Updates from May, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাফে লাতে 6:27 am on May 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    দ্য আনরিয়েল টাইম্‌স্‌ একটা দারুণ প্রতিবেদন দিয়েছে, মানুষের জীবনের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে- ছবি সহ। দেখতে হলে দেখ এই লিঙ্ক এ-
    http://www.theunrealtimes.com/2013/05/14/in-pictures-different-stages-of-a-mans-life/

    আমি জানি না তোমরা কেউ দ্য আনরিয়েল টাইম্‌স্‌ পড় কিনা, যদি না পড়ে থাক, তাহলে পড়ে দেখতে পার। মূলতঃ ভারতীয় রাজনীতি নিয়ে স্যাটায়ার লেখা হয়। পড়ে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাবে পুরো। যাঁরা এখানে লেখেন, তাঁরা সত্যিই খুবই রসিক, কল্পণাপ্রবণ, এবং ভারতের সাম্প্রতিক রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

     
    • ক্যাপাচিনো 4:00 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

      আমি এই সাইটটা আগে দেখেছি। সত্যি কথা যারা লেখেন তাদের জন্য হ্যাটস অফ। অসাধারন স্যাটায়ার।

  • এসপ্রেসো 8:58 pm on May 13, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    কিছুক্ষন আগে বাজ-ফাজ পড়ে, বৃষ্টি-টিষ্টি হয়ে তো একাকার অবস্থা । বৃষ্টি পড়া ঠিক আছে, মেঘের গুড়-গুড় শব্দ তাও ঠিক আছে কিন্তু বাজ পড়া….অরেব্বাপ রে কি ভয়ঙ্কর শব্দ রে বাবা !

     
    • ক্যাফে লাতে 1:40 am on May 14, 2013 Permalink | Reply

      তাহলে তোমাদের ওখানেও হয়েছে… ভাল। এখানে হয়ে একটু আরাম হয়েছে দিন দুয়েকের জন্য।

      • এসপ্রেসো 11:34 am on May 14, 2013 Permalink | Reply

        :malu2 আরাম টের পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছি না, এই রোদ তো ঐ বৃষ্টি….কনফিউজিং !

  • ক্যাপাচিনো 1:48 pm on May 12, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    দুদিন আগে বৃষ্টির শন্দ শোনার আগেই দেখি ফেসবুকে আপডেট এসে গেছে – প্রথমে বিশ্বাস করিনি, তারপর কান পেতে দেখি সত্যিই বৃষ্টি হচ্ছে, কিন্তু ভালো করে শুনতে পাওয়ার আগে তা কোথায় যেন মিলিয়ে গেল। আজ সন্ধ্যের পর দেখছি সুন্দর ঠান্ডা হাওয়া বইছে। এই যে এই মুহুর্তে এই লাইনটা লিখছি, তখন দেখি হালকা বাজ পড়ার শব্দ ভেসে আসছে। স্বস্তিটুকু কিছুক্ষন থাকবে তো?

    থাকবে মনে হচ্ছে, বেশ কড়কড়িয়ে বাজ পড়ছে।

     
    • এসপ্রেসো 8:54 pm on May 13, 2013 Permalink | Reply

      :bingung বাজ পড়াটা স্বস্তির !

    • ক্যাফে লাতে 1:41 am on May 14, 2013 Permalink | Reply

      শুধু বাজ?? সেদিন শেষ মেষ কি হল সেটাও বল 🙂

      • ক্যাপাচিনো 4:01 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

        শেষমেষ আবার কি হল? :bingung

  • ক্যাফে লাতে 3:26 am on May 12, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , নিউ মার্কেট, , মুখতার আহমেদ   

    জনাব মুখতার আহমেদ 

    ইনি জনাব মুখতার আহ্‌মেদ। এস এস হগ মার্কেটে এনার একটা ছোট মশলাপাতির দোকান আছে। আমি এঁর দোকান এবং এঁকে মাত্র কয়েক মাস আগে আবিষ্কার করেছি – একটা দুষ্প্রাপ্য মশলার খোঁজ করতে করতে। এখন আমি নিয়মিত এনার কাছ থেকে মশলা কিনতে যাই। মোটামুটি যে সমস্ত মশলা সাধারণ ভাবে বাড়ির আশেপাশের দোকানে পাওয়া যায় না, সেই সমস্ত মশলাই ওনার দোকানে পাওয়া যায়। ওখানে এইরকম আরো দোকান আছে। আমি অবশ্য এই চাচার দোকান ছাড়া কোথাও যাই না।
    মুখতার চাচার কাছে যাওয়ার একটা প্রধাণ কারণ হল চাচার ব্যবহার। এত মিষ্টভাষী বিক্রেতা আজকালকার দিনে খুব কম দেখা যায়। যদি তুমি ওনার কাছ থেকে কাজু কিশমিশ কিনতে চাও, তাহলে কেনার আগেই বেশ কিছুটা ফ্রি-তে চেখে দেখতে পারবে। এমনকি না কিনলেও দুই এক টুকরো চেখে দেখতে পার। আমাদের নিতে খারাপ লাগে। একদিন ঠিক আছে, কিন্তু প্রতিদিন হলে একটু অস্বস্তি হয়। দামের কথা তুললে উনি বলবেন – “দেনেওয়ালা তো উপরওয়ালা হ্যায়, হম কৌন হোতে হ্যায় দেনেওয়ালে…” একটু বেশি পরিমাণে কেনাকাটা হলে একমুঠো তেজপাতা ফ্রি দিয়ে দেন।বলেন, “হর এক চীজ কা হিসাব নেহি লাগাতে…”
    এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে চাচা আমাদের জন্য স্পেশাল আলুবোখরার হজমি বানাচ্ছেন – সেটাও ফ্রি 🙂 এখানে একটা কথা বলতে হবে, এখানকার বেশিরভাগ মশলা ওনার ঘরে পেষা হয়। বাকি জিনিষেরও গুণমান খুব ভাল। এই হজমি ওনার তৈরি স্পেশাল মশলা আলুবোখরাতে মাখিয়ে তৈরি করা হয়।
    উর্দুভাষায় একটা শব্দ আছে – ‘তেহজীব’…সেটার সমান্তরাল বাংলা শব্দ ঠিক হয় না। এই বেপরোয়া সম্ভ্রমশূণ্য সময়ে হারিয়ে যেতে বসা সেই তেহজীব এর উদাহরণ দেখা যাবে মুখতার চাচার ব্যবহারে – যা একান্তভাবেই এক আদর্শ মুসলিম বৈশিষ্ট।

     
    • ক্যাপাচিনো 6:18 am on May 12, 2013 Permalink | Reply

      চমৎকার পোস্ট। হগ মার্কেট বলেছো দেখে ফেলুদার কথা মনে পড়ে গেল। কদিন আগে আমি একটা কনটেস্টের জন্য ছবি তুলতে গিয়ে দেখি যে সেখানে ফটোগ্রাফি করা বারন আছে। তুমি তুললে কি করে? যাই হোক, আরেকটা সমস্যা হচ্ছে যে আমি ভিডিও দেখতে পাচ্ছি না। ক্লিক করলে ঝিলমিল করছে – বলছে ভিডিও নেই।

    • ক্যাফে লাতে 7:51 am on May 12, 2013 Permalink | Reply

      হুমমম, আমিও দেখলাম বলছে ভিডিও দেখা যাচ্ছে না। আবার শেয়ার করলাম, তারপরে আবার দেখা গেল।দেখ এখন দেখতে পাও কিনা। বুঝতে পারছি না আমি কোন স্টেপ ভুল করছি কিনা ভিডিও শ্যেয়ার করার সময়ে।

      ওই মার্কেটের ঢোকার গেটে এখনো হগ মার্কেটই লেখা আছে।তুমি যদি আমিনিয়া-নিজামের রাস্তা ধরে গিয়ে ঢোকো, তাহলে দেখবে গেট আছে – এস এস হগ মার্কেট লেখা।নিউ মার্কেটের আসল নাম তো হগ মার্কেটই।
      আর ভিডিও তুলেছি মোবাইলে। তোমার মত গোদা ক্যামেরা নিয়ে বাজার করতে যাব নাকি!! :hope

    • ক্যাপাচিনো 2:23 pm on May 12, 2013 Permalink | Reply

      হুম্ম, এইবার ভিডিও দেখা যাচ্ছে বটে – তবে কিনা দোকানটা কি করে খুঁজে পেতে হয় সেটাও একটু দেখালে পারতে?

      হ্যাঁ, গেট গুলোতে এখনও হগ মার্কেটই লেখা আছে বটে। মোবাইলে তোলা ভিডিও ভালোই হয়েছে।

    • ক্যাফে লাতে 3:29 am on May 13, 2013 Permalink | Reply

      দোকান খুঁজে পাওয়া সোজা। তুমি যদি এস-এন-ব্যানার্জি রোড থেকে কর্পোরেশনের রাস্তা দিয়ে ঢোকো, অর্থাৎ বাঁদিকে আমিনিয়া-নিজাম, ডান দিকে কর্পোরেশন অফিস…নাক বরাবর নিউ মার্কেটের দিকে এগিয়ে গেলে, কিন্তু নিউ মার্কেটের ভেতরে না ঢুকে, রাস্তাটা বাঁদিকে ঘুরে গেছে, সেই ধরে হাঁটতে থাকলে…দু-পা হাঁটলেই চোখে পড়বে ডানদিকে একটা পুরোনো গেট -এস এস হগ মার্কেট লেখা। সেটা দিয়ে ঢুকে পড় – গলির দুইপাশে সব দোকানই মুদিখানা/গ্রসারি গোছের। এই দোকানটা ডান হাতে পড়বে, প্রথম গোটা পাঁচেক দোকান ছেড়ে…

      • ক্যাপাচিনো 4:05 pm on May 14, 2013 Permalink | Reply

        আচ্ছা, তুমি যে দুষ্প্রাপ্য মশলাটা খুঁজতে গিয়েছিলে, সেটা কি ছিল?

      • দেশী ছেলে 6:44 am on May 5, 2014 Permalink | Reply

        মত প্রকাশে মক্তমঞ্চ http://barnaparichay.in/

    • ক্যাফে লাতে 12:12 am on May 15, 2013 Permalink | Reply

      হা হা হা …বলব কেন?? তুমি এই প্রশ্ন করছ কেন? তুমি কি রান্না করবে?…
      আমি কিরকম একটা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি…

    • চা পাতা 6:35 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

      আচ্ছা, নিউ মার্কেটে কোথাও কচ্ছপের মাংস পাওয়া যায় কিনা কেউ বলতে পারবে?

    • ক্যাপাচিনো 12:45 pm on June 19, 2013 Permalink | Reply

      আমি যতদূর জানি এক সময়ে এমনি বাজারেই পাওয়া যেত – এখন অবশ্য পাওয়া যায় বলে মনে হয়। আইন করে বারন হয়ে গেছে।

  • ক্যাফে লাতে 1:51 am on May 11, 2013 Permalink | Reply
    Tags: পিপলান্ত্রি, শিশু কন্যা,   

    পিপলান্ত্রি 

    প্রতিদিন সকালে খবরের কাগজের পাতায় চোখ রাখলেই দেখা যায় মেয়েদের ওপর নানা ধরনের অত্যাচারের কথা। এই অত্যাচার থেকে খুব ছোট্ট ছোট্ট মেয়েরাও বাদ পড়ে না। এইসব খবর রোজ শুনতে আর কার ভাল লাগে…কিন্তু এরই মাঝে একটা খবর জেনে মন ভাল হয়ে গেল।

    দক্ষিণ রাজস্থানের রাজসমন্দ জেলার গ্রাম পিপলান্ত্রি। গত দশ কয়েক বছর ধরে এই গ্রাম নিজের মত করে ছোট্ট মেয়েদের সুরক্ষার জন্য এমন এক ব্যবস্থা নিয়েছে যা সত্যিই অভাবনীয়।

    এই গ্রামে, একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হলেই গ্রামবাসীরা ১১১টা করে গাছ পোঁতেন, এবং সেগুলির দেখভাল করেন, যাতে গাছগুলি মেয়েটির সাথে সাথেই বেড়ে ওঠে।

    গত ছয় বছরে , এই গ্রামের মানুষ গ্রামের খোলা জমিতে কয়েক লক্ষ গাছ পুঁতে ফেলেছেন, যার মধ্যে আছে নিম, শিশু, আম, আমলকি।

    এই কাজ শুরু করেছেন গ্রামের প্রাক্তন সরপঞ্চ শ্যাম সুন্দর পালিওয়াল, কয়েক বছর আছে মৃত তাঁর মেয়ে কিরণের স্মরণে।

    তাঁর কাছে জানা যায়, এই গ্রামে বছরে গড়ে ৬০ জন শিশুকন্যার জন্ম হয়। তার মধ্যে অন্তত অর্ধেক ক্ষেত্রে, বাবা-মায়েরা শিশুকন্যাকে মেনে নিতে চান না। সেইসব পরিবারকে চিহ্নিত করে গ্রামের একটা কমিটি, যার মধ্যে আছেন গ্রামে স্কুলের প্রধানশিক্ষক, এবং পঞ্চায়েত এবং অঙ্গনওয়াডির সদস্যরা।

    শিশুকন্যাটির জন্য গ্রাম থেকে ২১,০০০টাকা যোগাড় করা হয়। তার বাবা দেন ১০,০০০ টাকা। মোট ৩১,০০০টাকা মেয়েটির নামে ২০ বছরের জন্য ফিক্সড ডিপোজিট করা হয়।

    তার সাথে আরো একটা কাজ করা হয়। এইসব বাবা-মায়েদের এই মর্মে চুক্তি স্বাক্ষর করানো হয় যে, আইনি মতে বয়স না হলে তারা মেয়ের বিয়ে দেবেন না, তাকে নিয়মিত স্কুলে পাঠাবেন, এবং তার নামে পোঁতা গাছগুলির যত্ন নেবেন।

    এই গ্রামে কেউ মারা গেলে তাঁর নামেও ১১টা করে গাছ পোঁতা হয়।

    কিন্তু প্রায় ৮০০০ মানুষের বসতি এই গ্রাম এইখানেই থেমে থাকেননি। গ্রামের জমিতে লাগানো গাছগুলি যাতে উইপোকায় না খেয়ে নেয়, তার জন্য তাঁরা সেগুলির চারিপাশে প্রায় ২৫ লক্ষ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারির গাছ লাগিয়েছেন। এখন এই গাছগুলি, বিশেষ করে ঘৃতকুমারির গাছগুলি, গ্রামের প্রচুর মানুষেকে আয় করার সুযোগ দিচ্ছে।

    গ্রামবাসীরা বুঝতে পেরেছিলেন ঘৃতকুমারীকে নানা রকম ভাবে ব্যবহার করে বিক্রি করা যায়। তাঁরা তখন কিছু বিশেষজ্ঞদের ডেকে নিয়ে এলেন গ্রামের মহিলাদের প্রশিক্ষিত করতে। এখন গ্রামের মহিলারা ঘৃতকুমারীর জ্যুস, আচার, ক্রিম, এইসব তৈরি করে বিক্রি করেন।

    এই গ্রামের পঞ্চায়েতের একটা নিজস্ব গান আছে, একটা ওয়েবসাইটও আছে। এই গ্রামে মদ্যপান, খোলা জায়গায় গৃহপালিত পশু চড়ানো এবং গাছ কাটা একেবারে নিষিদ্ধ। এবং এই গ্রামে গত ৭-৮ বছরে একটাও এমন অপরাধমূলক কাজ হয়নি , যার জন্য পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হতে পারে।

    আমাদের দেশের আরো কিছু মানুষ যদি পিপলান্ত্রির মানুষদের মত ভাবনা চিন্তা করে, তাহলে কেমন হয়?

     
    • ক্যাপাচিনো 4:51 am on May 11, 2013 Permalink | Reply

      সকাল সকাল এত সুন্দর একটা খবর পড়ে মন ভালো হয়ে গেল।

    • নেসক্যাফে 12:47 pm on May 11, 2013 Permalink | Reply

      মন ভালো করে দেওয়ার মত একটি খবর

    • চা পাতা 6:04 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

      দুর্দান্ত। রাজস্থান ভ্রমনে যাওয়ার সময় যদি এর কথা জানতুম, তীর্থ ভেবে দর্শন করে আসতুম।

  • ক্যাপাচিনো 1:27 pm on May 9, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    আজকে পঁচিশে বৈশাখ হিসেবে একটা মজার ঘটনা মনে পড়ল। অনেক কেই বলেছি এই কথাটা আসলে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন – কিন্তু কেউই বিশ্বাস করে না। কথাটা অনেকটা বেদবাক্যের মত কাজে লাগে কাউকে খাওয়ার টেবিলে চ্যালঞ্জ দেওয়ার জন্য। – “এই বয়সে আমরা খেতুম হাঁসের মত।”

    যাই হোক, সত্যিই যে এটা রবীন্দ্রনাথের লেখা সেটা হাস্যকৌতুকের এই নাটকের অংশটা পড়লেই বোঝা যাবে।

    “পিসেমহাশয়ের প্রবেশ

    পিসেমহাশয় । বাপু , তোমার খাওয়া হল না দেখছি । দিয়ে যা , দিয়ে যা , এ দিকে দিয়ে যা । পাতে খান-পনেরো পিঠে দে। তোমাদের বয়েসে আমরা খেতুম হাঁসের মতো । সবগুলি খেতে হবে তা বলছি ।”

    নাটকটা কেউ পড়তে চাইলে পড়া যাবে এইখানে

     
    • ক্যাফে লাতে 12:41 am on May 10, 2013 Permalink | Reply

      ঘুরে ফিরে আবার খাওয়া !! :lapar

      • ক্যাপাচিনো 8:01 am on May 10, 2013 Permalink | Reply

        হ্যাঁ, যা বলেছো – যত্তসব পেটুক বাঙালি :tabrakan:

        • ক্যাফে লাতে 1:13 am on May 11, 2013 Permalink | Reply

          তবে খাওয়ার কথায় বলি, একটা লেখায় পড়েছিলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিরকম জলখাবার খেতেন। তার যা ফিরিস্তি, সেটা মোটামুটি আমার সারাদিনের খাবারের সমান।

  • ক্যাফে লাতে 9:18 am on May 8, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    শিশু মৃত্যু 

    আজকে টিভিতে এক আন্তর্জাতিক চ্যানেলে খবর শুনছিলাম। তাতে জানলাম, শিল্পোন্নত দেশগুলির মধ্যে আমেরিকা হল মা এবং সদ্যোজাত শিশুদের জন্য সবথেকে খারাপ দেশ। পরিসংখ্যান মতে, শুধুমাত্র আমেরিকাতে এক দিনে যত সদ্যোজাত শিশু মারা যায়, তার সংখ্যা সারা বিশ্বের অন্যান্য প্রথম সারির শিল্পোন্নত দেশগুলির মোট সংখ্যার থেকে বেশি। এই সংখ্যা সবথেকে বেশি ওয়াশিংটনে!!
    অবশ্য এর মধ্যে একটা ছোট্ট তথ্য না দিলে খবরটা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। এইসব শিশুরা মূলতঃ নিম্নবিত্ত কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারের। আর আমেরিকাতে এখনো বর্ণবৈষম্য এতটাই প্রবল যে, শ্বেতাঙ্গ মায়েরা যে সব সুবিধা পান, নিম্নবিত্ত কৃষ্ণাঙ্গ মায়েরা সেসব পান না।

     
    • ক্যাপাচিনো 12:29 pm on May 8, 2013 Permalink | Reply

      ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক তবে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে অবস্থা কি আরও খারাপ নয়?

  • ক্যাফে লাতে 9:03 am on May 8, 2013 Permalink | Reply
    Tags: অ্যানিমেশন, গুগল ডুডল, সল বাস   

    সল বাস কে নিয়ে গুগল ডুডল 

    আজকের গুগল ডুডল টা দেখেছ কি?
    আজকের ডুডল হল আমেরিকার গ্রাফিক ডিজাইনার সল বাসের জন্মদিন নিয়ে। কম্পিউটার গ্রাফিক্স আসার আগে ইনি স্টপ মোশন পদ্ধতিতে অ্যানিমেট করে বহু ছবির টাইটেল বানিয়েছেন। এইসব অবশ্য জানলাম গুগল থেকেই। ডুডলটা ইউটিউবে পাউয়া যাচ্ছে। লিঙ্ক দিলাম নিচে। দেখেলি বুঝতে পারবে, কিরকম একটা পুরনো হলিউড সিনেমার গন্ধ মাখা 🙂

     
    • ক্যাপাচিনো 12:45 pm on May 8, 2013 Permalink | Reply

      আচ্ছা, আমি বাড়ি ফিরে দেখছি। অনেকটা কি জর্জ মিলিয়েসের মত ঘটনা?

    • ক্যাফে লাতে 1:24 am on May 9, 2013 Permalink | Reply

      না না, সল বাস আর জর্জ মিলিয়ে কে গগুলিয়ে ফেল না।
      সল বাস মডেল দিয়ে অ্যানিমেশন করে ছিলেন অবশ্যই, কিন্তু বেশি বিখ্যাত ছিলেন সিনেমার টাইটেল বানানোর জন্য। হিচককের সাইকো, ভার্টিগো, এই সব ফিল্মের কাজ করেছিলেন।

    • ক্যাপাচিনো 7:14 am on May 9, 2013 Permalink | Reply

      বুঝলাম। মাঝে মাঝে ভাবি আজকালকার টেকনোলজি থাকলে তারা না জানি কি করতেন

  • ক্যাফে লাতে 12:35 am on May 6, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আপডেট,   

    সুপ্রভাত চা-কফিরা!
    গতকাল সারাদিন বি-এস-এন-এল আমাকে ঝুলিয়েছে। সারাদিন ধরে নেট কাণেকশন ই এল না। এত বিরক্র লাগছিল!! তার সাথে বুঝতে পারছিলাম আমরা কি ভয়ানক ভাবে প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়েছি। সারাদিন ই অবশ্য অফলাইনে অনেক কাজ করেছি, কিন্তু খালি মনে হচ্ছে কি যেন নেই, কি যেন নেই …কোন বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলে আমাদের কি অবস্থা হবে কে জানে।

    এসে দেখছি গতকাল সবাই হেব্বি আড্ডা মেরেছে 🙂 । নতুন একজন আড্ডাবাজকেও দেখছি। কফিহাউজে স্বাগত নেস্‌ক্যাফে।

     
    • ক্যাপাচিনো 7:09 am on May 6, 2013 Permalink | Reply

      আমার ও একই অবস্থা। বিএসএনএল শনি রবি পেলেই উত্তাল ঝোলাচ্ছে। যেমন করেছিল আগের সপ্তাহেও।

      আমি আজকাল আগের মত অতটা সময় ইন্টারনেটে কাটাই না বটে, তাও নেট কাজ না করলে কিরকম যেন লাগে।

    • নেসক্যাফে 5:00 am on May 8, 2013 Permalink | Reply

      আপনাকেও শুভেচ্ছা ক্যাফে লাতে

  • এসপ্রেসো 10:55 pm on May 3, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    কলকাতায় শুনছি খুব গরম পড়েছে । বাংলাদেশেরও মোটামুটি একি অবস্থা । আমি যেখানে থাকি লক্ষ করছি সেখানে ৫-৬ দিন ধরে একটা নতুন প্রকৃতিক নিয়ম হয়েছে ! সারাদিন বেশ গরম আর সন্ধ্যের পর কিছুক্ষন জোরে বাতাস বইতে শুরু করবে, তারপর মেঘের গর্জন আর শেষে বৃষ্টি । বৃষ্টি থেমে পরিবেশ একটু চুপ, তারপর আবার বাতাস-মেঘের গর্জন-বৃষ্টি । রাতে ৪-৫ দফা এই ঘটে । পুরো বিরক্ত হয়ে গেছি গুরু ।

     
    • নেসক্যাফে 5:36 am on May 4, 2013 Permalink | Reply

      আমি যেখানে থাকি সেখানেও অবস্থা ঠিক আপানার ওখানকার মতই, শুধু পার্থক্য একটাই
      সব কিছু শেষে আপনার ওখানে বৃষ্টি হয় কিন্তু এখানে হয় না

    • ক্যাপাচিনো 5:39 am on May 4, 2013 Permalink | Reply

      যাহ তাও তো হয়, কলকাতায় রোদে বেরোলে মনে হয় দশ মিনিট রোদে দাঁড়িয়ে থাকলে পুরো পাগল হয়ে যাব।

      • নেসক্যাফে 5:41 am on May 4, 2013 Permalink | Reply

        ঢাকার রোদে বেরোলে আপনি ফ্রাই হয়ে যাবেন পাঁচ মিনিটেই

        • ক্যাপাচিনো 5:52 am on May 4, 2013 Permalink | Reply

          চলুন পরীক্ষা করে দেখি। দুজনেই একটা মাছে নুন হলুদ মাখিয়ে ফ্রাইপ্যানে তেলের ওপর বসিয়ে সেটা ছাদে রেখে আসি। কারটা আগে ফ্রাই হয়।

          :lapar

          • নেসক্যাফে 5:03 am on May 8, 2013 Permalink | Reply

            যেদিন আপনার সাথে ফ্রাইয়ের প্রতিযোগিতা হবার কথা সেদিন থেকে মেঘলা আকাশ
            রোদের দেখা নেই

    • এসপ্রেসো 11:32 am on May 4, 2013 Permalink | Reply

      :cd আমার পোষ্টের ট্যাগ ছিল আবহাওয়া, এখন দেখছি সেটাকে পাল্টে রান্নাঘর করে দিতে হবে ।

      • ক্যাফে লাতে 12:38 am on May 6, 2013 Permalink | Reply

        এই ক্যাপাচিনোটা হেব্বি পেটুক …এত গরমেও খাই খাই করছে !! :toast

        • ক্যাপাচিনো 7:14 am on May 6, 2013 Permalink | Reply

          আমি মোটেও খুব একটা পেটুক না। তেমন তেমন খাবার সামনে পেলে সব্বাই পেটুক – আর এখানে গ্রিল্ড ফিশের কথা হচ্ছিল কিনা, তাই।

      • নেসক্যাফে 5:05 am on May 8, 2013 Permalink | Reply

        বাঙালি তো খাবার খাই না খাই আলাদা একটা টান থাকবেই

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel