মজারু ৩ – অথ রসগোল্লা উবাচ

আগের মজারু


সেদিন সন্ধ্যের সময় মিষ্টির দোকানে গেছি রসগোল্লা কিনতে। বললাম – “গোটা পনের দাও?”
দোকানদারনী বললে, “৬ টাকার টা না দশ টাকার টা?”
গামলায় সাজান দুটো সাইজের দিকে তাকিয়ে দেখে বুঝলাম যে দশটাকার রাজভোগগুলো বড্ডই বড় হয়ে যাবে, বললাম, “ছোটটাই দাও”
দোকানদারনী একবার রসগোল্লার সাইজ আর একবার আমার সাইজ মেপে বললে,”ছোটটায় হবে?”
লজ্জায় পড়ে বললাম,”খুব হবে। হবে নাই বা কেন?”
সে কথা না বাড়িয়ে হাঁড়িতে রসগোল্লা তুলতে শুরু করলে। গোটা পনের তোলার পরেও দেখা গেল ভাঁড়ের বেশ কিছুটা খালি আছে। দোকানী আমার দিকে চেয়ে হেসে বললে, “আর পাঁচটা দিয়ে দেব? গরম তৈরি হল সবে”
আমি অন্য সময় হলে হ্যাঁই বলে ফেলতাম, এবার অনেক কষ্টে সংবরন করে বললাম, “না না ঐ কটাই থাক”
সে মুড়ে টূড়ে আমার হাতে প্যাকেট তুলে দেওয়ার পরেই দেখলাম পাশে অমৃত্তি ভাজা হচ্ছে। আর লোভ সামলাতে পারলাম না। দর করে ফেললাম।
দোকানী এক গাল হেসে ঠোঙায় ভরতে ভরতে বললে – “অমৃত্তিই যখন নিলে তখন আর পাঁচটা রসগোল্লা খেলে আর কি ক্ষতি হত?”

  • শুধু খাওয়া দাওয়ার জন্যই কলকাতা এক নম্বরে।