জাপানি সুন্দরীদের হাসি এবং বিরাট বড় বার্গার

সব দেশেই সৌন্দর্যের কিছু মাপকাঠি থাকে। সেগুলি বেশিরভাগই সমাজের তৈরি করা। যেমন আমাদের দেশে, কালো হলে সেই মেয়ে সুন্দরী নয়, মোটা মেয়ে সুন্দরী নয়, ইত্যাদি। জাপানিদের একটা সেরকম মাপকাঠি হল সুন্দরী মেয়েদের মুখের হাঁ বড় হলে চলবে না। যতটা ছোট হওয়া সম্ভব, ততই ভাল। এমনই অবস্থা , যে খাবার খাওয়ার সময়েও বড় গ্রাস নিতে পারবে না। তাই জাপানী সুন্দরীরা, যতই ইচ্ছা থাক, বড় বড় বার্গার নাকি খেতে পারছিলেন না। মানে, উল্টোদিকে বালকবন্ধু হয়ত গবগবিয়ে জাম্বো সাইজ বার্গার খাচ্ছে, কিন্তু মেয়েটি মুখ বন্ধ করে জুসের স্ট্র তে টান দিচ্ছে। তা এই ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এক বার্গার বিক্রেতা সংস্থা সব থেকে বড় মাপের বার্গারের সাথে , তার থেকেও বড় মাপের একটা করে র‍্যাপার দেওয়ার ব্যবস্থা করল, যাতে সেই র‍্যাপারের আড়ালে ক্রেতা মেয়েটি মনের আনন্দে যত বড় খুশি হাঁ মুখ করে বার্গার গবগবিয়ে খেতে পারে, আর সেটা আশেপাশের লোকেদের দৃষ্টিকটু না মনে হয় !! এই র‍্যাপারের সামনের দিলে আবার স্মিত হাসিমাখা এক জোড়া ঠোঁটের ছবি আছে। এবং দেখা গেছে, এই ব্যবস্থার পরে, মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে বড় মাপের বার্গার কেনার প্রবণতা ২১৩% বেড়ে গেছে !!

এই পুরো বিষয়টা নিয়ে একটা মজার ভিডিও রয়েছে এই লিঙ্কেঃ

ভাগ্যিস, আমাদের দেশে এরকম কোন নিয়ম নেই। নাহলে ফুচকা আর এগরোল খাওয়ার সময়ে যে কি বিপত্তি হত !!