ছেলে টাকে স্কুলথেকে আনতে যেতে পারি না আমাকে স্কুলে যেতে হয় বলে। এখন গরমের বন্ধ চলছে একরকম জোর করেই । সামনেই পঞ্চায়েত ভোট তাই গরমের ছুটি দিতে হলো এখনি, না হলে আমরা ঘোর বর্ষায় বন্ধ দেই। ১৫ তারিখের মধ্যে স্কুল খোলা রাখতে হবে ডি.এম.এর ওর্ডার ভোটের ট্রেনিং চলবে, ভোটের ডিউটি করতে হবে তাই।

ছেলে প্রাইভেট স্কুলে পড়ে। পরিবারের চাপে পরে ভর্তি করতে হয়েছিলো, তা নাহলে আমি চেয়ে ছিলাম আমার স্কুলেই পড়ুক। পয়সা বাঁচবে , মিড ডে মিলের জন্য বাড়ির খাবারও বাঁচবে। উহু, তোমাদের স্কুলে তো লেখাপড়াই হয় না। আমাদের স্কুলে যেনো মাধ্যমিকে কেউ পাশই করে না। বাড়ির সবার এক মত তাই অগত্তা।

যাই হোক সেদিন ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে গিয়ে ছিলাম দুজনেই, ভেন কাকুর ভুল বোঝাবুঝিতে। ছুটি হতে দেরি দেখে দুজনে হাঁটতে হাঁটতে তিস্তার পাড়ে গিয়ে উঠলাম । ওনেকদিন দুজনে পাশাপাশি হাঁটা হয়না। তিস্তার পাড়ে গিয়ে সেই উগ্র ঠান্ডা হাওয়ায় ওনেক দিনের জমে থাকা দুজনার গরম একে বারে ঠান্ডা বাতাসের মাঝে উবে গেলো। দশ টাকার বাদামে বরফ গলে জল। পড়ে ছেলেকে তিস্তার কথা না বলে একটা আইসক্রিম খাইয়ে বাড়ি এলাম।