Updates from ক্যাপাচিনো Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • ক্যাপাচিনো 3:41 pm on October 22, 2015 Permalink | Reply  

    বছর পাঁচেক আগের কথা। কার্ডিফে থাকাকালীন একবার বাড়ি বদলাচ্ছিলাম। বিয়ের পরপর প্রথম আমাদের নিজেদের সংসার বলতে ছিল কার্ডিফের নেভিল স্ট্রিটের ঐ ফ্ল্যাটটাই – অনেক স্মৃতি জড়িয়েছে। ঘরদোর মোটামুটি পরিষ্কার করে টিনা ফিরে গেছে দেশে। আমি বাড়িটা ছাড়ার আগে শেষবারের মত দেখছি কোথাও কিছু পড়ে আছে কিনা।

    এমন সময় টেবিলের তলায় দেখলাম একটা বেলুন। এতদিন পরেও মনে থাকার কথা নয়, কিন্তু থাকার কারন হল সেটাকে ফোলান হয়েছিল কিছু না হলেও মাস তিনেক আগে। শীতের দেশ বলে কি না জানি না – কোনও এক কারনে সেযাত্রা বেলুনটা টিকে ছিল। যাইহোক, গল্পটা বেলুন নিয়ে নয়, পুজো নিয়ে। টাইমলাইন ঘেঁটে পুজো অনেকবারই হয়েছে, কিন্তু দশমীর দিনে ঠাকুর ভাসান হয়নি এটা বোধহয় আমি আগে দেখিনি।

    আজকে সেই বেলুনটার কথা মনে পড়ছে – যেন সারা বছর ধরে কত সাধ আহ্লাদ করে পুজোর কটা দিন আনন্দে কাটাব বলে বেলুনটা ফুলিয়েছিলাম। এখন পুজোর সময় শেষ, অথচ সেই জমান আনন্দটুকু আটকে পড়ে আছে বেলুনের মধ্যে। বিজয়া না বিসর্জন, বিসর্জন না বিজয়া এই টানাপোড়েনে মা আটকে থাকবেন আরও কয়েকটা দিন। আর আনন্দের বেলুনটা চুপসে আসবে একটু একটু করে।

     
  • ক্যাপাচিনো 4:23 am on October 7, 2015 Permalink | Reply  

    ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্সে দাঁড়িয়ে আছে দুজন। আড়চোখে মেপে নিলাম একবার – এগ ডেভিল আর ফিশ ফিঙ্গার। এরা কোন সমস্যাই নয়। সমস্যাটা হচ্ছে চকোলেট কেকের মত একটা সাংঘাতিক ডিঅ্যাপিটাইজার, যেটা জন্মদিনের পারফরম্যান্স কমিয়ে দেয়। ওদের কাটিয়ে গেলাম অবলীলাক্রমে। মাঝমাঠে পোলাও – শুধু পোলাও তো না মূর্তিমান কোলেস্টেরল যমদূত ঘি চপচপ করছে। এখানে কোন ট্যাকটিক্স খাটবে না – পুরোটাই পাওয়ার প্লে। মাঝে মাঝে স্যালাডের হালকা ড্রিবলের সাথে মাটনটাকে নামিয়ে নেওয়া। পেনাল্টি বক্সের বাইরে স্টার ডিফেন্ডার – পায়েস। গোবিন্দভোগ চালের মধ্যে হালকা গুড়ের স্বাদ। প্রচন্ড ক্যালকুলেশন দরকার এই জায়গায়। তার পরেও দুজন বক্স আগলে বসে – চকোলেট মিষ্টি আর পান্তুয়া। তাবড় তাবড় খেলোয়াড় হার মেনে গেছে এদের সামনে। কিন্তু গোলকিপার – আহা দই ব্যাপারটা শেষপাতে মাখন। শেষে একটা সিগনেচার ঢাকুর। আহ – মাঠে নেমে সবাইকে একা কাটিয়ে গোল দেওয়া, সে কি আর চাট্টিখানি কথা?

    জন্মদিনের স্মৃতি’১৫

     
  • ক্যাপাচিনো 7:14 pm on October 5, 2015 Permalink | Reply  

    অনেক দিন আগের কথা – অপিসে চারটি এক্কেবারে নগন্য, নাট্যে উপেক্ষিত শ্রমিক ফ্লোরের এক্কেবারের কোনায় বসতাম। আমাদের গ্রুপের নাম দিয়েছিলাম – সিডিজি অর্থাৎ কিনা কর্ণার ডিজাইন গ্রুপ। আমাদের কাজ, গল্প আড্ডা সবই ঐ চারজনের মধ্যে। এর মধ্যে একবার আমার জন্মদিন আসতে কিন্তু কিন্তু করছি। সব্য জিজ্ঞেস করল, ‘কি হয়েছে অভ্র’দা?’
    বললাম, ‘এই যে বয়স বাড়ছে, জন্মদিন পালন করা আমার ঠিক পোষায় না। ‘
    সব্য অম্লানবদনে বললে, ‘খুব সহজ সলিউশন। এখন কাউকে বয়স জিজ্ঞেস করলে বলবে থার্টি প্লাস। চল্লিশ হলে তখন আবার বয়সটা বলবে। টকিং অ্যাবাউট এজ ইন ইয়োর থার্টিজ ইজন্ট কুল, ইউ নো।’
    সেই হিসেবে আমি থার্টি প্লাস। দুদিন ধরে জন্মদিন পালন করবে, বলে রুপু উঠে পড়ে বসেছে। বায়না করে কেক এনেছে, মোমবাতি, টুপি এইসব। কিন্তু যাবতীয় হইচই করার পরেও জন্মদিন পালন করার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে সে পুরো ম্যাজিকের মত ঘুমিয়ে পড়ল। কেক পড়ে রইল। মনে মনে বললাম, থাক, জন্মদিনটা ঠিক আমার নয় – রুপুর ড্যাডির।

     
  • ক্যাপাচিনো 6:02 am on September 23, 2015 Permalink | Reply  

    গত রবিবার আমাকে টুকরো টুকরো টেস্ট পোস্ট দিতে দেখে কৌতুহলী হয়েছিলেন কেউ কেউ। তাই মনে হল খবরটা দেওয়া জরুরি। যদিও খুব নতুন না – বছর দুই আগের অন্তত:।

    আইএফটিটিটি বলে একটি সাইট বাজারে এসেছিল। তারা সম্প্রতি সেল্ফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেসের সঙ্গে ইন্টিগ্রেট করে একটা প্যাচ দেওয়ায় বাংলা ব্লগিং বেশ উৎসাহ বেশ একটু বেড়ে গেল – কারন এমন অনেক কথাই থাকে, যা নিয়ে দু লাইন লিখলে মন্দ হয় না বা হয়তো পথচলতি ট্রাফিক ভুলতে মোবাইলেই দ্দিব্যি লিখে ফেলা যায় কিছু না কিছু, কিন্তু সেই সব লেখা যাবে কোথায় এইটে ভাবা মুশকিল। হারিয়ে তো যেতে দেওয়া যায় না। তাই ফেসবুক পোস্টের সাথে কফিহাউসের আড্ডাকে জুড়ে ফেললাম খুব সহজে, আর মনে হল ভাগ্যিস সাইটটা ফেলে দিইনি। হ্যাশট্যাগ দেওয়া লেখাগুলো এখন থেকে থাকবে সাইটেও (coffeehouseradda.in) । কেউ যদি ব্যাপারটা শিখতে চান, যোগাযোগ করতে পারেন।

     
  • ক্যাপাচিনো 2:17 pm on September 20, 2015 Permalink | Reply  

    প্রথমবারে কাজ হল না – দ্বিতীয়বারে যদি হয়। ফেসবুক অটোমেটেড টেস্টিং পার্ট ২।

     
  • ক্যাপাচিনো 10:53 pm on July 13, 2014 Permalink | Reply
    Tags: আর্জেন্টিনা, ফুটবল   

    মেসি মেসিই – মারাদোনা মারাদোনাই 

    messi

    খেলাটা দেখে মন খারাপ হয়েই গেল। সেই কবে থেকে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ হাতে দেখার ইচ্ছে।
    চব্বিশ বছর আগের খেলা দেখেছিলাম প্রায় বাবার কোলে বসে – সাদা কালো টিভিতে। আর আজকে দেখলাম মেয়েকে কোলে নিয়ে। আর্জেন্টিনার খেলার কোন ছন্দ খুঁজে পেলাম না। মেসির বাড়িয়ে দেওয়া কয়েকটা পাস দলের অন্য কেউ নিতেই পারল না? খেলাটা হঠাত করে ডিফেন্সিভ হয়ে গেল কি যুক্তিতে? আর যে ভুল গুলো হয়েছে, সেগুলো বিশ্বকাপ ফাইনালে কি মেনে নেওয়া যায়?

    জার্মানি প্রথম থেকে সমান গতিতে খেলে গেল। ইতালিতে যে বিশ্বকাপ জিতেছিল সেই দলটা বোধহয় ছিল পশ্চিম জার্মানি – সংযুক্ত জার্মানির বোধহয় এটাই প্রথম জয়। লাতিন আমেরিকান ফুটবলের প্রতি যে বিশ্বাস, যে শ্রদ্ধা ছিল – তা ভবিষ্যতে আর থাকবে কিনা জানি না। মেসি নামটা ফুটবল ইতিহাসে সোনার বলের সঙ্গে থাকবে, কিন্তু মারাদোনার সাথে এক সারিতে বোধহয় নয়।

     
    • ভাঁড়ের চা 12:51 pm on July 14, 2014 Permalink | Reply

      ঘুমে কাদা ছেলে কোলে বসিয়ে আমিও দেখেছিলা মারাদোনার সেই ফাইনাল! ভবিষ্যতে সে রকম খেলা দেখার কোন সম্ভাবনা দেখছি না। আজও ছিল না। সে কারনেই রাত জাগিনি। কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা দেখে একটু আশা জেগেছিল, তাই লিখেছিলাম আর্জেন্টিনার পক্ষে কফিহাউসের আড্ডায়।
      মারাদোনার খেলার কিছু কিছু ঝলক মাঝে মাঝে দেখিয়েছে এ ক’দিন। কি খেলা! এসবই দেখা, কিন্তু স্মৃতি সহায় ছিল না বলে সময়মত মনে পড়ছিল না। তাই আগে লিখি নি।
      গ্রুপ অফ ১৬-এ ব্রাজিলের খেলা দেখে ওদের ১৩/৭/১৪ রিওতে ঢোকার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলাম! জার্মানির কথা একবার মনে এলেও কাগজগুলির এত ‘মেসি মেসি’ শুনে ওদের কথা ভুলে গেছিলাম। এটাই হওয়ার ছিল, হয়েছে।

  • ক্যাপাচিনো 8:12 am on July 3, 2014 Permalink | Reply
    Tags: তাপস পাল   

    এটা সোজা ফেসবুক থেকে কপি পেস্ট। না দিয়ে পারলাম না। “তাপস পাল কে নিয়ে বাঙালির নতুন কিছু গালাগালির নমুনা : ১। ছেলেটা হাতে কাঁচা টাকা পেয়ে পুরো তাপসপাল হয়ে গেল ! ২। মেয়েদের দিকে তাপসপালের মত তাকাতে লজ্জা করে না ! ৩। আপনি মানুষ না তাপসপাল ! ৪। স্যর বাইরে কিছু তাপসপাল এসেছে পার্টির চাঁদা চাইতে।”

    Citation
     
  • ক্যাপাচিনো 11:33 pm on July 1, 2014 Permalink | Reply
    Tags: খেলাধুলো, জার্মানি, ফিফা,   

    বিশ্বকাপে 

    ছোটবেলা থেকে মারাদোনার ফ্যান। আমার দেখা প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ ইতালি ১৯৯০ – জার্মানির কাছে সেই হারের দুঃখ বোধহয় কোনদিনও ভুলব না। আর তার পর থেকে প্রত্যেকবারই আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে বসলে কোন না কোন রকম ভাবে স্বপ্নভঙ্গ হবে – এবারেও মেসি বাদে কোম্পানির যা দৌড় দেখলাম, তাতে দলটাকে নিয়ে খুব একটা ভরসা করা যাচ্ছে কি?

    কি হবে এবারের বিশ্বকাপে? সব পছন্দের খেলা দেখে উঠতে পারছি টিভির অভাবে, তবে যেটুকু দেখেছি তাতে অনামী অনেক দেশের খেলাই দারুন লাগছে। যেদিন উরুগুয়ের সাথে কোস্টারিকার প্রথম ম্যাচটা দেখেছিলাম, সেদিনই মনে হচ্ছিল এই দলটা এগোবেই। তাদের কোয়ার্টারফাইনালে যেতে দেখে ভালো লাগছে। যে নেদারল্যান্ডস স্পেনকে ভরাডুবি করাল, মেক্সিকোর সামনে তো তাদের বেশ ফিকেই মনে হচ্ছিল। নেহাত কপালজোর না থাকলে ঐ ম্যাচ – ওভাবে? আর ব্রাজিল – যাই হোক।

    আলজিরিয়াকে জার্মানির কাছে হারতে দেখে কষ্টই হল – রবিবার খেলার কমেন্ট্রিতে শুনলাম ১৯৮২ সালে যখন আলজিরিয়া প্রথম খেলতে আসে বিশ্বকাপে, তখন তারা জার্মানিকে হারিয়ে দেয় প্রথম ম্যাচে। জার্মানি খেলার আগে প্রচন্ড আত্মতুষ্টিতে ভুগছিল। নাকি এমন কথাও বলেছিল যে হারলে পরে তাদের কোচ পরের দিন সকালের ট্রেনে ফিরে যাবে (বিশ্বকাপ সেবার বসে ছিল স্পেনে) – তা তিনি জাননি বটে, কিন্তু গ্রুপ লিগের শেষ খেলা জার্মানি গড়াপেটা ম্যাচ খেলে অস্ট্রিয়ার সাথে – যাতে তারা দুজনেই সেকেন্ড রাউন্ডে যায়, আর আলজিরিয়াকে ফিরতে হয়। বিশ্বকাপের একটা কালো অধ্যায় বললেও কম। এই ঘটনার পর থেকে প্রথম রাউন্ডের শেষ ম্যাচগুলি আরম্ভ হয় এক সময়ে। আপনারা কেউ চাইলে সেই ইতিহাস পড়ে দেখতে পারেন এখানে

    বত্রিশ বছর পর দুই দেশ খেলতে নামল। আর একটু হলে ইতিহাস বদলেই যাচ্ছিল। কিন্তু আমার কাছে এবারের বিশ্বকাপে মেক্সিকো, চিলি, আলজিরিয়া বা কোস্টারিকা – সবাই একটা আলাদা জায়গা করে নিল।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:22 pm on July 2, 2014 Permalink | Reply

      আমি সব বিষয়ে একেবারে সহমত। শুধু একটা কথা বলব মারাদোনা সম্পর্কে। ১৯৯০ তে ফাইনাল দেখে আমারও খুব খারাপ লেগেছিল, ফাইনাল খেলার নিষ্পত্তি পেনাল্টিতে, এই ব্যাপারটা মানা যায় নি। ঐ বছর মারাদোনা তার আসল ফর্মে ছিলেন না। সেটা দেখতে হলে কয়েকটা ভিডিও, বিশেষ করে ইংল্যান্ড ম্যাচ আর ফাইনাল দেখতে হবে। এই দুটো দেখলে মারাদোনার ফর্ম কি ছিল সেটা বোঝা যাবে! ইংল্যান্ডের সাথে একটা গোল ছিল ‘হ্যান্ড অফ গড’ আর পরেরটা ছিল ‘গোল অফ দি সেঞ্চুরি’। এখনকার খেলোয়াড়েরা তেমন গোল ভাবতেই পারবেন না।
      ১৯৭৮, ১৯৮২, ১৯৮৬ তে যে উত্তেজক এবং স্কিলের খেলা হয়েছিল , মেসি-নেইমারদের কথা মনে রেখেও বলা যায় তেমনটি আর হয়ও নি আর হবে বলেও মনে হয় না! বড় এবং নামী খেলোয়াড়ের বদলে, দেশীয় অনামি এবং ফ্রেশ খেলোয়াড়েরা বোধ করি ভাল খেলবেন । ছোট দলের খেলায় সেটাই প্রমানিত হল এবার।
      নামী আর প্রিয় দলের খেলা এত খারাপ লেগেছিল গতকাল(১/৭/১৪) যে অতিরিক্ত সময়ের খেলা দেখার উৎসাহ হয় নি, ঘুমটা বরবাদ করতে চাই নি। রেজাল্ট সকালে টিভিতে জেনেছি।
      দুবছর আগে কনফেডারেশন কাপে স্পেন ব্রাজিলের কাছে যে ভাবে নাস্তানাবুদ হয়েছিল, তখনই কিন্তু এবারের ফলাফল সম্পর্কে আন্দাজ করা যাচ্ছিল। কোচ কেন বুঝলেন না বলতে পারব না!

      • ক্যাফে ক্যাপচিনো 8:18 am on July 3, 2014 Permalink | Reply

        এক্কেবারে ঠিক কথা – ৯০ তে মারাদোনা মোটেও সেরকম ফর্মে ছিলেন না। আর সেই চোখ জুড়নো ফুটবল বুঝি আর দেখতেও পাওয়া যাবে না। এবারের বিশ্বকাপে দু একটা শট, কিছু দারুন গোলকিপিং আর মেসির ঐ ফ্রিকিক ছাড়া সেরকম কিছু চোখে পড়ল না।

  • ক্যাপাচিনো 9:51 pm on June 6, 2014 Permalink | Reply
    Tags:   

    আবার বিশ্বকাপ এসে গেল। সেই ছোটবেলা থেকে যতবার দেখছি (১৯৯০ এ ইতালির বিশ্বকাপ থেকে) আর্জেন্টিনা একবারও চ্যাম্পিয়ান হতে পারল না। যাই হোক, খেলার শৈলী ও কৌশল যতই বদলাক না কেন, বাঙালির কাছে ফুটবল ফুটবলই থাকবে – তা সে দেশের ফুটবলে কোন উন্নতি হোক বা না হোক। এদিকে ব্রাজিল তৈরি হচ্ছে তো ভালোই। যদিও এবারে কার দল কেমন জানি না – তবে প্রাক বিশ্বকাপ আমেজে যে একটা দারুন ভিডিও দেখে মন ভালো হয়ে গেল, আর তাই সেটা কফিহাউজের আড্ডায় শেয়ার না করে পারলাম না। উত্তেজনা ছড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে এটুকুই যথেষ্ট।

     
    • ভাঁড়ের চা 1:32 pm on June 7, 2014 Permalink | Reply

      ১৯৭৮ আর ১৯৮৬তে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ১৯৭৮ এর ফাইনাল খেলার ভিডিও দেখেছিলাম পরে, কিন্তু ১৯৮৬তে ‘লাইভ’ দেখেছিলাম। গোটা টুর্নামেন্টে মারাদোনা যা খেলেছিলেন তার তুলনা মেলা ভার। পেলের খেলা দেখা হয় নি,তাই আমার বিচারে সেরা কে সেটা বলা যাবে না। তবে মারাদোনা যে কি জিনিষ সেটা ইংল্যান্ড ম্যাচে দেখা গিয়েছিল। এই ম্যাচের দু’টো গোলের ঝলকের একটা ভিডিও’ ইউ টিউব’এ দেখা যেতে পারে। এতে ‘হ্যান্ডস্‌ অফ গড’ মার্কা গোলটাও রয়েছে।

    • এসপ্রেসো 10:18 am on June 13, 2014 Permalink | Reply

      :sorry ব্রাজিলের খেলা ভালো লাগেনি…

      • ভাঁড়ের চা 1:24 pm on June 15, 2014 Permalink | Reply

        রাত জেগে খেলা দেখা যাবে না, মানে পারব না। তাই ৯-৩০ এ যা হয় তাই দেখতে হবে। এর মাঝে ব্রেজিল নেই বোধ হয়! তবে যখন ‘নক আউট’ (পরের রাউন্ড) শুরু হবে তখন এক আধবার কি আর না দেখব ?

  • ক্যাপাচিনো 12:02 am on May 22, 2014 Permalink | Reply  

    ইংজিরি 

    ইস্কুলে থাকতে একটা ওয়ার্ডবুক ছিল – বাংলা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ শেখার জন্য। আজকাল তার মধ্যে গোটা তিনেক নির্ঘাত ভুল ধরেছি।
    ঢ্যাঁড়শ ছিল লেডিস ফিঙ্গার
    বেগুন ছিল ব্রিঞ্জল
    আর জবাফুল ছিল চায়না রোজ।

    কিছুদিন বিদেশবাসের পর জানলাম – ইংরেজরা এইরকম নাম করেছে
    ঢ্যাঁড়শ-ওকরা
    বেগুন – অবার্জিন
    জবাফুল – হিবিস্কাস।

    কোনদিন ইস্কুলে ফিরে গিয়ে যদি একবার মাস্টারমশাইকে হাতে পাই।

     
c
Compose new post
j
Next post/Next comment
k
Previous post/Previous comment
r
Reply
e
Edit
o
Show/Hide comments
t
Go to top
l
Go to login
h
Show/Hide help
shift + esc
Cancel