Updates from ক্যাফে লাতে Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাফে লাতে 7:19 pm on October 2, 2015 Permalink | Reply  

    গীতিকাব্য -৩ 😉

    সূর্য ডোবার পালা আসে যদি
    আসুক বেশ তো-
    ময়দানে যদি নাহি প্রেম কর সাবধানে-
    খাকি-জামা-মামা দেবে কেস্‌ তো !

     
  • ক্যাফে লাতে 9:36 am on October 2, 2015 Permalink | Reply  

    গীতিকাব্য-২ 😉

    তুমি যে আমার,
    ওগো তুমি যে আমার-
    খুলিগুহাময় ঘুরে ফিরে গায়
    লোন্‌লি ডায়না পামার।।

     
  • ক্যাফে লাতে 5:13 pm on October 1, 2015 Permalink | Reply  

    ঘুম ঘুম চাঁদ, ঝিকিমিকি তারা
    এই মাধবী রাত-
    চাঁদের ত্বকেতে ডার্ক স্পট্‌স্‌
    আর আমার কোমরে বাত।

     
    • শুভেচ্ছা 9:46 am on October 2, 2015 Permalink | Reply

      ঠিক জমছে না!

  • ক্যাফে লাতে 3:53 am on March 16, 2014 Permalink | Reply  

    কফিহাউজের সব সদস্য এবং পাঠক বন্ধুদের জানাই দোলের শুভেচ্ছা 

    large_6680757623

    আজ দোল যাত্রা। আমার তরফ থেকে আপনাদের সবার জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা। রঙ মাখুন, রঙ মাখান, মনটাকে রঙিন রাখুনঃ)
    photo credit: koustavghosh via photopin cc

     
    • ভাঁড়ের চা 1:52 pm on March 17, 2014 Permalink | Reply

      কাল ‘ফড়িং’ দেখলাম। কি হয়েছে বল দেখি বাংলা ছবির ? শুরুটা ভালই হয়, যখন জমিয়ে বসার চেষ্টা করি, তখনই কেমন যেন হেদিয়ে যায়। এটা শুরু হয়েছে সেই ‘আবার অরন্যে’ থেকে। ব্যাপারটা কি ?

      • ক্যাফে লাতে 1:28 pm on March 19, 2014 Permalink | Reply

        কেন? ফড়িং তো অনেকই ভাল হয়েছে অন্যান্য অনেক বাংলা ফিল্মের থেকে। শেষটা একটু বেশি ধীরে করেছে অবশ্য, আরেকটু দ্রুত হলে ভাল হত, কিন্তু তা না হলে তো আমার মন্দ লাগেনি।

    • ক্যাফে ক্যাপচিনো 8:00 pm on April 27, 2014 Permalink | Reply

      দোলযাত্রা তো এক দু মাসের বাসি খবর, আপনি আজকাল কোথায়?

  • ক্যাফে লাতে 6:48 am on February 26, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    হেল্‌থ্‌ পয়েন্ট 

    গতকাল সন্ধ্যায় বাজারে গেছিলাম। ফেরার পথে একটা গলিতে একটা দোকানের সামনে দেখলাম বেজায় ভীড়। দোকানের নাম “হেলথ পয়েন্ট” -বেশ বড় বড় করে লেখা, তাই দূর থেকেই, বিশেষ চেষ্টা না করেই দেখা যাচ্ছে। একটু অবাকই হলাম- ওষুধের দোকানের সামনে এত ভীড় কেন? কেউ মূর্ছা গেছে? কোন দূরারোগ্য অসুখের ওষুধ হঠাৎ করে বাজারে এসেছে? হঠাৎ কি কোথাও খুব বেশি করে কোন অসুখ হচ্ছে? পক্স? আমার সঙ্গে যে বন্ধু ছিলেন তিনি আবার একটু পরোপকারী গোছের। কেউ বিপদে পড়েছে খবর পেলেই সাহায্য করতে ছোটেন। ওনার ধারণা হল- কিছু তো বিপদ হয়েছে, তাই লোকে দাঁড়িয়ে যত না সাহায্য করছে তার থেকে বেশি মজা দেখছে – যা অনেক সময়েই হয়ে থাকে…।

    তা, তিনি আদর্শ নাগরিক হয়ে হেলথ পয়েন্ট এর দিকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে পা বাড়ালেন। আমি পাতি নাগরিক হয়ে “ভীড় হয়েছে তো আমাদের কি…” বলে ব্যাজার মুখে দু-পা এগিয়ে ফুটপাথের ধারে অপেক্ষা করতে দাঁড়ালাম। আর তখন দোকানের মাথার মুকুটের দিকে ভাল করে চোখ পড়ল। দেখলাম- বড় বড় করে হেল্‌থ পয়েন্ট লেখার নিচে ছোট করে লেখা আছে F.L. SHOP !!

    হায়রে স্বাস্থ্য! ওষুধের দোকানই বটে!!

     
  • ক্যাফে লাতে 3:50 am on February 4, 2014 Permalink | Reply
    Tags: সরস্বতী পুজো   

    সসসোতি / স্বরসতি / সরসতি/ পুজোর দিন যা যা করতে নেই আর করতে আছে… 

    যা যা করতে নেইঃ
    ১। বই-খাতার দিকে তাকাতে নেই, পরাসোনা করতে নেই। মা হেব্বি পাপ দেবে।
    ২। অঞ্জলি না দিয়ে টোপা বা নারকেলি, কোন কুল খেতে নেই।
    ৩। ভুলেও কোন লেখা পরে-টরে ফেললে মুস্‌কিল- মা সরসতি রেগে যাবে।
    ৪। তারাতারি বারি ফিরতে নেই, যত রাত তত ভাল।

    যা যা করতে আছেঃ
    ১। মেয়েদের হলুদ সারি পরতে হবে, ছেলেদের পাঞ্জাবি । চোকে সাংগ্লাস পরতে হবে, না হলে ঝারি করতে অসুবিদে।
    ২। মেয়েদের ঝিঙ্কু সাজতে হবে- একেবারে কোয়েল-কারিনা, আর ছেলেদের সব একদম দেব-সলমন।
    ৩।দুপুরে খিচুরি খেতে হবে। সেটা ইস্কুলে বা পারার ক্লাবে বা কোচিন সেন্টারে সবার সাতে বসে খেতে হবে। যারা বারিতে খিচুরি খায় এই দিনে, তাদের জিবন একদম বেরঙ্গিন।
    ৪।সাইকেল, বাইক, স্কুটার নিয়ে মেয়েদের স্কুলের সামনে ভির করতেই হবে। আজকের দিনে স-অ-ব মেয়ে পটতে রাজি। একবার বাইকের পেছনে চাপাতে পারলেই একেবারে হ্যাপি হ্যাপি দিন, লাইফ মেহেফিল।
    ৫। বিকেলে দুজনে মিলে সিনেমা, চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া বা বইমেলা, অবসসই যাওয়া উচিত।

    (হে মা সসসোতি / স্বরসতি / সরসতি, বানাম-টানাম অনেক ভুল হল, খমা করে দিও। আর এবারে যেন পাস-টাস করে যাই, না হলে মা বলেছে হেবি পেটাবে)

     
    • ক্যাপাচিনো 11:45 am on February 4, 2014 Permalink | Reply

      :kimpoi

  • ক্যাফে লাতে 1:38 pm on January 31, 2014 Permalink | Reply
    Tags: চাঁদের পাহাড়, দেব, বিভূতিভূষণ,   

    বিভূতিভূষণ মিট্‌স্‌ স্লো-মো ইন্ডিয়ানা জোন্‌স্‌ মিটস্‌ ন্যাটজিও বাংলা 

    Chander_Pahar_Official_Poster
    এই পোস্টের শিরোনাম দেখেই মোটামুটি বুঝে গেছ সবাই, কি নিয়ে লিখতে চলেছি। হ্যাঁ, চাঁদের পাহাড় ছবিটা দেখে এসেছি গত সপ্তাহে।দেখে এসে আমার ঐটাই মনে হয়েছে- এ হল বিভূতিভূষণের আদত গল্পের সাথে স্লো-মো ইণ্ডিয়ানা জোন্‌স্‌ এবং ন্যাটজিও /ডিসকভারি বাংলার এক মৃদুমন্দ ককটেল।
    যেহেতু মোটামুটি অনেক জায়গাতেই এতদিনে চাঁদের পাহাড়ের রিভিউ, সমালোচনা ইত্যাদি সবই বেরিয়ে গেছে,এবং তাদের অনেকের সাথেই আমি একমত,তাই নতুন করে আমার আবার লেখার প্রয়োজন পড়ে না। তাও লিখছি।

    আগে ভাল গুলো বলিঃ
    ১। আফ্রিকা দারুণ। বিশেষ করে শুরুর মিনিট কয়েক তো দেখতে দারুণ লাগে। ক্যামেরার কাজ বেশ ভাল।
    ২। সঙ্গীত ভাবনা বেশ ভাল।
    ৩। বুনিপ এর ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন বেশ ভাল। অন্তত সত্যান্বেষীর চোরাবালিতে ডুবে যাওয়ার থেকে ভাল।
    ৪। মরুভূমির বুক চিরে আসা রেলগাড়ি, ব্ল্যাক মাম্বার সামনে শঙ্কর, তার দক্ষিণী বন্ধুর মাথার ওপরে সিংহের ওত পেতে থাকা – এইসব বেশ ভাল। শঙ্করের সিংহ শিকারের ভাবনাটা মন্দ ছিল না, কিন্তু সেটাকে সঠিকভাবে ক্যামেরাবন্দী করা উচিত ছিল।
    ৫। হলে ছবিতে সাবটাইটেল ছিল ইংরেজিতে, সেটা বেশ ভাল ব্যাপার। অবাঙালিরাও যদি দেখতে যেতে চান, বোঝার অসুবিধা নেই।
    ৬। এই বাজারে, পরিচালক এবং প্রযোজক যে লাস্যময়ী নায়িকা এবং বাংলা-ভাষার-পিন্ডি-চমকানো গান ছাড়া একটা ছবি বানানোর কথা ভেবেছেন, এবং বানিয়েছেন, এটাই যথেষ্ট ভাল ব্যাপার।
    এবার বাজে দিক গুলো বলিঃ
    ১। পরিচালক বড্ড বেশি মূল কাহিনীকে অটুট রাখতে চেয়েছেন। ঋতুপর্ণের মত গল্পের আমূল খোল নলচে বদলে না দিয়েও কিছু কাট-ছাঁট করা যেত। এই কারণে ছবিটি অত্যন্ত ধীর গতির হয়ে গেছে। এতই ধীর গতির যে মাঝে মাঝে ঘুমিয়ে পড়তে ইচ্ছা করছিল। বিশেষ করে শেষের দিকে। চাঁদের পাহাড়ের চারিপাশের অঞ্চল ছেড়ে, কালাহারি পেরিয়ে শঙ্করের লোকালয়ে ফেরা- সেটা এক দীর্ঘ যাত্রা। কিন্তু যাত্রার দৈর্ঘ , ক্লান্তি এবং হতাশা বোঝানোর জন্য নানা ধরনের সিনেম্যাটিক কারিকুরি সম্ভব ছিল, যেগুলি আকছার অন্যান্য বাণিজ্যিক ছবিতে হয়ে থাকে। তাই, সেগুলি ব্যবহার না করে পরিচালক কেন নিজে এক ধীরগতির ব্যাকগ্রাউন্ড ন্যারেশন ব্যবহার করলেন, বুঝলাম না। (ওই জন্যেই বললাম স্লো-মো আর ন্যাট জিও বাংলা)।
    ২। শঙ্কর (তার অভিযানের পোষাক আসাক এক্কেরে ইন্ডিয়ানা জোন্‌স্‌-এর মত), এবং তার সঙ্গী দিয়েগো আল্ভারেজ চাঁদের পাহাড়ের সন্ধানে বেরোয়। তারা দুজনে যখনি ক্যাম্প করে, তখনি দেখা যায় শুধু তাঁবু নয়, তার সাথে রয়েছে ফোল্ডিং খাট, টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি। দুইজন মানুষ মিলে অতকিছু বয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব কিনা, সেটা আমার জানা নেই। স্বাভাবিক বুদ্ধি, এইধরণের অন্যান্য ছবি এবং নানা ধরনের অ্যাডভেঞ্চার গল্প পড়ে যা জানি, তাতে এইসব ধরনের জিনিষ খচ্চরের পিঠে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়, সাথে লোক থাকে সেইসবের নজরদারি করার জন্য। মূল গল্পে কি ছিল জানিনা, আবার পড়ে দেখতে হবে। মোট কথা , অবিশ্বাস্য।
    ৩। অভিযান শুরু হওয়ার অনেকদিন পর অবধি শঙ্কর এবং আল্ভারেজ এর জামাকাপড় বেশ পরিষ্কার থাকে। দাড়ি-গোঁফ ও কামানো থাকে। শেষেরটা না হয় সিনেমার খাতিরে থাকতে পারে ( সে তো রামায়ণে রামের ও ১৪ বছর বনবাস সত্বেও দাড়ি গোঁফ ছিল না) , কিন্তু পরিষ্কার জামা-জুতো বড্ড চোখে লাগে। একদম শেষের দিকে এসে শঙ্করের হঠাত করে দাড়ি গজায়, চুল বাড়ে ইত্যাদি।
    ৪। ছবিতে নানারকমের ভাষার ব্যবহার আছে। স্প্যানিশ, পর্তুগিজ, সোয়াহিলি, জুলু, মাসাই, ইংরেজি, বাংলা ইত্যাদি। এবং অনেক সময়েই ডাবিং এর গন্ডগোল আছে। মাঝে মাঝে আবার সাবটাইটেল আছে, কিন্তু কোন কথা শোনা যাচ্ছে না। মাঝে এক আধ জায়গায় হটাৎ করে সম্পূর্ন অন্য ভাষায় কোন ডায়ালগ, সেটার একটা জোর করে চাপানো ডাবিং । কোথাও আবার শঙ্কর জুলু বা মাসাই বুঝতে পারছে…এইসব গন্ডগোল আর কি! এই ধরণের ছবি করলে এইরকম সমস্যা হবে, জানাই কথা। তাই এক্ষেত্রে পরিচালকের উচিত ছিল পুরোটাই পরিষ্কার বাংলায় ডাব করে করা। এক্ষেত্রে কিছুদিন আগে শ্রী শ্যাম বেনেগালের একটা অনেক পুরনো ছবি দেখছিলাম টিভিতে- ত্রিকাল, সেখানে পরিচালক খুব সুন্দর ভাবে ব্যাপারটা মিটিয়েছেন। উনি ছবি শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই, কথক চরিত্রের মাধ্যমে বলিয়ে দিলেন যে এই গল্পের যা পটভূমি, তাতে সমস্ত চরিত্রের পর্তুগিজ ভাষায় কথা বলা উচিত, কিন্তু তাহলে দর্শকদের বুঝতে অসুবিধা হবে, তাই এই ছবিতে সবাই হিন্দিতেই কথা বলবে। কমলেশ্বরের উচিত ছিল এই ধরণের কিছু একটা করা। তাহলে ওই ডাবিং এর অপরিচ্ছন্নতাটা থাকত না।
    ৫। এটা আরো বেশি করে মনে হয়েছে ডিয়েগো আল্ভারেজ এর চরিত্রে জেরার্ড রুডল্‌ফ্‌ এর ডায়লগ নিক্ষেপণ দেখে। ভদ্রলোক ভাল অভিনেতা, বাংলাটাও মোটামুটি শিখে নিয়েছিলেন, কিন্তু আদতে কি বলছেন সেটা বুঝতে পারছিলেন না যেহেতু, ফলে বাক্যের কোথায় কতটুকু যতি বসা উচিত, সেই নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ে ছিলেন বলে আমার মনে হয়েছে। ফলে অনেক সময়েই, যে বাক্যের নিক্ষেপণ যেরকম হওয়া উচিত সেরকম হয়নি, ধীরে টেনে কষ্ট করে বলতে হয়েছে ওনাকে। এর থেকে অনেক ভাল হল সঠিক বাংলা ডাবিং থাকলে।
    ৬। ছবির শেষ দিকে বুনিপকে হত্যার ছক, এবং তার পরিকল্পনা এবং কার্যোদ্ধার – একেবারেই নেওয়া যায় না। যে লোক প্রায় মরতে বসেছিল, সে হটাত চাগিয়ে উঠে (খাবার -জল কোথা থেকে জুটছে জানা নেই) শুধু একটা কুঠার দিয়ে ডাল কেটে কেটে একটা দৈত্যকে ধরার জন্য একটা দৈত্যাকার ফাঁদ বানাল, (এবং বুনিপ ততদিন দেখা দিল না, যতদিন না ফাঁদ বানানো শেষ হল), এবং তারপরে তাকে মারল- এটা একটু বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে।

    এইবারে শেষ কথা। শঙ্করের চরিত্রে দেবকে কেমন মানিয়েছে? কেউ বলছে মানায়নি, কেউ বলছে মানিয়েছে। আমি বলছি, মানিয়েছে। একেবারে ঠিকঠাক মানিয়েছে। গল্পে শঙ্কর এফ-এ পাশ করা, কিন্তু আদতে খেলাধুলো ভালবাসা ছেলে- কুস্তি, সাঁতার, অ্যাডভেঞ্চারের শখ। গল্পে কোথাও লেখা নেই, সে বড় দিগগজ পন্ডিত। তাই দেবের মুখে যে নিজস্ব একটা না-আঁতেল ভাব আছে, সেটা ঠিকই আছে এখানে। তার ইংরেজি উচ্চারণ ও সাদামাটা, সেটাও মানিয়ে গেছে। অন্য এক দাড়িওয়ালা “জন্মজ্যাঠা” পরিচালক-অভিনেতাকে ওই চরিত্রে মোটেও মানাত না, সে তিনি যতই সেটা দাবি করুন না কেন। অভিনয়ের জায়গায়, দেবের থেকে খুব বেশি আশা হয়ত কারোরই ছিলনা, কিন্তু এই ছবিতে তো নয়টি রসের সবগুলি দেখানোর জায়গাও নেই। তাই কোথায় যেন পড়েছিলাম, সিংহ মারার সময়ে দেবের মুখভঙ্গী “চ্যালেঞ্জ নিবি না শালা” গোছের- সেটাই হওয়া উচিত ছিল নয় কি? যে ছেলে ভেবেছে সে সিংহের মুখোমুখি হবে, তাকে তো আর ভয় পেলে চলবে না, তাকি ওই চ্যালেঞ্জ নিবি না…গোছের হাবভাবই দেখাতে হবে। বাঙালি দর্শক যদি লালন ফকির হিসাবে পোসেনজিত কে হজম করতে পারে, তাহলে শঙ্কর হিসাবে দেবকে দশে অন্তত সাত দেওয়া উচিত। আমি দিলাম।

     
    • ক্যাপাচিনো 12:11 pm on February 4, 2014 Permalink | Reply

      আমার তো এখনও দেখা হয় নি তবে দেবকে কেন নেওয়া হয়েছে এইটে বুঝে ভারি মজা পেয়েছি। আসলে আজকের জনগন যে দেবের কল্যানে বিভূতিবাবুর নাম শুনল অনেকে – এ সত্যিটাও তো মেনে নিতে হবে।

  • ক্যাফে লাতে 6:57 pm on January 23, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    সত্যান্বেষী- বিলেটেড রিভিউ 

    কিছুদিন আগে এক বন্ধু জিজ্ঞেস করেছিল এই ছবিটা নিয়ে রিভিউ বেরিয়েছে কিনা। আমাদের কফিহাউজে বোধ হয় ছোট করে একটা লেখা বেরিয়েছিল, তা ভাবলাম আরেকটি বিশদে লিখি। খুব শিগগির টিভিতে আবার দেখাবে কোন একটা চ্যানেলে, তারপরে এদিকে আবার আমাদের চা-পাতা বলছে ফ্লিপকার্টে গিয়ে কিনবে – খবর্দার কিনিস না মা! কেন, সেটা ওই যেদিন টিভিতে দেবে, দেখেই বুঝবি!!

    যাকগে, কাজের কথায় আসি। প্রথমেই বলি, ঋতুপর্ণ ঘোষ বড়ই অকালে প্রয়াত হওয়াতে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। নানা কারণে ওনার গত কয়েক বছরে তৈরি বেশিরভাগ ছবিই আমার দেখা হয়নি। সত্যান্বেষীও টিভিতেই দেখেছি। কিন্তু আমি ওনার লেখার খুব ভক্ত। ঋতুপর্ণের বাংলা লেখা এতই সুন্দর, পড়লেও মন ভাল হয়ে যেত। ওনার ভাবনা চিন্তার প্রসার আমাকে বারে বারে মুগ্ধ করেছে। ওনার প্রথম দিকের বেশ কয়েকটি ছবি আমাকে অন্য রকম ভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। আর সেই সব কারণেই আমি এই ছবিটি দেখে হতাশ।

    ছবির শুরুতে দেখা যায় এক বয়স্ক পুরুষের সাথে দুটি যুবতী , নানা জিনিষ নিয়ে, সম্ভবত নদীর পাড় দিয়ে হেঁটে চলেছে। তারা একটু বিশ্রাম নিতে থামে, ছোট মেয়েটি প্রাকৃতিক কাজের উদ্দেশ্যে একটু আড়ালে যায়, তার পরে কি যেন একটা ঘটে- তার শুধু আর্ত চিৎকার শোনা যায়।যেদিন ছবিটি দেখেছিলাম, সেদিন সেই বিপদের উৎস সম্পর্কে সমপূর্ণ অন্য ধারণা জন্মেছিল, আজকে আবার লেখার কথা ভাবতে ভাবে অন্য ধারনা জন্মাল।

    যাইহোক, তারপরেই বোধ হয় ফ্ল্যাশ ফরওয়ার্ড করে ব্যোমকেশ এবং অজিতের রাজবাড়ি, নাকি জমিদারবাড়িতে আবির্ভাব। এইখানে একটা কথা বলে রাখি, রজিত কাপুর আর কে কে রায়নার পরে, আমার আর কোন ব্যোমকেশ বা কোন অজিতকেই পোষায়নি। এরপরে পুরোটাই গোলমাল। এক অকারণ নারী চরিত্র, যাকে বিনাকারণে প্রচুর স্ক্রিন স্পেস দেওয়া হয়েছে। বরং অন্য নারী চরিত্র, যেটি আদতে গুরুত্বপূর্ণ, তাকে প্রায় দেখাই যায়না। প্রথম চরিত্রাভিনেত্রী হলে অর্পিতা চ্যাটার্জি। এই অবধি লিখেই মনে সন্দ জাগছে- উনিও কি নিজের কত্তার মত পরিচালকের সাথে জোর জবরদস্তি করে এই চরিত্র তৈরি করিয়েছিলেন? সারা ফিল্ম জুড়ে এঁর কাজ কি? – একটা সদ্য রিলিজ হওয়া হিন্দি ছবির গান গুনগুন করা, এক লাইব্রেরিয়ান এর সামনে মুগ্ধ হয়ে দামি শাড়ি গয়না পড়ে বসে কালিদাসের মেঘদূত শোনা, আর শেষ অবধি জানতে পারা যায় তিনি নাকি বিছানায় শীতল , তাই বরের সাথে মনোমালিন্য !! বোঝ কান্ড। ও, আরো একটা কাজ করেন- মাঝে মাঝে অজিতের সাথে বসে গল্প করেন, তাই নিয়ে আবার ব্যোমকেশ টিপ্পনী দেন। সেই জমিদারির নাম “বলবন্তপুর”- কেন, তাই নিয়ে ব্যোমকেশ আর অজিত গভীর আলোচনা করেন। শেষের দিকে বোঝা যায়, সেই যে বৃদ্ধের কথা প্রথমে বলা হয়েছিল, তার মেয়ে যে কিনা সেক্সুয়ালি ফ্রিজিড জমিদার গিন্নীর ঝি, সে জমিদারের সন্তানকে গর্ভে ধারণ করছে, তাই তার বাবা তার প্রেমিককে , যে কিনা সেই মেঘদূত পাঠ করা লাইব্রেরিয়ান, তাকে,বাঘের ডাক ডেকে চোরাবালিতে ডুবিয়ে মারলেন। বেশ , তা ভাল! কিন্তু তার জন্য সেই বাবার সিন্দুকে বিরাট বড় বাঘের পায়ের মাপের কাঠের থাবা, আর বাঘের মুখোশ থাকার কি দরকার তা বুঝলাম না। থাবাটা তাও বুঝলাম, মুখোশের প্রয়োজনীয়তা একেবারেই বুঝলাম না। সেই বিধবা মেয়ে আবার বনের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া প্রেমিককে ময়ূরের পালক দিয়ে আদর করে। সেটা সে হঠাত কোথায় পেল, সে নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন আছে। ছবির শেষে সেই ময়ূরের পালক বালির চরে পড়ে থাকে। পরিচালক তাঁর শেষের দিকের অভিনীত এবং নির্দেশিত কিছু ছবির মত, এখানেও রাধা-কৃষ্ণ-প্রণয়লীলা-দেহতত্ব-ইত্যাদি-প্রভৃতি-আরো গভীর অনেক কিছু বোঝাতে চেয়েছিলেন কিনা , বা আনার ইচ্ছা ছিল কিনা আমার জানা নাই। উৎসাহী কমেন্টদাতা কেউ আলোকপাত করলে খুশি হব।
    আরেকটা কথা- চোরাবালিতে মানুষ ডুবে যাচ্ছে, এই দেখাতে যে কম্পিউটার গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে, তা একেবারেই যা তা।
    মোদ্দা কথা, পুরো ছবিটা জুড়ে অযত্নের ছাপ। হয়ত পরিচালক সেই সময়ে সত্যিই অসুস্থ ছিলেন। ঠিক ঠাক মন দিতে পারেন নি। কারণ আরো অনেক ছোট খাট বিষয়ে প্রশ্ন জেগেছিল দেখার সময়ে, সেগুলির সব কথা আলাদা করে আর বললাম না। সুজয় ঘোষ চেহারায় হয়ত তাও মানিয়ে গেছেন, কিন্তু গলার আওয়াজটা মোটেও যুতের নয়। অনিন্দ্যকে যে লুক দেওয়া হয়েছিল, তাতে তিনি অজিত কম, বরং রবিঠাকুরের গল্পের ব্রাক্ষ যুবক রূপে বেশি মানাবেন। যেটা সবথেকে চোখে লাগে, সেটা হচ্ছে ২২-২৩ এর তরুনীর ভূমিকায় অর্পিতাকে দেখে! ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবি বলেই তখন মনে হয়েছিল, উনি কোন বেয়াক্কেলে আবদারে সাড়া দিতে বাধ্য হয়েছিলেন কি? যেমন হয়েছিলেন ‘নৌকাডুবি’ বানানোর সময়ে ?
    ছবিটা দেখার পরে মূল গল্পটা নতুন করে আবার পড়েছিলাম। সেখানে অবশ্যই নারী চরিত্র দুটি, এবং নাম-কে-ওয়াস্তে। তা তাতে ক্ষতি কি ছিল? ওই গল্পটা নিয়ে কাজ করলেই হত। আধুনিক ভাল গল্প বা ভাল ছবি মানেই কি তাতে চাট্টি শারিরীক চাহিদা এবং তার থেকে উঠে আসা জটিলতা বা হতাশা দেখাতে হবে? শরদিন্দু তো সেই কোন যুগেই সেইসব ছাড়াই প্রচুর ভাল গল্প লিখে গেছেন- শুধু ব্যোমকেশ নয়, আরো অনেক গল্প, এমন কি সিনেমার চিত্রনাট্যও। এখনো এদিক-সেদিক খুঁজলে সেই ধাঁচের অনেক ভাল ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সে কথা থাক, সে আরেকদিন আলোচনা হবে।

     
    • রূপসা মন্ডল দাসগুপ্ত 9:22 pm on January 23, 2014 Permalink | Reply

      মুল গল্পটা অনেকদিন আগে পড়েছি, খুঁটিনাটি মনে নেই, প্রথম দৃশ্য নিয়ে একটা জব্বর খটকা আছে, ভিলেন তো বলবন্তপুর ঢোকার সময় জানতেন না যে তাঁকে পরে ভিলেনগিরি করতে হবে, তাহলে দুটি কন্যার মধ্যে একটিকে সকালে অমনভাবে হারিয়ে সেকথা বেমালুম চেপে গেলেন সকলের কাছে, আশ্রয় চাওয়ার সময় তিনি বা অন্য কন্যাটি একটু প্রকাশ করলে না অতবড় শোকটা, শরদিন্দু বাবু কী বলেছিলেন এ বিষয়ে?

      • ক্যাফে লাতে 10:24 am on January 24, 2014 Permalink | Reply

        আরে না না, মূল গল্পে ভিলেনের কোন মেয়ে-টেয়ে নেই, তিনি একেবারে একলা। একটি গর্ভবতী বিধবা মেয়েকে নিয়ে একটা ছোট সাবপ্লট আছে শুধু, যার সাথে মূল রহস্য বা ভিলেনের কোন সম্পর্ক নেই।

    • ভাঁড়ের চা 1:15 pm on January 24, 2014 Permalink | Reply

      গল্পটা আমি ঠিক ধরতে পারছিনা। এটা কি “চোরা বালি” ? সেটা হলে, তাতে এসব কান্ড ছিল ? কিছুতেই মনে পড়ছে না! হাতের কাছে বইটাও নেই ! প্রথমবার দেখে আমারও নানা প্রশ্ন জেগেছিল। সিনেমা নিয়ে সমালোচনা করার আমার কোন যোগ্যতাই নেই। তাই সেটা করছি না। তবে সাধারন দর্শক হিসেবে একেবারেই নিরাশ হয়েছি।

      • ক্যাফে লাতে 5:38 am on January 28, 2014 Permalink | Reply

        এটা হল, ওই যেমন নৌকাডুবি দেখে লিখেছিলাম, -এটা রবি ঠাকুরের নয়, ঋতুপর্ণ ঘোষের নৌকাডুবি, ওইরকমই আর কি- এটা শরদিন্দুর চোরাবালি নয়, ঋতুপর্ণের সত্যান্বেষী

    • ক্যাপাচিনো 1:24 pm on January 24, 2014 Permalink | Reply

      হ্যাঁ এটাই সেই গল্প – তবে সিনেমা দেখে সত্যিই বোঝা ভার আদতে সেই গল্প কি না।

  • ক্যাফে লাতে 10:18 am on January 20, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    আর পারি না…! 

    hbd-coffeehouse

    ভাবা যাচ্ছে না, যে দেখতে দেখতে আমাদের এই ছোট্ট ফাজিল আড্ডাব্লগ এক বছর শেষ করার পথে। তার ওপরে আবার ফেসবুক দেখাচ্ছে ৩৭১টা লাইক। আর সেগুলি বেশিরভাগই এমন বন্ধুদের কাছ থেকে, যাঁদের সাথে আবার সরলরেখায় অথবা বক্ররেখায়- কোনভাবেই আলাপ বা যোগাযোগ নেই। এর থেকে একটা কথা পরিষ্কার – নির্ভেজাল কন্টেন্ট থাকলে পাঠক থাকবেই।
    যাইহোক, এই নতুন মডেলের সাইটে প্রথম পোস্ট পড়েছিল গত বছরের ৩০শে জানুয়ারি। এবছর এখনো ৩০ তারিখ আসতে দশ দিন বাকি, কিন্তু কফিমেকার মনে হচ্ছে হেব্বি উত্তেজিত, তাই এখন থেকেই জন্মদিনের গান গাইছেন! তাই আমি ভাবলাম, আমি-ই বা বাদ যাই কেন, আমিও নাহয় এখন থেকেই সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই-টানাই।
    এবছরে আরো ভাল করে, আরো সিরিয়াসলি (?) আড্ডা মারার ইচ্ছা রইল আপনাদের সাথে, এইটুকু বলতে পারে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে, কফিমেকার কিরকম চা আর কফি সাপ্লাই দেন তার ওপরে…ঃ)

     
    • ক্যাপাচিনো 7:17 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

      আপনার দেখি অনেক পোস্ট – তিরানব্বুইটে। তা আরো কয়েকটা করে সেঞ্ছুরি করুন না?

      :2thumbup

  • ক্যাফে লাতে 4:55 pm on January 12, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ফিল্ম সমালোচনা, হনুমান ডট কম   

    হনুমান ডট কমঃ রিভিউ আ লা ক্যাফে লাতে :) 

    হনুমান ডট কম দেখলাম। এইমাত্র। টিভিতে হল। গল্পটা পরিচালক মন্দ ফাঁদের নি, কিন্তু স্ক্রিন প্লে এবং চরিত্রায়ণ অত্যন্ত দুর্বল। মানে, গ্রামের স্কুল, সেখানে ফিজিক্স পড়ান যে শিক্ষক, তিনি আইনস্টাইনের ছবি গুগলে দেখে হাত তুলে নম নম করেন, ব্যাপারটা বেশ হাস্যকর। তাছাড়া, কৌশিক সেন, প্রসেঞ্জিন চ্যাটার্জি বা তাঁর স্ত্রীর ভূমিকার অভিনয় করা অভিনেত্রী- মৌসুমী, কাউকে গ্রাম্য মোটেও মনে হচ্ছিল না। যদিও মৌসুমী কে এক অত্যন্ত সাধারন গৃহবধূর চরিত্রে ভাল মানিয়েছে। আর ছবিটা ভয়ানক লম্বা- অকারণে। শেষের দিকে তো ধৈর্য্য রাখাই মুশকিল হচ্ছিল।
    নায়কের সম্পর্কে আর কি বলব!! ভদ্রলোক ডিরেক্টরদের ধরে ধরে নিজের জন্য অফবিট ফিল্ম বানানোর চেষ্টা করছেন, কিন্তু একটা কথা যে ওনাকে কেউ কখনো কেন বলেনা- যে উনি , প্রথম কথা, অভিনয়টা মোটেও সেরকম সাঙ্ঘাতিক কিছু পারেন না,আর দুই, ওনাকে ওই বখে যাওয়া হিরো “পোসেনজিত” হিসাবেই যাও বা চালানো যায়, অন্য কোন রোলেই মানায় না, যে লালন ফকিরই সাজুন বা অঞ্জনিপুত্র…যে অভিনেতা চরিত্র অনুযায়ী নিজের কথাবার্তার অ্যাক্সেন্ট পাল্টাতে পারেন না, গলার মডিউলেশন নেই, সে আর অভিনেতা কিসের মশাই?
    এইবার আসল কথায় আসিঃ
    ১। ছবির নাম হনুমান ডট কম কেন? -বুঝি নাই
    ২। হিরোর নাম অঞ্জনিপুত্র কেন? বাঙালিরা শিবের নামে, বিষ্ণুর নামে নিজের ছেলের নাম রাখে, হনুমানের নামে রাখে এরকম প্রায় দেখা বা শোনাই যায় না। যাইহোক, ধরে নিলাম নায়কের বাবা বা মা কেউ না কেউ হনুমান ভক্ত ছিলেন। বা নায়ক ও হনুমান ভক্ত, কারণফিল্মের শুরু, শেষ এবং মাঝে মধ্যেও হনুমান চালিসার অংশ শোনা গেছে। কিন্তু সারা ফিল্ম জুড়ে আর কোথাও কোন রেফারেন্স হনুমানের- এমন কি নায়কের ঘরে হনুমানের একটা ছবি পর্য্যন্ত নেই। পুরোটাই ওই হনুমানের মত “বুকের মধ্যেই” আর কি…
    ৩। যদিও কোথাও বলা হয়নি অঞ্জনিপুত্রের বউ শহুরে মেয়ে নয় (সে মেচেদার মেয়ে) , তাহলেও, তার বই তাকে “মন ” “মন” বলে ডাকলেই আমার প্রবল হাসি পাচ্ছিল। ব্যাপারটা একদমই মানাচ্ছিল না আর কি।
    ৩। স্ক্রিপ্ট বোধ হয় পরিচালক গৌরব পান্ডে নিজেই লিখেছেন, আর উনি মনে হয় বাংলাটা ঠিকঠাক জানেন না। প্রচন্ড হাসি পেল এবং বিরক্ত লাগল, প্রসেনজিত যখন ডাস্টবিন এর বাংলা বললেন “কুঁড়াদান” , আর নিজের বাংলাদেশ আশ্রয়দাতা বন্ধুকে বললেন “আমি হাত বাটিয়ে দেব” (মানে বলতে চেয়েছিলেন আমি হাতে হাতে কাজ করে সামলে দেব)। আইসল্যান্ডে গিয়ে বসিরহাটের বাঙালি ভাষার যা খিচুড়ি পাকাল, তা অসাধারণ।
    ৪। এই সূত্রেই বলতে হয়, বিমানবন্দর থেকে বেরিয়েই নায়ক এক বাঙালি বন্ধু পেলেন, এবং তাঁকে সেই সূদুর বিদেশে বাংলা বলতে শুনে এক ফোঁটাও অবাক হলেন না – এটা দেখে আমিই বেশ অবাক হয়ে গেছি। মনে হল যেন আইসল্যান্ড নয়, আছিপুর গেছে!!
    ছবি রিলিজ করার পরে যে ফিডব্যাকটা সব থেকে বেশি পেয়েছিলাম, সেটা হল যে প্রসেঞ্জিত আইসল্যান্ড গিয়ে শেষ -মেশ ভূত মেমসাহেবকে চুমু খেল। ! ছবি দেখে বুঝলাম, এটা বেশিরভাগ দর্শকেরই পোষায় নি আর কি! বাংলা ফিল্মে, প্রসেনজিত, একটা জলজ্যান্ত সাদাচামড়ার মহিলাকে হাতের কাছে পেয়ে শুধুমাত্র তাকে একটা চুমু খেয়েই ছেড়ে দিল, মাখোমাখো শয্যাদৃশ্য একটা অন্তত হলনা, সেটা একেবারেই বোধ হয় পোষায়নি কারোরই। তাই সব কিছু ছেড়ে ওই ফিডব্যাকটাই এসেছে সব থেকে বেশি। আমার কাছে, ওই একটা ছোট্ট প্রায় সাদা কালো চুম্বন মূহুর্তই, বোধ হয় এক ছবির এক মাত্র সুক্ষ্ম (subtle) দৃশ্য হওয়ার দাবী রাখে।

     
    • ক্যাপাচিনো 12:46 am on January 13, 2014 Permalink | Reply

      সিনেমাটা তো আর দেখা হয়নি – তবে ঐ পোসেনজিত ব্যাপারে এক্কেবারে একমত। উনি একটু নিজের সম্পর্কে বার খেয়ে (দোষ দিয়ে লাভ নেই চারপাশে লোক অনেক) এই একই কাজ বারবার করছেন। ঐ লাইনটা পড়ে হেসে কুটোপুটি খেলাম।

    • ক্যাপাচিনো 12:48 am on January 13, 2014 Permalink | Reply

      বাংলা কবিতায় যেমন আজকাল লিখে দিতে হয় ইহা কবিতা। তেমনি সিনেমার শুরুতে বা অন্ততঃ শেষে লিখে দেওয়া উচিত ছিল নামকরনটা আদপে কি থেকে হল – তাই না?

      • ভাঁড়ের চা 1:01 pm on January 16, 2014 Permalink | Reply

        অঞ্জনিপুত্র বোধ হয় অংকের শিক্ষক ছিলেন, ফিজিক্সের নয়। মানে আমি যেন তেমনই শুনলাম। তা হলেও আইনষ্টাইনের নাম অবশ্যই জানা উচিৎ ছিল।
        যে জিনিষটা কলকাতার স্টুডিওতেই করা যেত, তার জন্য আইসল্যাড যাবার দরকার কি হল কে জানে। স্টান্ট, নাকি !
        এর আগে ‘মনের মানুষ’ নিয়েও একই প্রশ্ন উঠেছিল মনে। কোথাও বলেওছিলাম একথা। ঐ ছবি করার জন্য বাংলা দেশে যাবার কি খুব দরকার ছিল ?

        • ক্যাফে লাতে 4:13 am on January 17, 2014 Permalink | Reply

          গুড কোশ্চেন। আই আন্সার গিভ।
          ব্যাপারটা হচ্ছে যে, আজকাল তো ওনাকে নিয়ে কেউ খুব একটা বিদেশে শুটিং করতে যায় না। দেব, জিত, মায় সোহম , হিরণ…এরা পর্যন্ত কারণে অকারণে সুইজারল্যান্ড, দুবাই, হং কং, প্যারিস, এথেন্স, হেন জায়গা বাকি নেই যেখানে গিয়ে নেচে কুঁদে আসছে না। ওদিকে দেব আবার সুপারহিরো হওয়ার চেষ্টায় সোজা সাউথ আফ্রিকা চলে গেল। আর উনি? সে কবে একবার সান ফ্রান্সিস্ককো(অপরাজিতা তুমি) বা ওই গোছের কোন জায়গা, আর তারপরে এই মিশর…তা ওনাকেও তো কিছু করে দেখাতে হবে? তাই যেখানে এর আগে কোন বাঙালি গিয়ে শুটিং করেনি, এই আইসল্যান্ড! – দর্শক কেও অপশন দেওয়া- সাউথ আফ্রিকা দেখবে, নাকি আইসল্যান্ড দেখবে? ভাগ্য ভাল যে উনি আবার কমলেশ্বরকে জোর করেন নি যে শঙ্করের চরিত্রটাও উনি করবেন, বা স্বর্গত ঋতুপর্ণ ঘোষ কেও আবদার করেন নি সত্যান্বেষী সাজবেন !!

          • ভাঁড়ের চা 1:56 pm on January 17, 2014 Permalink | Reply

            দেবের ছবির প্রয়োজনে আফ্রিকা যেতে হয়েছে। বাকিরা কেন গিয়েছিলেন সেটা বোঝা দায়। একবার ভাটিকান বা ভেনিস দেখিয়ে ছবির কি মোক্ষলাভ হয় কে জানে।

            • ক্যাফে লাতে 2:00 pm on January 17, 2014 Permalink

              স্বপ্ন স্বপ্ন…।স্বপ্ন বেচে খায় সিনেমা। ওটা বুড়োরা সবাই বোঝে না 🙂

            • ক্যাপাচিনো 11:15 pm on January 19, 2014 Permalink

              দিব্যি সিনেমা চলছিল – অপ্রয়োজনে বিলেত গিয়ে কি স্বপ্ন হয় কে জানে। তার মধ্যে পাসপোর্ট, ভিসা, ফরেক্স আসে না? বাস্তবিক যা চাপ – তাতে ঐ ব্যাপারটা স্বপ্নেও অধরা মনে হয় আমার।

          • ক্যাফে লাতে 4:03 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

            ক্যাপাচিনো, এই অ্যাদ্দিনে , তোমার কমেন্ট পড়ে আমি বুঝতে পারলাম ফিল্ম এর নাম কেন হনুমান ডট কম। হে বালক, ফিরে যাও সেই রামায়ণের যুগে। হনুমান সেই যুগ থেকেই ভিসা পাসপোর্ট, ফরেক্স ইত্যাদির ঝামেলাকে লবডঙ্কা দেখিয়ে (নাকি ল্যাজ? )ভারত -শ্রীলঙ্কা করেননি বার তিনেক? আর প্রথমবারেই রাবনের ইমিগ্রেশন অফিসার লঙ্কাদেবীকে মেরে-টেরে …আরো কি কি সব যেন করেছিলেন… এই ছবির হিরো-ও তো হনুমান (নামে), তাই তারও ওইসব ভিসা-পাসপোর্ট ওইসব লাগেনি (ওসব তোমার -আমার মত মিয়ার মর্টালদের জন্য) । প্রায় গেছোদাদা স্টাইলে বসিরহাট-ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল-আইসল্যান্ড- এই থিওরি মেনে পৌঁছে গেছে বরফের দেশে ।

            • ক্যাপাচিনো 7:08 pm on January 20, 2014 Permalink

              :mewek

    • মনিপর্ণা 4:06 am on January 20, 2014 Permalink | Reply

      ইয়ে মানে বলছিলাম কি…প্রণাম নেবেন । আমি কুড়ি মিনিটের বেশী দেখতে পারিনি সিনেমাটা 🙁 কী অসহ্য অত্যাচার ! মানুষ তো আমরা…নাকি 🙁

      • ক্যাপাচিনো 7:07 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

        :nohope

    • ক্যাফে লাতে 3:54 pm on January 20, 2014 Permalink | Reply

      কি বলছেন ভাই…এমন কথা বলতে আছে? হনুমান বলে কি মানুষ নয়?? আর সেইজন্যই তো মানুষ হিসাবে আমাদের হনুমান ডট কম দেখা উচিত …মানবিক কর্তব্য !!

    • স্মৃতিলেখা চক্রবর্ত্তী 5:26 am on February 18, 2015 Permalink | Reply

      আইসল্যান্ড-এই ফাঁদা সিনেমা, “দ্য সিক্রেট লাইফ অফ ওয়াল্টার মিট্টি” দেখলে ‘হনুমান.কম’-এর আইসল্যান্ড-এর দৃশ্যায়ন মোটেও ভাল্লাগবে না।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel