Updates from August, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 10:08 am on August 6, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    মজারু ৬ – দিল বোলে হাড়িপ্পা 

    আগের মজারু


    অনেকদিন মজারু লেখা হয় না, তাই ভাবলাম আজকে আবার লিখি।

    এই নামে একটি সিনেমা আছে বটে, তবে এ গল্প সে গল্প নয়। সিনেমাটা শুনেছি যাচ্ছেতাই ছিল, এ গপ্পো তার চেয়ে ঢের ভালো। কয়েক বছর আগের কথা। আমাদের এক সহকর্মী একটি মেয়ের সাথে প্রেম করত। বিয়ে প্রায় ঠিক, তবু অফিসের অনেকটা সময় তার কাটত ফোনেই, দীর্ঘ আলাপে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুমধুর প্রেমালাপের বদলে শোনা যেত নানাবিধ তর্জন গর্জন – একপেশে নয়, এপিঠ ওপিঠ দু-তরফেই। যেমন তোমার বাবা আমার বাবাকে মিসড কল দিলেন কেন, তুমি হলুদ শাড়ি পরলে কেন ইত্যাদি। একদিন সন্ধ্যের দিকে টয়লেট থেকে লবি দিয়ে কিউবিকালের দিকে ফেরার সময় একজন তো প্রায় পড়েই যাচ্ছিল ফোনে ভেসে আসা হঠাৎ চিৎকারে।

    এরপর তো আর থেমে থাকা যায় না। তাই সে ফোন সেরে ফিরতেই আমরা তো যথারীতি ঘিরে ধরলুম – কি হয়েছে? সে বললে, দিল বোলে হাড়িপ্পা কেস। আমরা তো অবাক। বললুম – সে আবার কি রে? তাতে যা উত্তর দিল তাতে তো আমার চক্ষু চড়কগাছ। তার এক প্রাক্তন প্রেমিকা ছিল। সে চুপিচুপি তাকে অর্কুটের ফ্রেন্ডলিস্টে যোগ করে, কিন্তু তার হবু বউয়ের কাছে ধরা পড়ে যায়। এরপর সে অন্য একটি অর্কুট প্রোফাইল তৈরি করে (যেখানে তার হবু বউ নেই), কিন্তু আবার ধরা পড়ে যায়। তাতেও একটুও দমে না গিয়ে সে এক নতুন বুদ্ধি বের করে – একটি নতুন প্রোফাইল করে তার নাম দেয় দিল বোলে হাড়িপ্পা, কিন্তু এরকম প্রোফাইলকে তার প্রাক্তন প্রেমিকা চিনবে কি করে, তাই বাধ্য হয়ে নিজের ছবিটাই দেয়। ব্যস, আবার ধরা পড়ে যায় হবু বউয়ের হাতে।

    তো এই হচ্ছে গল্প। আজকালকার সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর রমরমার যুগে, খুঁজলে এরকম আরও গল্প পাওয়া যাবে বিস্তর। কি বল তোমরা?

     
  • ক্যাফে লাতে 5:33 am on June 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: অভিজ্ঞতা, কেরালা ডায়েরি, ছবি, , মাছ   

    হাঙর ইত্যাদি… 

    fish-at-varkala

    এই ছবিটা দিলাম ক্যাপাচিনোর হাঙর খাওয়ার গল্প পড়ে। এটা ২০০৭ সালে কেরালার ভারকালায় তোলা। সেখানে সমুদ্রের ধারে সারি সারি শ্যাক , সেইসব দোকানের ছেলেরা সবাই সাহেব, বা বলা ভাল গোয়ান স্টাইলে সেজেগুজে থাকে , মানে ঢিলা প্যান্ট, চুলের ঝুঁটি, কাউবয় হ্যাট, ব্যাকগ্রাউন্ডে ইংরেজি গান…তো সেও সব শ্যাকের সামনে বিকেল হলেই এইরকম ভাবে মাছ সাজিয়ে রাখা থাকে – পছন্দ হলে কিনে নাও, তারা ভেজে দেবে…এইরকমই এক টেবিলে বাচ্চা হাঙর দেখেছিলাম, আমার সঙ্গীরা রাঁধিয়ে খেয়েওছিল। আমি চেষ্টা করিনি অবশ্য, চিংড়িতেই সন্তুষ্ট ছিলাম। খুব বেশি দাম চায় মওকা বুঝে।

    আর হ্যাঁ, এট বেশ মজার , না বললেই নয়, …সন্ধ্যে হলেই এই সব শ্যাকের ছেলেরা সমুদ্রের ধারের বাঁধানো পথে একটু দূরে দূরে দাঁড়িয়ে থাকে, আর একলা মহিলা দেখলেই নীচু স্বরে কানের কাছে প্রশ্ন করে – লেডি, আর ইউ অ্যালোন? আর ইউ ফিলিং লোনলি? আর ইউ স্যাড?… 🙂 🙂

     
    • ক্যাপাচিনো 8:24 am on June 14, 2013 Permalink | Reply

      বাহ, দারুন ব্যাপার তো। আমি কখনো কেরালা যাইনি। কিন্তু পড়ে আন্দাজ করতে পারছি।

    • এসপ্রেসো 4:21 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

      :lapar দারুন অভিজ্ঞতা…..

      • ক্যাপাচিনো 7:21 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

        ওরে পেটুক কোথাকার!!! :cd

        • এসপ্রেসো 7:48 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

          :iloveindonesia কে আমি নাকি ক্যাফে লাতে….!

          • ক্যাপাচিনো 9:54 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

            হ্যাংলা চুড়ামণি – তুমি ছাড়া আবার কে?

    • চাফি 8:14 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

      হে হে, আপনাকেও বুঝি বলেছিল।

    • ক্যাফে লাতে 5:30 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

      বলেছিলই তো, নাহলে আর জানলাম কি করে ? :angel
      আসলে দলের সবাই আগে পিছে হাঁটছিল। আমি মাঝামাঝি হাঁটছিলাম, কিন্তু একা। তাই আমাকে দেখেই ওদের মনে হয় খুব লোনলি আর স্যাড মনে হয়েছিল।

      • ক্যাপাচিনো 9:47 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

        আমার মনে হয় তোমাকে দিয়ে কিছু হাঙর চালানোর চেষ্টা করেছিল। কে বলতে হাঙরভাজা খেলে হয়তো মনের অবসাদ কেটে যায়? :lapar

    • চা পাতা 5:38 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

      সে কি? কেরালা-তেও একা মহিলা-দের এত হয়রানি?

  • ক্যাফে লাতে 5:17 am on June 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , সোনার দাম   

    অর্থমন্ত্রী চিদাম্ববরম সবাইকে বলছেন আগামি এক বছর সোনা কিনবেন না। কারণ। প্রতি আউন্স সোনা কিনতে আমাদের ডলার খরচা করতে হয়। কারণ ভারতে তো সোনার খনি নেই। একবছর সোনা না কিনলেই নাকি আমাদের দেশের কারেন্ট অ্যাকাউন্টের অবস্থা খুব ভাল হয়ে যাবে। আর এই যে ডলারের তুলনায় টাকার দাম কমে যাচ্ছে, এইসব সমস্যা মিটে যাবে।
    এতে আমার কোন সমস্যা নেই। আমার থার্মোমিটার ও নাই্‌ বার্ণল ও নাই (যারা এটা বুঝলে না, তাদের বলি, রেফার টু ভানু বন্দ্যো )…সোজা কথায়, আমার টাকাও নাই, তাই সোনা কেনার স্বপ্নও নাই। কিন্তু আমি ভাবছি, সোনার ব্যবসাদারদের কথা, সেইসব কন্যাদায়গ্রস্ত বাবা-মায়েদের কথা, যাঁদের সামাজিক অবস্থান নির্ধারিত হয় মেয়েকে কত সোনা দিয়েছেন তার ওপর, আর সেইসব অগণিত মহিলা এবং পুরুষদের কথা, যাঁরা মনে করেন সোনা পরে ঘুরে বেড়ানো এবং নিয়মিত সোনা কেনা তাঁদের অবশ্য কর্তব্যের মধ্যে পরে (এর মধ্যে অবশ্যই আছেন আমাদের বাপ্পীদা) !
    হেব্বি চাপ বুঝলে! ভেবে দেখলাম, এই সমস্যা থেকে আমাদের এক মাত্র বাঁচাতে পারে দেব (যাকে আবার কেউ কেউ বলে দেভ! ) এই সবে আফ্রিকা থেকে ঘুরে এসেছে…দু-চারটে সোনার খনির সন্ধান পেয়ে থাকলেও থাকতে পারে আমাদের হিরো!

     
    • ক্যাপাচিনো 10:32 am on June 14, 2013 Permalink | Reply

      আমিও ওনাকে পাল্টা একটা কথা বলতে পারি – এত চুরি চামারি বন্ধ করুন, দেশের তহবিল ফাঁক করে সুইস ব্যাঙ্ক ভরা বন্ধ করুন – তাহলেও টাকার দাম অনেক বাড়বে।

      সোনা কেনার ব্যাপারটা এই প্রথম শুনলাম – সেক্ষেত্রে ব্যাপারটা নিশ্চয়ই পেট্রোলিয়ামের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

    • ক্যাফে লাতে 12:33 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

      আরে এই খবরটা আমি আজকেই টিভিতে খবরে দেখেছি সকালে। চিদাম্বরম সাহেভ সকাতরে অনুরোধ জানাচ্ছেন- আপ্নারা দয়া করে এক বছর সোনা কিনবেন না 🙂
      পেট্রোলের ক্ষেত্রে কতটা সেটা অবশ্য ঠিক জানিনা। তবে হ্যাঁ, সাথে সুখবর- রান্নার গ্যাসের দাম আরো বাড়ছে।

      • ক্যাপাচিনো 1:02 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

        এই খবরটা আর কাউকে পড়াই না পড়াই আমার বউকে অবশ্যই পড়াতে হবে। এবছর আবার আমার বোনের বিয়েও আছে। তার হবু শ্বশুরবাড়িতেও পৌঁছে দিতে হবে দেখছি।

    • চাফি 8:16 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply

      এ তো দেখি ভালো কারবার – যারা দেশকে দেউলিয়া করছে, তাদের মুখে কি এইসব মানায়? আমার তো বহুব্রীহি উপন্যাসের কথা মনে পড়ে গেল। যেখানে এক রিটায়ার্ড ভদ্রলোক মৎস দপ্তরে গিয়ে উপদেশ দিয়েছিলেন যে এক বছর ইলিশ না খেলে নাকি বাংলাদেশের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

  • ক্যাপাচিনো 9:44 pm on May 16, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    মজারু ৫ – পাথরকুচি কেস 

    আগের মজারু


    বাবার অফিসে ঘটনা আগেও বলেছি। এটা নতুন সংযোজন। বাবার অফিসে এক পিওন আছে – তার নাম তপন। আমরা তপনদাই বলি সাধারনতঃ। এ হেন তপন’দার খুব ইংরেজি বলার শখ। শুনেছি এক কালে তিনি একটি কুরিয়ার কোম্পানিতে কাজ করতেন আর কেবল ইংরেজিতেই কথাবার্তা বলতেন অর্থাৎ অফিসে পৌঁছে জিজ্ঞেস করতেন, “নাথিং থিং?”
    ডেস্কে বসে থাকা কর্মচারীটিও সেই তালে তাল দিয়ে চলতেন। যাক গে, সে সব অনেক অনেক দিন আগের কথা। দিনকাল বদলেছে। আজকাল তো আর সেভাবে ইংরাজি বলতে হয়ই না। তাও বাবা একদিন দেখলেন যে তপন’দা একটা বই হাতে করে অফিসে এসেছে – ফুটপাত থেকে কেনা ইংরাজি শেখার বই।
    বাবা অবাক হয়ে বললেন, “এই বই দিয়ে তোর কি হবে রে তপন?”
    তপনদা – “কেন? ইঞ্জিরি শিখব। বয়েস হয়ে গেছে বলে কি ইঞ্জিরি শিখতে পারব না নাকি?”
    বাবা তখন খুশি হয়ে বললেন – “আচ্ছা শেখ। বেশ মন দিয়ে পড়াশুনো কর। দিন দশেক বাদে একটা কথা ইংরেজিতে বলতে বলব। পারলে এক হাজার টাকা পুরষ্কার পাবি।”
    এর পর কিছুদিন কেটে গেছে। তপনদা বই মুখে করে থাকে অনেক সময়।
    তপন’দা একদিন এসে বললে যে ইঞ্জিরি শেখা হয়ে গেছে। বাবাও হাসিমুখে বললেন – বেশ, ইংরাজিতে বল তো দেখি – আমি আমার হারান কাকাকে খুঁজে পেলাম। তপন’দা আরও দিন দুই সময় নিয়ে বইটই নেড়েচেড়ে এসে বললে – আই প্রাউড মাই ফাদার। অফিসে আরও যারা সেই ইংরেজি শুনেছে, তাদের সবার তো মাথায় হাত।
    সব শুনেটুনে জেঠু বললেন – “ও এ তো পাথরকুচি কেস!”
    সব্বাই গল্পের গন্ধ পেয়ে জেঠুকে ঘিরে ধরলে – “সে আবার কি কেস?”
    জেঠু আরাম করে চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, “ও তেমন কিছু না। অর্শ্ব হয়েছিল আমাদের এক বন্ধু তরুনের। তা এখন একটা বইতে তখন টোটকা হিসেবে লেখা ছিল যে অর্শ্ব হলে পাথরকুচি পাতা বেটে লাগাতে হবে। ডিটেলস এ যাচ্ছি না, কিভাবে। কিন্তু হয়েছে কি ‘পাতা’ কথাটুকু উইপোকায় খেয়ে গেছে – ফলে সেই লেখা দাঁড়িয়েছে ভালো করে পাথর কুচি লাগাতে হবে। তা তরুন তো অতশত জানে না, সে বইয়ের লেখা মতই স্টোনচিপ এনে ঘষে দেখতে গেছে কি হয়। তারপরে বাবা রে, মারে করে প্রায় এক রক্তারক্তি কান্ড – আমাদের তো হসপিট্যালেই নিয়ে যেতে হয়েছিল। তাই বলছিলাম, তপনেরও ঐ একই কেস হয়েছে!”
    তপন’দা গম্ভীরমুখে বললে,”থাক থাক আর বলতে হবে না। আমার বেনটা খারাপ – তবে এতটাও খারাপ নয়”

     
    • ক্যাফে লাতে 12:38 am on May 17, 2013 Permalink | Reply

      :rate

    • চা পাতা 3:41 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      এঃ হেঃ হেঃ……

      • ক্যাপাচিনো 5:42 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

        আরে এক্কেবারে সত্যি ঘটনা, এক ফোঁটাও বানিয়ে লেখা নয়।

        • চা পাতা 6:04 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

          সেইটেই তো বলছি। এক্কেরে হা-হা-লু-খু-গে (হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গ্যালো)!

  • ক্যাপাচিনো 1:47 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , ,   

    মজারু ৩ – অথ রসগোল্লা উবাচ 

    আগের মজারু


    সেদিন সন্ধ্যের সময় মিষ্টির দোকানে গেছি রসগোল্লা কিনতে। বললাম – “গোটা পনের দাও?”
    দোকানদারনী বললে, “৬ টাকার টা না দশ টাকার টা?”
    গামলায় সাজান দুটো সাইজের দিকে তাকিয়ে দেখে বুঝলাম যে দশটাকার রাজভোগগুলো বড্ডই বড় হয়ে যাবে, বললাম, “ছোটটাই দাও”
    দোকানদারনী একবার রসগোল্লার সাইজ আর একবার আমার সাইজ মেপে বললে,”ছোটটায় হবে?”
    লজ্জায় পড়ে বললাম,”খুব হবে। হবে নাই বা কেন?”
    সে কথা না বাড়িয়ে হাঁড়িতে রসগোল্লা তুলতে শুরু করলে। গোটা পনের তোলার পরেও দেখা গেল ভাঁড়ের বেশ কিছুটা খালি আছে। দোকানী আমার দিকে চেয়ে হেসে বললে, “আর পাঁচটা দিয়ে দেব? গরম তৈরি হল সবে”
    আমি অন্য সময় হলে হ্যাঁই বলে ফেলতাম, এবার অনেক কষ্টে সংবরন করে বললাম, “না না ঐ কটাই থাক”
    সে মুড়ে টূড়ে আমার হাতে প্যাকেট তুলে দেওয়ার পরেই দেখলাম পাশে অমৃত্তি ভাজা হচ্ছে। আর লোভ সামলাতে পারলাম না। দর করে ফেললাম।
    দোকানী এক গাল হেসে ঠোঙায় ভরতে ভরতে বললে – “অমৃত্তিই যখন নিলে তখন আর পাঁচটা রসগোল্লা খেলে আর কি ক্ষতি হত?”

    • শুধু খাওয়া দাওয়ার জন্যই কলকাতা এক নম্বরে।
     
    • এসপ্রেসো 3:07 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

      :cool হুম…খালি খাই খাই….

    • ক্যাপাচিনো 4:33 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

      তুমি এ তল্লাটে এসো একদিন – দেখব কেমন খেতে পার। :lapar

      • এসপ্রেসো 5:31 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

        :lapar মিষ্টি আমার খুব প্রিয় নয়, একটু-আধটু খাই । ঝাল আমার বেশ লাগে । ও তল্লাটে যেদিন যাব সেদিনের জন্য সকল চা-কফিদের অগ্রীম ফুচকা খাওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রখছি……

        • ক্যাপাচিনো 7:42 pm on April 23, 2013 Permalink | Reply

          বেশ বেশ – তা ঝাল যখন বললে তখন পরের পোস্টটা না হয় ঝালের ওপরেই হবে।

    • ক্যাফে লাতে 3:43 am on April 23, 2013 Permalink | Reply

      এহ, এটা একেবারে আমার গল্প হয়ে গেল। নিজেই নিজেকে আটকে রাখার জন্য আজকাল মিষ্টির দোকানে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছি…।।উহুহুহুহু… অমৃতি…কত্তদিন খাইনি রে ভাই :supermaho

      • ক্যাপাচিনো 7:41 pm on April 23, 2013 Permalink | Reply

        হে হে, আমাদের পাড়ায় এসো একদিন সন্ধ্যের সময়। যদি কপাল ভালো থাকে অমৃত্তি পাবে। তবে কিনা রোজ ভাজে না।

    • চা পাতা 3:43 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

      রোব্বারে আমার ফেভারিট ১হাতা পাঠা’র ঝোলের সাথে ১খুঁড়ি লাল দই!

  • ক্যাপাচিনো 8:05 pm on April 19, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    মজারু – ২ 

    আগের মজারু


    আমার জেঠুর মুখে শোনা গল্প। অনেক বছর আগের কথা। তখন জেঠু কাকারা কলকাতায় চাকরি করতেন – কাজেই লোকাল ট্রেনে ডেলিপ্যাসেঞ্জারি করতে হত। এরকম যেতে আসতে প্রায়ই একটা দল তৈরি হয়ে যায়। সেখানে পাড়ার বা এক বয়সের লোকজন সাধারনতঃ একসাথে বসে, জায়গা রাখে – মুড়ি, বাদাম ইত্যাদি খায় আর গল্প আড্ডা দিতে দিতে ফিরে আসে। এদের মধ্যে একটু মুরুব্বি গোছেরও কেউ কেউ থাকে, ফলে আলোচনার সিংহভাগ তারাই দখল করে থাকে। এরকম একজনের ঘটনা।

    তিনি ট্রেনে উঠে রোজ কোন না কোন বিষয় নিয়ে গল্প ফাঁদেন। গল্পের বিষয়বস্তু প্রায়ই বদলায়। এমন অবস্থায় একদিন ফিজিক্সে পোস্টগ্রাজুয়েট এর এক ছাত্রকে পেয়ে শুরু করলেন বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা। ব্যাখ্যা করতে লাগলেন আলট্রাভায়োলেট রে এবং ইনফ্রারেড রে কি, কখন দেখা যায়। ছেলেটিও লাজুক বলে মাথা নেড়ে সব শুনতে লাগল – প্রতিবাদ করল না। জেঠু আর থাকতে না পেরে বললেন, ‘হ্যাঁ রে, তুই স্যাটাজিট রের নাম শুনেছিস?”
    পাছে এতক্ষন ধরে দেওয়া জ্ঞান যাতে হালকা না হয়ে যায়, তাই তিনি একটুও না দমে গিয়ে বললেন, “বাহ ঐটা শুনব না – ঐ তো সূর্য ডোবার সময় তো ঐ রে টা পৃথিবীতে এসে পৌঁছয়” – এদিকে যে ফাঁদে পা দিয়েছেন তা একেবারেই বুঝতে পারেন নি।
    ব্যস আর যায় কোথায় – প্রথমে চুপচাপ থাকলেও পরে সবাই ফ্যাক ফ্যাক করে হাসতে শুরু করে।

    শুনেছি তারপর ঐ ভদ্রলোকের জ্ঞান দেওয়ার অভ্যেসটা অনেকটা কমে যায়। এখনও পুরনো বন্ধুদের আড্ডায় অনেকেই স্যাটাজিট রে’র প্রসঙ্গ তুলে নিয়ে আসে।

     
    • কোল্ড কফি 2:46 am on April 20, 2013 Permalink | Reply

      স্যাটা বোসের কথা মনে পড়ল :cekpms

      • ক্যাপাচিনো 5:52 am on April 20, 2013 Permalink | Reply

        আমার মনে পড়ছে না ঠিক – যদিও শোনা শোনা লাগছে। স্যাটা বোসটা যেন কে ছিল?

    • ক্যাফে লাতে 6:31 pm on April 20, 2013 Permalink | Reply

      বাহঃ এই গল্পটা দারুণ তো!!

      স্যাটা বোস -যদি ভুল না বলি – শঙ্করের চৌরঙ্গী উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র।যিনি পাঁচতারা হোটেলে চাকরি করতেন। পুরো নাম সত্যসুন্দর অথবা সত্যসাধন বসু – সেইটে সাহেবি কায়দায় ছোট করে স্যাটা। ছবিতে উত্তমকুমার চরিত্রটা করেছিলেন।

      • ক্যাপাচিনো 12:56 pm on April 22, 2013 Permalink | Reply

        ওহহো, হ্যাঁ – এইবারে বুঝলুম

  • ক্যাপাচিনো 1:33 pm on March 31, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    সোনার কলা 

    হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছো সব্বাই। সোনার কেল্লা নয়, কলা। আমি অবশ্য বাংলা করে বলছি – আদপে আসল কথাটা হচ্ছে গোল্ডেন কেলা অ্যাওয়ার্ডস।

    বেশ মজার এই পুরষ্কার বিতরন। বেছে বেছে বছরের সের খারাপ সিনেমা ও অভিনেতা, অভিনেত্রীদের দেওয়া হয় এই পুরষ্কার। আমাদের দেশে এরকম পুরষ্কার আছে জানতাম না। আজকে গুগল নিউজে দেখলাম যে প্রায় বছর পাঁচেক ধরে দেওয়া হচ্ছে। এই হিসেবে সন অফ সর্দার থেকে অজয় দেবগন আর সোনাক্ষিকে দেওয়া হয়েছে সেরা অভিনেতা ও অভিনেত্রীর পুরষ্কার। মজার কথা হচ্ছে এই তালিকায় একটি বিশেষ পুরষ্কারের নাম – ‘বেটা তুমসে না হো পায়েগা’ :sorry

    শুনলাম এবছর প্রথম একজন নাকি এই পুরষ্কার নিজের হাতে গ্রহন করেছেন – অন্বিতা দত্ত – ‘ইস্ক ওয়ালা লাভ’ গানের লিরিক্সের জন্য। আমার তো মনে হয় যা সব জঘন্য লিরিক্স তৈরি হয়েছে গত বছর, তাতে এই পুরষ্কারের জন্য অনেক কাড়াকাড়ি পড়েছে। :pertamax

    পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল এরকম একটা উদ্যোগ বাংলা সিনেমার জন্য নেওয়া যায় না? কত প্রতিযোগী ঘুরে বেড়াচ্ছে মাঠে ময়দানে।

     
    • বোকা 12:16 am on April 1, 2013 Permalink | Reply

      প্রতিযোগী অতি বেশী হলে বিচার করতে করতে তো বছর পার হয়ে যাবে… পুরষ্কার আর দেওয়ার সময পাওয়া যাবে না… 😉

      • ক্যাফে লাতে 11:59 pm on April 3, 2013 Permalink | Reply

        ব্লগে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ এবং স্বাগত ‘বোকা’ 🙂
        আমরা লটারি করে প্রতি্যোগী বাছাই করে নেব।

      • ক্যাপাচিনো 10:09 pm on April 4, 2013 Permalink | Reply

        হা হা, তাই বলে এত বড় হ্যাটা করার সুজোগটা ছেড়ে দেওয়াও কি ঠিক হবে?

    • ক্যাফে লাতে 7:19 am on April 1, 2013 Permalink | Reply

      হ্যাঁ, এটা আমিও শুনেছিলাম। এটা বোধ হয় সাজিদ খান করে না? বাংলাতেও হওয়া উচিত তো বটেই এইরকম কিছু একটা। তমার আগের পোস্টে ওই সব ম্যাশ আপ গুলো দেখলাম। গান গুলো অবশ্য আলাদা করে শোনাই ছিল। ব্যাপারটা বেশ দম বন্ধ করা …।বাংলা গান, তার মধ্যে গুচ্ছের হিন্দি আর ইংরেজি শব্দ, ছবির নাম হল আওয়ারা, দিওয়ালা, জানেমন – এইসব শব্দগুলো কোনকালে বাংলা অভিধানের অন্তর্ভুক্ত ছিল কে জানে !!

      আর এইসবের বিপরীতে হল জন্মজ্যাঠার দল :nohope

      তারা আবার এতই বেশি বোঝে যে, তাদের প্রথম ও প্রধাণ উদ্দেশ্যই হচ্ছে দর্শককে এটা বোঝানো যে, ‘তুমি আমার থেকে সব বিষয়েই খুব কম বোঝ, তাই আমি যা বলছি তা চুপচাপ মেনে নিতে হবে। মেনে নিলে তুমি আঁতেলেকচুয়াল, না মানলে বোকা পাঁঠা , খবর্দার নন্দন চত্বরে যেন তোমাকে দেখা না যায়!! :nerd

      • ক্যাপাচিনো 10:10 pm on April 4, 2013 Permalink | Reply

        আরে দুর – কি যে বল, সাজিদ খান? তিনি নিজেই কতগুলো করে পুরষ্কার পান তার নেই ঠিক – আমার এখনও মনে আছে – হাউসফুলের মত জঘন্য সিনেমা বোধহয় আর দুটো নেই।

      • চা পাতা 3:51 am on June 9, 2013 Permalink | Reply

        ঝেড়ে পেন্টু খুলে দিয়েছেন দেখছি!

  • এসপ্রেসো 12:10 am on March 30, 2013 Permalink | Reply  

    সঙ্গে থাকো কফিরা সব
    সঙ্গ ছেড় না
    হাবিজাবি লিখি তাইতো
    পোষ্ট করি না,

    বসে বসে ভাবি শুধু
    নতুন কি লিখবো গুরু;

    পোষ্ট লিখবো লিখবো করছি তবু
    লিখতে পারছি না,
    পোষ্ট লিখবো লিখবো করছি তবু
    লিখতে পারছি না ।

    লিখবো বলে যোগ দিয়েছি
    সব কফিদের সাথে,
    সারাদিন বসে রইলাম
    লাভ হল না তাতে,

    লিখবো বলে যোগ দিয়েছি
    সব কফিদের সাথে,
    সারাদিন বসে রইলাম
    লাভ হল না তাতে,

    মাথাতে মোর গোবর এমন
    মাথাতে মোর গোবর এমন
    লিখতে চেয়েও পারছি না
    আমি লিখতে চেয়েও পারছি না –
    লিখবো লিখবো করছি তবু
    লিখতে পারছি না,

    লিখবো লিখবো করছি তবু
    লিখতে পারছি না ।………….

    :amazed:

    শীলাজিতের ’ধরবো ধরবো’ গানটি আমাকে এই পোষ্টটি লিখতে সাহায্য করেছে । শুদুমাত্র মজা করার জন্যই পোষ্টটি লেখা হয়েছে । আশাকরি এতে শীলাজিৎ অথবা অন্য কেউ আপত্তি করবেন না । কারোর আপত্তি থাকলে দয়া করে জানাবেন সেখেত্রে পোষ্টটি সরিয়ে ফেলা হবে ।
    ধরবো ধরবো করছি – শীলাজিৎ (ডাউনলোড করতে অথবা শুনতে ক্লিক করুন)

     

     
    • কফি মেকার 2:43 am on March 30, 2013 Permalink | Reply

      আপনি গানটিকে কফিহাউজের সার্ভারে আপলোড করেছেন। এরকম করবেন না – কারন কপিরাইট ভাঙার অভিযোগ আসতে পারে। তাই ব্লগ মডারেটর হিসেবে অনুরোধ করছি যে গান দিতে হলে সাউন্ডক্লাউড বা ইউটিউব থেকে লিঙ্ক নিয়ে এখানে দেবেন। নইলে পোস্ট থেকে গানের ডাউনলোড লিঙ্ক টিকে সরিয়ে নিন।

      • এসপ্রেসো 1:06 am on April 2, 2013 Permalink | Reply

        :salahkamar খেয়াল করুন লিঙ্কটি বাদ দেওয়া হয়েছে । কেপিরাইট আইনের ব্যপারটা আমি জানতাম না বলেই হয়েছে । এখন যে লিঙ্কটি রয়েছে তা একটি ওয়েবসাইটের লিঙ্ক, যেখান থেকে গানটি ডাউনলোড করা যাবে ।

    • ক্যাপাচিনো 3:43 am on March 30, 2013 Permalink | Reply

      বেশ মজা পেলাম – কিন্তু কয়েক জায়গায় একই লাইন বারবার লিখেছো – সেটা কি ভুল করে?

      • এসপ্রেসো 12:04 pm on March 30, 2013 Permalink | Reply

        না অরিজিনাল গানটির সাথে মিল রাখার জন্য ।

    • ক্যাফে লাতে 6:52 am on March 30, 2013 Permalink | Reply

      গুপী গাইন এক্কেরে!! :kr

      • এসপ্রেসো 12:29 pm on March 30, 2013 Permalink | Reply

        :ngakak

    • চাফি 12:10 am on April 3, 2013 Permalink | Reply

      চমৎকার। আরো চাই।

  • ক্যাপাচিনো 12:11 am on March 22, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , , হাসিখুশি   

    মজারু – ১ 

    ক্যাফে লাতের পোস্টে কমেন্ট করতে গিয়ে মনে পড়ে গেল কিছু ঘটনা। সর্দারজিদের নিয়ে আমরা নানারকম জোক শুনে থাকি। হাসিও। কিন্তু এগুলো আমার বাস্তব জীবনের সঙ্কলন। মানে এক্কেবারে চোখে দেখা। এক ফোঁটাও বানানো নয়।
    তখন আমি দিল্লিতে থাকি। সাত – আট বছর আগের কথা। ন’তলা অফিস আর আমি বসি এক্কেবারে ন’তলা তেই। জনপথ রোডের ওপর পুরনো দিনের বিল্ডিং – কাজেই লিফট ওঠানামা করে অনেক আস্তে আস্তে। মাঝে মাঝে সেটাই বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। যাইহোক, এক পাঞ্জাবি ভদ্রলোক আমার সাথে প্রায়ই লিফটে উঠতেন। দেখে অবাক হতাম যে তিনি একতলায় লিফটে উঠেই সবকটা ফ্লোরের বোতাম টিপে দিতেন – অথচ নামতেন আটতলায়। প্রচন্ড রাগ হত – কিন্তু খুব একটা ঘাঁটাতে ইচ্ছে করত না, কারন ওনার কোমরে আবার একটা মিনিয়েচার কৃপাণ গোঁজা থাকত। তা একদিন আর থাকতে না পেরে জিজ্ঞেস করলাম – ‘আপনি নামেন তো আট তলায় – বাকি ফ্লোরে খামোকা লিফটের বোতাম টেপেন কেন?’
    তাতে তিনি বললেন – ‘আমি না নামি তো কি হয়েছে, অন্য কেউ তো উঠতে পারে। লিফট চললে বোতাম টিপবে কি করে?’
    বছর দুয়েক ঐ অফিসে ছিলাম, কিন্তু ভুলেও আর কোনদিনও জিজ্ঞেস করিনি।

     
    • এসপ্রেসো 1:08 pm on March 22, 2013 Permalink | Reply

      :hammer

      • ক্যাপাচিনো 2:10 pm on March 22, 2013 Permalink | Reply

        আগেই বলেছি এক্কেবারে নিজের চোখে দেখা বা কানে শোনা :mewek

  • এসপ্রেসো 5:45 am on March 20, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    অনেক দিন আগে একটা নাটকে ছোট একটা কবিতা শুনেছিলাম, কবিতাটা এরকম –

    “ছেলেটি বাদাম ছিলিতেছিল
    মেয়েটি চাবাইতেছিল
    বাদাম শেষ
    মেয়েটি নিরুদ্দেশ”

    কিছু বুঝতে পারলেন….. :nerd

     
    • ক্যাফে লাতে 3:46 pm on March 20, 2013 Permalink | Reply

      :thumbup :alay দারুণ দারুণ

    • ক্যাপাচিনো 7:12 pm on March 20, 2013 Permalink | Reply

      :2thumbup

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel