Updates from June, 2014 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 9:51 pm on June 6, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    আবার বিশ্বকাপ এসে গেল। সেই ছোটবেলা থেকে যতবার দেখছি (১৯৯০ এ ইতালির বিশ্বকাপ থেকে) আর্জেন্টিনা একবারও চ্যাম্পিয়ান হতে পারল না। যাই হোক, খেলার শৈলী ও কৌশল যতই বদলাক না কেন, বাঙালির কাছে ফুটবল ফুটবলই থাকবে – তা সে দেশের ফুটবলে কোন উন্নতি হোক বা না হোক। এদিকে ব্রাজিল তৈরি হচ্ছে তো ভালোই। যদিও এবারে কার দল কেমন জানি না – তবে প্রাক বিশ্বকাপ আমেজে যে একটা দারুন ভিডিও দেখে মন ভালো হয়ে গেল, আর তাই সেটা কফিহাউজের আড্ডায় শেয়ার না করে পারলাম না। উত্তেজনা ছড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে এটুকুই যথেষ্ট।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:32 pm on June 7, 2014 Permalink | Reply

      ১৯৭৮ আর ১৯৮৬তে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ১৯৭৮ এর ফাইনাল খেলার ভিডিও দেখেছিলাম পরে, কিন্তু ১৯৮৬তে ‘লাইভ’ দেখেছিলাম। গোটা টুর্নামেন্টে মারাদোনা যা খেলেছিলেন তার তুলনা মেলা ভার। পেলের খেলা দেখা হয় নি,তাই আমার বিচারে সেরা কে সেটা বলা যাবে না। তবে মারাদোনা যে কি জিনিষ সেটা ইংল্যান্ড ম্যাচে দেখা গিয়েছিল। এই ম্যাচের দু’টো গোলের ঝলকের একটা ভিডিও’ ইউ টিউব’এ দেখা যেতে পারে। এতে ‘হ্যান্ডস্‌ অফ গড’ মার্কা গোলটাও রয়েছে।

    • এসপ্রেসো 10:18 am on June 13, 2014 Permalink | Reply

      :sorry ব্রাজিলের খেলা ভালো লাগেনি…

      • ভাঁড়ের চা 1:24 pm on June 15, 2014 Permalink | Reply

        রাত জেগে খেলা দেখা যাবে না, মানে পারব না। তাই ৯-৩০ এ যা হয় তাই দেখতে হবে। এর মাঝে ব্রেজিল নেই বোধ হয়! তবে যখন ‘নক আউট’ (পরের রাউন্ড) শুরু হবে তখন এক আধবার কি আর না দেখব ?

  • ভাঁড়ের চা 1:51 pm on February 28, 2014 Permalink | Reply
    Tags: গাভাসকার, শচিন   

    আনসাং হিরো ? 

    শচিন তেন্ডুলকার অবসর নেবার পর, সম্মান জানাতে গোটা দেশ ত ঝাঁপালোই, সরকারও ‘ভারতরত্ন’, সাংসদপদ দিয়ে সে কাজের অংশিদার হলেন। কিচ্ছু বলার নেই। যোগ্য মানুষকে যোগ্য সম্মানই দেওয়া হয়েছে।
    তবে এসব করার সময় অন্তত আরও একজন মানুষ অন্তত উল্লেখিত হতে পারতেন। তিনি নিঃসন্দেহে সুনীল গাভাসকার।
    কিছু সময় বাদ দিলে গাভাসকার খেলেছেন খুব কঠিন সময়ে। অবশ্য, তখনকার দিনে সবাই-ই কঠিন অবস্থাতেই খেলতেন।
    এখন ব্যাটসম্যানদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত এমন পোষাক-আষাক পরানো হয়, দেখে মনে হয় যেন যুদ্ধ করতে পাঠানো হচ্ছে। পাছে তীব্রগতির বল খেলোয়াড়দের জখম করে ফেলে, তাই সর্ব অঙ্গ, মানে মাথা থেকে পা, বর্ম আঁটা! গাভাসকারের সময় এক অ্যাবডোমেন গার্ড ছাড়া আর কিছু থাকত বলে মনে হয় না। তবে পানামা টুপি কোন সময় খুলে ফেললে একটা আধা হেলমেটের (এখনকার মত পুরো নয়) মত কিছু নজরে পড়ত! ব্যস।
    ক্লাইভ লয়েডের ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলে সে সময়ে খেলতেন জনাপাঁচেক পেসার, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে জনা চারেককে খেলাতেন তিনি, কোন স্পিনার নেবার দরকার বোধ করতেন না, প্রয়োজন হলে তিনি নিজে সামাল দিতেন। সমীহ আদায় করা নাম সে সব পেসারদের–ম্যালকম মার্শাল, অ্যান্ডি রবার্টস, জোয়েল গার্নার, মাইকেল হোল্ডিং, কার্টলি অ্যামোব্রোজ। আরও কেউ কেউ ছিলেন। সবার নাম মনে নেই। অষ্ট্রেলিয়া দলে সে সময় ছিলেন ডেনিস লিলি আর টমসনের মত বোলার। ইংল্যান্ড দলে সে সময় কারা খেলতেন সেটা মনে করতে পারছি না, ক্রিস ওল্ড বা বব উইলিস হলেও হতে পারেন। পাকিস্তানের ছিলেন ইমরান, ইউনুস, আক্রামেরা। মানে, বিশ্বের সর্বকালের সেরা পেস বোলার সব! আধুনিক খেলোয়াড়দের নাম মনে রেখেও বলা যায়, এমন খেলোয়াড় আজকাল প্রায় অপ্রতুল! শচিন পাকিস্তানি খেলোয়াড়, শেষ দিকে গ্লেন ম্যাকগ্রা, ব্রেট লি, আর ওয়েষ্ট ইন্ডিজের ওয়ালশ ছাড়া আর বিশেষ শক্ত বোলারের মোকাবিলা করেন নি বলেই মনে হয়। আর বিশেষ কারও কথা মনে পড়ছে না। থাকলে পাঠক মনে করালে উপকৃত হব।
    মার্শাল স্বাভাবিক চেহারার হলেও ওঁর দৌড় ছিল দেখার মত, আমার ত মনে হয় অলিম্পিকে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে অংশ নিলে অনেকেরই শংকার কারন হতে পারতেন, তার ওপর ছিল ভয়ংকর পেস বোলিং। ভয়ংকর চেহারা ছিল গার্নার আর অ্যামব্রোজের, সাত ফুটের কাছাকাছি উচ্চতার খেলোয়াড়রা দৌড়ে এসে যখন বল করতেন তখন দু’তিন গজের সুবিধা পেয়েই যেতেন, যেটা অন্য বোলারেরা পেতেন না।
    কোন গার্ড না নিয়ে এঁদের সামনা সামনি হতে বুকের পাটার প্রয়োজন হয়, যেটা গাভাসকারের অবশ্যই ছিল, তেন্ডুলকারের ক্ষেত্রে সেটা প্রমানিত হয়েছে বলে মনে হয় না। হলেও গাভাসকারের মত করে হয় নি।
    তবে গাভাসকারের সময় একটা ঘটনা ঘটেছিল। সেটা ছিল কেরি প্যাকারের ‘সার্কাস’! সেই সময় ভারত ছাড়া বিশ্বের অন্য ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের সব শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়দের প্যাকার সাহেব যাকে বলে কিনে নেওয়া, প্রায় তাই-ই নিয়ে ছিলেন! ফলে ভাল ভাল বোলাররা টাকার পাহাড়ে চেপে টেষ্ট খেলা ছেড়ে দেন কয়েক বছরের জন্য। সেই সময় গাভাসকার বেশ কয়েকটা শতরান করে ফেলেন।
    সম্ভবত, ১৯৯৬ এর বিশ্বকাপের সময় থেকেই একটা ধারনা চালু হয়েছিল যে “স্লগ ওভার” হল শুরুর প্রথম ১৫ ওভার আর শেষের ১০ ওভার। এর আগে কেবলমাত্র শেষেরটার কথাই ভাবা হত। আর যেহেতু গাভাসকার ওপেনিং ব্যাটসম্যান ছিলেন তাই তিনি টেষ্টের মত ধরে খেলতেন, কখনও পিটিয়ে খেলেননি। শুনতে অবাক লাগবে একথা ভেবে যে, মোট ১০৮টি খেলে তিনি মাত্র ১টি শতরান করেন, তাও দলের প্রয়োজনে অধিনায়ক কপিল দেবের আগ্রহাতিশয্যে! কপিল বাধ্য না করলে সেটাও হত কিনা সন্দেহ!
    এছাড়াও আর একটা অবাক করা ব্যাপার আছে। আগে প্রতি দল ৬০ওভার করে খেলত, এখনকার মত ৫০ নয়। গাভাসকার একটা খেলায় পুরো ষাট ওভার খেলে নট আউট থেকে যান, রান করেন মাত্র ৩৬ । যা একদমই হাস্যকর। এখনকার আবহে এই সময়ে হয়ত হয়ে যেতে পারত ব্যক্তিগত ২৫০ রান ! হয়ত বা তারও বেশী।
    ওপরের বিষয়টা বাদ দিলে বাকি সব বিষয়ে কিন্তু গাভাসকার, শচিনের থেকে বিশেষ পেছনে থাকবেন না! পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যাবে একথা।
    একটু তুলনা করি। শচিন খেলেছেন ২০০ টেষ্ট আর শতরান করেছেন ৫১ টি। সাফল্যের হার শতকরা ২৫.৫ এর মত। আর একদিনের খেলায় তিনি ৪৬৩ খেলায় ৪৯টি শতরান করেন, সাফল্যের হার শতকরা ১০.৫ ।
    এবার গাভাসকারেরটা দেখা যাক। তিনি ১২৫ ম্যাচে ৩৪ টি শতরান করেন যাতে সাফল্য শতকরা ২৭ এর সামান্য বেশী। ২০০ ম্যাচ খেললে শচিনকে ধরে ফেলা একেবারে অসম্ভব ছিল না। একদিনের খেলায় অবশ্য এ তুলনা আসেই না। ১০৮ ম্যাচে মাত্র একটা শতরান। এতে শতকরা হার একেরও কম। তবে এ সময়ের খেলোয়াড় হলে তাঁর এই হার নিশ্চয়ই থাকত না, অন্যদের মত তাঁরও হার বেড়ে যেত নিশ্চয়ই। এমন খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে একথা বলা যেতেই পারে। তবে কি হলে কি হত সেটা কোন কাজের কথা নয়। যা হয়েছে তা-ই মনে রেখে তাঁর কৃতিত্বের স্বীকৃতি অবশ্যই প্রাপ্য ছিল।
    তবে শচিনের আন্তর্জাতিক আঙ্গিনায় ১০০ টি শতরান অবশ্যই অতুলনীয়। আর কেউ আদৌ পারবেন কিনা এখনই বলা যাচ্ছে না।
    শচিন বন্দনায় গাভাসকারকে একেবারে ভুলে গেলে একটা অবিচার হয়ে যেতে পারে!

     
    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:44 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply

      গাভাসকারের ঐ ৬০ ওভারে নট আউটের পরিসংখ্যানটা আমি অনেক দিন আগেই শুনেছি। অবিশ্বাস্যই মনে হত। হ্যাঁ, আজকাল ক্রিকেটারদের মত সুবিধে থাকলে হয়তো উনি আরও অনেক ভালোই করতেন। শচীনকে নিয়ে এই এত নাচানাচি যে কিসের সত্যি বলতে কি আমি কখনই সেরকম বুঝিনি। একটা লোক দিনের পর দিন টিমের জায়গা এইজন্য জুড়ে রেখেছে যে সে একটা ভয়ঙ্কর রেকর্ড করবে – কি জানি বাবা, আমার তো মনে হয় এটা আমাদের দেশ বলেই সম্ভব।

      আমাদের দেশে নিয়ম ব্যাপারটা এতটাই শীথিল যে এটা হওয়াই স্বাভাবিক। অস্ট্রেলিয়া হলে হত কি?

  • ভাঁড়ের চা 2:52 pm on February 19, 2014 Permalink | Reply  

    —— লঘুক্রিয়া(২)। 

    ধোনি- বাহিনীর ‘ফুসফাস’ ব্যাপারটা আবার প্রমানিত হল। আগে একদিনের খেলা ছিল, পাঁচ ম্যাচের চারটেতেই গাড্ডু, আর এবার দু’ম্যাচের টেষ্ট-এ ১-০, সেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেই। এই দল কিন্তু মোটেই কিছু আহামরি দল নয়, বিশ্ব র‌্যাংকিং-এ শেষের দিকের দল। আর আমাদের দল থাকে প্রথম দিকেই। সেই জয়ী দলের ক্যাপ্টেন তিনশ’ রান করে ফেলল। এমনই বলের ধার! বোলাররা আমাদের ক্যাপ্টেনেরই রিক্রুট !
    দাদা কিন্তু পাকিস্তানে আর অষ্ট্রেলিয়ায় রীতিমত দাদাগিরি করে এসেছিল। আর ইংল্যান্ডে ? সেখানকার কথা ওরা বা আমরা কেউই ভুলতে পারব কি কোন দিন ? ক্রিকেটবিশ্ব সেই একবারই লর্ডসের ব্যালকনিতে জামা উড়তে দেখেছিল! অকল্পনীয় ঘটনা! আমার ২৬ ইঞ্চি ছাতি এক সেকেন্ডে ৪২ হয়ে গিয়েছিল! আমাদের যা হাল তাতে আর কখনও সে জিনিষ হবে? আর হবে না! হ্যাঁ, হলফ করেই বলা যায়!
    ‘দাদা’, দাদাই!

     
    • ক্যাফে ক্যাপাচিনো 6:01 pm on February 24, 2014 Permalink | Reply

      কি জানি – আমার ধোনির খেলা বা ক্যাপ্টেনসি কোনদিনও সেরকম ভালো লাগেনি। দেশের হাত এতটা বেহাল হল এটা খারাপ লাগছে।

  • ভাঁড়ের চা 12:48 pm on February 6, 2014 Permalink | Reply  

    “ভারতরত্ন” শচিন। 

    সিদ্ধান্ত আগে হয়ে গেলেও আনুষ্ঠানিক ব্যাপারটা হল সবে মাত্র। তেন্ডুলকার ‘ভারতরত্ন’ হলেন। সম্ভবত এ সিদ্ধান্তে কারও কিছু বলার নেই, আর থাকবেও না কোন দিন।
    এর মাসতিনেক আগে শচীন তেন্ডুলকরকে নিয়ে হৈ হৈ পড়ে গেছিল! ছেলে-বুড়ো সবাই যত রকম সম্ভব ভাল ভাল বিশেষন প্রয়োগ করে যাচ্ছিলেন। তা যাবেনই। দেশের উৎকৃষ্টতম খেলোয়াড়ের এ সমস্ত প্রাপ্যই ছিল।
    সুনীল গাভাসকরও একজন খুব বড় খেলোয়াড়। তাঁরও ত তেন্ডুলকর সম্পর্কে বক্তব্য থাকতে পারে, এবং রেখেছেনও, আর এক যোগ্য খেলোয়াড় বিরাট কোহলি সম্পর্কে বলতে গিয়ে। গত ১/১১/১৩ তারিখের কাগজে দেখলাম।
    গাভাসকর মনে করেন, কোহলিই হল ভারতীয় ক্রিকেটে সচিন, দ্রাবিড়, লক্ষণের যোগ্য উত্তরাধিকারী। নিশ্চয়ই। কিন্ত এঁদের ক্যাপটেন, যোগ্যতায় এঁদের সাথে এক পংক্তিতে থাকা, একসাথে নামোল্লেখের দাবিদার, কোনও অংশে এঁদের থেকে সামান্যও কম’ত ননই বরং কোন কোন ক্ষেত্রে বেশী যে সৌরভ গাঙ্গুলী, তিনি নামোল্লেখের যোগ্য পর্যন্ত হলেন না! ভারতীয় ক্রিকেটে এই নামটা ভুলতে গেলেও যে অনেকদিন সাধনা করতে হবে, তা কি কেউ কেউ ভুলে যাচ্ছেন ? অতঃপরম্‌ কিম্‌ আশ্চর্যম্‌।
    মাননীয় গাভাসকর প্রদত্ত আরও একটা তথ্য জানাবার রয়েছে (এটা আমিও জানতাম, কিন্তু স্মৃতি দুর্বল বলে নিশ্চিত হতে পারছিলাম না, তাই আগে লিখতে সাহস করিনি)। গাভাসকরের উক্তি “—-আমার যত দুর মনে পড়ে,সচিন তাঁর প্রথম ওয়ান ডে সেঞ্চুরি পেয়েছিল ৮০-র কাছা কাছি ম্যাচ খেলার পর।—–“। সৌরভ এমন সুযোগ কখনও পেতেন ?
    কি মনে হয়!

     
    • ক্যাপাচিনো 10:29 am on February 7, 2014 Permalink | Reply

      ভারতীয় ক্রিকেটে লবি ব্যাপারটা যে কি সাংঘাতিক তা কি নতুন করে বলে বোঝানর অপেক্ষা থাকে? দ্রাবিড়কে নিয়ে এত নাচানাচি হয় – উনি প্রথম দিকে কেমন খেলতেন, কি ব্যাটিং অ্যাভারেজ ছিল একবার মনে করে দেখুন দেখি। তারপর দক্ষিন আফ্রিকার সেই সিরিজ যেখানে দ্রাবিড়কে উইকেট কিপার বানিয়ে রেখে দেওয়া। সে সব অনেকেই ভুলে গেছেন। ভুলে গেছেন কিভাবে কাম্বলি শচিনের হাত ধরে সুজোগ পেতেন, বা আজহার হাত ধরে হায়দ্রাবাদ লবি। তাই না?

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel