উত্তরাখন্ড এবং…

দিনদুয়েক আগে, তান্ডবের পরে কেদারনাথ মন্দিরের প্রথম ছবি গুলি দেখে ফেস বুকে কমেন্ট করেছিলাম – ঈশ্বর স্বয়ং ধর্মের নামে ব্যবসায়ে তিতিবিরক্ত, তাই এই অঘটন ঘটিয়েছেন। যাতে অন্তত আগামি পাঁচ বছর ধর্মের নামে জালিয়াতি জোচ্চুরিগুলি বন্ধ থাকে, অন্তত ওই অঞ্চলে। কমেন্টটা বোধ হয় সবার খুব একটা পছন্দ হয়নি। ঠাকুর দেবতা নিয়ে এইরকম কথা বললে আবার বেশিভাগ লোকজন রেগে যায়।
কিন্তু এই দুর্যোগ নিয়ে যে পরিমাণে লেবু কচলানো হচ্ছে, তাতে তো মনে হচ্ছে, আমার কথাই ঠিক ছিল। রাজনৈতিক নেতারা চারিদিক থেকে ফায়দা তোলায় ব্যস্ত। কে কত মাইলেজ পেতে পারে। সাধারণ মানুষ ও পিছিয়ে নেই। সেদিন শুনলাম, এক বাটি ভাত বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। কেউ কেউ নাকি মৃতদের গা থেকে গয়না চুরি করে নিয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছে। যীশুর মত বলতে ইচ্ছা করছে – ওদের ক্ষমা কর, ওরা জানে না কি ভুল করছে।

আজ থেকে তো আবার বৃষ্টি শুরু হল।

হে দেবাদিদেব, রক্ষা কর!