নববর্ষের হেডলাইন!

অন্যত্র একবার Happy New Year বলেও ধন্দে পড়ে গেছি। মাস আষ্টেক আগেই একবার “শুভ নববর্ষ” জানিয়ে ছিলাম কাউকে কাউকে, আবার তাদেরকে মাস চারেক পরে একবার জানাতে হবে সেই রেশ বজায় রাখতে। এর মাঝে আবার এখনও একবার জানালে কেমন যেন ঘেঁটে যাচ্ছে ব্যাপারটা, তাই না! তাই এখানে আবার ঐ কথাটা জানাতে একটু কেমন ইয়ে লাগছে, আবার ত সেই ঘাঁটাঘাঁটিই হয়ে যাবে!
যাক গে। অনেকেই খেয়াল করেন নি একটা জিনিষ। কলকাতার এক বাংলা কাগজের গত ১লা জানুয়ারির সংস্করনের প্রথম পাতাটা দেখলে একটা বিষয় নজরে পড়বেই। প্রায় সব মূল খবরই মহিলাদের নিয়ে। সব নতুন প্রজন্মের মহিলা। এমন আর কখনও ইতিপূর্বে দেখেছি কি ? মনে ত পড়ে না!
তিনটা মূল খবরের প্রধান হলেন কলকাতার ফুটবল মাঠের মহিলা রেফারি, যাঁর নাম কণিকা বর্মন! বড় দল ইষ্টবেঙ্গল- রেলওয়ে এফ সি ‘র খেলা দাপটের সাথে পরিচালনা করে মাঠে নতুন ইতিহাস গড়লেন। দ্বিতীয় জন হলেন খ্যাতনামা সাহিত্যিক নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়ের নাতনি, জয়ন্তিকা। গোয়ন্দা প্রবর শার্লক হোমসের রহস্যতত্বের খোঁজ খবর করা নিয়ে ‘হোমস সূত্রা’ নামে একখানা বই লিখেছেন যা সাড়া ফেলে দিয়েছে তথ্যাভিজ্ঞ মহলে। আর শেষ মহিলা হলেন শামিমা আনসারি, যিনি মোটর সাইকেলের পেছনে বসে গলার হার ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন! এঁর ওপর এখন স্বীকৃতি আর পুরষ্কারের বর্ষন চলছে, যা সর্বান্তকরনে সমর্থনযোগ্য।
বছরের প্রথম দিনে এই তিন সেলিব্রিটি প্রাপ্তি বঙ্গজদের পক্ষে নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়।