অনেক দিন আগের কথা – অপিসে চারটি এক্কেবারে নগন্য, নাট্যে উপেক্ষিত শ্রমিক ফ্লোরের এক্কেবারের কোনায় বসতাম। আমাদের গ্রুপের নাম দিয়েছিলাম – সিডিজি অর্থাৎ কিনা কর্ণার ডিজাইন গ্রুপ। আমাদের কাজ, গল্প আড্ডা সবই ঐ চারজনের মধ্যে। এর মধ্যে একবার আমার জন্মদিন আসতে কিন্তু কিন্তু করছি। সব্য জিজ্ঞেস করল, ‘কি হয়েছে অভ্র’দা?’
বললাম, ‘এই যে বয়স বাড়ছে, জন্মদিন পালন করা আমার ঠিক পোষায় না। ‘
সব্য অম্লানবদনে বললে, ‘খুব সহজ সলিউশন। এখন কাউকে বয়স জিজ্ঞেস করলে বলবে থার্টি প্লাস। চল্লিশ হলে তখন আবার বয়সটা বলবে। টকিং অ্যাবাউট এজ ইন ইয়োর থার্টিজ ইজন্ট কুল, ইউ নো।’
সেই হিসেবে আমি থার্টি প্লাস। দুদিন ধরে জন্মদিন পালন করবে, বলে রুপু উঠে পড়ে বসেছে। বায়না করে কেক এনেছে, মোমবাতি, টুপি এইসব। কিন্তু যাবতীয় হইচই করার পরেও জন্মদিন পালন করার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে সে পুরো ম্যাজিকের মত ঘুমিয়ে পড়ল। কেক পড়ে রইল। মনে মনে বললাম, থাক, জন্মদিনটা ঠিক আমার নয় – রুপুর ড্যাডির।