Updates from March, 2013 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাফে লাতে 6:48 am on March 30, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ঋতু, কালবৈশাখী, বাংলা কবিতা, মোহিতলাল মজুমদার   

    কালবৈশাখী 

    হাবে ভাবে মনে হচ্ছে আজ মরসুমের প্রথম কালবৈশাখীর দেখা মিলবে। সকাল থেকে আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা, দূরে উত্তরে গুরগুর-দ্রিমিদ্রমি আওয়াজে মেঘ ডাকছে। এখন বৃষ্টি এলেই হয়। না যদি আসে, তাহলে আরো গরম বাড়বে।

    কালবৈশাখী এলেই আমার একটা ছোটবেলায় পড়া কবিতার কথা মনে পড়ে যায়। পুরোটা মনে নেই, সেই কবিতার নাম ছিল ‘কালবৈশাখী, কবি মোহিতলাল মজুমদারঃ

    মধ্য দিনের রক্ত নয়ন বদ্ধ করিল কে?
    ধরনীর পরে বিরাট ছায়ার ছত্র ধরিল কে?
    কানন-আনন পান্ডুর করি, জলস্থলের নিঃশ্বাস হরি,
    আলয়ে কুলায়ে তন্দ্রা ভুলায়ে গগন ভরিল কে?

    আজিকে যতেক বনস্পতির ভাগ্য দেখিযে মন্দ
    নিমেষ গণিছে তাই কি তাহার আসারি সারি নিঃস্পন্দ
    মরুৎ-পাথারে বারুদের ঘ্রাণ, এখনি ব্যাকুলি তুলিয়াছে প্রাণ,
    পশিয়াছে কানে দূর গগনের ব্জ্র ঘোষণ ছন্দ

    হেরি যে হোথায় আকাশ কটাহে ধুম্র মেঘের ঘটা
    সে যেন কাহার বিরাট মুন্ডে ভীম কুন্ডল জটা
    অথবা ও কি রে সচল অচল, ভেদিয়া কোন সে অসীম অতল,
    ধাইছে উধাও, গ্রাসিতে মিহিরে ছিঁড়িয়া রশ্মিছটা


    … এর পরে বোধ হয় আরো দুটো স্তবক ছিল, ভুলে গেছি, যারপরনাই লজ্জিত। তবে এইটুকুই এখনো মনে আছে দেখে নিজেই কিঞ্চিৎ বিস্মিতও বটে। পারবে আজকের ‘আধুনিক’ কবিরা এইরকম একখানা কবিতা লিখতে? যে কোনদিন কালবৈশাখী জন্মেও চোখে দেখেনি, সেও এই কবিতা পড়ে কল্পনায় কালবৈশাখী দেখতে পারবে।

     
    • ক্যাপাচিনো 11:22 am on March 30, 2013 Permalink | Reply

      নাহ, এমন কবিতা আর নতুন করে লেখা হবে না। আমারও এক কালে কবিতাটা মুখস্থ ছিল – ইস্কুলে থাকতে।

  • ক্যাফে লাতে 6:30 pm on March 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: বই সমালোচনা, বইয়ের খবর, বিমল কর   

    বিমল করের সরস গল্প সংকলন 

    saras-galpa-bimal-kar

    বিমল করের সরস গল্প। প্রকাশক আনন্দ । পড়ে শেষ করলাম। উনিশটা মজাদার গল্প – বেশিরভাগই প্রেমের গল্প, কিন্তু একঘেয়ে প্রেমের গল্প নয়। বেশির ভাগ গল্পের পটভূমিই বাঙালির ‘পশ্চিমের’ ছোটখাট শহরগুলি। ঘটনা, চরিত্র, সব মিলিয়ে বেশ একটা ‘ওল্ড ওয়ার্ল্ড চার্ম’, যা চল্লিশ থেকে ষাটের দশকের পটভূমিকায় লেখা।একটা গল্প আমাদের সবার চেনা-‘বসন্ত বিলাপ’ অবশ্য গল্প পড়ার পরে আমার মনে হল, ছবিটা গল্পটার থেকে বেশি ভাল হয়েছেঃ) আর যেটা বেশ লক্ষ্য করার মত ব্যাপার, গল্পগুলিতে স্বামী-স্ত্রী বা বন্ধুদের মধ্যে মাঝে মধ্যেই বেশ কিছু কথা বার্তা বা ফাজলামি আছে, যা আদিরসকে হাল্কা ভাবে ছুঁয়ে যায়। কিন্তু সেটা এতই সুন্দর করে কথোপকথন বা ঘটনা পরম্পরার মধ্যে ঢুকে গেছে, যে পড়তে মোটেও অশ্লীল মনে হবে না, বা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া মনে হবে না। আর চরিত্রগুলি – আমার তো পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল, এই সব গল্প নিয়ে ছবি তৈরি করা আজকের দিনে বেশ কষ্টকর হবে, কারণ, ঠিক এইরকম চরিত্রায়ণ করার মত চেহারার লোক খুঁজেই পাওয়া যাবে না।

    বেশ ভাল বই। হাল্কা মেজাজে বাংলা গল্প পড়তে চাইলে এই বইটা পড়তে পার।

     
    • ক্যাপাচিনো 11:32 pm on March 14, 2013 Permalink | Reply

      হা হা, ভালো বলেছো। এরকম ছবি তৈরি করার জন্য লোক যেমন পাওয়া যাবে না – তেমনি দর্শকের মেজাজ মর্জিও বদলে গেছে। এখন আবার এক্কেবারে ট্যঁশ বা এক্কেবারে রদ্দি ছাড়া যেন কিছুই চলে না।

      • ক্যাফে লাতে 7:44 pm on March 17, 2013 Permalink | Reply

        হ্যাঁ, দর্শকদের রুচিও বদলে গেছে। এই গল্পগুলো ঠিক কিরকম, তা এক কথায় বোঝাতে গেলে বলতে হবে তরুণ মজুমদারের ‘দাদার কীর্তি’ ভাব। -সেইসব অভিনেতাও নেও, সেই চরিত্রগুলোও আজ নেই আসলে।জটিল সময়ে মনুষ্য চরিত্রও জটিল হয়ে গেছে

  • ক্যাফে লাতে 11:54 pm on March 1, 2013 Permalink | Reply
    Tags: বাংলা ব্লগ, শ্রীজাত   

    এই লেখাটা এই মাত্র পড়লাম। বেশ ভাল লাগল পড়ে। তাই শেয়ার করলাম। আনন্দবাজার ব্লগে শ্রীজাতের লেখা।
    http://my.anandabazar.com/content/বাটুদা

     
    • চাফি 1:03 am on March 2, 2013 Permalink | Reply

      সাধু লিখেছেন বটে।

    • চাফি 1:40 am on March 2, 2013 Permalink | Reply

      ভালো লিখেছেন বটে।

  • ক্যাপাচিনো 1:24 am on February 27, 2013 Permalink | Reply
    Tags: মহাভারত, রাজশেখর বসু   

    মহাভারত পড়া (১) 

    একটা বই অনেক দিন ধরে খুঁজছিলাম – রাজশেখর বসুর ‘মহাভারত’ সারানুবাদ। কিন্তু পাচ্ছিলাম না। বইমেলাতেও দেখিনি। কদিন আগে ‘কফি বিনস’ একটা বইয়ের দোকানে দেখতে পেয়ে আমাকে এনে দিয়েছে। বইটি অনামী কোন এক প্রকাশকের (এম সি সরকার অ্যাণ্ড সন্স)। প্রিন্টও ভালো নয়। পাতাগুলো দেখলে মনে হবে বোধহয় কোন এক সময় ভিজে টিজে গিয়েছিল। কিন্তুা পড়তে গিয়ে প্রতি পদক্ষেপে লেখকের তারিফ না করে পারছিলাম না। ভূমিকা থেকে একটা ছোট্ট উদ্ধৃতি না দিয়ে পারছি না।
    “সকল দেশেই কুম্ভীলক বা plagiarist আছেন যাঁরা পরের রচনা চুরি করে নিজের নামে চালান। কিন্তু ভারতবর্ষে কুম্ভীলকের বিপরীতই বেশী দেখা যায়। এঁরা কবিযশঃপ্রার্থী নন, বিখ্যাত প্রেচীন গ্রন্থের মধ্যে নিজের রচনা গুঁজে দিয়েই কৃতার্থ হন। এইপ্রকার বহু রচয়িতা ব্যসের সহিত একাত্মা হবার ইচ্ছায় মহাভারতসমুদ্রে তাঁদের ভাল মন্দ অর্ঘ্য প্রক্ষেপ করেছেন।”
    শুধু ভূমিকাটুকু পড়ে এত ভালো লাগল যে মনে হচ্ছে কিছু লেখা মহাভারত নিয়ে লেখাই যেতে পারে। এখানে যেটুকু বললাম সেটা সকলেরই জানা উচিত মহাভারত পড়া শুরু করতে গেলে। রাজশেখর বসু আমার খুবই প্রিয় লেখক। উনি ভূমিকাতেই অনেক জটিল প্রসঙ্গ খুব সহজে বলেছেন।
    বইটা হাতে নিয়ে এটাই মনে হচ্ছে গদ্য আকারে মহাভারত এই আয়তনে খুব কমই আছে। আজকাল কত বই বেরোচ্ছে – কত ভালো ভালো বইয়ের কাগজ। কিন্তু আমাদের গর্ব করার মত বইগুলো সংরক্ষনের ব্যবস্থা কোথায়। আমার দাবী বাংলা ভাষার সমস্ত কপিরাইট মুক্ত লেখার ডিজিটাল আর্কাইভ হোক।

     
    • ক্যাফে লাতে 10:00 am on February 27, 2013 Permalink | Reply

      তুমি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর লেখা ছোটদের রামায়ণ আর ছোটদের মহাভারত পড়েছ? ঐদুটো পড়ার পরে আমার আর নতুন করে কিছু পড়ার প্রয়োজন হয় নি।

      • ক্যাপাচিনো 10:04 am on February 27, 2013 Permalink | Reply

        হুঁ তা পড়েছি বটে। উপেন্দ্রকিশোর পুরানের গল্পগুলো যেভাবে লিখেছেন, তা এক কথায় অনবদ্য।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel