Updates from June, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 9:41 am on June 12, 2013 Permalink | Reply
    Tags: এক থি ডায়েন, ,   

    হায়রে ডাইনি 

    কালকে অফিস থেকে বাড়ি ফিরতে ভাই বলল, দাদা – চল একটা সিনেমা দেখি।
    আমি বললাম – বেশ।
    ঠিক হল এক থি ডায়ন দেখা হবে। ঘর অন্ধকার করে, স্পীকার সেট করে সিনেমা দেখতে বসা হল রাত বারোটায়। গোটা বাড়িতে আর কেউ নেই। বেশ ছমছমে, থমথমে পরিবেশ। সিনেমার শুরু বেশ ভালোই লাগল। টুকটাক ভয়ই পাওয়া যাচ্ছে। চোখ থেকে ঘুম ছেড়ে যাচ্ছে ভয়ে। মনে মনে বলছি – বাঃ, দারুন একটা সিনেমা হয়েছে তো?
    গল্পটা ছোট্ট করে একটু বলি – এক নামকরা যাদুগর ম্যাজিক শো চলাকালীন ডাইনির গলা শুনে ভয় পেতে থাকেন। এরপর একজন সাইক্রিয়াটিস্টের কাছে হিপনোসিসের মাধ্যমে জানা যায় যে ছোটবেলা থেকে একজন ডাইনিকে দেখতে পায়। সে তার বোনকে মেরে ফেলে কারন ডাইনির শক্তি বাঁচিয়ে রাখতে তাদের কোন না কোন বাচ্চাকে মেরে ফেলতেই হয়। ছেলেটি কোন রকমে ডাইনির চুলের বেণি কেটে দিয়ে তাকে তাড়ায়। কিন্তু সেই ডাইনি তাকে বলে যায় যে সে ফিরে আসবে। আবার বহু বছর পরে যাদুকর হওয়ার পরেও তার মনে সেই ভয় কাজ করতে থাকে।
    সিনেমা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল গল্পে মিশির আলির মত কোন সাইকোলজিকাল থ্রিলার দেখা যাবে। কিন্তু শেষমেষ যখন জানা গেল যে ডাইনি আদপেই আছে, তারা পুনর্জন্ম হয় এবং তাদের অলৌকিক ক্ষমতাও আছে, একটা বিল্ডিং এর লিফট এ করে নরকে পৌঁছে যাওয়া যায় আর খোদ নায়কও আসলে একধরনের আধিভৌতিক ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ – তাতে মনে হল, ভয়টয় পাওয়া তো দূর, এতক্ষনধরে সিনেমা দেখা ব্যাপারটাই সবটুকু জলে গেছে।
    ধুর ধুর – যত্তসব হিন্দি সিনেমা। শেষরক্ষা হওয়াই মুশকিল।

     
    • এসপ্রেসো 11:57 am on June 12, 2013 Permalink | Reply

      :takut দেখা হয়নি, না দেখাই ভাল কি বলেন ! কখন আবার ডাইনি ঘাড়ে চেপে বসে !

      • ক্যাপাচিনো 12:11 pm on June 12, 2013 Permalink | Reply

        না দেখা একেবারে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

        • ক্যাফে লাতে 6:42 am on June 13, 2013 Permalink | Reply

          তাহলে না দেখতে গিয়ে ভালই করেছি বল? আমি আবার শুনছিলাম দেখলে নাকি সত্যি বেশ ভয় ভয় করে, ভাল হরর-থ্রিলার

          • ক্যাপাচিনো 7:19 am on June 13, 2013 Permalink | Reply

            সব দিক দিয়ে ভালো করেছো। ভয় টয় তেমন করে না – আর শেষমেষ সব গোল পাকিয়ে একাকার।

  • চাফি 1:34 pm on May 31, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    এবং ঋতুপর্ণ চলে গেলেন 

    কফিহাউজে ওনাকে নিয়ে দুটো পোস্ট ইতিমধ্যে পড়ে গেছে। আর একটা দেওয়ার কারন এটাই যে একটা ছোট্ট ঘটনা বলতেই হয়। কদিন ধরে দেখছি ফেসবুক শোক সংবাদে ভেসে যাচ্ছে।

    এর মধ্যে এরকম অনেকেই আছেন – যাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয়ও রয়েছে – যাঁরা একসময় ঋতুপর্ণকে সামনাসামনি একটা উপহাসের পাত্র হিসেবে তুলে ধরেছেন গল্প, আড্ডা ও লেখায়। অথচ সেইরকম অনেকেই এখন যেন দুঃখে ভেসে যাচ্ছেন, মেনে নিতে পারছেন না বাংলা সিনেমার এত বড় ক্ষতির কথা। মনে পড়তে খারাপ লাগছে মীরের তুলে ধরা সস্তা নাটুকে মুহুর্তগুলোই তাঁরা খুব রসিয়ে রসিয়ে বলেছেন, তুলে ধরেছেন একাধিকবার। একজন সামান্য ভাঁড় হয়েছেন আমাদের রসদ, অথচ যিনি প্রকৃত মুক্তমণা পরিচালক, যিনি যৌনতার রাখঢাক ব্যাপারটা মুছে সত্যিটুকু সিনেমার পর্দায় এনে প্রশ্ন করেছেন আমাদের, তাঁকে করেছি ব্রাত্য।

    কেন জানি না এটা বড় বেশি ভড়ং বলে মনে হচ্ছে। আর কিছু হোক না হোক, এই একটা জায়গায় তো বাঙালি কম যায় না। আফশোস এটাই যে এরকম একজন প্রতিভার প্রকৃত মূল্যায়ন করার মত মানসিকতা আর যাই হোক আম আদমীর নেই। বিশ বছর ধরে সিনেমা বানিয়ে যে উপহার উনি আমাদের দিয়ে গেছেন, তা বুঝতে দর্শক হিসেবে আমরা অনেক অনেক পিছিয়ে।

    সেলাম ঋতুপর্ণ।

     
  • ক্যাপাচিনো 7:49 pm on May 18, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    মহাপুরুষ ও কাপুরুষ 

    অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের ছবি ‘মহাপুরুষ ও কাপুরুষ’ দেখে এলাম। সত্যজিত রায়ের সিনেমার সাথে কোন কম্পিটিশন নয় – একটি আদ্যোপান্ত নতুন ঝকঝকে গল্প, পরিচালনা ও উপস্থাপনা। অনেক হাসির সিনেমাতেই যেটা সচরাচর হয়ে থাকে তা হল জোর করে হাসানোর একটা প্রচেষ্টা – বলাই বাহুল্য সেটা বেশির ভাগ সময়েই হিতে বিপরীত করে। মহাপুরুষ ও কাপুরুষ সেই দোষ থেকে মুক্ত, সিনেমটি মূলতঃ একটি স্যাটায়ার – মানুষের মনের অজ্ঞতার আর ভন্ডামিকে ঘিরে গড়ে ওঠা মিথ্যের জগৎকে খুব সুন্দরভাবে দেখতে পাই।
    গল্পটা চেনাই ছিল। কারন পরশুরামের বিরিঞ্চিবাবা একটি কালজয়ী গল্প। কাজেই একটা চেনা পরিচিত ছক মাথায় নিয়ে যখন দর্শক কোন সিনেমা দেখতে যায় তখন তা পরিচালকের কাছে মনে হয় আরও কঠিন হয়ে পড়ে – কিন্তু এই গল্পে অনিকেত সেটুকু করেছেন অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সঙ্গে। এই সিনেমায় আছে দুটি কাহিনী। একদিকে বীরেশ্বর চ্যাটার্জী (দীপঙ্কর দে)র বাড়িতে গুরু সেজে এসে ওঠা বাবা সবগজানন্দ এবং তাঁর সাকরেদ অন্য গ্রহের প্রানী পুচুংঝোলা। সেখানে হতে থাকে ভক্তদের সমাগম এবং বাবা নানা রকম খেল দেখিয়ে দর্শকদের বশীভূত করে ফেলেন। কাজটা সহজ ছিল না – কিন্তু ব্রাত্য বসু সেখানে চালিয়ে গেছেন প্রায় ওয়ান ম্যান শো – তিনি না থাকলে চরিত্রটা এত বিশ্বাসযোগ্য হত কিনা সন্দেহ। আর অন্যদিকে দেখি ঋত্তিক আর রিমঝিমের বাড়িতে এক চোর হানা দিতে গেছে। এই দুই কাহিনী পাশাপাশি চলতে থাকে – এবং সব শেষে এসে একসাথে মিলে যায়। গল্পটা পুরো বলে দিয়ে সাসপেন্সটা ফাঁস করে দিতে চাইছি না – বরং চাইছি দর্শক হলে গিয়ে সিনেমাটা দেখেই আসুন।
    ক্যামেরার কাজ বেশ ভালো লেগেছে। কাহিনীকার হিসেবেও যে নতুনত্ত অনিকেত আনতে পেরেছেন, তার জন্য দর্শক হিসবে শুধুই প্রসংশা। নিটোল মনোরঞ্জন। খুব ভালো লেগেছে, আবারও জানাচ্ছি।

     
    • চা পাতা 4:11 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      অনিকেত-এর আগের সিনেমা-গুলোর থেকে এটা অনেক ভালো!
      *জয় সদগজানন্দ’র জয়*

  • ক্যাপাচিনো 10:20 am on May 7, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    বোম্বে টকিজ 

    হঠাৎ করে কাজের দিনে যদি দেখা যায় হাতে কোন কাজ নেই – তখন কিছুটা হলেও যেন স্কুল থেকে ছুটি পাওয়ার মত মনে হয়। এরকম একটা দিন ছিল গতকাল। অফিস মোটামুটি খালি – তাকে আরো খালি করে দিয়ে আমরাও বেরিয়ে পড়লাম সিনেমা দেখতে, বোম্বে টকিজ।

    ভারতীয় সিনেমার ১০০ বছর পূর্তি হিসেবে চারজন পরিচালকের চারটি শর্ট ফিল্ম নিয়ে তৈরি হয়েছে বম্বে টকিজ। তারিখ মিলিয়ে রিলিজও হয়েছে ৩রা মে। বলতেই হচ্ছে যে শর্ট ফিল্ম হিসেবে প্রতিটি গল্পই নজর কেড়ে নেওয়ার মত। ছোট্ট করে একটু বর্ণণা দিচ্ছি।

    ১) আজিব দাস্তাঁ হ্যায় ইয়েহ – পরিচালক করণ জোহর
    সমকামীতা নিয়ে খুব সুন্দর আধুনিক ককটেল। যে পরিচালক দোস্তানার মত সিনেমা তৈরি করেন তাঁর কাছ থেকেও যে সিরিয়াস কিছু আশা করা যায় সেটা প্রথমে ভাবিনি। কিন্তু মানুষের সম্পর্ক এবং সংকট দুটিই খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে এই গল্পে।

    ২) স্টার – দিবাকর ব্যানার্জী
    পটলবাবু ও ফিল্মস্টার গল্পটির আদলে তৈরি এই গল্পে একজন ব্যর্থ অভিনেতা একটি বড় সিনেমায় একটি ছোট্ট দৃশ্য অভিনয় করার সুজোগ পান। সেই একটি দৃশ্যের প্রস্তুতি এবং তার খুশি অবাক করার মত। অভিনেতার চরিত্রে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী অসাধারন অভিনয় করেছেন।

    ৩) শীলা কি জওয়ানি – জোয়া আখতার
    একটি সাধারন মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প যেখানে একটি ছোট ছেলে ফুটবল খেলতে চায় না, স্বপ্ন দেখে শীলার মত ড্যান্সার হবে। সে দিদির পোষাক পরে সাজতে চায়। এখানে একদিকে শিশু মানসিকতার সংকট ও অন্যদিকে স্বপ্নের হাতছানি, দুটোই পরিচালক ফুটিয়ে তুলেছেন দারুন ভাবে।

    ৪) মোরব্বা – অনুরাগ কাশ্যপ
    এই গল্পটিতে স্যাটায়ারের আদলে মিশে আছে মানুষের সরল বিশ্বাস। এক মৃত্যুপথযাত্রী তার ছেলেকে অনুরোধ করেন অমিতাভ বচ্চনকে মোরব্বা খাইয়ে আসতে। একমাত্র তাতেই নাকি তিনি দীর্ঘ জীবন পাবেন। সেই যাত্রায় যুবকটির জন্য অপেক্ষা করে থাকে অনেক ঘটনা।

     
    • নেসক্যাফে 4:59 am on May 8, 2013 Permalink | Reply

      হুম দেখতে হবে…… কিন্তু কবে যে দেখতে পারব

    • ক্যাফে লাতে 9:06 am on May 8, 2013 Permalink | Reply

      আমারও এই ফিল্মটা দেখার ইচ্ছে আছে। কিন্তু কবে দেখতে যেতে পারব জানিনা।

    • এসপ্রেসো 2:00 pm on May 8, 2013 Permalink | Reply

      :mewek2 এমনিতেই আমি মুভি পাগলা তার উপর গল্পগুলোর বর্ননা দিয়ে ক্ষুধাটা আরো বাড়িয়ে দিলেন……..

      • ক্যাপাচিনো 9:03 am on May 9, 2013 Permalink | Reply

        হে হে, আচ্ছা বাংলাদেশে নতুন হিন্দী সিনেমা রিলিজ করে না?

    • ক্যাফে লাতে 11:04 am on May 9, 2013 Permalink | Reply

      করে নিশ্চয়। কিন্তু এখন কি বাংলাদেশে নতুন সিনেমা রিলিজ করার মত অবস্থা আছে?

      • ক্যাপাচিনো 12:41 pm on May 9, 2013 Permalink | Reply

        তাও ঠিক। তবে আর কি টরেন্ট জিন্দাবাদ।

  • ক্যাপাচিনো 1:33 pm on March 31, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    সোনার কলা 

    হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছো সব্বাই। সোনার কেল্লা নয়, কলা। আমি অবশ্য বাংলা করে বলছি – আদপে আসল কথাটা হচ্ছে গোল্ডেন কেলা অ্যাওয়ার্ডস।

    বেশ মজার এই পুরষ্কার বিতরন। বেছে বেছে বছরের সের খারাপ সিনেমা ও অভিনেতা, অভিনেত্রীদের দেওয়া হয় এই পুরষ্কার। আমাদের দেশে এরকম পুরষ্কার আছে জানতাম না। আজকে গুগল নিউজে দেখলাম যে প্রায় বছর পাঁচেক ধরে দেওয়া হচ্ছে। এই হিসেবে সন অফ সর্দার থেকে অজয় দেবগন আর সোনাক্ষিকে দেওয়া হয়েছে সেরা অভিনেতা ও অভিনেত্রীর পুরষ্কার। মজার কথা হচ্ছে এই তালিকায় একটি বিশেষ পুরষ্কারের নাম – ‘বেটা তুমসে না হো পায়েগা’ :sorry

    শুনলাম এবছর প্রথম একজন নাকি এই পুরষ্কার নিজের হাতে গ্রহন করেছেন – অন্বিতা দত্ত – ‘ইস্ক ওয়ালা লাভ’ গানের লিরিক্সের জন্য। আমার তো মনে হয় যা সব জঘন্য লিরিক্স তৈরি হয়েছে গত বছর, তাতে এই পুরষ্কারের জন্য অনেক কাড়াকাড়ি পড়েছে। :pertamax

    পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল এরকম একটা উদ্যোগ বাংলা সিনেমার জন্য নেওয়া যায় না? কত প্রতিযোগী ঘুরে বেড়াচ্ছে মাঠে ময়দানে।

     
    • বোকা 12:16 am on April 1, 2013 Permalink | Reply

      প্রতিযোগী অতি বেশী হলে বিচার করতে করতে তো বছর পার হয়ে যাবে… পুরষ্কার আর দেওয়ার সময পাওয়া যাবে না… 😉

      • ক্যাফে লাতে 11:59 pm on April 3, 2013 Permalink | Reply

        ব্লগে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ এবং স্বাগত ‘বোকা’ 🙂
        আমরা লটারি করে প্রতি্যোগী বাছাই করে নেব।

      • ক্যাপাচিনো 10:09 pm on April 4, 2013 Permalink | Reply

        হা হা, তাই বলে এত বড় হ্যাটা করার সুজোগটা ছেড়ে দেওয়াও কি ঠিক হবে?

    • ক্যাফে লাতে 7:19 am on April 1, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, এটা আমিও শুনেছিলাম। এটা বোধ হয় সাজিদ খান করে না? বাংলাতেও হওয়া উচিত তো বটেই এইরকম কিছু একটা। তমার আগের পোস্টে ওই সব ম্যাশ আপ গুলো দেখলাম। গান গুলো অবশ্য আলাদা করে শোনাই ছিল। ব্যাপারটা বেশ দম বন্ধ করা …।বাংলা গান, তার মধ্যে গুচ্ছের হিন্দি আর ইংরেজি শব্দ, ছবির নাম হল আওয়ারা, দিওয়ালা, জানেমন – এইসব শব্দগুলো কোনকালে বাংলা অভিধানের অন্তর্ভুক্ত ছিল কে জানে !!

      আর এইসবের বিপরীতে হল জন্মজ্যাঠার দল :nohope

      তারা আবার এতই বেশি বোঝে যে, তাদের প্রথম ও প্রধাণ উদ্দেশ্যই হচ্ছে দর্শককে এটা বোঝানো যে, ‘তুমি আমার থেকে সব বিষয়েই খুব কম বোঝ, তাই আমি যা বলছি তা চুপচাপ মেনে নিতে হবে। মেনে নিলে তুমি আঁতেলেকচুয়াল, না মানলে বোকা পাঁঠা , খবর্দার নন্দন চত্বরে যেন তোমাকে দেখা না যায়!! :nerd

      • ক্যাপাচিনো 10:10 pm on April 4, 2013 Permalink | Reply

        আরে দুর – কি যে বল, সাজিদ খান? তিনি নিজেই কতগুলো করে পুরষ্কার পান তার নেই ঠিক – আমার এখনও মনে আছে – হাউসফুলের মত জঘন্য সিনেমা বোধহয় আর দুটো নেই।

      • চা পাতা 3:51 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

        ঝেড়ে পেন্টু খুলে দিয়েছেন দেখছি!

  • ক্যাফে লাতে 2:10 pm on March 25, 2013 Permalink | Reply
    Tags: শর্ট ফিল্ম,   

    জেরিস গেম -শর্ট অ্যানিমেশন 

    একটা অসাধারণ শর্ট অ্যানিমেশন দেখলাম পিক্সার স্টুডিওর – জেরিস গেম। দেখই একবার। মন ভরে যাবে দেখেঃ)

     
    • ক্যাফে লাতে 6:59 pm on March 29, 2013 Permalink | Reply

      এই শর্ট ফিল্মটা তোমরা কেউ এখনো দেখলে না? :nohope যাহঃ বাবা!!

      • ক্যাপাচিনো 3:51 am on March 30, 2013 Permalink | Reply

        ব্যাপক – ব্যাপক। কোন তুলনা নেই। সত্যিই মন ভরে গেল।

  • ক্যাফে লাতে 12:12 am on March 25, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    ব্রেভ দেখলাম। ২০১২ সালে তৈরি অ্যানিমেশন ছবি।

    রাজকন্যা মেরিডার মা চান তাকে পাত্রস্থ করতে। কিন্তু মেরিডা চায় স্বাধীনতা। সে একজন দক্ষ ধনুর্বিদ, সে চায় ঘুরে বেড়াতে, শিকার করতে, অস্ত্রশিক্ষা জারি রাখতে। মা আর মেয়েতে জোরদার মন কষাকষি হয়। মেরিডা রেগে মেগে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। তার সাথে দেখা হয় এক ডাইনিবুড়ির। ডাইনিবুড়ির কাছে মেরিডা ওষুধ চায় মাকে বদলে দেওয়ার জন্য। যাদু ওষুধে কাজ দেয়। বদল ঘটে। কিন্তু সে এমন বদল, যা মেরিডা চায়নি।

    বাকিটা আর বলব না। ছবিটা ২০১২ সালে বেশ হইচই ফেলেছিল। আমি দেখার সময় পেলাম ২০১৩ তে এসে। বেশ ভাল লাগল দেখে। আমার অবশ্য অ্যানিমেশন ফিল্ম দেখতে সবসময়ই ভাল লাগেঃ)

     
    • ক্যাপাচিনো 12:17 am on March 25, 2013 Permalink | Reply

      অস্কারের দৌড়ে ছিল মনে হচ্ছে। দেখতে হচ্ছে তাহলে সিনেমাটা।

  • ক্যাফে লাতে 12:00 am on March 25, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    যেখানে ভূতের ভয় 

    সন্ধেবেলা টিভিতে দেখলাম যেখানে ভূতের ভয়। অনেকদিন পরে বেশ ভাল লাগল একটা ছবি দেখে। শেষের গল্পটা অনবদ্য 🙂 কিন্তু একটা ছোট্ট সমস্যা আছে। তারিনীখুড়ো গল্প বলতে যান বালীগঞ্জের সরকার বাড়িতে।, সেই বাড়িতে যে ছেলেরা গল্প শোনে, তাদের নাম পল্টু, ন্যাপলা, গিটকিরিবা ফিটকিরি গোছের কিছু। সন্দীপ রায়ের কাছে আমার প্রশ্ন – এই গল্পটা ঠিক কোন সালের? মানে ভূতের তিনটে গল্প তো পঞ্চাশ-ষাট-সত্তর বছরের পুরোনো। কিন্তু ছবির আসল গল্পের সময় তো এই আজকের দিন, কারণ প্রথম দৃশ্যে তারিনীখুড়োর ট্রামের জানালা দিয়ে পেছনে পিজ্জা কর্নার আর তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি হোম ডেলিভারি বাইকগুলি দেখা যায়। কিন্তু আজকের যুগের কোন স্বচ্ছল পরিবারের ছেলের ডাকনাম পন্টু এবং/অথবা ন্যাপলা হয় কি? পল্টু হলেও হতে পারে, কিন্তু ন্যাপলা??? ন্যাপলা হল নেপাল শব্দের বিকৃত উচ্চারণ। আর আজকের দিনে কেউ নিজের ছেলের নাম নেপালচন্দ্র রাখে না। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারেও রাখে না। আর পল্টুদের যা বাড়ি দেখানো হয়েছে, সেই বাড়ির ছেলের বন্ধু কোনদিন নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসবে না। ন্যাপলাকে দেখে মনেও হচ্ছেনা যে খুব অস্বচ্ছল পরিবার থেকে আসছে। মোট কথা, নামকরণ গুলো গোলমেলে হয়ে গেছে।ছেলেদের ডাকনামগুলো সময়াময়িক হওয়া খুব জরুরি ছিল। নাহলে আমার মত হাড় বজ্জার দর্শক ভ্রু কোঁচকাবেই!!
    আরেকটা বাজে তথ্যঃ পরিচালক পার্ক-সার্কাসের দিকে চলা ট্রাম দেখিয়ে বেমালুম বলে দিলেন বালিগঞ্জের দিকে যাচ্ছে 🙂

     
    • ক্যাপাচিনো 12:11 am on March 25, 2013 Permalink | Reply

      সন্দীপ রায় চিরকালই অঙ্কে কাঁচা। ভুলভাল করেই থাকেন। :cd তাই আর অবাক হলাম না।

      হ্যাঁ, তুমি যেটা বলছো, সেটা আমারও চোখে লেগেছে। তারিনিখুড়ো কাদের গল্প বলছেন – কখন বলছেন আর কোন সময়ের গল্প বলছেন, এটার মধ্যে একটা খাপছাড়া ভাব আছে। সত্যজিত রায়ের কোন সিনেমায় এই ব্যাপারটা কোন কালেই ছিল না – ছেলে ইস্কুল তো দূরে থাক, বাবার কাছেই ঠিক করে টিউশনটা নেয়নি বেশ বোঝা যায়।

      প্রথম গল্পটায় ভয় দেখানোর আরো জায়গা ছিল, যেটা পরিচালক নষ্ট করেছেন। পরের গল্পটা মোটামুটি। ওখানে সত্যিকারের বেড়াল ব্যবহার করার কি সমস্যা ছিল কে জানে। সিনেমটা শুধু উতরোল শেষের গল্পটার হাত ধরেই। তাই না?

      • ক্যাফে লাতে 12:20 am on March 25, 2013 Permalink | Reply

        হ্যাঁ, প্রথম গল্পটায় আরো ভয় দেখানো যেত। কিছুই দেখানো হয়নি আসলে। কি দেখে মিত্তিরমশাই মারা গেলেন চোখ খুলে, তা বোঝা গেল না। আর উনি বলেছিলেন, ভূত দিনের বেলা দেখা দায় না, কিন্তু উনি নিজে বেশ ভোরবেলায় দেখা দিলেন দিনের আলোয়ঃ)

        হ্যাঁ, বেড়ালটা যে কম্পুটার গ্রাফিক্সের কাজ সেটা বেশ বোঝা যাচ্ছিল, কারণ ওটার গড়নে গোলমাল ছিল। বেশ একটা গর্ভবতী ভাব। আজকাল বোধ হয় কিছু বোকা নিয়ম হয়েছে সেন্সর থেকে- জন্তুজানোয়ারদের ওপর অত্যাচার করা চলবে না গোছের, কারণ আজকাল সব ছবির শুরুতেই দেখতে পাই—- এই ছবিতে কোন প্রানী ব্যবহার করা হয়নি, সব সি-জি —এই গোছের লেখা।
        আর হ্যাঁ, ঐ টিউশনের ব্যাপারটা তুমি ঠিকই বলেছ। আমাদের তো এইসব বোধ বুদ্ধিগুলি তৈরিই হয়েছে অনেকটা সত্যজিৎ রায় পড়েপড়েই। তাহলে তাঁর ছেলের যে কেন হয়নি কে জানে। সত্যি বলতে গেলে ,’তারিনীখুড়ো’ ব্যাপারটাই তো গোলমেলে। কাকু, দাদু, মেসো, মামা এইসবের মধ্যে কিছু একটা বললে ব্যাপারটা অনেক স্বাভাবিক হত। :hoax2

        • ক্যাপাচিনো 12:29 am on March 25, 2013 Permalink | Reply

          আমার কিন্তু – কেন জানি না ছোটবেলায় মনে হত বা এখনও মনে হয় তারিনিখুড়োর গল্পগুলো একটু বড়দের জন্য। এই ন্যাপলা ট্যাপলা এরা একটু বয়ষ্ক গোছের লোকজন। তাই আমার সাথে ঠিক পরিবেষনাটুকু খাপ খায়নি, বরং চায়ের দোকানের আড্ডা হলে ব্যাপারটা জমত ভালো।

          হ্যাঁ, জন্তু জানোয়ারের প্রতি অত্যাচারের কথা এক – কিন্তু একটা বেড়াল চেয়ার থেকে নেমে চলে গেল এটুকু দেখাতে কি আর একটা বেড়াল ব্যবহার করা যেত না?

          • ক্যাফে লাতে 12:33 am on March 25, 2013 Permalink | Reply

            সন্দীপ রায়ের নির্ঘাত ‘আগন্তুক’ এর ভূত মাথায় চেপেছিল :ngakak

    • কফি বিনস 12:28 am on March 25, 2013 Permalink | Reply

      বাহ, ক্যফে লাতে বেশ ভাল লক্ষ্য করেছে। সন্দীপ রায় যা করেছেন অনেক করেছেন। ওনার কাছ থেকে এর থেকে বেশি আশা করাটা কি ঠিক? অনাথবাবুর ভয় গল্পতে যে গ্রামের মধ্যে দিয়ে রিক্সা যেতে দেখা গেছিল, শেষের ভূত-ভবিশস্যৎ গল্পতেও সেই একই গ্রামের মধ্যে দিয়ে রিক্সা গেল। সামান্য লোকেশান-এর দিকেই নজর নেই যেটা সাধারণ দর্শকরাই ধরে ফেলবেন। ডাক নামের সদ্ব্যবহার তো আরো অনেক খুঁটিনাটি ব্যাপার।

      • ক্যাফে লাতে 11:24 pm on March 25, 2013 Permalink | Reply

        বাবা, গ্রামটাকে খেয়াল করিনি তো!! তবে আমার আরেকটা জিনিষ বেশ আজগুবি লেগেছে। শেষ গল্পে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরে যখন ফুলশয্যা হতে যাচ্ছে, আর দাদু ভূত এসেছে নাতজামাই এর সাথে দেখা করতে, তার ব্যাকগ্রাউন্ডে একটা বেশ জমকালো ঠাকুরদালান দেখা যাচ্ছে। আমার মাথায় প্রশ্ন ঢুকেছিল- এই বাড়িটা কার? গোপিদুলাল কি খুঁজে পাওয়া মোহর দিয়ে একটা সাতমহলা বাড়ি কিনে ফেললেন? কিনে থাকলে সেটা কোথাও একটা উল্লেখ করা উচিত ছিল। কারণ ছবিতে যা বাকি বাড়িগুলি দেখানো হয়েছে, সেগুলি কোনটাই এই বাড়ির মত নয়।

        যাকগে আর বেশি ভেবে কি করব। অন্তত সেই ;নিশিযাপন’ এর মত বিরক্ত করেন নি, এইটাই যথেষ্ট।

    • ব্ল্যাক কফি 12:50 pm on March 25, 2013 Permalink | Reply

      ছবিটা আমিও দেখলাম, সন্দীপ রায়ের ছবি মানতে কষ্ট হলো ।

    • চা পাতা 5:35 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      আরে ধুর ধুর! ১টা সিনের সাথে পরের সিনের সামঞ্জস্য কিছু নেই! ৩-৩টে গল্পের শুরু থেকে শেষ-এর ঠিক আগে পর্যন্ত কোন ভয়ের ব্যাপার-স্যাপার নেই! সব গল্পেই ১টা “শেষ সিনে গিয়ে ভয় দেখিয়ে দোবো” ভাব! এক্কেরে জোলো পান্তা ভাট!

  • ক্যাপাচিনো 12:01 am on March 23, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    অ্যালভিন অ্যান্ড দ্য চিপমাঙ্কস 

    বেশ মজার গল্পের সিরিজ এই ‘অ্যালভিন অ্যান্ড দ্য চিপমাঙ্কস’। তিন কাঠবিড়ালিকে নিয়ে গল্প – অ্যালভিন, সাইমন আর থিওডোর। চিপমাঙ্ক মানে যে কাঠবিড়ালিই কিনা তা অবশ্য আমি ঠিক জানি না – ভুল হলে কেউ শুধরে দিতে পার। তবে কিনা দেখে তাই ই মনে হয়েছে। তা এই তিনজনের বৈশিষ্ট হচ্ছে যে তারা গান গাইতে পারে। এই নিয়ে গল্প। অনেক দিন আগে এই সিরিজের প্রথম সিনেমাটি দেখেছিলাম। আজকে দেখলাম তৃতীয় পর্ব। অ্যানিমেশন নিয়ে কিছু বলার নেই। গল্পটাও বেশ মিষ্টি।

    দেখতে বসলে ওটা যাবে না – এইটুকুই বলতে পারি। এখন তোমাদের যা ইচ্ছে।

     
    • এসপ্রেসো 7:06 am on March 23, 2013 Permalink | Reply

      :2thumbup অ্যানিমেশনটি সত্যিই সুন্দর, আর কাঠবেড়ালিগুলোও খুব কিউট :thumbup:

      • ক্যাপাচিনো 12:57 am on March 24, 2013 Permalink | Reply

        সিনেমটা দেখো সময় করে। ভালো লাগবে বলেই মনে হয়

    • ক্যাফে লাতে 11:48 pm on March 24, 2013 Permalink | Reply

      এইটার নাম তো শুনিনি আগে। দেখতে হবে তাহলে। আমি অবশ্য নতুন আরেকটা ছবি দেখলাম।

    • ক্যাপাচিনো 12:02 am on March 25, 2013 Permalink | Reply

      কোন ছবি?

  • ক্যাফে লাতে 3:52 pm on March 20, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    ভিকি ডোনর 

    সুজিত সরকারের ভিকি ডোনর জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছে শোনার পরে ছবিটা দেখলাম। যোগাড় করেছিলেম অনেকদিন আগেই, কিন্তু দেখব-দেখছি করে আর দেখা হচ্ছিল না। বেশ ভাল লাগল দেখে। আধুনিক, ছিমছাম ছবি; একটা আধুনিক নাগরিক সমস্যা এবং তার সমাধান ও বেশ সুন্দরভাবে হল। হয়ত শেষটা একটু বেশিই সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গেল, কিন্তু সেটাও বেশ গুছিয়েই হল। একগাদা গল্প তৈরি করে তারপরে শেষে গিয়ে অর্ধেকগুলির সমাধান না করে মাঝে মাঝেই যে সব ছবি তৈরি হয়, সেরকম হয়নি।

     
    • ক্যাপাচিনো 7:12 pm on March 20, 2013 Permalink | Reply

      আমার ও দারুন লেগেছে সিনেমাটা – আসলে থিমের চেয়ে যে জিনিসটা বেশি ভালো লেগেছে তা হল বাঙালি পাঞ্জাবী কনট্রাস্টটা।

    • ক্যাফে লাতে 9:46 pm on March 21, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, বাঙালি-পাঞ্জাবি তফাতের ব্যাপারটা দারুণ ভালভাবে ফুটিয়েছে। একদম স্বাভাবিক। কোন অকারণে বাজে একঘেয়ে ইয়ার্কি নেই। আর অসীমার বাবার রোলে ভদ্রলোক যে দারুণ হিট, বা বলা চলে এই বাঙালি পাঞ্জাবি ব্যাপারটাই যে দারুণ হিট, সেটা তো ইদানীগ বোঝা যাচ্ছে, এক সর্ষের তেলের বিজ্ঞাপন দেখে, যেখানে বাঙালি শ্বশুরকে (ওই একই অভিনেতা) পাঞ্জাবি বউমা অবাক করে দিচ্ছে সর্ষে ইলিশ রেঁধে।

      • ক্যাপাচিনো 12:01 am on March 22, 2013 Permalink | Reply

        পাঞ্জাবিদের নিয়ে বেশি কথা না বলাই ভালো – আমি কয়েকটা উদাহরন দিচ্ছি।

      • ক্যাপাচিনো 12:15 am on March 22, 2013 Permalink | Reply

        তোমার কমেন্টের উত্তরে একটা পুরনো ঘটনা মনে পড়ে যেতে সেটা নিয়ে পোস্ট দিলাম। যাইহোক, হ্যাঁ সিনেমায় তথাকথিত রোম্যান্সটাও অন্য রকম লেগেছে শুধু এই বাঙালি পাঞ্জাবি তফাতটা ফুটে ওঠাতে। আর হ্যাঁ, নায়ক নায়িকার চেয়েও অন্নু কাপুরকে ফাটাফাটি লেগেছে সেটাও স্বীকার করতে হয়।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel