Updates from May, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 7:49 pm on May 18, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    মহাপুরুষ ও কাপুরুষ 

    অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের ছবি ‘মহাপুরুষ ও কাপুরুষ’ দেখে এলাম। সত্যজিত রায়ের সিনেমার সাথে কোন কম্পিটিশন নয় – একটি আদ্যোপান্ত নতুন ঝকঝকে গল্প, পরিচালনা ও উপস্থাপনা। অনেক হাসির সিনেমাতেই যেটা সচরাচর হয়ে থাকে তা হল জোর করে হাসানোর একটা প্রচেষ্টা – বলাই বাহুল্য সেটা বেশির ভাগ সময়েই হিতে বিপরীত করে। মহাপুরুষ ও কাপুরুষ সেই দোষ থেকে মুক্ত, সিনেমটি মূলতঃ একটি স্যাটায়ার – মানুষের মনের অজ্ঞতার আর ভন্ডামিকে ঘিরে গড়ে ওঠা মিথ্যের জগৎকে খুব সুন্দরভাবে দেখতে পাই।
    গল্পটা চেনাই ছিল। কারন পরশুরামের বিরিঞ্চিবাবা একটি কালজয়ী গল্প। কাজেই একটা চেনা পরিচিত ছক মাথায় নিয়ে যখন দর্শক কোন সিনেমা দেখতে যায় তখন তা পরিচালকের কাছে মনে হয় আরও কঠিন হয়ে পড়ে – কিন্তু এই গল্পে অনিকেত সেটুকু করেছেন অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সঙ্গে। এই সিনেমায় আছে দুটি কাহিনী। একদিকে বীরেশ্বর চ্যাটার্জী (দীপঙ্কর দে)র বাড়িতে গুরু সেজে এসে ওঠা বাবা সবগজানন্দ এবং তাঁর সাকরেদ অন্য গ্রহের প্রানী পুচুংঝোলা। সেখানে হতে থাকে ভক্তদের সমাগম এবং বাবা নানা রকম খেল দেখিয়ে দর্শকদের বশীভূত করে ফেলেন। কাজটা সহজ ছিল না – কিন্তু ব্রাত্য বসু সেখানে চালিয়ে গেছেন প্রায় ওয়ান ম্যান শো – তিনি না থাকলে চরিত্রটা এত বিশ্বাসযোগ্য হত কিনা সন্দেহ। আর অন্যদিকে দেখি ঋত্তিক আর রিমঝিমের বাড়িতে এক চোর হানা দিতে গেছে। এই দুই কাহিনী পাশাপাশি চলতে থাকে – এবং সব শেষে এসে একসাথে মিলে যায়। গল্পটা পুরো বলে দিয়ে সাসপেন্সটা ফাঁস করে দিতে চাইছি না – বরং চাইছি দর্শক হলে গিয়ে সিনেমাটা দেখেই আসুন।
    ক্যামেরার কাজ বেশ ভালো লেগেছে। কাহিনীকার হিসেবেও যে নতুনত্ত অনিকেত আনতে পেরেছেন, তার জন্য দর্শক হিসবে শুধুই প্রসংশা। নিটোল মনোরঞ্জন। খুব ভালো লেগেছে, আবারও জানাচ্ছি।

     
    • চা পাতা 4:11 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      অনিকেত-এর আগের সিনেমা-গুলোর থেকে এটা অনেক ভালো!
      *জয় সদগজানন্দ’র জয়*

  • ক্যাফে লাতে 3:19 am on May 18, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আই-পি-এল,   

    আই-পি-এল ক্যাঁচড়া 

    আই-পি-এল এর কেঁচো খুঁড়তে যা সব কেউটে বেরোচ্ছে, তা খবরের কাগজে পড়ে আমি ভাইকে বললাম – এইবার যদি আই-পি-এল নামক এই সার্কাসটা বন্ধ হয় !!
    তাতে আমার ভাই বলেছে – বন্ধ হবে না, বরং বেটিং লিগ্যাল হয়ে যাবে।
    এই বিষয়ে চা-কফিদের কি মত?

     
    • ক্যাপাচিনো 7:48 am on May 18, 2013 Permalink | Reply

      দেখো – সমস্যটা বেটিং না কারন সেটা অনেক ক্ষেত্রেই হয়।বন্ধুদের মধ্যে বাজি লড়া দিয়ে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে টাকার অঙ্কটা যদি বাড়তে বাড়তে এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছয় যে তাই নিয়ে আসল খেলাটাই গড়াপেটা হয়ে যায় – যেটা আকছার হচ্ছে।
      ক্রিকেটাররা এত অর্থে ভেসে গিয়েও যদি নিজেদের পেশাদারিত্তকে সম্মান করতে না পারেন তাহলে দর্শক তো আগ্রহ হারাবেই – আমি তার একটা বড় উদাহরন। একসময় ক্রিকেট বড় ভালো লাগত – বেটিং এর এই দিকটা সামনে আসার পর থেকে টিভির সামনে বসলেই মনে হয় সময় নষ্ট হচ্ছে। এটা আমি সেই প্রথম আমলের ক্রিকেট বেটিং ফাঁস হওয়ার কথা বলছি – যখন হ্যান্সি ক্রোনিয়ে মারা গেলেন। অনেক বছর আগের কথা।

    • চাফি 4:21 pm on May 25, 2013 Permalink | Reply

      আই পি এল এর ফাইনালটা বন্ধ হয়ে গেল না?

    • ক্যাফে লাতে 3:14 pm on May 26, 2013 Permalink | Reply

      বন্ধ!! দিব্বি চলছে এখন। চাইলে টিভি খুলে দেখ।

  • ক্যাফে লাতে 3:16 am on May 18, 2013 Permalink | Reply
    Tags: অঙ্ক, , লেখাপড়া   

    অঙ্ক ঝালাই 

    চিরকালই আমার অঙ্ক নিয়ে খুব গোলমাল। একদম ছোটবেলায় বেশ ১০০ তে ১০০ পেতাম। তারপরে কিছুদিন গেল ৪০ এর বেশি পাইনা। তারপরে আমার বাবার ছাত্র, আশুমামার তত্বাবধানে ৮০-৯০। তার পরে আবার ২০-৩০…এই করে করে মোটামুটি সুযোগ পাওয়া মাত্র অঙ্ককে ত্যাগ দিয়েছি। সত্যি বলতে গেলে, আমাকে এখনো যদি একটা বড় যোগ বা গুণ দেওয়া হয়, ৫০% সম্ভাবনা আছে যে আমি সেটা ভুল করব।
    যাইহোক, ইদানীং আমার কাছে পড়শোনা করতে আসে আমার বাড়ির কাজের মহিলাটির মেয়ে।ক্লাস ফাইভে পড়ে। তাকে অঙ্কও করাতে হয়। তা সেই সব অঙ্ক করাতে গেলে আগে তো নিজে বুঝতে হবে। অতএব, আমি এখন আবার লসাগু এবং ভগ্নাংশ ঝালাচ্ছি।

    এই প্রসঙ্গে আরেকটা কথা বলি – ওকে ইংরেজি পড়াতে গিয়ে টের পাচ্ছি, ইংরেজির মত গোলমেলে ভাষা আর হয়না। গোলমেলে, এবং কোন নিয়মকানুনের মাথামুন্ডু নেই। বিশেষতঃ উচ্চারণের ক্ষেত্রে, এবং বেশ কিছু শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে।

    দুঃখের বিষয়, এত কিছুর পরেও, আমার “শিক্ষিত” বাঙালি বাবা-মায়ের দল বলেন – বাংলা কি কঠিণ, ইংরেজি তো কত সোজা।

     
    • ক্যাপাচিনো 7:54 am on May 18, 2013 Permalink | Reply

      আমার মনে হয় বাংলা ইংরাজি দুটোই সহজ, কিন্তু পড়ানোর পদ্ধতিটা ভুল। এটা আমার অনেক বার মনে হয়েছে, কিন্তু পরীক্ষা করার জন্য ছাত্র পাই নি। অঙ্ক, বিজ্ঞান এইসব পড়িয়েছি, কিন্তু ভাষা কখনই না। মেয়ে বড় হলে চেষ্টা করে দেখতে হবে।

  • ক্যাপাচিনো 9:44 pm on May 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    মজারু ৫ – পাথরকুচি কেস 

    আগের মজারু


    বাবার অফিসে ঘটনা আগেও বলেছি। এটা নতুন সংযোজন। বাবার অফিসে এক পিওন আছে – তার নাম তপন। আমরা তপনদাই বলি সাধারনতঃ। এ হেন তপন’দার খুব ইংরেজি বলার শখ। শুনেছি এক কালে তিনি একটি কুরিয়ার কোম্পানিতে কাজ করতেন আর কেবল ইংরেজিতেই কথাবার্তা বলতেন অর্থাৎ অফিসে পৌঁছে জিজ্ঞেস করতেন, “নাথিং থিং?”
    ডেস্কে বসে থাকা কর্মচারীটিও সেই তালে তাল দিয়ে চলতেন। যাক গে, সে সব অনেক অনেক দিন আগের কথা। দিনকাল বদলেছে। আজকাল তো আর সেভাবে ইংরাজি বলতে হয়ই না। তাও বাবা একদিন দেখলেন যে তপন’দা একটা বই হাতে করে অফিসে এসেছে – ফুটপাত থেকে কেনা ইংরাজি শেখার বই।
    বাবা অবাক হয়ে বললেন, “এই বই দিয়ে তোর কি হবে রে তপন?”
    তপনদা – “কেন? ইঞ্জিরি শিখব। বয়েস হয়ে গেছে বলে কি ইঞ্জিরি শিখতে পারব না নাকি?”
    বাবা তখন খুশি হয়ে বললেন – “আচ্ছা শেখ। বেশ মন দিয়ে পড়াশুনো কর। দিন দশেক বাদে একটা কথা ইংরেজিতে বলতে বলব। পারলে এক হাজার টাকা পুরষ্কার পাবি।”
    এর পর কিছুদিন কেটে গেছে। তপনদা বই মুখে করে থাকে অনেক সময়।
    তপন’দা একদিন এসে বললে যে ইঞ্জিরি শেখা হয়ে গেছে। বাবাও হাসিমুখে বললেন – বেশ, ইংরাজিতে বল তো দেখি – আমি আমার হারান কাকাকে খুঁজে পেলাম। তপন’দা আরও দিন দুই সময় নিয়ে বইটই নেড়েচেড়ে এসে বললে – আই প্রাউড মাই ফাদার। অফিসে আরও যারা সেই ইংরেজি শুনেছে, তাদের সবার তো মাথায় হাত।
    সব শুনেটুনে জেঠু বললেন – “ও এ তো পাথরকুচি কেস!”
    সব্বাই গল্পের গন্ধ পেয়ে জেঠুকে ঘিরে ধরলে – “সে আবার কি কেস?”
    জেঠু আরাম করে চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, “ও তেমন কিছু না। অর্শ্ব হয়েছিল আমাদের এক বন্ধু তরুনের। তা এখন একটা বইতে তখন টোটকা হিসেবে লেখা ছিল যে অর্শ্ব হলে পাথরকুচি পাতা বেটে লাগাতে হবে। ডিটেলস এ যাচ্ছি না, কিভাবে। কিন্তু হয়েছে কি ‘পাতা’ কথাটুকু উইপোকায় খেয়ে গেছে – ফলে সেই লেখা দাঁড়িয়েছে ভালো করে পাথর কুচি লাগাতে হবে। তা তরুন তো অতশত জানে না, সে বইয়ের লেখা মতই স্টোনচিপ এনে ঘষে দেখতে গেছে কি হয়। তারপরে বাবা রে, মারে করে প্রায় এক রক্তারক্তি কান্ড – আমাদের তো হসপিট্যালেই নিয়ে যেতে হয়েছিল। তাই বলছিলাম, তপনেরও ঐ একই কেস হয়েছে!”
    তপন’দা গম্ভীরমুখে বললে,”থাক থাক আর বলতে হবে না। আমার বেনটা খারাপ – তবে এতটাও খারাপ নয়”

     
    • ক্যাফে লাতে 12:38 am on May 17, 2013 Permalink | Reply

      :rate

    • চা পাতা 3:41 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      এঃ হেঃ হেঃ……

      • ক্যাপাচিনো 5:42 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

        আরে এক্কেবারে সত্যি ঘটনা, এক ফোঁটাও বানিয়ে লেখা নয়।

        • চা পাতা 6:04 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

          সেইটেই তো বলছি। এক্কেরে হা-হা-লু-খু-গে (হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গ্যালো)!

  • ভাঁড়ের চা 3:24 pm on May 16, 2013 Permalink | Reply  

    কফিহাউসের আড্ডা।

    “চফি” হওয়ার কারণ বোধ হয় কিবোর্ডের দুষ্টুমি, আর কিছু নয়।
    এবারে অন্য কথা।
    প্রাচীন মানুষের প্রাচীন নাম হওয়াটাই ত স্বাভাবিক। তাতেই ত ভাঁড়ের চা! তাছাড়া এই নামটার প্রতি

    একটা ‘ইয়ে’ও আছে।
    ছোটবেলার একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি।
    পাড়ার মোড়ে বড় রাস্তার ওপর চায়ের দোকান ছিল মুরারি-দা’র, আর ওই দোকান ছিল বড়দের আড্ডাঘর।

    ছোটদের প্রবেশ নিষেধ! সেদিন ঐ দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় শুনি পাড়ার দাদা অধীরদার গলা, ” মুরারি

    দা, একটা চা, আর তিনটা ভাঁড়।” আরে! কি হল ব্যাপারটা ? দেখতে হচ্ছে ত!

    তখন বুঝিনি, পরে বড় হয়ে আমরা যখন সেখানে বসতে শিখলাম, তখন বুঝলাম। আমরাও সেই

    অর্ডারই দিতাম মুরারিদাকে, অর্থাৎ একটার খরচে তিনজন।
    পরের দিকে অবশ্য গাঁই গুঁই করতেন, দিতে চাইতেন না। দাদাদের মাস্তানি রুখতে কত আর গুনাগার

    দেওয়া যায়! সব দোকানিরই একই অবস্থা। ক্রমাগত প্রতিবাদের ফলে, আস্তে আস্তে সেই ব্যাপারটা বন্ধ হতে

    হতে ভাঁড় জিনিষটাই উঠে গেল। ভাঁড় উঠে যাওয়ার আর একটা কারণ নতুন, সস্তা, পলিথিনের কাপ।
    ভাঁড়ের ইতিহাস নিয়ে ত কথা নয়, কথাটা ওই ‘ইয়ে’ নিয়ে।
    ‘সোঁদা সোঁদা’ গন্ধ কথাটার কথা প্রথম জানতে পারি বিভুতিভুষন বন্দোপাধ্যায়ের লেখা থেকে, খুব মনে

    লেগে গিয়েছিল কথাটা। মনে হয় সবারই লাগে।
    বন্ধুরা, জানেন কি গন্ধটা কেমন ? রোদে পোড়া শুকনো খটখটে মাটিতে প্রথম বৃষ্টি পড়লে মাটি থেকে

    একটা ভাপ ওঠে, সাথে দোসর একটা গন্ধ। সেটার নামই সোঁদা গন্ধ। কলকাতায় তেমন গন্ধ পাবেন কি ?

    আশ-পাশে মাটি থাকলে পেতেও পারেন!
    ভাঁড়ের চায়ে ঠিক তেমনই গন্ধ পেয়েছিলাম কিনা বলতে পারছি না, তবে প্রথম চুমুকেই কেতরে

    গিয়েছিলাম। সেই গন্ধটাই কি পেলাম ? অবিকল তেমন না হলেও মনে হল কাছাকাছিই বটে! ব্যস, তারপর

    থেকেই গাঢ় সম্পর্ক।
    এক সময় ব্যান্ডেল ষ্টেশনের চায়ের নাম-ডাক ছিল খুব (এখন কি দিয়ে মিষ্টি স্বাদ করে, আর কত বার

    ফোটানো হয় তা জানিনা, সে জিনিষ আর নেই)। আর যে সময় ভাঁড়ের চায়ের দাম ছিল ১০/১২ পয়সার মত,

    সেই সময়ে শিল্পাঞ্চলে চাকুরি এবং বাড়ি আসার সুবাদে, ওই ষ্টেশনে নেমে লোকাল ট্রেন ধরতে হত, মাসে

    অন্ততঃ একবার। রেলের ‘পানীয়জল’ মার্কা ট্যাঙ্কের ঠান্ডা জলে গরমে ঝলসে যাওয়া মুখটা ভাল করে ধুয়ে এক

    ভাঁড় চা! অমৃত আর কাকে বলে ?

    সেই থেকেই ত ‘ইয়েটা’।
    আর বন্ধু-বান্ধবরা ভাঁড়ের চায়ের প্রতি ভালবাসা দেখে আমার নামটাই পাল্টে ফেলল, আর তখন থেকেই

    ত —–!

     
    • ক্যাপাচিনো 6:50 pm on May 16, 2013 Permalink | Reply

      এতক্ষনে নামের তাৎপর্য বোঝা গেল। তা আমারও ভাঁড়ে চা খেতে ভালো লাগে বৈকি – বিশেষ কিছু কিছু দোকানে সেই চা একটা অন্য ধরনের উৎকর্ষ লাভ করে যে বলে বোঝানই সম্ভব নয়। আজকাল চায়ের দোকানে চা খেতে গেলে দেখবেন এক নতুন চল হয়েছে, সেটা বোধহয় প্রবল গরমের পাল্লায় পড়ে। চা চাইলে দোকানদার বলছে আইস টি খাবেন? কাগজের কাপে ঠান্ডা জলে পাওডার গুলে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। চা সংষ্কৃতিতে বড় পরিবর্তন।

    • ভাঁড়ের চা 6:51 am on May 17, 2013 Permalink | Reply

      এখনও ভাঁড়ে চা পাওয়া যায় নাকি কলকাতায় ? জানিনা ত ! কোথায় পাওয়া যায় জানতে পারলে ভালই হত। যদিও আজকাল বাইরে প্রায় যাওয়াই হয় না! আজকালকার নতুন চলের কথা জানতামই না, জানলেও অবশ্য সাদাগুঁড়ো জিনিষটা কি না জেনে কি ওই চা-পান করতাম কিনা সন্দেহ।

      • ক্যাপাচিনো 7:48 pm on May 17, 2013 Permalink | Reply

        হ্যাঁ, কিছু কিছু দোকানে রাখে বটে। আমি আমাদের সল্টলেক অফিস পাড়ার কথা বলছিলাম। তবে কিনা ভাঁড়ের সাপ্লাই কম – আর সকলে সেটা পছন্দও করে না। আজকাল কাপজের কাপটা বেশি চলছে।

        সাদা গুঁড়ো জিনিসটা কোম্পানিরই মাল। দেখবেন খেয়াল করে ওটা এমনিতেও মুদির দোকানে চলে এসেছে। লিপটন আর নেসটি এরকম দুটো দেখেছি। তবে আইস টি র আসল গুন বোধহয় লিকার চা করে তাকে ঠান্ডা করে খাওয়াতেই ভালো।

        • ক্যাফে লাতে 4:33 am on May 18, 2013 Permalink | Reply

          ওই পাউডার আইস-টি অতি জঘন্য খেতে!!

          আর ভাঁড়ের চা, মনে হচ্ছে আপনি সত্যিই খুব প্রাচীন! বাড়ি থেকে বেরোন না বুঝি? ভাঁড়ে করে চা এখনো অনেক জায়গাতেই পাওয়া যায়। গড়িয়াহাট বাজারের কাছে একজন আছে, সে চিনি কম দিয়ে বেশ ভাল চা বানায়, এবং ভাঁড়ে দেয়। ধর্মতলাতেও আমি ভাঁড়ের চা খেয়েছি।

          প্লাস্টিকের ন্যাকা কাপে চা খেয়ে কোন সুখ নাই !!

          • ক্যাপাচিনো 7:50 am on May 18, 2013 Permalink | Reply

            তোমার কাছে কি প্রকৃত আইস-টি’র অথেন্টিক রেসিপি আছে?

    • ক্যাফে লাতে 4:23 am on May 19, 2013 Permalink | Reply

      আছে। 🙂
      অথেন্টিক কিনা বলতে পারব না, কিন্তু সেটা খেতে বেশ ভাল হয়।

      • ক্যাপাচিনো 4:34 am on May 20, 2013 Permalink | Reply

        তা সেইটে না হয় এখানে দেওয়া হোক। আমি নেটে নানা রকম রেসিপি দেখলাম, কোনটিই মনে ধরেনি।

        • ক্যাফে লাতে 6:21 pm on May 24, 2013 Permalink | Reply

          মনের মত আইস টি ঃ
          ১। ভা-আ-ল করে পাতা চা আর পছন্দমত চিনি দিয়ে সুগন্ধী লিকার বানাও।(সিটিসি খবর্দার না)
          ২। সেই লিকার ছেঁকে কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা কর।
          ৩। খাওয়ার সময়ে একটা লম্বা গ্লাস নাও। তাতে অর্ধেকের বেশি লিকার নাও। বাকিটা ঠাণ্ডা জল মেশাও। তার সাথে ভাল করে অন্ততঃ আধখানা পাতিলেবুর রস মেশাও।
          ৪। বরফ মেশাবে কিনা, কতটা মেশাবে, কিভাবে মেশাবে সেটা তোমার ইচ্ছা।
          ৫। এইবার চুক চুক করে চুমুক দিয়ে খাও।

          *এই রেসিপি আমার নিজস্ব নয়। আমার এক দিদির থেকে শেখা। আমি নিজে খেয়েছি। বেশ ভাল লাগে গরমকালের সন্ধেবেলা। তবে নেট এ এই একই জিনিষ বলছে কিনা তা আমি জানিনা।

          **পাতিলেবু না থাকলে ঘরে মজুদ লেমন স্কোয়াশ ও মেশাতে পার। অন্যান্য এক্সপেরিমেন্ট ও করতে পার। আমার ধারণা অল্প অরেঞ্জ জুস দিলেও ব্যাপারটা ভাল হবে। নিজে এখনো করে খাইনি, তাই এই পরীক্ষাটা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় কর। খারাপ লাগলে আমাকে খিস্তি কর না।
          :toast

          ***চিনি সুদ্ধ লিকার বেশি করে বানিয়ে তিন-চার দিন ফ্রিজে রাখতে পার। তারপরে আর ব্যবহার না করাই ভাল।

  • ক্যাফে লাতে 7:11 am on May 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags: নাসা, মাভেন,   

    নাসা ও একটি হাইকু – আপডেট 

    কয়েকদিন আগে ক্যাপাচিনো একটা খবর দিয়েছিল – নাসার মঙ্গলগ্রহের বিশেষ প্রজেক্ট মাভেন (MAVEN -Mars Atmosphere and Volatile Evolution Mission ) নিয়ে। নাসা মাভেন নামের স্পেসক্রাফ্‌ট পাঠাচ্ছে গবেষণার জন্য। সেই মহাকাশযানের সাথী হতে পারে ছোটদের আঁকা ছবি আর বড়দের পাঠানো বার্তা। ছোটদের ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা অবশ্য শেষ। কিন্তু বড়দের বার্তা পাঠানোর সুযোগ এখনো প্রায় মাস খানেকের বেশি সময় আছে। শর্ত একটাই- বার্তা হতে হবে হাইকুর মত – অর্থাৎ সংক্ষিপ্ত এবং ছিমছাম।
    তা আমিও একটা হাইকু লিখে জমা দিলাম। তাতে মাভেন প্রোজেক্ট আমাকে একটা তাৎক্ষণিক সার্টিফিকেট ও দিয়েছে। এই হল আমার লেখা হাইকুঃ

    O dear Red Planet !
    earthlings’ future safe haven-
    would you like to be?

    পাঠানোর পরে বেশ হাল্কা একটা উত্তেজনা হচ্ছে। ভাবতেই কেমন লাগছে, একটা ডিভিডি ভর্তি হয়ে এই সমস্ত বার্তা আর ছবি মহাশূণ্যে পাড়ি দেবে। যদি এমন হয় – সত্যি সে ডিভিডির সংগ্রহ বুঝতে সক্ষম হল আরো কোন এক সভ্যতা, যাদের কথা আমরা জানিনা …এই নিয়ে বেশ খানিকটা কল্পণা করে একটা কল্পবিজ্ঞানের গল্পও হয়ত লিখে ফেলা যায় । কেউ লিখবে নাকি ?

    তবে একটা কথা, আমি এটা বুঝেছি, কফিহাউজের আড্ডার মত , নাসাও কবিদের (বিশেষতঃ স্বঘোষিত কবিদের) সাঙ্ঘাতিক ভয় পায়। তাই বার্তার দৈর্ঘ্য হাইকুর মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে দিয়েছে 😀

    আর হ্যাঁ, ক্যাপাচিনোকে থাঙ্কু। আমার তরফ থেকে ওর কাপে দুই চামচ বেশি ক্রিম দিয়ে দেওয়া হোক।

     
    • ক্যাপাচিনো 6:58 pm on May 16, 2013 Permalink | Reply

      বাহ, তোমার হাইকুটাও আমার খুবই ভালো লেগেছে।

  • ভাঁড়ের চা 5:32 am on May 16, 2013 Permalink | Reply  

    আলসেমির জন্য সময়ের ঘাটতি, তাই কিছু লেখা হচ্ছে না। তাছাড়া নতুন জায়গার হালচাল বুঝবার চেস্টায় আছি। সে জন্য সামান্য দেরি হলেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখবার প্রয়াস অবশ্যই জারি থাকবে।

     
    • ক্যাপাচিনো 7:10 pm on May 16, 2013 Permalink | Reply

      হে হে – হালচাল অতি সহজ এবং সোজা।

  • এসপ্রেসো 11:50 am on May 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , ,   

    RAP in রোদ্দুর 

    এই ঠাটাপরা রোদ্দুরে আমি কি যে করি
    ঘড় থেকে বেরুলেই পুড়ে পুড়ে মরি
    ডানে যাই বায়ে যাই, ছায়া নেই কোথাও
    শেষমেষ মাথাতে ছাতাটাই ওঠাও
    ও ইয়া…..ও ইয়া, ও ইয়া….
    ও ইয়া…..ও ইয়া, ও ইয়া….

     
    • ক্যাপাচিনো 4:04 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

      হা হা, ব্যাপক। পোস্টারটাও দারুন। বাংলায় তো র‍্যাপ সেরকম নেই বললেই চলে, তুমি বরং শুরু করে দাও।

      • এসপ্রেসো 12:58 pm on May 15, 2013 Permalink | Reply

        :alay ইয়ো….ইয়ো…..ওক্কে…

    • ক্যাফে লাতে 12:11 am on May 15, 2013 Permalink | Reply

      বাহঃ বাহঃ -এইবার বাবা সেহগল কে ডাকলেই হয় । :kr

      • এসপ্রেসো 12:59 pm on May 15, 2013 Permalink | Reply

        :alay ইয়ো….

  • ক্যাফে লাতে 7:44 am on May 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    চাফি -কফিবিন্‌স্‌-ব্ল্যাক কফি 

    আচ্ছা, আমাদের সদস্য চাফি কোথায় গেল? অনেকদিন দেখতে পাচ্ছি না।
    হটাৎ করে একটা গান মনে পড়ে গেল – লালকমল-নীলকমল গীতিনাট্য থেকে ঃ

    চাষীভাই চাষীভাই গো/ আমাদের কেউ নাই কেউ নাই গো

    আমার মনে হয় এই গানটার একটা শব্দ বদলে দিয়ে গাইতে পারি –

    চাফিভাই চাফিভাই গো, তোমার যে দেখা নাই দেখা নাই গো 🙂

    কফিবিন্‌স্‌টাও চুপচাপ। ব্ল্যাক কফিও তাই। হাতের কাছে পেলে গায়ে গরম জল ঢেলে দেব এবার 😡

     
    • ক্যাপাচিনো 4:02 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

      কোল্ডকফিটাও নেই। তার চেয়ে এক কাজ করি – ব্যাক কফিটা কোল্ড কফির মধ্যে ঢেলে দিই চলো।

  • ভাঁড়ের চা 7:25 am on May 14, 2013 Permalink | Reply  

    আছি ভালই , এই চফিহাউসে ঢুকছি। গপ্প- সপ্প পরে করা যাবে।

     
    • ক্যাফে লাতে 7:36 am on May 14, 2013 Permalink | Reply

      আপনি মনে হচ্ছে আমাদের নতুন সদস্য। স্বাগতম।:cendol
      আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু জানান।
      আর আপনি চফিহাউস লিখেছেন কেন? বানান ভুল?

      • ক্যাপাচিনো 3:57 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

        হে হে আমার তো মনে হয় চফিহাউসটাও আপনি প্যারোডি করে লিখেছেন। ভালো ভালো, দল বাড়লে তো ভালোই লাগে। এবার আপনার গপ্প শুনি।

    • এসপ্রেসো 1:04 pm on May 15, 2013 Permalink | Reply

      :shakehand2 বাহঃ কফিহাউজে এখন থেকে ভাঁড়ে চাও পাওয়া যাবে….
      স্বাগতম জানাই….

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel