Updates from শনিবারের কফি Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • শনিবারের কফি 3:53 pm on October 12, 2013 Permalink | Reply
    Tags: দুঃখিত   

    আগের দিনে পাত্রী পছন্দের ছবি দেয়া হতো পাত্র পক্ষকে। পাত্রপক্ষ পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার দুর্দণ্ড প্রতাপ দেখিয়ে ছবি পছন্দ না হলে যোগাযোগ করতো না। আরে বাবা, পছন্দ না হলে বলে দেবে- পছন্দ হয়নি। তাই বলে পেণ্ডুলামের মতো ঝুলিয়ে রাখা? আমার খবর একটাই- প্রোফাইলের ছবি এখনও ছাড়পত্র পায় নাই; কেমন আছি? সে আর বলতে!

     
    • ক্যাপাচিনো 7:13 pm on October 14, 2013 Permalink | Reply

      কফিমেকার মনে হচ্ছে ছুটিতে গেছে, কোন কাজ ঠিক করে করছে না।

    • ক্যাফে লাতে 5:17 am on October 26, 2013 Permalink | Reply

      আপ্নার দুঃখ ঘোচানো হয়েছে এবার- এক্কেবারে ঠিকঠাক।

  • শনিবারের কফি 1:21 am on September 27, 2013 Permalink | Reply
    Tags: সঙ্গীতশিল্পী, হেমন্ত, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়   

    হেমন্তে নয়; শরতে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় 

    রাত পেরোনো ব্যালে ট্রুপে জুড়ে ছিলো কিছু টুপটাপ অন্ধকার। নৈঃশব্দে ঠাসা গ্রামোফোনের রেকর্ডগুলো জানিয়ে গেছে- যে লোকটা বহু কিছু ধরে রাখার মধ্যে ছিলেন না কোনোদিন, তিনি মৃত্যুর আগেরক্ষণ পর্যন্ত ছাড়তে পারেননি একটি জিনিশ। তা হলো স্টেট এক্সপ্রেস ফাইভ ফিফটি ফাইভ। তিনি হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ‘ছোট নীড়’ থেকে যাত্রা শুরু করে যিনি ‘রানার’ হয়ে চলে গেলেন ১৯৮৯-এর ২৬ সেপ্টেম্বর। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় তাঁর এই বাল্যবন্ধু হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে একটা বই-ই লিখে ফেলেছিলেন ‘হেমন্তর কী মন্তর’। প্রবীণ বয়েসেও কবি ঠাওরে উঠতে পারেননি, বন্ধুটির জাদুটা ঠিক কোথায়; গলায়, চেহারায়, মনে না হৃদয়ে?

    হেমন্ত আজকে যতোটা মাহেন্দ্রক্ষণের তখন ততোটা ছিলেন না। কাগজে বেশ সমালোচনা ছাপা হতো তাঁর নামে। তিনি ঠাঁয় বসে থেকে সেগুলো শুনতেন। শঙ্করলার ভট্টাচার্য একবার বেশ ক্ষেপে গিয়েই জিজ্ঞেস করলেন- কিছু বলছেন না কেনো? কি সব লিখে বেড়াচ্ছে লোকজন! হেমন্ত স্বভাবসুলভ হাসি হেসে লেখক বিমল মিত্রের একটা পরামর্শের উল্লেখ করেছিলেন। বললেন- “কাগজে নিন্দেমন্দ গাইছে শুনে বিমলবাবু বললেন, ‘আনন্দ করুন! আনন্দ করুন! সমালোচনা, নিন্দেটিন্দে হচ্ছে, মানে আপনার নাম হচ্ছে। নাম-যশের ওর চেয়ে ভালো দাড়িপাল্লা হয় না’।”

    আধুনিক বাঙলা গানের আকাশে হেমন্ত যতোটা শুকতারা, রবীন্দ্রসঙ্গীতের আকাশে ততোটা নন- অন্তত আমার তা-ই ধারণা। কলেজে পড়ার সময় মনে হতো, ভদ্রলোক ইঞ্জিনিয়ারিঙ আর গীতবিতানের পার্থক্য বোঝেন না। এরপর শ্রোতা হিশেবে রবীন্দ্রসঙ্গীতেও তাঁকে পাশ মার্ক দিয়েছি। ’৮৭ কী ’৮৮ সালে ক্যাসেটের শারদ সম্ভারের উদ্বোধন আয়োজন করেছিলো ‘সাউন্ড উইং সংস্থা’ দক্ষিণ কোলকাতার পল ম্যানসনে। একেবারে শেষে ওরা বাজালো ‘সত্তর দশকের হেমন্ত’ নামের ক্যাসেট থেকে ‘কৃষ্ণকলি’ গানটা। ‘কৃষ্ণকলি’র এহেন স্বপ্নিল রেন্ডারিং তখনও শোনেননি বাঙলা গানের শ্রোতারা। সকলে মন্ত্রমুগ্ধ হলেও চোখে জল নিয়ে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন- ‘এটা সুচিত্রা মিত্রের প্রিয় গান। তাই গাই না, এখন। এটা ওর মতো করে কেউ গাইতে পারে না। ওঁর গান ওঁরই থাক। তোমরা আমার ক্যাসেটটা শুনো’। হেমন্তই বুঝেছিলেন ‘কৃষ্ণকলি’ সুচিত্রা মিত্রের মতো করে কেউ গাইতে পারেন না, কোনোদিন পারবেনও না।

    কিছুদিন আগে জগন্নাথ বসুর ‘পরচর্চা’ পড়ছিলাম। সেখানেই পড়েছিলাম; জগন্নাথ বসু ছাত্রাবস্থায় স্কটিশ চার্চ কলেজের সোশ্যালে সভাপতি হবার আবেদন নিয়ে ঋত্বিক ঘটকের কাছে গিয়েছিলেন। ঋত্বিক জিগ্যেস করলেন- কে গাইবে গান? উত্তর- হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ওঁকে কতো দিবি? টাকার অঙ্কটা শুনে ঋত্বিকের শিশুসুলভ প্রশ্ন- তা, আমায় দশটা টাকা দিবি তো?

    অঙ্ক না মেলাতে পারলে ইঞ্জিনিয়ারিঙ হয় না। দশ টাকার অঙ্কও তো অঙ্কই। হোক না তা ঋত্ত্বিক ঘটকের। হেমন্তের মতো শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেও নিজেকে তৈরি করতে হয়। সময় লাগে। তৈরি হতে হতে ছাব্বিশ তারিখটা পেরিয়ে যায়। সাতাশ তারিখ এসে পড়ে।

    হেমন্ত তো তারিখের চৌকাঠে বন্দী নন। তাঁকে বৃথাই তারিখ মেনে শ্রদ্ধা জানাতে চাইলে, অঙ্কটা আর মিলবে না কোনোদিন।

     
    • ক্যাপাচিনো 2:23 pm on October 4, 2013 Permalink | Reply

      চমৎকার লিখেছেন। পড়তে পড়তে একটু দেরি হয়ে গেল এই আর কি। মহালয়ার শুভেচ্ছা রইল।

  • শনিবারের কফি 1:53 pm on September 24, 2013 Permalink | Reply
    Tags: অগ্নিযুগের বিপ্লবী, প্রীতিলতা, বিপ্লবী, শনিবারের কফি, শনিবারের চিঠি   

    প্রীতিলতা- হৃদয়ে ছড়ানো রোদ্দুর আমার 

    প্রীতিলতা

    তোমাকে জেনেছিলাম বেথোফেনের আশ্চর্য ফিফথ সিম্ফোনিতে; জেনেছিলাম, যখন শাপগ্রস্ত আমাদের মৃত্যু শহরের শরীরকে পরিত্যাগ করে বিপ্লব তার নিজ পায়ে হেঁটে চলে গেছে অন্যত্র। তোমার মহিমান্বিত আঙুলের ছাপ নাকি এখনও বড্ডো বেশি সজীব হয়ে আছে ‘ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাই’ বইয়ের পাতায় পাতায়, যা আত্মস্থ করবার পর তুমি বিপ্লবী কল্পনা দত্তকে লিখেছিলে- ‘কোনো কোনো সময় আমরা স্বপ্ন দেখতাম বড়ো বিজ্ঞানী হবো। সেই সময় ঝাঁসীর রানী আমাদের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করে। নিজেদেরকে আমরা অকুতোভয় বিপ্লবী হিশেবে দেখা শুরু করলাম’।

    প্রীতিলতা। তোমার বুকের গভীরের কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলে এক টুকরো নিটোল না-ছোঁয়া বিপ্লবের বহ্নিশিখাকে, যার পরতে পরতে লুকিয়ে ছিলো প্রাণিত হবার মূলমন্ত্র। পূর্ণেন্দু দস্তিদার দেয়া বইগুলোও কী রেখে দিয়েছিলে সেখানে, যেখানে বাতিঘরের উষ্ণতায় ধরা পড়ে তোমার প্রাণেশ্বরী মহা-সকাল। নির্মম রেড অর্ডিন্যান্সের কিনারা ঘেঁষে তুমি কেমন চলে গিয়েছিলে ‘ক্ষুদিরাম’, ‘বাঘা যতীন’, ‘কানাইলাল’, ‘দেশের কথা ও সরকারী রাউলাট কমিশন’- এর কার্নিশে; সত্যিই, তুমি বিজ্ঞানী নও, অমর হবার জন্যই জন্মেছিলে।

    ডা. খাস্তগীর উচ্চ ইংরেজি বালিকা বিদ্যালয়ের সূর্যমুখী মেয়েটি নিজেই কেমন সূর্য হয়ে উঠলো, আলোর তরল জলে স্নান সেরে এসে হাত ধরলো লীলা নাগের- ‘দীপালী সংঘ’ তখন ফোরগ্রাউন্ড, ব্যাকগ্রাউন্ডে আশ্চর্য দ্বীপান্বিতা স্বাধীনতা।

    তুমি গ্রহণ করবার পর থেকে পটাশিয়াম সায়ানাইডে আর বিষ নেই; শুনেছি সেদিন থেকে তার আনবিক সঙকেতের আকাশে নাকি চাঁদ উঠে- লাল চাঁদ; প্রতুলের ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদের সাথে সে হাত ধরাধরি করে হাঁটে বিপন্নতার পথে- গন্তব্য তার মুক্তি, বিপ্লবের পূর্বাশা। তুমি তোমার শেষ চিঠিটি লিখেছিলে তোমার মায়ের কাছে, তাঁকে বলেছিলে- মাগো, অমন করে কেঁদো না! আমি যে সত্যের জন্য, স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিতে এসেছি, তুমি কি তাতে আনন্দ পাও না? কী করবো মা? দেশ যে পরাধীন! দেশবাসী বিদেশির অত্যাচারে জর্জরিত! দেশমাতৃকা যে শৃঙ্খলভাবে অবনতা, লাঞ্ছিতা, অবমানিতা! তুমি কি সবই নীরবে সহ্য করবে মা? একটি সন্তানকেও কি তুমি মুক্তির জন্য উৎসর্গ করতে পারবে না? তুমি কি কেবলই কাঁদবে?

    ইয়ঙ-এর মাদার কমপ্লেক্সের বাইরে এসেই বলছি- মায়েরা সন্তানদের মুক্তির জন্য উৎসর্গ করতে জানেন, সত্যিই তাঁরা কাঁদেন না; কেবল আমরা, সন্তানেরাই নিজেদের দায়িত্ব ভুলে যাই। আমরা সন্তানেরাই প্রীতিলতা হতে পারি না।

     
  • শনিবারের কফি 2:06 am on September 23, 2013 Permalink | Reply  

    চারশ বছর আগের বুড়ো; নিয়তির বাঁধা মানচিত্রে তুমি আজও বড্ডো প্রাসঙ্গিক, বড্ডো এলোমেলো। ভোরের ঠোঁটে লেগে থাকা অ্যালপাচিনোরা যখন রবার্ট ফ্রস্ট ছুঁয়ে যায় ‘আউট আউট’ চিৎকারে; তখনও তুমি জানতে মধ্যরাত্রির বিপন্ন কান্নার ফেস্টুনের ভাষ্য আসলে- অল আওয়ার ইয়েস্টার্ডেস।

    ভাগ্যিস, আটাত্তর নম্বর অ্যাপিসোর্ডে ম্যাকবেথকে আসলে কাঁদতে হয়নি; অভিনয় করতে হয়েছিলো।

     
    • ক্যাপাচিনো 8:45 am on September 23, 2013 Permalink | Reply

      আড্ডায় এলেন এমন একটা খটমট পোস্ট নিয়ে যে আমাদের তো গেলুম গেলুম অবস্থা। :cd

    • শনিবারের কফি 12:24 pm on September 24, 2013 Permalink | Reply

      এ বেলা তো লজ্জায় ফেলে দিলেন। সহজিয়া কড়চা তো আমাদের প্রলিতারিয়েতদের চৌকাঠে আসে না; ওটা না কি ওই স্লিপিঙ বাথের জগতে থাকে…

      • ক্যাফে লাতে 6:31 am on October 26, 2013 Permalink | Reply

        কিছুদিন আগে থেকেই আমি অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলাম। তাই আপনার লেখাইগুলিই বেশি মন দিয়ে পড়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু বিশ্বাস করুন মশাই, আপনার লেখাগুলি আমাদের ফাজিল আড্ডার মধ্যে কিরকম যেন সাহিত্যসভা মার্কা আলোচনা। ব্লগের নিয়মকানুন গুলি পড়েই সদস্য হয়েছেন নিশ্চয়। তাও যে কেন সিরিয়াস হয়ে আছেন, ঠিক বুঝছি না।
        যাইহোক, প্রলেতারিয়েত ই হোন বা বুর্জোয়া – এই আল প্যাচিনো- রবার্ট ফ্রস্ট- চারশো বছরের বুড়ো থেকে শুরু করে সহজিয়া কড়চা আর স্লিপিং বাথ- সব যদি একটু পথচলতি ভাষায় বুঝিয়ে দেন তো ভাল হয়। আড্ডায় এসে এত মাথা খাটানো পোষায় না মশাই !! :cystg

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel