Updates from চাফি Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • চাফি 8:33 pm on September 17, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    আশারাম বাপুর খবরটি আশা করি আজকাল অনেকেই রাখছেন – যিনি যৌন নিগ্রহের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। আমার কপালে হাত উঠল তাঁর পক্ষের উকিল কি বলছেন তাই শুনে। তিনি আবার যে সে উকিল নন – দেশের অন্যতম বিখ্যাত ব্যারিস্টার পদবাচ্য রাম জেঠমালানি। তিনি বললেন – এ তো ঐ মেয়েটির দোষ যার জন্য সে পুরুষদের দিকে এগিয়ে যায়। অসাধারন – এই না হলে শিক্ষিত মানুষ। আমার বাড়িতেই তিন চার জন ঐ পেশার মানুষ রয়েছেন। তাই বলে মক্কেলের জন্য এতটা মিথ্যে কথা।

    খবরটা তুলে না ধরে পারছিলাম না

     
  • চাফি 8:28 pm on September 17, 2013 Permalink | Reply
    Tags: আমেরিকা, বর্ণবৈষম্য,   

    আমেরিকা প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মিস আমেরিকাকে উগ্রপন্থী খেতাব দিল। নজরে পড়ল বলে খবরটা এখানে তুলে দিচ্ছি।

     
    • Smritilekha Chakraborty 3:40 am on September 25, 2013 Permalink | Reply

      বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ থাকতেই পারে; তবে নীনা যে সুন্দরী-শ্রেষ্ঠা’র শিরোপা জিতলেন, সে কেবল দেশটি’র নাম আমেরিকা বলেই। ভারতবর্ষে কালো মেয়ে-কে সুন্দরী ভাবা তো দূর অস্ত, ‘বিয়ের যুগ্যি’ বলে ভাবতেই বিস্তর বেগ পেতে হয়!

      • ক্যাপাচিনো 2:01 pm on October 4, 2013 Permalink | Reply

        কথাটা খুব একটা ভুল বলেন নি :sorry

  • চাফি 9:57 am on September 13, 2013 Permalink | Reply  

    এইমাত্র খবর পেলাম দিল্লী রেপকেসে চারজন আসামীকেই প্রাণদন্ড দিল কোর্ট। অনেক খারাপ খবরের মধ্যেও এটি নিঃসন্দেহে দৃষ্টান্তমূলক।

     
    • ক্যাফে লাতে 3:16 am on September 14, 2013 Permalink | Reply

      দাঁড়াও, এটা তো সবে প্রথম ধাপ। এরপরে হাই কোর্ট, তারপরে সুপ্রিম কোর্ট, শেষ অবধি কি হয় দেক। আর ওই নাবালকটিকে নিয়ে তো আমি বেশি চিন্তিত

  • চাফি 6:46 pm on July 19, 2013 Permalink | Reply  

    আরও একটি অনবদ্য ভিডিও শেয়ার না করে পারছি না।

     
    • ক্যাফে লাতে 6:52 am on July 23, 2013 Permalink | Reply

      এই ভিডিওটা শেয়ার করার জন্য চাফিকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম একটা ঘটনা আমাদের দেশেই ঘটেছে, ভেবেও ভাল লাগছে। শ্রী অরুণাচলম মুরুগানান্থম সত্যিই একজন পুরুষ 🙂

      একজন মেয়ে হিসাবে আমি বুঝতে পারি, তিনি নিঃশব্দে কি সাঙ্ঘাতিক এক দ্বিতীয় শ্বেত বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছেন।

      ওঁর একটা কথা আমার দারুণ লেগেছে – টাকার পেছনে ছোটা বন্ধ কর। এটা এখন আউট অফ ফ্যাশন 🙂

      দেখে এবং শুনে ভাল লাগল। অন্ততঃ আরো একজন মানুষ আমার মত ভেবেছেন, এবং একজন সফল মানুষ হয়েছেন। আমি কবে হতে পারি দেখি।

      • চাফি 4:11 am on July 25, 2013 Permalink | Reply

        আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমিও খুশি হলাম। ভদ্রলোকের প্রেসেন্টেশন এবং ধ্যান ধারনা জেনে আমি ওনার ফ্যান হয়ে পড়েছি।

  • চাফি 6:24 pm on July 19, 2013 Permalink | Reply
    Tags:   

    নিজের দেশের কত খবর রাখি না।

    ব্রাউজ করতে করতে একটী ভিডিওতে চোখ আটকে গেল – গুজরাটের এমন একটি গ্রাম, যেখানে মেয়েদের বিয়ে হয় না, পরিবারের পুরুষরাই তাদের দেহব্যবসায় প্রবৃত্ত করে। তাদের নিয়ে ও এই ধরনের আরও অনেক ছিন্নমূল মানুষের কাহিনী নিয়ে এই ভিডিও। আপনারাও দেখুন

     
  • চাফি 1:13 pm on July 8, 2013 Permalink | Reply  

    ৪ ঠা জুলাই 

    “সবাইকে ৪ঠা জুলাইয়ের শুভেচ্ছা। সেই ৪ঠা জুলাই যা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং অভিনবত্ত অর্জনকারী দেশের জন্মদিন। প্রতিটি সংবিধানে সাধারনতঃ সাম্য, মর্যাদা এবং সকলের সমান সুবিধার মত গুরুত্তপূর্ণ বিষয়গুলি কেবল নিয়মের বেড়াজালেই আটকে থাকে – আমেরিকা এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে সংবিধান অনুসরণ করতে বাধ্য করা হয় এবং কেবলমাত্র নিয়মাবলী হিসেবে ফেলে রাখা হয় না। তাই এই দিনে আমাদের রাষ্ট্রপিতাদের – জন অ্যাডামস, বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, আলেক্সাণ্ডার হ্যামিলটন, জন জে, থমাস জেফারসন, জেমস ম্যাডিসন এবং জর্জ ওয়াশিংটন – সম্মান জানান একান্ত জরুরি।”

    ভাববেন না এগুলো আমার কথা – আমি তো কেবল অনুবাদ করেছি মাত্র। আদপে লিখেছেন একজন মার্কিন ভদ্রলোক, ৪ঠা জুলাইয়ের আবেগে ভেসে গিয়ে। তবে কিনা শুনেছি কয়েক বছর আগে তিনি বাঙালি ছিলেন। আমার সাথে বাংলায় কথাও বলেছেন। এখন মনে হয় ভুলে গেছেন। আমেরিকার নাগরিকত্ত নেওয়ার সময় অনেক কিছু ভুলতে হয় মনে হয়। যে দেশ এঁকে শিখিয়ে পড়িয়ে এই পর্যায়ে নিয়ে গেল (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন এবং তারপর খড়গপুর), যে উনি সাহেবি সুরে ইংরেজি বলতে শুরু করলেন, সেই কৃতজ্ঞতার কথা মনে করে একটুও গলা ভিজল না? গায়ের রং কি ঠান্ডার দেশে থেকে একটু বেশি ফরসা হয়ে গেল? নাগরিকত্তের শপথ গ্রহনের পরেই কি ৪ঠা জুলাইয়ের সকালটা অন্যরকম হল? কে জানে। জয় আমেরিকা। আমরা তোমাকে সিনেমার পর্দায় ভালোবাসি, তোমার পরিষ্কার ছবির মত রাস্তাঘাট ভালোবাসি, ভালোবাসি ডলারের ভার। শালা একটা নোংরা, পচা, দুনম্বরি (সরি, তিন-নম্বরি) দেশে জন্ম হয়েছিল বলে লজ্জা হয়। আমি এখন এক অন্য পৃথিবীতে থাকি।

     
    • ভাঁড়ের চা 3:12 pm on July 8, 2013 Permalink | Reply

      আজকেই ভাবছিলাম বাঙ্গালীদের ইংরেজী প্রীতি নিয়ে একটা পোষ্ট দেব! আগেই এসে গেল। তাহলেও দেব। ক’দিন পর। সত্যজিৎ রায়ের একটা লেখা মনে পড়ছে,তবে হুবহু বলতে পারছি না, দেখে বলব। লেখাটা এরকম– ভুলতে চাইলে বাংলা তিন মাসেই ভোলা যায় ইত্যাদি। এমন সময়ে খড়্গপুর, নরেন্দ্রপুরের কথা মনে পড়ে নাকি !

      • চাফি 10:20 am on July 9, 2013 Permalink | Reply

        আপনি কি সোনার কেল্লার কথা বলছেন? আমার তো কামু মুখার্জির সেই ডায়লগ মনে পড়ে গেল।

    • ভাঁড়ের চা 3:22 pm on July 9, 2013 Permalink | Reply

      বোধ হয় সেটাই। তাহলেও একবার নিশ্চিত হতে চাই। রসদ মজুদই আছে। তাহলেও একটু দেরী হবে, পড়তে হবে।

    • ক্যাফে লাতে 7:40 am on July 11, 2013 Permalink | Reply

      হেহেহেহে…আমার ভাই একবার বলেছিল, ওদের এক বন্ধুর কথা। সেই বন্ধুটি জনৈক সহপাঠীর সপর্কে বলেছিল –
      পতা হ্যায় ইসকা লাইফ কা এইম ক্যা হ্যায়?
      —-ম্যায় বড়া হোকে ফরেনার বননা চাহতা হুঁ !!!! :ngakak

      • চাফি 8:36 am on July 11, 2013 Permalink | Reply

        বাহ – এই তো চাই। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দেশ। ডলার। তারপর আর কি সে দেশের মাঠি কামড়ে পড়ে থাকা। এই ভিসা নিয়ে পাবলিক যে কত রকমের দুনম্বরি করে যে ভাবলেও মাথা হেঁট হয়ে যায়।

    • ক্যাফে লাতে 7:44 am on July 11, 2013 Permalink | Reply

      এই বিষয়ে আমার এক আত্মীয়ার কথাও মনে পড়ে গেল। তিনি যেকোন জিনিষের বিষয়ে আলোচনা করতে গেলেই বলেন- ‘আমেরিকাতে এটা এইরকম পাওয়া যায়, ওটা বেশি ভাল, সেটা বেশি সুন্দর। তাঁর আমেরিকা প্রীতির জন্য আরেক আত্মীয় তাঁর সম্পর্কে বলেছেন- ওর দেহটা ভারতে, মনটা আমেরিকায়। 🙂

      তা কিছুদিন আগে, কিছু রান্না বান্না নিয়ে আলোচনার সময়ে এক রান্নার বিশেষ এর উপাদানের কথা শুনে তিনি আমাকে বললেন- কোথা থেকে পেলি? এটা তো আমেরিকা ছাড়া পাওয়া যায় না। আমি বললাম, কে বলেছেন যায়না? আমি নিউ মার্কেট থেকে কিনেছি। কোন বিদেশী ব্র্যান্ড ও নয়। লোকাল প্রোডাক্ট। তাতে তিনি যারপরনাই অবাক হয়েছেন

      • চাফি 8:37 am on July 11, 2013 Permalink | Reply

        সেটা আসলে কি প্রোডাক্ট ছিল?

        • ক্যাফে লাতে 6:42 pm on July 11, 2013 Permalink | Reply

          রসুনের গুঁড়ো 🙂

  • চাফি 8:12 pm on June 14, 2013 Permalink | Reply
    Tags: এইডস, ,   

    অসহায়তা, মনোবিকার নাকি নিছক প্রতিশোধ 

    অনেকদিন থেকেই এই ধরনের কথা শুনে আসছি। এইডস এর রুগিরা নাকি চায় যেনতেন প্রকারে তাদের অসুখ চারদিকে ছড়িয়ে দিতে। ভারতের অনেক উন্নত শহরেই দেখা গেছে যে সিনেমা হলে এইডস রোগাক্রান্ত মানুষ নাকি নিজের রক্ত সিরিঞ্জে মাখিয়ে রেখে আসতেন সিটের মধ্যে বিঁধিয়ে। আপনি বসতে ফিয়ে একটা ছোট্ট খোঁচা অনুভব করলেন – ব্যস। এইচ আই ভি চলে এল আপনার রক্তে। অবশ্য এই ব্যাপারটা যে শুধু সিনেমাহলে তা নয় – ভিড় রাস্তায়ও হয়েছে। এইমাত্র একটি খবর পড়লাম যে আসামে এইরকম একজন এইডস রোগক্রান্ত ব্যক্তি নাকি রক্তদান করেছেন এবং সেই রক্তের জেরে সাতজন এইডস এর কবলে পড়েছেন আরও সাতজন।
    পড়ে প্রথমেই মনে এল যে কথাটা – যে এ কি অসহায়তা না মনোবিকার না কি নিছক প্রতিশোধ। তারপরেই মনে হল, এই গোটা ব্যাপারটার মধ্যে কতটা তির্যক বিদ্রুপ লুকিয়ে আছে – এমন এক ব্যধি, যাকে কেবল বশ মানানো যায় তাকে ছড়িয়ে পড়তে না দিয়ে, সেখানে সব জানা সত্তেও মানুষ নিজেই সেই রোগ ছড়াচ্ছে, জেনে, বুঝে, পরিকল্পনা করে। কেন? কার দায়িত্তজ্ঞানহীনতায় হাসপাতাল থেকে রোগটা ছড়িয়ে পড়ল তা জানি না, বা সেই দিকে ইঙ্গিত করতে চাইছি না, আমার ধারনা ছিল কারও রক্ত নেওয়ার আগে যথারীতি পরীক্ষা করেই নেয় ব্লাডব্যাঙ্ক। সেক্ষেত্রে বড় রকমের গাফিলতি হয়েছে – যা এক্ষেত্রে প্রায় অমার্জনীয়। তবু সে প্রসঙ্গে এই মুহুর্তে যাচ্ছি না।
    অনেক প্রশ্ন মনের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়। যদি আমি জানতে পারি পৃথিবী থেকে আমার চলে যাওয়া প্রায় নির্ধারিত, তাহলে জীবনের বাকি দিনগুলো কি দুনিয়াটাকে আরও সুন্দর করে তুলতে চাইব না? জানি না এই কথাটা বলা যতটা সহজ, কাজে কর্মে করে দেখানো বোধহয় ততটা নয়।

     
    • ক্যাফে লাতে 5:38 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

      ঘটনাটা সত্যি? তাহলে বলতে হবে রক্ত সংরহকারী সংস্থা চূড়ান্ত ভাবে গাফিলতি করেছে।
      আমার চলে যাওয়া নিশ্চিত জেনেও দুনিয়াটাকে সুন্দর রেখে যেতে চাই – এইটা প্রথম ভাবনা হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু দেখতে হবে, সেই মানুষটা কি দুনিয়ার কাছ থেকে স্বাভাবিক ব্যবহার পেয়ে এসেছে? খুব সম্ভবতঃ নয়। একঘরে হয়ে, লোকের দূরছাই সহ্য করে নিশ্চয় বেঁচে থাকতে হয় তাকে।হয়ত বাড়ির লোক, ভালবাসার মানুষেরা সবাই পরিত্যাগ করেছে তাকে। হয়ত চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছে। সামাজিকভাবে ব্রাত্য হয়েছে। আর এই সমস্ত কিছুই তাকে জীবনের প্রতি বিমুখ করে তুলেছে। প্রতিহিংসাপরায়ণ করে তুলেছে। সে ভেবেছে, আমাকে যেরকম কষ্ট দিলে, তোমরাও এইবার সেইরকম কষ্ট ভোগ কর…

      • এসপ্রেসো 11:28 am on June 15, 2013 Permalink | Reply

        আমিও একমত ক্যাফে লাতে ।

      • ক্যাপাচিনো 7:28 pm on June 15, 2013 Permalink | Reply

        হুম, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে ব্লাড ব্যাঙ্কের পদ্ধতিতে এত বড় রকমের ফাঁক ফোকর থেকে গেল কি করে?

    • চা পাতা 6:09 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

      আমার তো মনে হয় এগুলি সব গুজব।

  • চাফি 1:34 pm on May 31, 2013 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    এবং ঋতুপর্ণ চলে গেলেন 

    কফিহাউজে ওনাকে নিয়ে দুটো পোস্ট ইতিমধ্যে পড়ে গেছে। আর একটা দেওয়ার কারন এটাই যে একটা ছোট্ট ঘটনা বলতেই হয়। কদিন ধরে দেখছি ফেসবুক শোক সংবাদে ভেসে যাচ্ছে।

    এর মধ্যে এরকম অনেকেই আছেন – যাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয়ও রয়েছে – যাঁরা একসময় ঋতুপর্ণকে সামনাসামনি একটা উপহাসের পাত্র হিসেবে তুলে ধরেছেন গল্প, আড্ডা ও লেখায়। অথচ সেইরকম অনেকেই এখন যেন দুঃখে ভেসে যাচ্ছেন, মেনে নিতে পারছেন না বাংলা সিনেমার এত বড় ক্ষতির কথা। মনে পড়তে খারাপ লাগছে মীরের তুলে ধরা সস্তা নাটুকে মুহুর্তগুলোই তাঁরা খুব রসিয়ে রসিয়ে বলেছেন, তুলে ধরেছেন একাধিকবার। একজন সামান্য ভাঁড় হয়েছেন আমাদের রসদ, অথচ যিনি প্রকৃত মুক্তমণা পরিচালক, যিনি যৌনতার রাখঢাক ব্যাপারটা মুছে সত্যিটুকু সিনেমার পর্দায় এনে প্রশ্ন করেছেন আমাদের, তাঁকে করেছি ব্রাত্য।

    কেন জানি না এটা বড় বেশি ভড়ং বলে মনে হচ্ছে। আর কিছু হোক না হোক, এই একটা জায়গায় তো বাঙালি কম যায় না। আফশোস এটাই যে এরকম একজন প্রতিভার প্রকৃত মূল্যায়ন করার মত মানসিকতা আর যাই হোক আম আদমীর নেই। বিশ বছর ধরে সিনেমা বানিয়ে যে উপহার উনি আমাদের দিয়ে গেছেন, তা বুঝতে দর্শক হিসেবে আমরা অনেক অনেক পিছিয়ে।

    সেলাম ঋতুপর্ণ।

     
  • চাফি 3:58 pm on May 25, 2013 Permalink | Reply
    Tags: নজরুল   

    একটি আদর্শের জন্ম 

    আজকের দিনটা শেষ হতে আরও অল্পক্ষন বাকী আছে, কাজেই পোস্টটা এখনও দেওয়াই যায়।

    কদিন আগে ফেসবুকে এদিক ওদিক করছি – দেখি একটি বাংলা পেজ। বিভিন্ন জোকস ও কার্টুন। ভাবলাম দেখি। দেখতে দেখতে অবাক হলাম সহজ সাধারন হাস্যরসাত্তক পোস্টের মধ্যে আছে একাধিক পোস্ট যেখানে ভারতীয়দের প্রতি ঘৃণা উগরে দেওয়ার জন্য রয়েছে বেশ কিছু ছবি, যেগুলো ভারতীয় হিসেবে মেনে নেওয়া অত্যন্ত অবমাননাজনক। যাই হোক, বিতর্ক উস্কে দেওয়ার জন্য সেকথা বলছি না। আমি বেশ কিছু ভারতীয় পেজও দেখেছি যেখানে পাকিস্থানকে নির্বিচারে গালি দেওয়া হয়। সেখানেও সঙ্গে থাকে ফটোশপ করা কিছু পোস্ট। পাকিস্থানেরও এরকম পেজ থাকা অস্বাভাবিক নয়। প্রশ্ন সেটা নয়। টেকনোলজির হাত ধরে দিনের পর দিন এগিয়ে চলেছি – অথচ অনর্থক কিছু অভিমান আঁকড়ে ধরে থাকব, এই মানসিকতার থেকে বেরোতে পারিনা আমরা কেউই। এমনকি ইন্টারনেরটের মত এই চমৎকার প্লাটফর্ম, যেখানে কিনা দেশের বেড়াজাল মুছে গেছে – সেখানেও বের করে আনছি নিজেদের ভেতরে লুকিয়ে থাকা তীব্র সাম্প্রদায়িক গরল। এই উপমহাদেশ কি সেই সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে, মৌলবাদ ঝেড়ে ফেলে একটি সুস্থ সমাজ উপহার দিতে পারে না – যাতে উন্নতি হয় সাধারন মানুষেরই? এই ঘৃণার বীজ কার জন্য?

    একটি জাতি – ধরে নিচ্ছি জিনগত ইতিহাস মেনে নিয়ে এই উপমহাদেশের মানুষ নিজেদের ভাই ভাবতে পারেন – কি বেঁচে থাকার জন্য ঘৃণাকে আশ্রয় করবে না যুক্তিনির্ভর বিজ্ঞানকে সেটা নির্ধারন করতে হবে তাদেরকেই। আজকে ২৫ শে মে – কবি কাজী নজরুলের জন্মদিন। তাঁর স্মৃতিতে হয়তো অনেক উৎসব হচ্ছে, পালিত হচ্ছে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান। কিন্তু তার আগে যে কবির দিয়ে যাওয়া আদর্শের পালন অনেক জরুরী – সেটা কি আমরা মনে করি না? সাহিত্যকীর্তির দিক থেকে অমরতা লাভ করার আগেও, যে সাম্যের বীজ বপন করে গেছে তাঁর আদর্শ, আমার তো মনে হয় সেই আদর্শের জন্মলগ্নই আমাদের পালন করা উচিত, শুধু নামে নয় – কাজেও।
    কফিহাউজ একটি মুক্ত প্লাটফর্ম মনে করে সাহস নিয়ে এই পোস্ট দিলাম।

     
    • ক্যাপাচিনো 10:13 am on May 26, 2013 Permalink | Reply

      এই জিনিসটা আমিও খেয়াল করেছি।

    • এসপ্রেসো 11:35 pm on May 27, 2013 Permalink | Reply

      অতি আনুষ্ঠানিকতায় আদর্শ ধামাচাপা পড়ে যায় ।

    • চা পাতা 5:53 am on June 19, 2013 Permalink | Reply

      বাংলু-দের এই অনর্থক ভারত বিরোধিতা দিন দিন বাড়বে বই কমবে না। আমাদের ওরা ফেলতেও পারবে না, মুছতেও পারবে না।

  • চাফি 7:54 pm on April 25, 2013 Permalink | Reply
    Tags: , ,   

    এক মাসের বিয়ে 

    এই খবরটা কারও নজরে এসেছে কিনা জানি না। আমির খানের ‘সত্যমেব জয়তে’র প্রথম পর্বটা যদি কেউ দেখে থাকেন তাহলে হয়তো মনে আছে সেখানে বলা হয়েছিল বেশ কিছু রাজস্থান বা হরিয়ানার গ্রাম্য পরিবারে বিয়ে কেনা হচ্ছে – অর্থাৎ দেশের একেবারে অন্য প্রান্তের গরীব ঘরের মেয়েকে টাকা দিয়ে একরকম কিনা আনা হচ্ছে স্থানীয় সমাজে পাত্রীর অভাবে, যেখানে শুধু একজন নয় পরিবারের অন্যান্য পুরুষও সেই বধূটির কাছে তাদের লালসা চরিতার্থ করছে।
    নতুন ঘটনাটি ঘটছে হায়দ্রাবাদে – কিছু মুসলিম পরিবারে। সেখানে মেয়েদের এক মাসের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রবাসী বা বিদেশি পুরুষদের সাথে। কাজীর সঙ্গে যোগসাজসে প্রথমেই তৈরী করে নেওয়া হচ্ছে এক মাস পরের তালাকনামা। এরকম একটি ঘটনায় একজন কিশোরী পালিয়ে আসায় ঘটনা পুলিশের নজরে আসে এবং জানা যায় যে এই ঘটনা শুধু একবার নয় – অনেক ক্ষেত্রেই ঘটছে। এই মেয়েটির সাথে এক মাসের বিয়ে করতে চায় সুদানের এক তেল কোম্পানির লোক – যার জন্য সে দালালকে দেয় প্রায় ১২০০ পাউন্ড অর্থাৎ প্রায় লাখখানেক টাকা। তা কম কি – সব খুইয়ে যখন পুরুষ জাত মেয়ের সম্মানের সব রকম দরদাম ঠিক করে ফেলেছে, তখন এটাই বা কম কি?
    এই পোস্টে অল্প কটা লাইন লিখতে আমার লজ্জা হচ্ছে, কিন্তু যারা এই কান্ড ভরদুপুরে করে যাচ্ছে, তাদের কিছুই হচ্ছে না। মনে হচ্ছে ভারতীয়দের মধ্যে বোধহয় একটা বড়সড় জিনগত পরিবর্তন আসছে – কানটা কাটা গেছে কোন কালে, সেরকমই থেকে যাচ্ছে, আর জুড়ছে না। বিবেক শব্দটা তো অনেককাল আগেই ডিকশনারি থেকে উঠে গেছে বোধহয়।


    খবরটি যে আমার বানান নয় – তার প্রমাণ স্বরূপ দুটো লিঙ্ক নিচে দিলাম।
    টেলিগ্রাফ (UK)
    ফক্স নিউজ


     
    • ক্যাফে লাতে 2:47 am on April 26, 2013 Permalink | Reply

      না না, এই খবরটা একদমই বানানো নয়। দক্ষিণের দরিদ্র মুসলমান পরিবারের মেয়েদের এক থেকে তিন মাসের জন্য বিয়ে করে মধ্য প্রাচ্যের ধনী পুরুষেরা। সময় শেষ হলে, তালাক, এবং দালালের হাতে যায় মোটা টাকা। মেয়েটি পায় সামান্য কিছু টাকাই। এটাকে গোছানো ভাষায় বলা হয় ‘সেক্স ট্যুরিজম’ নিজের বউকে বাড়িতে বোরখার আড়ালে বন্দী করে রেখে আসব। নিজে ভারতে বেড়াতে আসব, আর একটা নতুন মেয়েকে নিয়ে মজা লুটে যাব। হিসেবটা খুব সোজা।
      কিছুদিন আগে দুটো খবর দেখেছিলাম যা চমকে দিয়েছিল। এক, সিরিয়াতে এখন খুব অশান্তি চলছে। তার মধ্যে সেখানকার ক্ষমতায় থাকা সুন্নী গোষ্ঠি ঘোষণা করেছে, সুন্নী নয়, এমন সমস্ত মহিলাদের যথা ইচ্ছা ধর্ষণ করা যেতে পারে ! লিঙ্ক এইখানেঃ
      http://www.humanevents.com/2013/04/02/islamic-cleric-rape-of-non-muslim-syrian-women-permitted/

      ওদিকে মালডাইভ্‌স্‌ এ এক পনেরো বছরের মেয়েকে জনগনের সামনে ১০০ বার চাবুক মারার নির্দেশ দিয়েছে সেখানকার সরকার। মেয়েটির দোষ? সে একজন ধর্ষিতা। তার বিরুদ্ধে অপরাধ হয়েছে, কিন্তু তাকেই পেতে হবে শাস্তি। লিঙ্ক এইখানেঃ
      http://www.avaaz.org/en/maldives_global/?fOONobb&pv=59

      • চাফি 7:46 am on April 26, 2013 Permalink | Reply

        আচ্ছা, তাহলে তোমারও চোখে পড়েছে খবরটা। হিসেবটা তো খুব সোজা বটেই – যেমন নিয়ম, তেমনি নিয়মের ফাঁক ফোকর।

        কিন্তু পরের খবর দুটো আরও ভয়াবহ। আমি আগে শুনিনি। মানুষের শুভবুদ্ধি কোন তলানিতে গিয় ঠেকেছে সেটা তো ভেবে দেখার মত বিষয়।

    • ক্যাফে লাতে 3:03 am on April 26, 2013 Permalink | Reply

      আর উত্তর ভারতের গল্পটা অন্য।
      সেখানে বেশিরভাগ গ্রামগুলিতে কন্যা ভ্রুণ হত্যা করা হয়ে থাকে, কারণ মেয়ে মানেই বিয়ে দিতে হবে, প্রচুর পণ দিতে হবে, ইত্যাদি। এই করতে করতে এক- একটা গ্রাম হয়েছে শুধু পুরুষে পূর্ণ, কোন বিবাহযোগ্য মেয়েই নেই। সেই গ্রামে ত নেই-ই, আশেপাশের গ্রামেও নেই। অগত্যা, এই ব্যবস্থা। এটা অবশ্য আমিও প্রথম জেনেছিলাম ‘সত্যমেব জয়তে’ থেকেই। এই সব মেয়েরা বেশিরভাগই অন্ধ্রপ্রদেশের খরা বিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে আসে। আর এরা বেশিরভাগই দলিত।
      অত্যন্ত হাস্যকর এবং একই সাথে দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, উত্তরের ‘উচ্চবংশীয়’ ঠাকুর বা অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ, যারা সর্বক্ষণ জাতপাতের বিচার করে নিজেদের আশেপাশের মানুষগুলিকে তটস্থ করে রেখেছে, তাদের নিজেদের বংশ বিস্তার এবং শারিরীক ক্ষিদে মেটানোর জন্য তারা সেই ‘দলিত’ মেয়েদেরই নিয়ে আসছে।

      এক দিন থেকে ভালই। এই করতে করতে আর আলাদা রক্তের গর্ব করার মত তাদের কিছু থাকবে না। জাত পাত সমস্যাও সূদুর ভবিষ্যতে মিটবে কি? এই ব্যবস্থার ফল স্বরূপ?
      ঠিক কি হবে সত্যিই জানিনা। কিন্তু এইসব খবর পড়লে মাঝে মাঝেই মনে হয়, পৃথিবীটা মনে হয় সত্যিই ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে।

      • চাফি 7:25 am on April 26, 2013 Permalink | Reply

        কি করে সমস্যা মিটবে জানি না – বিয়ের পর যদি শ্বশুরবাড়িতে একটি মেয়ের অবস্থা কাজের লোকেরও অধম হয় – তাহলে পরবর্তীকালে কোন পারিবারিক সিদ্ধান্তে তার কোন মতামত আদৌ গৃহীত হয় কি? আমার তো মনে হয় এক্ষেত্রে অবস্থা আরো খারাপ হবে মেয়েদের জন্য।

    • ক্যাফে লাতে 4:31 am on April 27, 2013 Permalink | Reply

      তোমার কি ধারণা যে আমাদের দেশে মেয়েদেরকে পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশিদার করা বা ভাবা হয়? খুব কম ক্ষেত্রেই সেটা হয়। এবং সেটা যে সবসময়ে শহুরে, শিক্ষিত লোকেরা করে তা নয়। বেশিরভাগ তথাকথিত উদারমনা, শিক্ষিত লোক আসল সময়ে বাড়ির মহিলাদের বা স্ত্রীর বক্তব্য বা সিদ্ধান্তকে পাত্তা দেয় না। যে সব পুরুষরা দেয়, তাদের স্ত্রীরা হাতেগোনা ভাগ্যবতীদের মধ্যে পড়ে।

      মেয়ে যতই না কেন উচ্চশিক্ষিত হোক, লাখ টাকা রোজগার করুক, বাড়ি ফিরলে, ৯০% পুরুষ এবং শ্বশুর-শ্বাশুড়ির কাছে তার একমাত্র পরিচয়- সে ‘বাড়ির বৌ’ , যার প্রাথমিক দায়িত্ব হল মোটামুটি ভাবে বাড়ির ভেতরের , এবং পারলে, বাইরের ও সমস্ত কাজ করা, স্বামীকে শারিরীক সুখ দেওয়া এবং অবশ্যই সন্তানের জন্ম দেওয়া। আমার আশেপাশে এরকম ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে। ‘সংসার’ এ ঢুকলে তুমি এম-বি-এ না পি-এইচ-ডি, তাতে কিছুই এসে যায়না।

      পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই, এবং বিশেষতঃ ভারতবর্ষে ( এবং আমার ধারণা ভারতীয় উপমহাদেশের সব দেশগুলিতেই ) বিয়েটা একটা লোক দেখানো সামাজিক চুক্তি ছাড়া কিছুই নয়। Marriage is nothing but a social contract for sexual relationship between a man and a woman, verified and approved by the civil society, which supposedly helps in retaining the so called value system , propagated once again, by the same civil society.

      এই কারণেই আজকাল বহু অল্পবয়সী ছেলেমেয়ে একলা জীবন যাপন করার চেষ্টা করছে। এবং ভারতে সেই সংখ্যাটা হুহু করে বাড়ছে।আমি কিছুদিন আগে একটা খবরেও পড়েছি যে, আমেরিকাতে সিঙ্গল মাদার দের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, কারণ কাজ করে খাওয়া মহিলারা সন্তান পালন করতে অনিচ্ছুক নয়, কিন্তু এই বাজারে, সন্তানের বাবা এবং স্বামী হিসাবে খামোখা একটা লোককে পুষতে রাজি নয়, যে অনেক ক্ষেত্রেই বেকার। এটার সাথে অবশ্য সেখানকার অর্থবনৈতিক ব্যবস্থাও জড়িত, কিন্তু কেই বা আর অকারণে শুধুমাত্র ‘পবিত্র বিবাহ বন্ধন”- এর নামে মাঝরাতে বেকার মাতালের বমি পরিষ্কার করতে চায় বল?

      যদি সত্যি কথা বলি, তাহলে আমি মনে করি বিয়ে নামক এই অব্যবস্থাটা পুরোপুরিভাবে পৃথিবীর সমস্ত সমাজ থেকে মুছে ফেলা উচিত। পৃথিবীর প্রচুর সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ।

      • চাফি 5:09 am on April 27, 2013 Permalink | Reply

        আমি তোমার সাথে অরাজি নই – কিন্তু এই কথাগুলো আলোচনাটাকে অন্য দিকে নিয়ে যাবে। বিয়ে উচিত কি উচিত না আমি জানি না – তবে হ্যাঁ সমাজের এই রাখ ঢাক গুড় গুড় ব্যাপার গুলোর প্রতি আমার ঘোর আপত্তি। আর তাছাড়া এক্ষেত্রে দোষটা যে সব সময় পুরষদের তাও নয় – অনেক সময় মেয়েরাই মেয়েদের সমস্যার কারন। যাই হোক, সেটা আমার পোস্টের উদ্দেশ্য নয়। আমি যার বিপক্ষে তা হল মেয়েদের পক্ষে চূড়ান্ত রকমের অবমাননায় – যেমনটা এক্ষেত্রে ঘটছে। ঘটছে আরও অনেক ক্ষেত্রেই – যেমন তুমিও বলেছো। এই জায়গাগুলোয় আমার প্রতিবাদ – অবশ্য প্রতিবাদ করেই বা কি লাভ? এই প্রতিবাদ তো কারও কানেই পৌঁছবে না। যেটা পোস্টে লিখেছিলাম – আমাদের মধ্যেই দুটো পৃথিবী আছে।

c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel