায়িকাকে মুক্তি দেয়!! এই কাজ ফিল্মে কুকুরদের করতে দেখেছি, হাতিদের করতে দেখেছি…কিন্তু সাপ!!
    যাইহোক, এই ফিল্মেই আরো দেখলাম, যে বিজ্ঞানের তোয়াক্কা না করেই, বীন বাজালেই সাপ গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে চলে আসছে বীনের আওয়াজে মাতোয়ারা হয়ে। এবং সেটা একবার না, অনেকবার…

    যাই, এক কাপ চা খাই…আর লেখার কিছু নাই। বাকিটা বুঝে নাও

     
    • ক্যাপাচিনো 11:14 am on July 16, 2013 Permalink | Reply

      হাসব না কাঁদব বুঝতে পারছি না। সত্য সেলুকাস – বিচিত্র এই দেশ।

    • ক্যাফে লাতে 11:33 am on July 16, 2013 Permalink | Reply

      কেঁদোনা, বুঝতে পারছি তোমার মনে বড় আঘাত লেগেছে

      • ক্যাপাচিনো 12:10 pm on July 16, 2013 Permalink | Reply

        এরকম এক পিস সাপ পেলে আমি পুষব আর কিছুটা কোডিং ও করিয়ে নেব।

    • ভাঁড়ের চা 3:47 pm on July 16, 2013 Permalink | Reply

      এই সব অয়,অয়! z।নতি পার না!

  • ভাঁড়ের চা 7:15 am on July 14, 2013 Permalink | Reply  

    গতকাল ১৪ই জুলাই ছিল কিন্তু টেলিগ্রামের অন্তিম দিন। গতকাল শনিবার ছিল । তবে সেটা সেই অফিসের ছুটির দিন, তাই কতৃপক্ষ পরের দিন, আজও(রবিবার) খোলা রাখবেন বলে কাগজে খবর বেরিয়েছে। কাজেই কারও কোথাও টেলিগ্রাম পাঠাবার থাকলে আজই শেষ সুযোগ কিন্তু–। শেষ প্রেরকের ছবিও তুলে রাখা হবে বলে শুনছি।

     
    • ক্যাফে লাতে 10:22 am on July 16, 2013 Permalink | Reply

      ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সময় হয়ে উঠল না।
      এইভাবে কত কিছুরই ইচ্ছা হয়, কিন্তু সময় হয়ে ওঠে না

  • ক্যাপাচিনো 4:19 pm on July 13, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    চলে গেলেন প্রাণ – যার নাম শুনলে এই গানটাই মনে পড়ে 

     
    • ক্যাফে লাতে 10:27 am on July 16, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, একদম ঠিক।
      সেদিন পেপারে পড়ছিলাম। এমন এক একটা সময় ছিল যখন প্রাণ জি নায়কের সমান টাকা পেতেন। এবং ফিল্ম এর টাইটেল সিকোয়েন্সে, সবার নামের পরে আলাদা করে নাম আসত …’ অ্যাণ্ড প্রাণ’ …প্রাণের জীবনীর নামও এই একই। তবে জীবন পুরোপুরি উপভোগ করে গেলেন।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel