ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্সে দাঁড়িয়ে আছে দুজন। আড়চোখে মেপে নিলাম একবার – এগ ডেভিল আর ফিশ ফিঙ্গার। এরা কোন সমস্যাই নয়। সমস্যাটা হচ্ছে চকোলেট কেকের মত একটা সাংঘাতিক ডিঅ্যাপিটাইজার, যেটা জন্মদিনের পারফরম্যান্স কমিয়ে দেয়। ওদের কাটিয়ে গেলাম অবলীলাক্রমে। মাঝমাঠে পোলাও – শুধু পোলাও তো না মূর্তিমান কোলেস্টেরল যমদূত ঘি চপচপ করছে। এখানে কোন ট্যাকটিক্স খাটবে না – পুরোটাই পাওয়ার প্লে। মাঝে মাঝে স্যালাডের হালকা ড্রিবলের সাথে মাটনটাকে নামিয়ে নেওয়া। পেনাল্টি বক্সের বাইরে স্টার ডিফেন্ডার – পায়েস। গোবিন্দভোগ চালের মধ্যে হালকা গুড়ের স্বাদ। প্রচন্ড ক্যালকুলেশন দরকার এই জায়গায়। তার পরেও দুজন বক্স আগলে বসে – চকোলেট মিষ্টি আর পান্তুয়া। তাবড় তাবড় খেলোয়াড় হার মেনে গেছে এদের সামনে। কিন্তু গোলকিপার – আহা দই ব্যাপারটা শেষপাতে মাখন। শেষে একটা সিগনেচার ঢাকুর। আহ – মাঠে নেমে সবাইকে একা কাটিয়ে গোল দেওয়া, সে কি আর চাট্টিখানি কথা?

জন্মদিনের স্মৃতি’১৫