Updates from ক্যাপাচিনো Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 12:11 am on May 19, 2014 Permalink | Reply  

    বিশ্ব ভ্রমণ 

    বাড়ি বসে দুনিয়া দেখার জন্য এর চেয়ে ভালো ভিডিও আর দেখেছি বলে মনে পড়ে না। আপনারাও দেখুন।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:29 pm on May 21, 2014 Permalink | Reply

      “অ্যারাউন্ড দি ওয়ার্ল্ড ইন এইট্টি ডেজ” ? খুব ভাল ভিডিও।

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 12:06 am on May 22, 2014 Permalink | Reply

        আশি দিনে কি? আমার মনে হয় ছোকরা অনেক দিন ঘুরেছে। ভুপর্যটক ভাবতেই আমার সেই মন্দার বোসের কথা মনে পড়ে যায় আবার। “নিজের দেশের জিনিস জানেন না – আবার আফ্রিকা”

    • Shafi islam 6:45 am on May 31, 2014 Permalink | Reply

      Thank you for sharing

  • ক্যাপাচিনো 10:18 pm on May 10, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    রয়েল বেঙ্গল টাইগার – রিভিউ 

    নতুন বাংলা সিনেমা দেখলাম – রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। আসলে পরপর কিছুদিন বাংলা সিনেমাই দেখছি। মানে ধুম / ক্রিশ এই জাতীয় কয়েকটা সিনেমা দেখার পর আর হিন্দি সিনেমার সামনে যেন বসা যাচ্ছে না। তাই ভাবলাম লারে লাপ্পা, ঝারে ঝাপ্পা সিনেমা যদি দেখতেই হয়, তাহলে বাংলাই দেখি বরং। বেচারারা সিনেমা গুলো তো করছে দেখার জন্যই। তবে মানতে বাধ্য হচ্ছি, প্রচন্ড বাজে কিছু লিরিক্স আর বেসামাল কিছু সংলাপের সঙ্গে মানিয়ে নিলে অসুবিধের জায়গা বড় একটা নেই। এই নিয়ে একটা পোস্ট আগেই দেব ভেবেছিলাম, কিছুটা কুঁড়েমি এবং কিছুটা সময়ে অভাবে আর দেওয়া হয়নি। আমার বন্ধুমহলে অনেক দক্ষিন ভারতীয় – তারা তো দিব্যি নিজেদের মশালা ফিল্ম তারিয়ে তারিয়ে দেখে – আর আমাদেরই বা দোষ কোথায়।

    যাইহোক, সিনেমার কথায় ফিরে আসি। বেশ টানটান ঝকঝকে সিনেমা, কোথাও ঝুল নেই। অভিনয়েও সেরকম ফাঁক ফোকর নেই। একজন গলাধাক্কা খাওয়া, ভীতু, লাজুক মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো নিয়ে গল্প। একজন মধ্যবিত্ত বাঙালি যুবক সমস্ত সমস্যা থেকে বাঁচতে তার এক বন্ধুর সাহাজ্য চায়। বন্ধুর কথায় লাভ হয়ও, এক এক করে সমস্যার জাল কাটতে থাকে। এরকম থিমে হয়তো একশো সিনেমা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে, কিন্তু এখানে যেটা নতুনত্ত, তা হল স্প্লিট পার্সোনালিটি বা মাল্টিপল সাইকোলকজি ডিসঅর্ডার। এক সময়ে তৈরি ফাইট ক্লাবের মত কাল্ট সিনেমার ছোঁয়া কিছুটা আছে বলতে হবে। হিন্দিতে লাগে রহো মুন্নাভাই বা কার্তিক কলিং কার্তিক হালফিলে তৈরি হলেও – বাংলায় কিন্তু এই বিষয় নিয়ে সিনেমা আগে হয়েছে বলে দেখিনি। শেষে দেখা যায় বন্ধুটি আদপেই কাল্পনিক চরিত্র। সমস্যাটা সেখানেই।

    আবীর অনেক সিনেমাতেই ভালো অভিনয় করেছেন, নতুন করে কিছু বলার নেই। কিন্তু জিতের মত স্টার বাঙালি নায়ক পার্শ্বচরিত্রে এত সুন্দর মানিয়ে যাবেন ভাবিনি। সিনেমাটি না দেখে থাকলে দেখতেই পারেন। যদিও আমি গল্প বলে দিলাম অনেকটাই, তবুও। আমারও তো ফাইট ক্লাব গুলে খাওয়া ছিল, তার ওপর মিশির আলির ভক্ত, তাও –

     
    • shadman 6:37 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      ধন্যবাদ আপনার রিভিউয়ের জন্য 🙂

    • yournewsbd 10:59 am on June 4, 2014 Permalink | Reply

      সব কিছু মিলিয়ে কলকাতা বাংলা সিনেমাগুলো খারাপ না। একটু একটু করে পরিবর্তন হচ্ছে।

  • ক্যাপাচিনো 7:59 pm on April 27, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    গায়ে মাখার মাখন 

    হ্যাঁ, শিরোনাম টা ঠিকই – কোন ভুল নেই ওতে। আজকে দোকান বাজার করতে করতে একটিতে গিন্নি সহযোগে ঢুকে পড়েছি। দোকানের নাম বডি শপ। বডি শপ? মানে তেল, সাবান, প্রসাধন ইত্যাদির দোকান। তা আমি কি আর করব, এদিক ওদিক করতে গিয়ে দেখি একটা তাকে লেখা আছে বডি বাটার। তার মধ্যে কোনটা আম,কোনটা স্ট্রবেরি ইত্যাদি সব লেবেল। তা আমি তো অবাক, ভাবলাম এ নিশ্চয় খাওয়ার জিনিস। মাখন যখন বলছে।
    সামনে সারি সারি কৌটো রাখা আছে। তার মধ্যে কয়েকটা কয়েকটাতে লেখা আছে ট্রাই করুন। আমি ভাবলাম বলছে খেয়ে দেখুন, খুলতে দেখি ম ম করছে আমের গন্ধ। খেয়েই ফেলছিলাম আরেকটু হলে, তখন ওপরে এক জায়গায় দেখলাম পোস্টার সহ লেখা রয়েছে, আফ্রিকায় নাকি এই বডি বাটারের প্রচলন। বাদামের নির্যাস থেকে তৈরি হয় এই ক্রিম। অনেকে নাকি প্রাকৃত্রিক প্রসাধন হিসেবে ব্যবহার করেন। সেই জন্য ইউরোপে নাকি শুরু হয়েছে এই ধরনের রপ্তানি। আর যে অঞ্চল থেকে এই ক্রিম রপ্তানি হয়, সেখানে নাকি দশটি নতুন স্কুল খোলা হয়েছে এই মাখনের টাকায়, তারপরে তিনটি মেডিকাল সেন্টার। ভালো লাগল দেখে।

    ভাবলাম এক কৌটো কিনি, তারপর মনে হল এত সুন্দর গন্ধ, ভুল করে খেয়ে ফেলাটা আমার মত পেটুক লোকের পক্ষে অসম্ভব কিছু না।

     
    • স্মৃতিলেখা চক্রবর্ত্তী 5:08 pm on May 5, 2014 Permalink | Reply

      The Body Shop তো মুম্বাইতেও আছে।

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:13 am on May 11, 2014 Permalink | Reply

        হুম তা তো থাকতেই পারে, তবে কিনা এই মাখনের ব্যাপারটা আমি জানতাম না।

    • Jobayer Hasan 3:37 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      হাহা!! ভালো ছিল।

  • ক্যাপাচিনো 9:37 am on April 21, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    আড্ডা গেল কই 

    মহা সমস্যাতেই পড়েছি। আড্ডা দেওয়ার মত বিষয় কিছুই খুঁজে পাচ্ছি না। দেশের বাইরে থাকলে এই একটা সমস্যা। ঝগড়াঝাঁটি নেই, কথা কাটাকাটি নেই, তর্ক বিতর্ক নেই, জমাটি খাওয়া নেই – দেশের খবরও সেরকমভাবে পাই না যে সে নিয়ে কিছু বলব। কদিন আগে একটি ভিডিও দেখেছিলাম এই প্রসঙ্গে – যদি সত্যিই সরকার বদলে যায় তাহলে কত শিল্পী (কার্টুনিস্ট ইত্যাদি), লেখক, সমালোচক আর লেখার উপাদান খুঁজে পাবেন না। আমারও মনে হচ্ছে একই অবস্থা। কফিহাউজের আড্ডায় এই যে অনেক দিন কিছু লিখিনি তা হল বিষয়ের অভাব।

    এই প্রসঙ্গে বলি একটা খবর সম্প্রতি আমার নজরে এল। ফেসবুকে নাকি নানা ধরনের রদবদল হচ্ছে – (যার কিছুটা তো চোখেই দেখছি) ফলে যে হারে লাইক পাওয়া যেত আগে, এখন নাকি তা কমতে থাকবে। যারা ফেসবুককে টাকাপয়সা দেবেন, তারাই সেভাবে তাদের ভক্তদের কাছে পৌঁছতে পারবেন। আমার মনে হয় এই মতলব ওদের বরাবরই ছিল – যারা এতদিন বোঝেন নি তারা ভুল করেছেন, ফেসবুকের সঙ্গে নেশার মত জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ফেসবুক থেকে জনগন বীতশ্রদ্ধ হলে বাংলা ব্লগের বাজার কি সরগরম হবে? কি জানি বাবা।

    আরও একটা কথা মাথায় এল – আজকাল কি আমাদের বাংলা ভাষার ধারক ও বাহক – আনন্দ গ্রুপ কিঞ্চিৎ কনফিডেন্সের অভাবে হীনমন্যতায় ভুগছে? নোটিফিকেশন দেখে মনে হচ্ছে রসাল খবর ছাড়া আর কোন রসদ নেই আজকাল। বড় বড় বাবুদের যদি লেখার বিষয় না থাকে, তবে আমি যদি কিছু খুঁজে না পাই লেখার বিষয় হিসেবে, তাহলে আর দোষ কোথায়। আমি তো নিতান্তই আদা ব্যাপারি।

     
    • ভাঁড়ের চা 12:40 pm on April 22, 2014 Permalink | Reply

      দ্বিতীয় প্যারাগ্রাফটা আশাব্যঞ্জক। ফেসবুকে যদি প্রবেশাধিকারের কড়াকড়ি হয় তাহলে, কফিহাউসটা বেঁচেও যেতে পারে। না হলে ত দেখছি গতিক মোটেই সুবিধার নয় ! আর কোন সভ্য আমদানী করা যায় কি, যাতে আড্ডাখানার স্বাস্থ্য ভাল হয় ? নাকি, তাতে গাজন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে !

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:49 pm on April 22, 2014 Permalink | Reply

        আমার তো ভয় হয় গাজন নষ্টই হবে। এর আগেও তো কয়েকবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সকলেই ঐ এক দুবারের পর কেমন যেন হারিয়ে যায়। বাংলা ব্লগ এখনও সেই শৈশবেই রয়ে গেল। ফেসবুকের দুর্দিন এলে কি হয় অবশ্য বলা যায় না।

        • ভাঁড়ের চা 1:23 pm on April 23, 2014 Permalink | Reply

          কমিটেড সদস্য পাওয়া যায় কি ? তাহলে আমদানীর কথা চলতে পারে। না হলে অবশ্য গাজন নষ্ট হওয়ার আশংকাই থেকে যায়।

    • Mustafa Abier 4:30 pm on May 14, 2014 Permalink | Reply

      Interesting writing

    • Nabil Uddin 5:56 pm on May 15, 2014 Permalink | Reply

      Hmmm , thik eki problem face korechi 🙁

  • ক্যাপাচিনো 9:48 pm on April 6, 2014 Permalink | Reply  

    আমার অনেক দিনের পোস্ট জমা পড়ে আছে। তাই মাফ চেয়ে নিচ্ছি। অনেক দিন ধরে ইন্টারনেটের সংযোগে নেই। বিলেতে বাড়ি বদল করতে হল – সে অনেক ঝক্কি গেছে। আর দু-তিন দিনে বাড়িতে ইন্টারনেট পাব – আর আশা করছি নিয়মিত হয়ে উঠতে পারব।

     
    • ভাঁড়ের চা 12:43 pm on April 7, 2014 Permalink | Reply

      ভাবছিলাম “কারুর দেখা নাইরে, কারুর দেখা নাই” গাইব নাকি ! এখন একটু নিশ্চিন্ত লাগছে।

  • ক্যাপাচিনো 10:57 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    বিশ্বরূপম 

    আজকাল হলিউডি সিনেমা দেখে ভারতীয়দের একটা লাভ হয়েছে। হঠাত হঠাত করে সিনেমায় দুনিয়ার অন্যান্য দেশ ও তার কূটনীতি চলে আসছে। একটা নতুন সিনেমা দেখলাম – বিশ্বরূপম, সেই প্রসঙ্গে বলছি। এখানে নায়ক একজন র'(রিসার্চ ও অ্যানালিসিস উইং) এজেন্ট, যিনি কিনা আফগানিস্তানে বিরাট ভূমিকা নেন আমেরিকান আক্রমনের সময়, তারপর আমেরিকায় একটি পরমানু আক্রমনকে বিফল করেন।

    কমল হাসানের এই ছবিটা বলতে গেলে আমার ভালোই লেগেছে – বিশেষ করে ফ্ল্যাশব্যাকে আফগানিস্তানের দৃশ্য, চরিত্রায়ন বেশ জমাট। আর সবচেয়ে বড় কথা বিশ্বাসযোগ্যও। পরে আমেরিকার অংশে কিছু ভুলচুক আছে (নায়িকা কাকে বিয়ে করলেন গ্রিনকার্ডের জন্য, যাকে কিনা ঠিক করে চেনেনই না, বসের সাথে তাঁর পরকীয়া রোম্যান্স, ছদ্মবেশে র’ এজেন্ট কমল হাসানের মেয়েলি স্বভাবের পুরুষ হওয়া – এসব ঠিক জমেনি)। তবে হ্যাঁ গল্পের কয়েকটি জায়গা – যেমন কি করে একটি উন্নত দেশে পরমানু বোমা তৈরি হল, কি করে সবার নজর এড়ান গেল – আর সেখানে গাইগার কাউন্টারকে বোকা বানাতে পায়রার পায়ে রেডিও অ্যাকটিভ পদার্থ বেঁধে শহরের চারপাশে উড়িয়া দেওয়া – এই বিষয়গুলো বেশ অভিনব। ভিলেনের চরিত্রে রাহুল বোসের অভিনয় নজর কাড়ার মতই।

    কদিন আগে অনেকটা একই রকম সিনেমা দেখেছিলাম – এজেন্ট বিনোদ। সে যত না সিনেমা – সার্কাস তার চেয়ে বেশি। তবে ভারতীয় সিনেমায় এই সবে সবে নায়কেরা সর্বশক্তিমান আন্তর্জাতিক এজেন্ট হচ্ছেন কিনা, তা প্রথম প্রথম একটু ভুলচুক তো হবেই। কি বলেন আপনারা? কদিন বাদে আবার না দেব, জিৎ কে না দেখি। সেটা অবশ্য হজম করা মুশকিল হবে।

     
  • ক্যাপাচিনো 6:23 pm on February 24, 2014 Permalink | Reply  

    একজন পছন্দের মানুষ চলে গেলেন। মন ভালো নেই। পরিবারের কেউ নন, আত্মীয় বন্ধু বান্ধব ও না – ছিলেন আমাদের এক বর্ষীয়ান ড্রাইভার। আমার সাথে অনেক কথা হত। খুব ভালো লাগত কাকুকে। মুসলিম ছিলেন – সেরকম শিক্ষাদীক্ষা না থাকলেও অনেক বিষয়ে কথা বলতে – আর আমার বেশ ভালো লাগত। সুস্থ সবল সেই মানুষটা – যিনি পান খেতে খেতে আমাদের বাড়ি আসতেন একটা ছোট্ট সাইকেল চড়ে – তাঁকে আর কোনদিন দেখব না। কেন এত খারাপ লাগছে জানি না।

     
    • ভাঁড়ের চা 12:57 pm on February 25, 2014 Permalink | Reply

      ভদ্রলোক কে ? আমার জানাচেনা ? পাটুলি না অন্য কোন জায়গার ?

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:29 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply

        ওনার বাড়ি আসলে অযোধ্যায়। থাকতেন আমাদের বাড়ির কাছেই – শ্যামনগরে। বেলঘড়িয়ার দিকে একটি ফ্যাক্টরিতে চাকরি করতেন ক্রেন চালান’র। সেই কোম্পানি এক সময় বন্ধ হয়ে যায়। তখন আমাদের বাড়িতে কাজ করতেন গাড়ি চালান’র – আমি স্কুলে পড়তাম। আমাকে অনেক কথা বলতেন। আমি খুব ভক্ত ছিলাম মুনশি কাকুর। উনি তো পড়াশুনো বিশেষ জানতেন না। কি করে কথাগুলো চিন্তা করেছিলেন – এটা আমি এখনও ভাবি।

        মানুষটা খুব শক্তপোক্ত ছিলেন – পরে ফ্যাক্টরিটা চালু হয়ে যাওয়ায় আবার সেই কাজে ঢোকেন – অনেক পরিশ্রম করে ছেলেদের দাঁড় করিয়েছেন। সুস্থ সবল মানুষটা হঠাত করে চলে যাবেন ভাবতে পারছি না। ওনাকে নিয়ে আমি কিছু কিছু লেখা লিখেছি।

    • ক্যাফে লাতে 7:19 am on February 26, 2014 Permalink | Reply

      গত নভেম্বর মাস থেকে পাঁচটি মৃত্যুসংবাদ পেয়েছি। তার মধ্যে চারজন আত্মীয়, একজন অনাত্মীয়। আত্মীয়দের মধ্যে তিনটি মৃত্যুসংবাদের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম- যেকোনদিনই খবর আসতে পারে। একটির জন্য একবিন্দুও প্রস্তুত ছিলাম না। শেষ যে খবরটি পেয়েছি দিন দশেক আগে, তিনি অনাত্মীয়। কিন্তু তাঁকে যেন খুব বেশি করে চিনতাম। কোনদিনও মুখোমুখি হইনি, কথা বলিনি ছবি দেখালে চিনতে পারব না। তিনি আমার ভাইয়ের প্রিয় শিক্ষকের শিক্ষক। তাঁর নাম ডঃ সোমনাথ জুৎশি। দেশের সমাজ-সংস্কৃতি-সাহিত্য-সিনেমা নিয়ে পড়াশোনা করা বিশিষ্ট চিন্তাবিদদের মধ্যে একজন ছিলেন তিনি। তাঁর বাড়িতে নাকি ১৪,০০০ বই আছে। এবং সম্ভবতঃ ততগুলিই ফিল্মের সিডি-ডিভিডি। কঠিণ দর্শন থেকে পাল্প ফিকশন- সব বই পড়তেন তিনি। আমার ভাই মাঝে মাঝেই যেত পড়াশোনা নিয়ে আলোচনা করতে। আমি এক-দুইবার খাবার রান্না করে পাঠিয়েছি। শুনেছি, খুব তৃপ্তি করে খেয়েছিলেন। ভাইকে বলেছিলেন, এর পরে একদিন আমাদের বাড়ি আসবেন আবার খেতে। কিছুদিন আগে শুনলাম, উনি নাকি অমিশ প্যাটেলের “শিভা ট্রিলজি” পড়ছেন। তখন বললাম, তাহলে এবার একদিন সাহস করে দেখা করতে যাব- এই ট্রিলজি আমিও পড়েছি, উনি কি বলেন শুনে আসা যাক। তারপরে যা হয়…আজ যাব, কাল যাচ্ছি, পরশু অনেক কাজ…করতে করতে যাওয়া আর হয়ে ওঠেনি। তারপরে এক বৃষ্টিঝরা রবিবারে সকালে খবর পেলাম, আগের দিন রাতে, কোন এক সময়ে, একা একাই সবকিছু ছেড়ে অমৃতলোকের পথে পাড়ি দিয়েছেন তিনি। ঠিক যেমন ভাবে দুই মাস আগে আমার বড়মামা একদিন বিকেলে একা একা চলে গেছিলেন কাউকে না জানিয়ে।

      তোমার খারাপ লাগাটা ঠিক কেমন, সেটা আমি জানি।

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 10:35 pm on March 2, 2014 Permalink | Reply

        আমার মন খারাপের কারনটা হচ্ছে এটাই যে হঠাতই শুনলাম মানুষটাকে আর দেখতে পাব না – ছোটবেলায় কারও প্রতি একটা জায়গা তৈরি হলে সেটা অন্যরকমভাবে থেকে যায়। এই নিয়ে কিছু লিখব কফিহাউজে।

  • ক্যাপাচিনো 1:31 am on February 17, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ধুম-৩, , হিন্দি সিনেমা   

    ব্লক বাস্টার – ২০১৩ 

    এই পোস্টটা না লিখলেও হত। মানে কিচ্ছু এসে যে তো না। দুটো সিনেমার গপ্পো – যা কিনা অনেকদিন হল বেরিয়েছে। এদ্দিনে যাদের দেখার তারা দেখে ফেলেছে। যাদের টাকা-পয়সার প্রশ্ন ছিল তাদের কাজ মিটে গেছে। আমার ধারনা আজকাল কোন সিনেমা দিনের পর দিন চলার প্রয়োজন হয় না – প্রথম দু-তিন সপ্তাহেই কাজ মিটে যায়, আর এর জন্য দায়ী মাল্টিপ্লেক্সে টিকিটের দাম, যা মনে হয় না কোন নিয়মের তোয়াক্কা করে। তোমার পয়সা থাকলে তুমি দেখ, না হোলে দেখো না। হুজুগে সব্বাই সামিল। আর বাকিটা তো ইতিহাস।

    দেশে থাকলে হয়তো আমিও এর ব্যতিক্রম ছিলাম না – কিন্তু দেশের বাইরে থাকায় এই দুটি সিনেমা অনলাইন দেখেছি অনেক দিন বাদে। ক্রিশ-৩, ধুম-৩। ধুমের সাথে আমার একটা আত্মিক যোগাযোগ আছে। আমি চাকরি পাওয়ার পর প্রথম নিজের টাকায় টিকিট কেটে যে সিনেমাটি দেখি তা হল ধুম। সেই থেকে দশ বছর কেটে গেল। এসিপি এখনও এসিপিই আছেন। সিনেমায় চুরি হয়ে যাওয়ার পরে ডাকসাইটে ডিটেকটিভ এসে বলেন আমার মনে হচ্ছে এর পেছনে আছে চোর। অনেকটা সেই সোনি টিভিতে সিআইডি সিরিয়ালে যেরকম এসিপি একটি মোবাইল হাতে তুলে নিয়ে বলেন – আরে দয়া, ইয়ে তো ফোন হ্যায়, অনেকটা সেই রকম। যাই হোক, দশতলা বাড়ির ছাত থেকে বার বার দেখা যায় টাকা উড়ছে। চুরি কি করে হল, তা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য নেই। তাও ঠিক ছিল – এক কালে ডনে যেরকম টাইট রোপ ওয়াক দেখা গেছিল, এখন সেরকম টাইট রোপ বাইকিং দেখা যায়। প্রথম সারির হিরোয়িনকে স্ট্রিপটিজ করতে দেখা যায় – এগুলোই তো ২০১৩ র পাওনা। নিন্দুকে নাকি বলে ঐ যে ক্রিস্টোফার নোলানের প্রেস্টিজ নামের কি একটা সিনেমা ছিল, যার থেকে আইডিয়াটা ঝাপা – আরে দুর মশাই, প্রেস্টিজ নকল করলে চলে? চৌখশ দর্শকদেরও প্রেস্টিজ পকেটে পুরে সিনেমাটা দুবার দেখতে হয়। না না – ধুম এক্কেবারে আদ্যোপান্ত ভারতীয়।

    কৃশ – ৩ কি করে ৩ নম্বর হল সেটা আমরা অনেকেই বুঝিনি – আগের সিনেমাটির নামই তো কৃশ ছিল? যাই হোক, সব দেখে শুনে বুঝেছি, জটায়ুর মত মুখে আঙুল দিয়ে – না না কোন প্রশ্ন নয় বলাটাই শ্রেয়। কল্পবিজ্ঞানের হাত ধরে ভারতীয় সিনেমার শুরুটা ভালোই হয়েছিল। বিজ্ঞানের মধ্যে যাচ্ছি না – আমার প্রশ্নটা অন্য যায়গায় – কল্পবিজ্ঞান ভাবতে গেলে কি এক্স মেন সিরিজটার খুব দরকার ছিল? হিন্দি সিনেমা কোনদিনই মৌলিকতার দাবি রাখেনি। যে সিনেমার শুরু ইটির হাত ধরে, তার কাছে বেশি আশা করার দরকারটাই মনে হয় ছিল না। এই সিনেমার গল্প লিখতে নাকি পাঁচ বছর ধরে রাকেশ রোশন চিন্তা করেছেন। আমি বুঝেছি কেন – টাকে চুল নেই তো? ছিঁড়বেন কি? তাই গল্পটা লিখতে এত দেরী।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:36 pm on February 19, 2014 Permalink | Reply

      ছবিগুলো আমার দেখা হয় নি। টিভিতে না দিলে দেখা হয় না (আজকাল অবশ্য এভাবেও দেখা হয়ে ওঠে না নানা কারনে), তাই ছবি সম্পর্কে কোন কথা বলতেই পারব না, তবে কৃশ কি করে ৩ নং হল এটা আমিও অনেক সময় ধরে ভেবেছিলাম তখন। তাহলে আগে কি আমার অজান্তে আর দুটো হয়ে গেছে ? ভেবেছিলাম হবেওবা, আমাকে যে সবই জানতে হবে এমন দিব্যি কে দিয়েছে ?

      • ক্যাফে ক্যাপাচিনো 6:32 pm on February 24, 2014 Permalink | Reply

        কেশব নাগের অঙ্ক বইটা এই জন্যেই খুব দরকার – মানে যারা এইসব সংখ্যাতত্ত নিয়ে চর্চা করেন আর কি।

  • ক্যাপাচিনো 1:59 am on January 30, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    পিট সিগার চলে গেলেন 

    কিংবদন্তী আমেরিকান গায়ক পিট সিগার চলে গেলেন – ৯৪ বছর বয়সে, নিউইয়র্ক শহরে। ওনার সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ কিছু জানতাম না – কিছু গানে প্রতিবাদের ভাষাকে সেলাম না জানিয়ে পারিনি। সাধারনভাবে উই শ্যাল ওভারকামের জন্যই হয়তো আমরা চিনি পিট সিগারকে। তাই আজ জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দের গানটি আজ শেয়ার করলাম।

     
  • ক্যাপাচিনো 12:34 am on January 23, 2014 Permalink | Reply
    Tags: ,   

    বিলেতের গপ্প – ১ 

    কদিন প্রচন্ড ঠান্ডার প্রকোপ কাটিয়ে এই সবে একটু চাঙ্গা হয়েছি। মনে হচ্ছে এবার আস্তে আস্তে আড্ডায় ফেরা যাবে।

    আজকে একটা মজার ঘটনা বলি। কদিন আগে একটু গাজরের হালুয়া করে অফিসে নিয়ে গেছে আমার এক জুনিয়ার। তা আমি একটু চেখে বললুম, নেহাত মন্দ হয় নি – যা সায়েব’দেরও এক চামচ করে খাইয়ে আয়। প্রথমে সন্দেহের চোখে দেখলেও এক চামচ খাওয়ার পরে সব্বাই দেখি ঠোঁট চাটছে। তা কি আর করা যাবে, স্টক ততক্ষনে শেষ।

    এরপর একজন আমাকে এসে বলেই বসলে – ব্যাপারটা কি বাড়িতে ম্যানেজ করা যায়? মানে রান্না করে? আমি অবাক হয়ে বললাম কেন করা যাবে না – কিন্তু তোমার কি সেই ধৈর্য আছে? তাতে সে খুব আগ্রহ নিয়ে আমার কাছে গাজরের হালুয়া রান্না করা শিখলে। গত শনি-রবি তার রান্না করার কথা।

    এই অবধি সব ঠিক ছিল, কিন্তু অবাক হলাম এই সপ্তাহে একদিনও তাকে অফিসে না দেখে। কেউ জিজ্ঞেস করলেই বলে, বাড়ি থেকে কাজ করছি – এই কালকেই আসব। আমি আর ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করতে পারছি না – ঠিক কি রেঁধেছিলে আর কি খেয়েছিলে।

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel